a যুক্তরাষ্ট্রে সন্ত্রাসীদের হুমকির কারনে ৯/১১ বার্ষিকীর আগেই সতর্কতা জারি
ঢাকা মঙ্গলবার, ১৪ মাঘ ১৪৩২, ২৭ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

যুক্তরাষ্ট্রে সন্ত্রাসীদের হুমকির কারনে ৯/১১ বার্ষিকীর আগেই সতর্কতা জারি


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
রবিবার, ১৫ আগষ্ট, ২০২১, ১১:০৯
যুক্তরাষ্ট্রে সন্ত্রাসীদের হুমকির কারনে ৯/১১ বার্ষিকীর আগেই সতর্কতা জারি

ফাইল ছবি

যুক্তরাষ্ট্রে ১১ই সেপ্টেম্বরের হামলার বার্ষিকীর আগে সন্ত্রাসের নতুন হুমকির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। দেশটির হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ডিপার্টমেন্ট শুক্রবার (১৩ আগস্ট) এ সতর্কতা জারি করে।

দ্য ন্যাশনাল টেরোরিজম এ্যাডভায়জরি সিস্টেম বুলেটিনে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র অভ্যন্তরীণ এবং বিদেশী উভয় সন্ত্রাসীর দ্বারা উচ্চতর হুমকির মুখোমুখি। এতে আরো বলা হয়, সহিংস কর্মকান্ডকে এগিয়ে নিতে এবং প্রভাবিত করতে অনলাইন ফোরামসমূহের ব্যবহার বেড়ে গেছে।

হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ডিপার্টমেন্ট বলছে, দেশে সরকার বিরোধী এবং জাতিগতভাবে অনুপ্রাণিত চরমপন্থীদের কাছ থেকে তীব্র হুমকির মুখোমুখি। ডিএইচএস আরও বলেছে, এসব সহিংস চরমপন্থী কোভিড -১৯ এর বিধিনিষেধে শিথিলতার সুযোগ নিতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রে ১১ সেপ্টেম্বরের বিমান হামলার পর হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ডিপার্টমেন্ট বা ডিএইচএস গঠন করা হয়। এটি নিয়মিতভাবে সন্ত্রাসী হুমকির বিষয়ে বিভিন্ন পরামর্শ দিয়ে আসছে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

যুক্তরাষ্ট্রকে টেক্কা দিয়ে চীনের উত্থান! দায় এড়াতে পারবে পশ্চিমা শক্তি?


খোরশেদ আলম, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সোমবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৩, ০২:৪৫
যুক্তরাষ্ট্রকে টেক্কা দিয়ে চীনের উত্থান! দায় এড়াতে পারবে পশ্চিমা শক্তি?

ছবি সংগৃহীত

সম্প্রতি চীনের মধ্যস্থতায় সৌদি ও ইরানের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপিত হয়েছে। বলার অপেক্ষা রাখেনা ভূরাজনীতিতে এর প্রভাব ও গুরুত্ব কত অপরিসীম! সারা বিশ্বে হঠাৎ চীন যেভাবে আধিপত্য বিস্তারে যুক্তরাষ্ট্রকে টেক্কা দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে  তার দায় যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা মিত্র এড়াতে পারবে?

ইরান-সৌদি আরবে সন্ধি স্থাপনের পর পরই আরব রাজনীতিতে বরফ গলতে শুরু করেছে। মধ্যপ্রাচ্যে ইরাক,ইয়েমেনসহ অন্যান্য দেশগুলোর সাথে ইরানের যে বৈরিতা শুরু হয়েছিল, সৌদির সাথে ইরানের সম্পর্ক উন্নয়নে গোটা মধ্যপ্রাচ্যে সম্পর্ক উন্নয়নে আমুল পরিবর্তন আসছে।

