a
ফাইল ছবি
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর সদর দফতরের একেবারে নিকটে একটি পাতাল রেলওয়ে স্টেশনে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এরপরই মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতর পেন্টাগন লকডাউন করে দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ আগস্ট) এ ঘটনা ঘটে বলে খবর প্রকাশ করেছে বার্তা সংস্থা এএফপি।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর মতে, পাতাল রেলওয়ে স্টেশনের বেশ কয়েকটি এলাকায় গোলাগুলি হয়। এ সময় ওয়াশিংটনের আরলিংটনের কাছে পেন্টাগনের কর্মীদের নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেয় কর্তৃপক্ষ। কয়েকজন আহত হয়ে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ঘটনাস্থল থেকে মাত্র কয়েক গজ দূরে মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের সদর দফতর পেন্টাগণের প্রধান প্রবেশ পথ রয়েছে।
এক টুইট বার্তায় পেন্টাগনের নিরাপত্তা বহিনীর প্রধান বলেন, ট্রানজিট সেন্টারের একটি ঘটনায় পেন্টাগন লকডাউন করা হয়েছে এবং সাধারণ লোকজনকে আক্রান্ত এলাকাটি এড়িয়ে চলতে বলা হয়েছে।
সংগৃহীত ছবি
নিরপরাধ ফিলিস্তিনিদের ওপর ১১ দিনের বর্বর হামলার কারণে ব্রিটেনের সাধারণ মানুষের মধ্যে ইহুদিবিরোধী মনোভাব তীব্র আকার ধারণ করেছে।
বিগত ১ মাসে দেশটিতে ইসরাইলের দূতাবাস ঘেরাও, রাষ্ট্রদূতকে বহিষ্কারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিলসহ ইহুদিবিরোধী বহু সভা-সমাবেশ হয়েছে। খবর বিবিসি
এ সব ঘটনার কারণে ব্রিটেনে বসবাসকারী ইহুদিদের আতঙ্কে দিন কাটছে। সম্প্রতি ইসরাইলে অস্ত্র সরবরাহকারী একটি প্রতিষ্ঠানেও হামলা হয়েছে।
দক্ষিণ লন্ডনের একটি সিনাগগে (ইহুদি উপাসনালয়) গত মাসে জনরোষের ভয়ে এর রাব্বি (ইহুদি ধর্মযাজক) নিকি লিস মধ্যরাতে এসে উপাসনালয়ে প্রবেশ করেন।
১৩ বছর ধরে তিনি এ উপাসনালয়ে ধর্ম যাজকের কাজ করছেন। কিন্তু বর্তমানে এখানে ইহুদিদের বসবাস করাটা অনেকটা কঠিন বলে মনে করছেন তিনি।
কারণ কিছুদিন আগে শহরটির একটি সিনাগগের বাইরে রাফি গুডউইন নামে এক রাব্বিকে মাথায় ইট দিয়ে আঘাত করেন অজ্ঞাত ব্যক্তিরা।
ফিলিস্তিনে ইসরাইলি নৃশংসতার প্রতিবাদে ফিলিস্তিনি পতাকা নিয়ে দক্ষিণ লন্ডনের সেইন্ট জনস উড এলাকায় বিশাল বিক্ষোভ মিছিল করেছে।
এর আগে কখনো দখলদার ইসরাইলের বর্বতার বিরুদ্ধে এধরনের প্রতিবাদ হয়নি ব্রিটেনে। এ কারণে অনেক আতঙ্কে আছে ব্রিটেনের ইহুদিরা।
ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
মুন্না শেখ, জবি প্রতিনিধি: জুলাই গনঅভ্যুত্থানে শহীদদের স্মরণে সাধারণ শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের নেতৃবৃন্দদের নিয়ে দোয়া ও ইফতার মাহফিলের আয়োজন করে ছাত্র অধিকার পরিষদ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।
আজ ১৭ই মার্চ (সোমবার) বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের একটি কক্ষে আয়োজিত হয় এ অনুষ্ঠানটি।
একে এম রাকিবের সভাপতিত্বে এবং রায়হান হাসান রাব্বির সঞ্চালনায় পরিচালিত এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষক, ছাত্র অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ, জবি ছাত্রদল, ছাত্রশিবির, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট সহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
এসময় বক্তব্যে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক নাসির উদ্দিন বলেন, "গণঅভ্যুত্থানের মতো বর্তমানের সংকট মোকাবেলায় ও সকল দলের সহনশীল ভূমিকা দরকার। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উচিৎ প্রয়োজনীয় সংস্থার করে অংশগ্রহনমূলক নির্বাচনের আয়োজন করা। "
ছাত্র অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি বিন ইয়ামিন মোল্লা বলেন, "জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সবসময় অন্যায়ের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান পালন করে আসছে এবং বিভিন্ন আন্দোলনে এর ভূমিকা উল্লেখ্যোগ্য । ছাত্রদের উপর মানুষ আস্থা রেখে এ অভ্যুত্থান ঘটিয়েছে তাই সবাই কে সাথে নিয়ে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ গড়তে হবে। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক কোনো ফাঁদে পা না দিয়ে একসাথে কাজ করে যাওয়া উচিত। আমাদেরকে জাতীয় নিরাপত্তা, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্তের প্রশ্নে এক থাকতে হবে। সেইসাথে দ্রুত প্রতিটি ক্যাম্পাসে ছাত্র সংসদ নির্বাচনের আহ্বান করছি। "
জবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেল বলেন , "জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল সবসময় সাধারণ শিক্ষার্থীদের অধিকার নিয়ে কাজ করে। শিক্ষার্থীবান্ধব ক্যাম্পাস গড়ে তুলতে সব দলের সহাবস্থান ও সহযোগিতা প্রয়োজন। "
জবি ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি, রিয়াজুল ইসলাম রমজানের গুরুত্ব তুলে ধরার পাশাপাশি আরও বলেন, "জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাস্পাসে সকল ক্রিয়াশীল ছাত্র সংগঠনের সহবস্থান বজায় থাকবে প্রতাশা করছি। সবাই মিলে সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পরবো ইনশাআল্লাহ। সবার চেষ্টায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্বের মধ্যে পরিচিত লাভ করবে। "
জবি বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক মাসুদ রানা বলেন, "ছাত্র অধিকারের বয়স অল্প হলেও বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামে এর পরিসর অনেক। প্রত্যাশা করছি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র অধিকার পরিষদ সবাই কে নিয়ে কাজ করে যাবে।"