a মিয়ানমারের জঙ্গিরা সেনাদের বিরুদ্ধে একজোট হতে শুরু করেছে
ঢাকা শনিবার, ১৫ ভাদ্র ১৪৩২, ৩০ আগষ্ট, ২০২৫
https://www.msprotidin.com website logo

মিয়ানমারের জঙ্গিরা সেনাদের বিরুদ্ধে একজোট হতে শুরু করেছে


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
বৃহস্পতিবার, ০১ এপ্রিল, ২০২১, ০১:১৪
মিয়ানমারের জঙ্গিরা সেনাদের বিরুদ্ধে একজোট হতে শুরু করেছে

ফাইল ছবি

গত দুই মাস ধরে সেনা-বিরোধী রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে প্রাণ গিয়েছে কমপক্ষে ৫০০ জনের। এই পরিস্থিতিতে মায়ানমারে সেনার বিরুদ্ধে একজোট হতে শুরু করেছে সশস্ত্র জনজাতি গোষ্ঠীগুলি। 

গত শনিবার মিয়ানমারের সেনাদের গুলিতে এক দিনে শতাধিক বিক্ষোভকারীর মৃত্যু হয়। ওই দিন থেকে সেনাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ শুরু করেছে প্রত্যন্ত এলাকার জনজাতি জঙ্গিরা। আজ ভোরের দিকে উত্তর মিয়ানমারের কাচিন গেরিলা বাহিনী পুলিশের একটি পোস্ট দখল করে নেয়। 

একই সিদ্ধান্ত নিয়েছে কারেন গেরিলা বাহিনী। গত শনিবার এই  জঙ্গি গোষ্ঠীই প্রথম সেনাদের উপরে হামলা চালিয়েছিল। তার জবাবে প্রত্যন্ত জনজাতি অধ্যুষিত গ্রামগুলিতে আকাশপথে হামলা চালাচ্ছে মিয়ানমারের সেনারা। ইতিমধ্যেই ১০ গ্রামবাসীর মৃত্যু হয়েছে। 

মায়ানমার পার্লামেন্টের নির্বাসিত সদস্যেরা সেনা-বিরোধী যে গোষ্ঠী ইতিমধ্যেই গড়ছেন, আপাতত সেই সিআরপিএইচ গোষ্ঠীর নেতৃত্বে রয়েছেন ডক্টর সাসা নামে এনএলডি-র এক নেতা। তিনি আজ স্পষ্ট জানিয়েছেন, সেনার অত্যাচার রুখতে জনজাতি জঙ্গি গোষ্ঠীগুলির সাহায্য নিতে তাঁরা প্রস্তুত। জনজাতি ও নাগরিক গোষ্ঠী একত্র হয়ে একটি ‘ফেডারেল আর্মড ফোর্স’ গঠনের চিন্তা-ভাবনা করছে বলেও জানান তিনি।

এই পরিস্থিতিতে চাপ বাড়ছে থাইল্যান্ড সীমান্তে। মায়ানমার সীমান্ত ঘেঁষা থাই প্রদেশের গভর্নর আজ জানিয়েছেন, যে সব বাসিন্দা সীমান্ত পেরিয়ে তাঁদের দেশে ঢুকেছিলেন, তাঁরা স্বেচ্ছায় ফিরে গিয়েছেন। যদিও মানবাধিকার সংগঠনগুলির দাবি, থাই সেনারা জোর করে তাঁদের ফেরত পাঠিয়েছে। এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী প্রয়ুত চান-ওচা। 

এদিকে, মায়ানমারে জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত নন এমন আমেরিকান কূটনীতিকদের অবিলম্বে দেশে ফেরার নির্দেশ দিয়েছে জো বাইডেন প্রশাসন।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

রাশিয়া মিয়ানমারে গৃহযুদ্ধের আশঙ্কা করছে


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
শুক্রবার, ০৯ এপ্রিল, ২০২১, ০৯:৫০
রাশিয়া মিয়ানমারে গৃহযুদ্ধের আশঙ্কা করছে

ফাইল ছবি

পশ্চিমা দেশগুলোর অবরোধ ও নিষেধাজ্ঞা মিয়ানমারে গৃহযুদ্ধ বাঁধিয়ে দিতে পারে বলে সতর্ক করেছে রাশিয়া।

মস্কো বলছে, অবরোধের মত পদক্ষেপগুলো দেশটিতে বিভেদ ও সংঘাত আরো বাড়িয়ে দেবে। রাশিয়া জান্তা সরকারের অন্যতম মিত্র দেশ এবং মিয়ানমারের কাছে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র বিক্রি করে থাকে রাশিয়া।

এদিকে, জান্তা সরকারের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরো কঠোর করতে যাচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, শিগগিরই সামরিক সরকার সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির বিরুদ্ধে আরো নিষেধাজ্ঞা দিতে যাচ্ছে ইইউ।