মূল কথায় আসি। যদিও চীন মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা আনয়নে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে কাজ করছে কিন্তু ভূ-রাজনীতি বিবেচনায় চীনকে গনতন্ত্রের সহায়ক শক্তি হিসেবে কখনো বিবেচনা করা যাবে না। কারন চীন অর্থনৈতিক, সামরিক শক্তির পাশাপাশি বহুমাত্রায় নিজের শক্তি বাড়াতে মধ্যপ্রাচ্যসহ উন্নয়নশীল দেশগুলোর সহিত যোগাযোগ বৃদ্ধি করেইা যাচ্ছে। আর এটা করতে গিয়ে বেছে নিচ্ছে বিভিন্ন দেশের ফ্যাসিবাদ ও কর্তৃত্ববাদী সরকারকে। দেশটি নিজের আধিপত্য বিস্তার করতে আর্থিক সহযোগিতার নামে ফ্যাসিবাদ রপ্তানি করছে এবং আমেরিকার পুঁজিবাদী মুক্তবাজার মডেলের বিপরীতে হিউম্যান অথোরিটি বা মানুষের কর্তৃত্ব নিয়ে বিশ্বকে দখলে নিতে চাচ্ছে।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মান, জাপান ও ইতালি অক্ষশক্তিগুলোর পতন হলে যুক্তরাষ্ট্র পুঁজিবাদী অর্থনীতির নাম করে মুক্তবাজার ও উদার রাজনীতির খোলস পরে মানুষের মুক্তি ও স্বাধীনতার ধোঁয়া তুলে বিশ্ব রাজনীতিতে নিজেদের অবস্থান পাকাপোক্ত করেছিল। যুক্তরাষ্ট্র গণতন্ত্র ও রাজনৈতিক স্বাধীনতার নামে বিভিন্ন দেশে অন্যায়ভাবে ক্ষমতার পরিবর্তন করেছে। অনেক ক্ষেত্রে নিরংকুশ জনপ্রিয় ও গণতান্ত্রিক সরকারগুলোকেও অন্যায়ভাবে ক্ষমতা থেকে তাড়িয়ে দিয়ে তাদের ইচ্ছা মতো শাসককে বসিয়ে দিতেও কার্পন্য করেনি। এসব করতে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্র দেশের কিছু সুশীল সমাজ, জনসাধারণ ও সামরিক বাহিনীকে নির্লজ্জভাবে ব্যবহার করেছে। যদিও ইদানীং চীনকে ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্র তার নীতির পরিবর্তন এনেছে, তারপরও রাশিয়া-ইউক্রেনের যুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন হীন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো বুঝতে পেরে এবং একক ক্ষমতাধর যুক্তরাষ্ট্র করোনা উত্তরোত্তর ও খালি হাতে আফগানিস্তান ও ইরাক হতে সৈন্য ফেরত এককচ্ছত্র ক্ষমতা শৈথিল্য বিশ্ব দরবারে প্রকাশের ফলে দেরিতে হলেও ঘুপটি মেরে থাকা দেশগুলো বর্তমানে চীন-রাশিয়ার বলয়ে প্রত্যক্ষ-পরোক্ষভাবে চলে আসছে।

পূর্বেই বলেছি চীন তার শক্তির বলয় বাড়াতে বিভিন্ন দেশে ফ্যাসিবাদ ও কর্তৃত্ববাদী সরকারকে সমর্থন দিয়ে আমেরিকার আধিপত্যবাদ ঠেকিয়ে নিজেদের দিকে ভেড়াচ্ছে। ফলে চীন রাশিয়া, উত্তর কোরিয়া, মায়ানমার, সিরিয়াসহ অগনতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রধানদের সঙ্গে নিয়ে বিশ্বরাজনীতিতে নিজেদের অবস্থান পাকা পোক্ত করতে মরিয়া।

এদিকে, চীন তার শক্তি বৃদ্ধিতে অর্থনৈতিক শক্তি, দক্ষ কূটনীতি ও সামরিক শক্তি দিয়ে বিভিন্ন দেশ ও শাসককে নিরবে নিজেদের পক্ষে নেয়ার কাজ করে যাচ্ছে। আর এটা করতে গিয়ে চীন বিভিন্ন দেশের অগণতান্ত্রিক সরকারগুলোর সাথে কাজ করছে। এরই সর্বশেষ উদাহরণ ইরান-সৌদি আরবকে মিলিয়ে দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোকে আমেরিকার বলয় থেকে বের করার সুযোগ সৃষ্টি করে চমক তৈরির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতেও চীন একই নীতিতে প্রভাব বিস্তার করে চলেছে।

উল্লেখ্য, ইসরায়েলের নিরাপত্তার কথা বলে ফিলিস্তিনীসহ আরব দেশগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের ভ্রষ্ট নীতির কারনে বিশ্বের শান্তিকামী মুসলমানকে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ক্ষেপিয়ে দিয়েছে। বাংলাদেশের রাজনীতিতে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা উল্লেখ না করলেই নয়। বাংলাদেশের জন্ম থেকে বর্তমানবধি যুক্তরাষ্ট্রের প্রচ্ছন্ন ভূমিকা এদেশের স্বাধীন প্রিয় ও সচেতন জনগনকে আশাহত করে অনেক অনেক ক্ষেত্রে। আর যুক্তরাষ্ট্রের এসব রাজনীতিতে ইইউসহ পশ্চিমা শক্তিগুলো নির্লজ্জ সমর্থনের কারনে অনেক দেশ যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা বলয় থেকে বেরিয়ে চীন-রাশিয়ার বলয়ে ঝুঁকছে।

আরো উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘ সময়ে সন্ত্রাসবিরোধী লড়াই করে নিজেদের ইমেজ নষ্ট করেছে। এরমধ্যে আরও দৃশ্যমান তাদের নীতিতে দ্বি-চারিতা ও দূর্বল কূটনৈতিক কৌশল। মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকার দেশগুলোতে অযথা সংঘাত বাধিয়ে সেসব দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ হাতিয়ে নেওয়ার জ্বলন্ত উদাহরণ সম্পর্কে সম্যক ধারণা সবার।

