a
ফাইল ছবি। ইমরান খান
যুক্তরাষ্ট্র আজ না হোক কাল তালেবান নেতৃত্বাধীন আফগানিস্তানের নতুন সরকারকে স্বীকৃতি দিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান।
শনিবার (২ অক্টোবর) টিআরটি ওয়ার্ল্ডকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন। খবর আল-জাজিরা ও খালিজ টাইমস।
ইমরান খান বলেন, গত ১৫ আগস্ট তালেবানরা কাবুল দখল করার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র এখনো শক এবং বিভ্রান্তি অবস্থায় রয়েছে। বর্তমানে মার্কিন জনগণ একটি বলির ছাগল খুঁজছে এবং অন্যায়ভাবে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে টার্গেট করছে।
তিনি বলেন, পাকিস্তান একতরফাভাবে তালেবান সরকারকে স্বীকৃতি দিলে সেটা কোনো কাজে আসবে না। তাই যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ, চীন ও রাশিয়ার উচিত তালেবানকে স্বীকৃতি দেওয়া।
বিষয়টি নিয়ে ইসলামাবাদ তাদের প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনা করছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, আলোচনার পরই বিষয়টি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এ সময় তালেবান নেতৃত্বাধীন আফগান সরকারকে সহায়তা প্রদানের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আবারও আহ্বান জানিয়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটি বিদেশি সহায়তার ওপর নির্ভরশীল। যুক্তরাষ্ট্রসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় যদি এগিয়ে না আসে তাহলে দেশটিতে মানবিক সংকট দেখা দিতে পারে বলেও তিনি জানান।
সংগৃহীত ছবি
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক অবরোধ আরোপের দাবিতে আমেরিকার রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে সেদেশের জনগন। প্রবল বৃষ্টি উপেক্ষা করে হাজার হাজার মানুষ ফিলিস্তিনিদের সমর্থনে এই বিক্ষোভ-সমাবেশে যোগদান করেন। আমেরিকার বিভিন্ন অঙ্গ রাজ্য থেকে এ সকল মানুষ ওয়াশিংটনে এসে জমায়েত হন।
বিক্ষোভকারীরা ফিলিস্তিনিদের ওপর হত্যাযজ্ঞ বন্ধ করতে ইসরায়েল সরকারের প্রতি আহ্বান জানান এবং তেল আবিব যে বর্ণবাদী নীতি অনুসরণ করে আসছে তার তীব্র নিন্দা জানান।
বিক্ষোভকারীরা ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরায়েলি দখলদারিত্বেরও অবসান চান এবং মার্কিন সরকার বর্ণবাদী ইসরায়েল সরকারকে যে অর্থনৈতিক সহায়তা দিয়ে আসছে তার বাতিলের দাবি জানান।
ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরায়েল যে যুদ্ধাপরাধ করে যাচ্ছে তা তদন্তে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের যেসব আইনজীবীরা কাজ করছেন তাদের প্রতি হয়রানি বন্ধ ও নির্বিঘ্নে কাজ করার সুযোগ দেওয়ার দাবি করেন সমাবেশে যোগদানকারীরা।
তারা বলেন, এই সমাবেশ থেকে একথা পরিষ্কার হয়েছে যে, বাইডেন প্রশাসন ইসরায়েলের লাগাম টেনে ধরতে আগ্রহী না হলেও সমাবেশে যোগ দেওয়া লোকজন ইসরায়েলের আগ্রাসন থেকে ফিলিস্তিনকে রক্ষা করতে প্রস্তুত। তারা আরও বলেন, সব রকমের সাহায্য সহযোগিতা নিয়ে তারা তাদের ফিলিস্তিনিদের পাশে দাঁড়াতে সর্বদায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল, আরব নিউজ, ভয়েস অব আমেরিকা
সংগৃহীত ছবি
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ২০০ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে সাইবার হামলা চালানো হয়েছে। ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যভিত্তিক তথ্য প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান কাসেয়াকে টার্গেট করে এ হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে সাইবার নিরাপত্তা সংস্থা হানট্রেস ল্যাবস। খবর দ্য গার্ডিয়ান।
হানট্রেস ল্যাবস জানিয়েছে, সাইবার হামলার সঙ্গে কারা জড়িত তা তদন্ত করে বের করা হবে। রেভিল নামে রাশিয়ার একটি সংস্থা এই হামলার সঙ্গে জড়িত বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।
এই ঘটনা নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাইবার নিরাপত্তা ও অবকাঠামো বিষয়ক সংস্থা এক বিবৃতি দিয়েছে। সেখানে তারা জানিয়েছে, হ্যাকারদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
জানা গেছে, গতকাল শুক্রবার (২ জুলাই) বিকেল থেকে এই সাইবার হামলা শুরু হয়। কাসেয়া জানিয়েছে, এ হামলার কারণে তাদের কর্পোরেট সার্ভার, ডেস্কটপ কম্পিউটার ও নেটওয়ার্ক ডিভাইস ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাই আরও ক্ষতি ঠেকাতে নিজেদের কর্মীদের ভিএসএ সিস্টেম ব্যবহার করে সার্ভার বন্ধ করার পরামর্শ দিয়েছে তারা।
প্রতিষ্ঠানটি জানায়, এই সাইবার হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি ১০টিরও বেশি দেশের ১০ হাজারের মতো গ্রাহক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হানট্রেস ল্যাবসের সিনিয়র সিকিউরিটি রিসার্চার জন হ্যামন্ড রয়টার্সকে পাঠানো এক ই-মেইলে বলেন, এই হামলার কারণে আমাদের কাজের পরিবেশ নষ্ট হয়েছে।