a
ফাইল ছবি
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শেষ হচ্ছে। অনেক রাজ্যে ফলাফলও প্রকাশিত হয়েছে। তবে কোনো কোনো রাজ্যে এখনো ভোট চলছে। প্রাথমিক ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, রিপাবলিকানরা বেশ এগিয়ে রয়েছে। এই ধারা অব্যাহত থাকলে বলা যায়, প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বেশ সমস্যায় পড়বে। অন্যদিকে সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পরবর্তী নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ঘোষণা দিতে পারেন বলেও ধারণা করা হচ্ছে।
এডিসন রিসার্চের সমীক্ষায় বলা হয়, মুদ্রাস্ফীতি ও অপরাধ দমনে ভোটাররা ডেমোক্র্যাটদের চেয়ে রিপাবলিকানদের ওপর ভরসা রাখছে অনেক বেশি। তবে গর্ভপাতের অধিকার প্রশ্নে ডেমোক্র্যাটরা বেশি সমর্থন পাচ্ছে।
সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ওহাইও-এর এক রাজনৈতিক সমাবেশে নিজ সমর্থকদের উদ্দেশ্যে বলেন, ১৫ নভেম্বর ফ্লোরিডায় তার মার-এ-লাগোর বাসভবনে তিনি ‘খুব বড় বিবৃতি‘ দেবেন।
ট্রাম্প বলেন, আমি মঙ্গলবার ফ্লোরিডার মার-এ-লাগোর পাম বিচে ১৫ নভেম্বর একটি খুব বড় ধরণের ঘোষণা দিতে যাচ্ছি।
সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিস্তারিত না জানিয়ে বলেন, তিনি সমালোচনামূলক হওয়া সত্ত্বেও আগামীকালের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন থেকে বিরত থাকতে চান না। খবর বার্তা সংস্থা তাসের।
এর আগে প্রতিবেদনসমূহে বলা হয় যে, ট্রাম্প মধ্যবর্তী কংগ্রেস নির্বাচনের পরে ২০২৪ সালে প্রেসিডেন্ট পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার পরিকল্পনা ঘোষণা করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
বেশ কয়েকটি নির্বাচনী পূর্বাভাস অনুসারে, রিপাবলিকান পার্টি মার্কিন কংগ্রেসের উভয় কক্ষে তার প্রতিনিধিত্ব বাড়াতে পারে, যা বর্তমান গণতান্ত্রিক প্রশাসনের কিছু উদ্যোগকে বাধা দেয়ার সুযোগ করে দেবে। সূত্র : সিএনএন ও এএফপি
ফাইল ছবি
সকল আফগান পক্ষকে নিয়ে একটি নমনীয় ইসলামি সরকার গঠন করা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছে তালেবান। সোমবার মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এমনটাই জানিয়েছেন তালেবান মুখপাত্র সোহেল শাহিন।
তিনি বলেন, আফগানিস্তানে এখন যে সরকার গঠিত হবে তাতে শুধু তালেবান সদস্যরা থাকবেন না বরং সেখানে সব পক্ষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হবে। যে কেউ তার অস্ত্র সমর্পণ করে তালেবানে যোগ দিলে তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।
এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন আবারো আফগানিস্তান থেকে সেনাদের ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্তকে সঠিক বলে জানালেন। তিনি বলেছেন, ‘আমি এটা অন্য আরেকজন প্রেসিডেন্টের জন্য রেখে দিতে পারি না। আফগানিস্তানে সেনা উপস্থিতি ধরে রাখার মধ্যে আর যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় স্বার্থ জড়িত নয়।’