তারপরও যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষয়িষ্ণু শক্তির বিপরীতে চীনের উত্থান কোনভাবেই বিশ্ববাসীর জন্য আশাপ্রদ নয়। কারণ চীন বিভিন্ন দেশের এক নায়কতন্ত্র লৌহমানব ও কর্তৃত্ববাদী শাসকদের সঙ্গে নিয়ে একক মঞ্চ তৈরি করার সুযোগ করে দিচ্ছে ও তাদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ছে। যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা শক্তিগুলোর যুদ্ধাংদেহী মনোভাব ও ভুল পররাষ্ট্রনীতির কারনে সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন মিত্র দেশগুলোকে একে একে হারানোর ফলে সেসব জায়গাগুলো পূরণ করছে চীন। বিশেজ্ঞদের ধারণা, বিশ্ব ভূ-রাজনীতিতে চীনের উত্থানের দায় যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা শক্তিগুলো কোনভাবে এড়াতে পারবে না।

 

মোহা. খোরশেদ আলম
কলাম লেখক ও সম্পাদক মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
নির্বাহী পরিচালক
হিউম্যানরাইটস এন্ড এনভায়রমেন্ট ডেভে. সোসাইটি

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

‘শেষ বার্তা দিচ্ছি, শেখ হাসিনা নির্বাচনকালীন সরকারপ্রধান থাকবেন’


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
বুধবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৩, ০৯:২৭
‘শেষ বার্তা দিচ্ছি, শেখ হাসিনা নির্বাচনকালীন সরকারপ্রধান থাকবেন’

ফাইল ছবি

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের উদ্দেশে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘আপনি শেষ বার্তা দিচ্ছেন, আজ আমি শেষ বার্তা দিচ্ছি- শেখ হাসিনা নির্বাচনকালীন সরকারের প্রধান থাকবেন। শেখ হাসিনা আবারও জনগণের রায়ে নির্বাচিত হয়ে প্রধানমন্ত্রী হবেন।’

বুধবার বিকালে আওয়ামী লীগের ঢাকা মহানগর উত্তর এবং দক্ষিণ আয়োজিত শান্তি ও উন্নয়ন সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুলের পকেট গরম, মালপানি ভালো ঢুকেছে বলেও মন্তব্য করেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক। তিনি বলেন, ওনার (মির্জা ফখরুল) কথা গরম, হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে। আমাদের ভয় দেখায়। ফখরুল সাহেব জুস খায়, অনশন বন্ধ করে দেয়। আমাদের বার্তা দিচ্ছেন ক্ষমতা ছেড়ে দিতে, দিনকালও ঠিক করে দিচ্ছেন।

ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, ‘মির্জা ফখরুল পাঁচ তারকা হোটেলে নাস্তা করে অনশন করেন ৩ ঘণ্টা। আড়াই ঘণ্টা পর বিদেশি জুস খাইয়া অনশন বন্ধ করে দেন। এই আন্দোলন তারা করছে।

আমাদের বার্তা দিচ্ছে, দিনক্ষণ বলে দিচ্ছে কবে ক্ষমতা ছেড়ে দিতে হবে। বাংলাদেশের ম্যাজিক লিডার শেখ হাসিনা। আপনি (ফখরুল) কে বার্তা দেওয়ার?’

তিনি বলেন, ‘খেলা হবে বিএনপির বিরুদ্ধে, ভোট চুরির বিরুদ্ধে, দুর্নীতির বিরুদ্ধে, লুটপাটের বিরুদ্ধে, জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে। বিএনপি হলো খুনির দল, এদের হাতে রক্ত।’

এ সময় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বিএনপির যোগাযোগের ইঙ্গিত দিয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘উৎসাহিত হচ্ছেন, কারণ পশ্চিমারা নাকি উৎসাহ দিচ্ছে। ফখরুল সাহেব, দুনিয়ার অবস্থা ভালো না। তাদের নিজেদের ঘর সামলানোই কঠিন। তারা ঘর সামলাবে নাকি আপনাকে উৎসাহ দেবে? উৎসাহ দেওয়ার দিন শেষ।’

বিএনপির অবরোধ কর্মসূচির প্রসঙ্গ তুলে কাদের বলেন, ‘অবরোধ করবেন? পালটা অবরোধ দেব। দাঁড়াতে দেব না। অবরোধ যারা করবে, তারাই সাধারণ মানুষের জন্য বাধা। তাদের বিরুদ্ধে মার্কিনিদের ব্যবস্থা কী হয়, সেটা দেখা হবে।’ সূত্র: যুগান্তর

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক