a
ফাইল ছবি
যুক্তরাষ্ট্রে ১১ই সেপ্টেম্বরের হামলার বার্ষিকীর আগে সন্ত্রাসের নতুন হুমকির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। দেশটির হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ডিপার্টমেন্ট শুক্রবার (১৩ আগস্ট) এ সতর্কতা জারি করে।
দ্য ন্যাশনাল টেরোরিজম এ্যাডভায়জরি সিস্টেম বুলেটিনে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র অভ্যন্তরীণ এবং বিদেশী উভয় সন্ত্রাসীর দ্বারা উচ্চতর হুমকির মুখোমুখি। এতে আরো বলা হয়, সহিংস কর্মকান্ডকে এগিয়ে নিতে এবং প্রভাবিত করতে অনলাইন ফোরামসমূহের ব্যবহার বেড়ে গেছে।
হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ডিপার্টমেন্ট বলছে, দেশে সরকার বিরোধী এবং জাতিগতভাবে অনুপ্রাণিত চরমপন্থীদের কাছ থেকে তীব্র হুমকির মুখোমুখি। ডিএইচএস আরও বলেছে, এসব সহিংস চরমপন্থী কোভিড -১৯ এর বিধিনিষেধে শিথিলতার সুযোগ নিতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রে ১১ সেপ্টেম্বরের বিমান হামলার পর হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ডিপার্টমেন্ট বা ডিএইচএস গঠন করা হয়। এটি নিয়মিতভাবে সন্ত্রাসী হুমকির বিষয়ে বিভিন্ন পরামর্শ দিয়ে আসছে।
ফাইল ছবি
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যে একটি লরির ভেতর থেকে ৪২ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। লাশের সবাই অভিবাসী বলে ধারণা করা হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের সান আন্তোনিও শহরের উপকণ্ঠে একটি লরিতে এসব মানুষকে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে। খবর: বিবিসি। প্রতিবেদন থেকে আরও জানা গেছে, লরির ভেতর থেকে আরও অন্তত ১৬ জনকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
মেক্সিকোর পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্সেলো ইব্রার্ড বলেছেন, নিহতদের পরিচয় এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। নিউইয়ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঘটনার পর থেকে গাড়ির চালক পলাতক। সান আন্তোনিওর পুলিশ কর্মকর্তারা চালককে ধরতে অভিযান শুরু করেছে।
টেক্সাসের সান আন্তোনিও শহর মার্কিন-মেক্সিকান সীমান্ত থেকে প্রায় ২৫০ কিলোমিটার (১৫০ মাইল) দূরে অবস্থিত। টেক্সাসের গভর্নর গ্রেগ অ্যাবট এসব মানুষের মৃত্যুর জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে দায়ী করেছেন। তিনি বলেছেন, বাইডেনের ‘উন্মুক্ত সীমান্ত নীতির ফলাফল’ এটি।
বিবিসি জানিয়েছে, কীভাবে এসব মানুষ মারা গেল তা তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট নয় এবং স্থানীয় পুলিশ এখনও এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করতে চায়নি। সূত্র: ইত্তেফাক
ফাইল ছবি: ট্রাম্প ও কমান্ডার সোলায়মান
সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হত্যা করতে ছক কষা হচ্ছে বলে জানান ইরানের সশস্ত্র বাহিনী ‘রেভ্যুলশনারি গার্ডস এরোস্পেস ফোর্সের প্রধান আমিরালি হাজিজাদেহ।
যুক্তরাষ্ট্রের হাতে নিহত ইরানের শীর্ষ জেনারেল কাসেম সোলাইমানির হত্যার বদলা নিতেই ট্রাম্পকে হত্যার ছক কষছেন বলে তিনি দাবি করেন। খবর রয়টার্সের। আমিরালি হাজিজাদেহ দেশটির টেলিভিশনকে সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘ট্রাম্পের নির্দেশে কাসেম সোলাইমানিকে হত্যা করা হয়েছিল। এর জবাবে তাকে হত্যা করতে চাইছি আমরা।’
ইরান নতুন করে ১ হাজার ৬৫০ কিলোমিটার রেঞ্জেরের ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করেছে। এমন দাবি করে বিপ্লবী গার্ডের এই কমান্ডার বলেন, এতে পশ্চিমাদের আতঙ্ক আরও বাড়বে।
মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের প্রভাবশালী সামরিক কমান্ডার ছিলেন কাসেম সোলাইমানি। ইরানের বিশেষ বাহিনী রেভ্যুলশনারি গার্ডের অভিজাত বাহিনী কুদস ফোর্সের প্রধান ছিলেন। ২০২০ সালে ট্রাম্পের নির্দেশে ড্রোন হামলা চালিয়ে হত্যা করা হয়।
এ প্রসঙ্গে আমিরালি আরও বলেন, সৃষ্টিকর্তার ইচ্ছায় আমরা ট্রাম্পকে হত্যা করতে চাই। সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও এই তালিকায় আছেন। এছাড়াও যেসব মার্কিন সামরিক কমান্ডাররা সোলেইমানিকে হত্যার আদেশের সঙ্গে জড়িত তাদেরও হত্যা করা উচিত। সূত্র: যুগান্তর