a
ফাইল ছবি
মেক্সিকোতে মেট্রো ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ১৫ জন এবং গুরুতর আহত হয়েছেন অন্তত ৩৪ জন। স্থানীয় সময় সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে দেশটির রাজধানী মেক্সিকো সিটির দক্ষিণে ট্রেনসহ মেট্রোরেলের সেতু ধ্বসে এই দুর্ঘটনা ঘটে। খবর এনবিসি নিউজ ও রয়টার্স
ট্রেনসহ মেট্রোলাইন-১২ এর একটি সেতু ধ্বসে পরায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। গুরুতর অবস্থায় ৩০ জনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছেন উদ্ধারকর্মীরা। মেক্সিকো সিটির মেয়র ক্লাউডিয়া শেইনবাম বলেছেন, দুর্ঘটনায় ১৫ জন নিহত হয়েছেন এবং ভেঙে পড়া অংশের নিচে একটি গাড়ি এখনও আটকে রয়েছে।
টুইটারে দেওয়া এক বার্তায় শেইনবাম জানিয়েছেন, দুর্ভাগ্যজনকভাবে হতাহত মানুষ এখানে রয়েছেন। আমি দুর্ঘটনাস্থলে রয়েছি এবং উদ্ধার কাজে নিয়োজিত কমান্ড সেন্টারে সহায়তা করছি। মেক্সিকোর বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্সেলো এবরার্ড নিহতদের স্বজনদের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বলেন, এ দুর্ঘটনার কারণ তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
সংগৃহীত ছবি
বাড়ছে বিশ্বের তাপমাত্রা। এই পরিস্থিতিতে আরও চিন্তা বাড়াচ্ছে জয়বায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত ইন্টারগভর্নমেন্টাল প্যানেল আইপিসিসি’র সাম্প্রতিক রিপোর্ট।
জানা গেছে, ওই রিপোর্টে সাফ বলা হয়েছে- যে হারে সমুদ্রের পানির স্তর বাড়ছে তাতে কয়েক বছরের মধ্যেই পানিতে তলিয়ে যেতে পারে ভারতের ১২টি উপকূলবর্তী শহর। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য মুম্বাই, চেন্নাই, কোচি, বিশাখাপত্তনম। প্রায় তিন ফুট পানির নিচে চলে যেতে পারে এই শহরগুলো। খবর জি নিউজের।
জানা গেছে, উষ্ণায়নের ফলে যেভাবে বিশ্বব্যাপী জলস্তর বাড়ছে তা নিয়ে চিন্তিত স্পেস এজেন্সিগুলো। তাদেরও নজরে পড়েছে ভারতের ১২টি উপকূলবর্তী শহর বিপদের মুখে দাঁড়িয়ে আছে।
আইপিসিসি’র রিপোর্ট বলছে, গোটা বিশ্বের তুলনায় এশিয়ার পানির স্তর বৃদ্ধির হার অনেক বেশি। আগে যেখানে ১০০ বছরে একবার সমুদ্রের জলস্তর পরিবর্তিত হত, আগামী কয়েক বছরে মাঝে মধ্যেই সেই পরিবর্তন হবে। সেজন্যই বাড়বে সমুদ্রের পানির স্তর। যদি এই হারেই জলস্তর বৃদ্ধি পেতে থাকে তবে, শতাব্দীর শেষে ভারতের ১২টি উপকূলবর্তী শহর তলিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেসব শহরগুলো হল:
কান্দলা: ১.৮৭ ফুট
ওখা: ১.৯৬ ফুট
ভৌনগর: ২.৭০ ফুট
মুম্বাই: ১.৯০ ফুট
মরমুগাও: ২.০৬ ফুট
ম্যাঙ্গালোর: ১.৮৭ ফুট
কোচিন: ২.৩২ ফুট
পরাদীপ: ১.৯৩ ফুট
খিদিরপুর: ০.৪৯ ফুট
বিশাখাপত্তনম: ১.৭৭ ফুট
চেন্নাই: ১.৮৭ ফুট
তুতিকোরিন: ১.৯ ফুট
সূত্র: বিডি প্রতিদিন
ফাইল ছবি
বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ডিপোর ভেতরে চললো স্বপ্নের মেট্রোরেল। গতকাল মঙ্গলবার দুপুর ১১টা ৪৫ মিনিটে উত্তরায় ওয়ার্কশপ থেকে চালিয়ে আনলোডিং জোনে নিয়ে আসা হয়।
গতকাল মঙ্গলবার (১১ মে) মেট্রোরেলের প্রথম চলাচল প্রদর্শন উপলক্ষে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ভার্চুয়ালি উপস্থিতিতে একটি ছোটখাটো অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন বিভাগের সচিব নজরুল ইসলাম, ডিএমটিসিএল’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ এন সিদ্দিক, জাপানের রাষ্ট্রদূত ইতো নাওকি।
ভার্চুয়ালিভাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, রিসিভিং ইনস্পেকশানের পরে ডিপোতে ফাংশনাল টেস্ট করা হয়। তারই ধারাবাহিকতায় আগস্ট মাসে পারফর্মেন্ট টেস্ট হবে। এরপরে ইন্ট্রিগেটেড টেস্ট শেষে ট্রায়াল রান অনুষ্ঠিত হবে। মেট্রোরেল এখন আর স্বপ্ন নয়, এটি বাস্তবতা। প্রদর্শনীর পর পুনরায় ট্রেনটি ওয়ার্কশপে ফিরিয়ে নেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, গত ২১ এপ্রিল মেট্রো ট্রেনের প্রথম সেটটি জাপান থেকে ঢাকায় এসে পৌঁছায়, যা ফার্স্ট ট্র্যাক করা সরকারি প্রকল্পটির জন্য একটি বড় ধরনের মাইলফলক। দ্বিতীয় সেটটি রোববার মোংলা বন্দরে এসে পৌঁছেছে।