a
ফাইল ছবি
যুক্তরাষ্ট্রের সান দিয়াগো উপকূলে রণতরীর ওপরে একঝাঁক অজানা উড়ন্ত বস্তু (ইউএফও) ঘুরতে দেখা যায়। চাঞ্চল্যকর সেই ভিডিওটি প্রকাশ করেছে মার্কিন চলচ্চিত্রকার জেরেমি করবেল।
পেন্টাগন সূত্রে জানা জানা যায়, মার্কিন ইউএফও ফিল্মমেকার জেরেমি করবেলের সেই ভিডিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ভিডিওটি দুই বছর আগে ধারণ করা হয়েছিল। এটি গত শুক্রবার টুইটারে ভিডিও পোস্ট করেন জেরেমি করবেল।
৪৬ সেকেন্ডের ওই রাডার ফুটেজের ভিডিও ক্লিপটিতে দেখা যায়, একটি গোলাকার উড়ন্ত চাকতি সমুদ্রের ওপর দ্রুততার সঙ্গে অবস্থান করছে। কিছুক্ষণের মধ্যে তা হঠাৎ অদৃশ্য হয়ে যায়। ভিনগ্রহের প্রাণীদের কোন অস্তিত্ব, নাকি ভিনদেশিদের কোনো বাহন, তা তদন্ত করা হচ্ছে।
২০২০ সালে শুধু ইউএফওর বিষয়ে তদন্তের জন্য বিশেষ টাস্ক ফোর্স গঠন করেছে মার্কিন প্রশাসন। মার্কিন সেনা নিয়ন্ত্রিত এলাকায় অজানা অনেক বস্তু বারবার আসতে দেখা যায়। ভিডিওটি খতিয়ে দেখতে বিশেষ টাস্ক ফোর্স সতর্কতার সহিত কাজ করে যাচ্ছে।
ভিডিও লিংক: https://www.msprotidin.com/watchvideos/video/Sz-6jRrbtuI
ফাইল ফটো: সৌদির তেল স্থাপনা
সৌদি আরবের রাস তানুরা বন্দরের পেট্রোলিয়াম ট্যাংকে ড্রোন হামলা এবং আরামকো তেল স্থাপনার ওপর ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কথা নিশ্চিত করেছে রিয়াদ সরকার।
রবিবার এক বিবৃতিতে সৌদি আরবের জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র স্বীকার করেছেন, সাগরের উপর দিয়ে উড়ে এসে একটি ড্রোন রাস তানুরা বন্দরের একটি পেট্রোলিয়াম ট্যাংকে হামলা করে। রাস তানুরা বন্দর হচ্ছে বিশ্বের তেল রপ্তানিকারক সবচেয়ে বড় বন্দর।
সৌদি জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জানান, দাহরান শহরে অবস্থিত আরামকো তেল স্থাপনার আশপাশে আবাসিক এলাকায় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের টুকরো গিয়ে পড়ে। তবে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রটি ভূপাতিত করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়। এই হামলায় কোনো ব্যক্তি হতাহত সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি বলে জানান।
এদিকে, সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তুর্কি আল-মালকি এক বিবৃতিতে বলেন, লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছানোর আগেই হামলা দু'টি প্রতিহত করা হয়েছে। এই হামলার খবর ছড়িয়ে পড়ার পরার সাথে সাথে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়ে যায়।
ফাইল ছবি
বাংলাদেশে শুধু নিজের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত নই, পাশাপাশি দূতাবাসসহ যারা এখানে কাজ করেন তাদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ।
রোববার (২৪ সেপ্টেম্বর) বেসরকারি টিভি চ্যানেল ২৪-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।
পিটার হাস বলেন, যুক্তরাষ্ট্র অবাধ, সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ নির্বাচনের স্বার্থেই ভিসানীতি প্রয়োগ করে থাকে। কতজনের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে, তা গুরুত্বপূর্ণ নয়। আমরা নিরপেক্ষভাবে এই ভিসা নীতি প্রয়োগ করেছি। কারও পক্ষে কিংবা কারও বিপক্ষে নয়। তারা ক্ষমতাসীন দলের নাকি বিরোধী দলে, তারা সরকারের পক্ষে নাকি বিপক্ষে।
তিনি বলেন, সরকারি দল, বিরোধীদল ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পর আগামীতে বিচারবিভাগ এবং গণমাধ্যমও ভিসা নীতিতে যুক্ত হতে পারে। এসব কিছুই তাদের কর্মকাণ্ডের ওপর নির্ভর করবে। এখন দেখার বিষয় কতটা নিরপেক্ষভাবে প্রভাবমুক্ত হয়ে বিচারকার্য পরিচালিত হচ্ছে।
ভিসা নীতি কোনো স্বাধীন দেশের ওপর হস্তক্ষেপ নয় উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত বলেন, বিশ্বব্যাপী গণতন্ত্র ও মানবাধিকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা যুক্তরাষ্ট্রের দায়িত্ব। প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে চায়ের দোকানদারও অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচন চায়। সবাই যখন একই জিনিস চাচ্ছে তখন আমাদের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে তার বাস্তবায়ন করা। সবাই তার দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করবে, এটাই তাদের প্রত্যাশা।
রোহিঙ্গা ইস্যুতে পিটার হাস আরও বলেন, মিয়ানমারে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত সেখানে রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানো ঠিক হবে না। সূত্র: ইত্তেফাক