উল্লেখ্য, গত ১ ফেব্রুয়ারি মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী মিয়ানমারে সেনা অভ্যুত্থান ঘটায় এবং প্রেসিডেন্ট উইন মিন্ট ও স্টেট কাউন্সিলর অং সান সু চিসহ রাজনৈতিক নেতাদের গ্রেপ্তার করা হয়। দেশটিতে এক বছরের জন্য জরুরি অবস্থা জারি করা হয়। 

জান্তা সরকার গত বছরের নভেম্বরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে বিতর্কের জেরে এই অভ্যুত্থান ঘটায় বলে জানায়। সেনা অভ্যুত্থানের প্রতিবাদে ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে মিয়ানমারের বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ হয়ে আসছে এবং জান্তা সরকার শত শত মানুষকে হত্যা করে যাচ্ছে। 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

ছেলে বাবাকে জিজ্ঞেস করলো, সফল জীবন কাকে বলে


আরাফাত আলম, বিশেষ প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
মঙ্গলবার, ১৩ মে, ২০২৫, ০৭:১৭
ছেলে বাবাকে জিজ্ঞেস করলো, সফল জীবন কাকে বলে?

ছবি সংগৃহীত

গ্রাজুয়েশন শেষ করে ছেলে একদিন বাবাকে জিজ্ঞেস করল,

— বাবা, সফল জীবন কাকে বলে?

বাবা সরাসরি কোনো উত্তর দিলেন না। শুধু মৃদু হেসে বললেন,

— চল, আজ ঘুড়ি ওড়াই। তখন তোমাকে তোমার প্রশ্নের উত্তর দেব।

ছেলে বিস্মিত হয়ে বলল,

— এই বয়সে ঘুড়ি ওড়াবেন বাবা? আজব তো!

কিছু না বলে বাবা ছেলের হাত ধরে টেনে বাড়ির পেছনের মাঠে নিয়ে গেলেন। সেখানে কয়েকজন ছোট্ট বাচ্চা রঙিন ঘুড়ি উড়াচ্ছিল। বাবা তাদের একজনের কাছ থেকে একটা ঘুড়ি চেয়ে নিলেন। তারপর নাটাই হাতে নিয়ে ঘুড়ি ওড়াতে শুরু করলেন। সুতা আস্তে আস্তে ছাড়তে ছাড়তে ঘুড়িটাকে আকাশের অনেক ওপরে তুলে দিলেন। ছেলে চুপচাপ দাঁড়িয়ে এই দৃশ্য দেখছিল।

একসময় বাবা বললেন,

— দেখছো খোকা? ঘুড়িটা কত ওপরে উঠেছে, অথচ এখনও সুতো ধরে রাখা আছে। তোমার কি মনে হয় না, এই সুতোর টানটাই ওকে আরও ওপরে যেতে বাধা দিচ্ছে?

ছেলে কিছু না ভেবেই বলল,

— হ্যাঁ, ঠিকই তো! সুতো না থাকলে ঘুড়ি আরও উপরে উঠতে পারত।

মৃদু হাসলেন বাবা। তারপর হালকা টানে সুতা কেটে দিলেন। মুক্ত ঘুড়ি প্রথমে একটু ওপরে উঠল বটে, কিন্তু তারপরই দিশাহীন হয়ে দুলতে দুলতে নেমে এল নিচের দিকে... অবশেষে কোথায় যেন হারিয়ে গেল দৃষ্টিসীমার বাইরে।

বাবা এবার ছেলের পিঠে হাত বুলিয়ে বললেন,

— দেখলে খোকা? জীবনে যখন আমরা কোনো উচ্চতায় থাকি, তখন মনে হয় — কিছু বন্ধন আমাদের টেনে রাখছে। যেমন পরিবার, মা-বাবা, স্ত্রী-সন্তান, বন্ধুবান্ধব, নীতিবোধ, দায়িত্ব, শৃঙ্খলা — এসব আমাদের পেছন থেকে টেনে ধরছে, আমাদের আর এগোতে দিচ্ছে না। তখন আমরা ভাবি, এই সবকিছু থেকে মুক্ত হলেই বুঝি অনেক ওপরে উঠে যাব।

— কিন্তু বাস্তবতা হলো, ঠিক এই বন্ধনগুলোর জন্যই আমরা টিকে থাকি। এগুলোই আমাদের ভারসাম্য দেয়, পথ দেখায়, পতন থেকে রক্ষা করে। সুতা ছাড়লে যেমন ঘুড়ি পড়ে যায়, তেমনি বন্ধন হারালে আমরাও অচিরেই পতিত হই।

— মনে রেখো খোকা, সফল জীবন মানে কেবল ওপরে ওঠা নয়। সফল জীবন মানে হলো, নিজের শিকড়ের সাথে যুক্ত থেকে, দায়িত্বের বাঁধনকে সম্মান করে, মনের আকাশে টিকে থাকা। যারা বন্ধনকে ভালোবাসে, তারাই সত্যিকারের সাফল্যের শিখরে পৌঁছে।

এটাই জীবনের সত্য। এটাই সফল জীবন।

 

.....ফেসবুক থেকে সংগৃহীত 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক