a
ফাইল ছবি
মেক্সিকোতে মেট্রো ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ১৫ জন এবং গুরুতর আহত হয়েছেন অন্তত ৩৪ জন। স্থানীয় সময় সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে দেশটির রাজধানী মেক্সিকো সিটির দক্ষিণে ট্রেনসহ মেট্রোরেলের সেতু ধ্বসে এই দুর্ঘটনা ঘটে। খবর এনবিসি নিউজ ও রয়টার্স
ট্রেনসহ মেট্রোলাইন-১২ এর একটি সেতু ধ্বসে পরায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। গুরুতর অবস্থায় ৩০ জনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছেন উদ্ধারকর্মীরা। মেক্সিকো সিটির মেয়র ক্লাউডিয়া শেইনবাম বলেছেন, দুর্ঘটনায় ১৫ জন নিহত হয়েছেন এবং ভেঙে পড়া অংশের নিচে একটি গাড়ি এখনও আটকে রয়েছে।
টুইটারে দেওয়া এক বার্তায় শেইনবাম জানিয়েছেন, দুর্ভাগ্যজনকভাবে হতাহত মানুষ এখানে রয়েছেন। আমি দুর্ঘটনাস্থলে রয়েছি এবং উদ্ধার কাজে নিয়োজিত কমান্ড সেন্টারে সহায়তা করছি। মেক্সিকোর বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্সেলো এবরার্ড নিহতদের স্বজনদের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বলেন, এ দুর্ঘটনার কারণ তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
সংগৃহীত ছবি
ইসরায়েলের চারটি ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে লেবাননের ইসলামী প্রতিরোধ আন্দোলন হিজবুল্লাহ। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার রাজধানী বৈরুতের মাদি এলাকায় ড্রোনগুলো ধ্বংস করে।
ইরাকের সাবেরিন নিউজ চ্যানেল জানায়, গতকাল বৃহস্পতিবার সাগরের দিক থেকে লেবাননের রাজধানী বৈরুতের মাদি এলাকায় প্রবেশের চেষ্টাকালে চারটি ইসরায়েলি ড্রোন ধ্বংস করে হিজবুল্লাহর সেনারা। এগুলোকে গুলি করে ভূপাতিত করা হয়।
ইসরায়েল মাঝে মধ্যেই লেবাননের জল, স্থল ও আকাশ সীমা লঙ্ঘন করে। আন্তর্জাতিক সব আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে লেবাননের আকাশ ব্যবহার করে এর আগে সিরিয়াতেও হামলা চালিয়েছে তেল আবিব।
লেবানন সরকার সব সময় জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোকে ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিষয়ে অবহিত করার পাশাপাশি আগ্রাসন ঠেকাতে পদক্ষেপ নেয়ার দাবি করে আসছে।
২০০৬ সালের ৩৩ দিনের যুদ্ধের পর জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে অনুমোদিত ১৭০১ নম্বর ইশতেহারে বলা হয়েছে, ইসরায়েল লেবাননের বিরুদ্ধে কোনো বিদ্বেষমূলক তৎপরতা চালাবে না। কিন্তু ইসরায়েল কখনো কোনো আন্তর্জাতিক আইন ও ইশতেহারকে মেনে মানেনি। খবর-পার্সটুডে
ছবি সংগৃহীত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল
বিগত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে বিশেষজ্ঞ দলের এক প্রতিবেদনে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) জানিয়েছে, নির্বাচনকালীন সময়ে নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার সীমাবদ্ধ ছিল। গণগ্রেপ্তারের মাধ্যমে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর কণ্ঠরোধ করা হয়েছে।
ইইউ’র এমন দাবিকে বিএনপির আরেকটি ষড়যন্ত্র বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। তিনি বলেন, কোনো হামলা-মামলা আমাদের পুলিশ বাহিনী, পলিটিক্যাল বাহিনী করেনি। তারাই (বিএনপি) করেছে। তারা করে তারাই যদি অপবাদ দেওয়ার চেষ্টা তরে তাহলে আমরা এ ধরনের বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করছি। আমরা মনে করি এগুলো সত্যের অপলাপ। উদ্দেশ্যমূলকভাবে আরেকটি ষড়যন্ত্রের একটা নতুন ক্ষেত্র তৈরির প্রচেষ্টা নিচ্ছেন।
শনিবার (৯ মার্চ) দুপুরে পুলিশ মেমোরিয়াল ডে-২০২৪ উপলক্ষে পুলিশ স্টাফ কলেজে আয়োজিত এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে দাবি করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনে নিরাপত্তা বাহিনী নিরপেক্ষতার সঙ্গে নির্বাচন কমিশনকে সহযোগিতা করেছে। গত নির্বাচনে অনেক মন্ত্রী, বড় বড় নেতা এই নির্বাচনে ধরাশায়ী হয়েছেন। কাজেই আমরা সুনিশ্চিত করে বলতে পারি এই নির্বাচনে কোনো ধরনের কারচুপি হয়নি বা কোনো ধরনের সাপোর্ট কেউ পেয়েছে বলে আমরা মনে করি না, দেখিনি।
তিনি বলেন, ২০১৪ সালেও তারা (বিএনপি) একটি অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি, অগ্নিসন্ত্রাসের মাধ্যমে নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করেছিল। তবে ক্রমান্বয়ে তারা জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, তারা যে অপপ্রচার চালাচ্ছে তার কোনো ভিত্তি নেই। তবে তারা নির্বাচনের পরে মনগড়া তথ্য প্রচার করে বিদেশিদের দৃষ্টি আকর্ষণ করার চেষ্টা করছে। অথচ নির্বাচন পর্যবেক্ষণে আসা বিদেশি সাংবাদিকরা নির্বাচন পরবর্তী সময়ে বলেছেন যে, বাংলাদেশের নির্বাচনের সুষ্ঠু হয়েছে। আমেরিকারও দুই একটি সংগঠন বলেছে নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে। সূত্র: ইত্তেফাক