সোমবার হোয়াইট হাউস থেকে জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে এমনটাই জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি ভাষণে আফগান পরিস্থিতির জন্য সকল ধরণের দোষ কাবুলের ওপরেই চাপিয়ে দিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি পূর্বের সিদ্ধান্তে অটল থাকার কথাও ব্যক্ত করেন।
জো বাইডেন বলেন, ‘আফগান সেনারা তালেবানের বিরুদ্ধে লড়বে আশরাফ গনি (সদ্যসাবেক আফগান প্রেসিডেন্ট) নিশ্চয়তা দিয়েছিলেন। কিন্তু তার এ ধারণা ভুল ছিল। যেখানে আফগানরাই নিজেদের রক্ষায় লড়াইয়ে নামতে ইচ্ছুক নয়, সেখানে মার্কিনরা প্রাণ দিতে পারে না।’ সূত্র : সিএনএন, বিবিসি ও আল জাজিরা।
ফাইল ছবি
সারাদেশে ইউনিয়ন পর্যায়ে আজ শনিবার (৭ আগস্ট) থেকে শুরু হচ্ছে গণটিকা কার্যক্রম। আগামী ১২ আগস্ট পর্যন্ত সারাদেশে ক্যাম্পেইন চালিয়ে ৩২ লাখ মানুষকে করোনা টিকার প্রথম ডোজ দেওয়া হবে।
গ্রাম, শহর ও দুর্গম এলাকার মানুষ ছয় দিনে পর্যায়ক্রমে টিকা পাবেন। এছাড়াও মিয়ানমারের বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদেরও টিকা দেওয়া হবে।
টিকা প্রসঙ্গে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশিদ আলম বলেছেন, ‘আপনারা দেখেছেন নানান জায়গা থেকে নানা মন্তব্য এসেছে। নানা বিষয় এসেছে। আমরা সে ব্যাপারগুলোর বিষয়ে সজাগ আছি। আমরা চেষ্টা করব, ভবিষ্যতে যাতে এই ব্যাপারগুলোর পুনরাবৃত্তি না হয়। তবে টিকা নিয়ে যা হয়েছে সেটার সবটুকুর দায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের না।’
গতকাল শুক্রবার রাজধানীর মহাখালীতে বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জনসের (বিসিপিএস) সভাকক্ষে কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্পেইন নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
সংবাদ সম্মেলনে আজ ৭ আগস্ট থেকে ১২ আগস্ট পর্যন্ত সারা দেশে টিকা ক্যাম্পেইন করে ৩২ লাখ মানুষকে করোনা ভাইরাসের টিকার প্রথম ডোজ দেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে। ২৫ বছর বা এর বেশি বয়সি জনগোষ্ঠী এই টিকা পাবে। তবে এ ক্ষেত্রে পঞ্চাশোর্ধ্ব ব্যক্তি, নারী ও শারীরিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তি অগ্রাধিকার পাবেন। এ ছাড়া এবার দুর্গম ও প্রত্যন্ত এলাকার মানুষকে করোনার টিকা দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন ডা. আবুল বাশার।
তিনি বলেন, ‘১৮ বছর বয়সি অনেকের এনআইডি নেই। আমরা পর্যালোচনা করে দেখেছি, যদি এনআইডি ছাড়া ১৮ বছর বয়সিদের টিকার আওতায় আনতে যাই, মাঠে যে বিশৃঙ্খলা তৈরি হবে, সেটা আমরা সামাল দিতে পারব না। সে জন্য অনেক আলোচনা করে আমরা ঠিক করেছি বয়সসীমা ২৫ বছর হবে। আমরা চিন্তা করেছিলাম, যদি আমরা ম্যাসিভ আকারে ক্যাম্পেইন না করতে পারি বা মানুষের মধ্যে উদ্দীপনা তৈরি করতে না পারি, তাহলে সারা দেশে যেখানে আমাদের ৮০ শতাংশ মানুষকে টিকা দিতে হবে, এত মানুষকে আমরা কীভাবে কাভার করব? এটা পাইলট প্রজেক্ট বলা যেতে পারে। আমরা নিজেদের সক্ষমতা যাচাই করতে চাই। আমরা দেখতে চাই, আমাদের লোকেরা, প্রান্তিক পর্যায়ে এক দিনে কী পরিমাণ টিকা দিতে পারেন।’ সূত্র: ইত্তেফাক