a
ফাইল ছবি
ন্যাটো জোটের সদস্যপদের জন্য আবেদন করার ফলে রাশিয়ার তোপের মুখে আছে ফিনল্যান্ড। রাশিয়ার গ্যাস কোম্পানি গ্যাজপ্রম ফিনল্যান্ডে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে।
এমন সময় এই ঘোষণা এল, যখন ন্যাটো জোটের সদস্যপদের জন্য আবেদন করে দেশটি। যদিও রাশিয়া বলছে. ফিনল্যান্ড রুশ মুদ্রা রুবলে গ্যাসের অর্থ পরিশোধ করতে রাজি না হওয়ায় এ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
গ্যাসগ্রিড ফিনল্যান্ড এক বিবৃতিতে বলেছে, ইমাত্রা প্রবেশ পয়েন্ট দিয়ে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, রাশিয়া থেকে ফিনল্যান্ডে এই ইমাত্রা পয়েন্ট দিয়ে গ্যাস সরবরাহ করা হতো।
ফিনিস রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন পাইকারি গ্যাস বিক্রেতা গ্যাজম গ্যাস সরবরাহ বন্ধের তথ্য নিশ্চিত করেছে। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
ফাইল ছবি
ইউরোপজুড়ে ইউক্রেনের দূতাবাসে একের পর এক রহস্যজনক পার্সেল আসছে। এখন পর্যন্ত ১৭টি ইউক্রেনীয় দূতাবাস বা কূটনৈতিক মিশনে চিঠিবোমা অথবা প্যাকেট গেছে; যা এখনো কোন কুল কিনারা করতে পারেনি নিরাপত্তা বাহিনী।
শুক্রবার এ প্রসঙ্গে ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দিমিত্রো কুলেবা বলেছেন, গত কয়েক দিন ধরে পাওয়া এসব প্যাকেটে গরুর চোখসহ বিভিন্ন প্রাণীর অঙ্গ রয়েছে।
এখনো পর্যন্ত বেশিরভাগ প্যাকেটে পাওয়া গেছে পশুর চোখ। বুধবার স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদের ইউক্রেনীয় দূতাবাসে চিঠিবোমা বিস্ফোরণে একজন কর্মকর্তা আহতও হন। দূতাবাসের বাকি কর্মীদের স্পেনের প্রধানমন্ত্রী, উপ-প্রধানমন্ত্রী এবং মার্কিন দূতাবাসে স্থানান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনার পর স্পেনজুড়ে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে এক সাক্ষাৎকারে পররাষ্ট্রমন্ত্রী দিমিত্রো কুলেবা বলেন, স্পেনে ইউক্রেনের দূতাবাসে একটি বিস্ফোরণের মাধ্যমে এটি শুরু হয়েছে; কিন্তু এ বিস্ফোরণের পরে যা ঘটেছিল তা ছিল আরও অদ্ভুত এবং ভয়াবহ।
চিঠির পেছনে কে বা কারা জড়িত এমন প্রশ্নে কুলেবা সিএনএনকে বলেন, আমি সরাসরি রাশিয়ার নাম বলতে প্রলুব্ধ বোধ করছি, কারণ সবার আগে আপনাকে উত্তর দিতে হবে- এতে কার লাভ?
যদিও বুধবার মাদ্রিদের বিস্ফোরক প্যাকেটের ঘটনায় জড়িত থাকার বিষয়টি অস্বীকার করেছে রাশিয়া।
এ বিষয়ে ইউক্রেনের পররাষ্ট্র বিষয়ক মুখপাত্র ওলেগ নিকোলেনকো বলেন, স্পেন ছাড়াও মোড়ক পেয়েছে হাঙ্গেরি, নেদারল্যান্ডস, পোল্যান্ড, ক্রোয়েশিয়া, ইতালি এবং অস্ট্রিয়ার দূতাবাস। সূত্র: যুগান্তর
ছবি: ব্যারিস্টার হারুন অর রশিদ
পুলিশের এলিট ফোর্স র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) দশম মহাপরিচালক (ডিজি) হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন অতিরিক্ত আইজিপি ব্যারিস্টার মো. হারুন অর রশিদ। আজ বুধবার সকালে তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার সহকারী পরিচালক আ ন ম ইমরান খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। গত ২৯ মে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে হারুন অর রশিদকে র্যাবের ডিজি হিসেবে নিয়োগের বিষয়টি জানানো হয়।
হারুন অর রশিদের বাড়ি মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার বালুচর ইউনিয়নের মোল্লাকান্দি গ্রামে। তিনি পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত আইজিপি (হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট) পদে কর্মরত ছিলেন।
১৯৯৫ সালে ১৫তম বিসিএস পুলিশ ক্যাডারে সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন হারুন অর রশিদ। তিনি পুলিশের বিভিন্ন পদে চাকরি করেছেন। পুলিশ সদর দপ্তরের ডিআইজি লজিস্টিক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর ময়মনসিংহ রেঞ্জের ডিআইজি ছিলেন।
পুলিশের এই কর্মকর্তা ১৯৯৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পরিসংখ্যান বিভাগ থেকে এমএসসি সম্পন্ন করেন। ২০০৯ সালে যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন থেকে এলএলবি এবং ২০১৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করেন।
হারুন অর রশিদ ময়মনসিংহ রেঞ্জের ডিআইজি থাকাকালে ২০১৯-২০ অর্থবছরে শুদ্ধাচার পুরস্কার পান । তিনি বাংলাদেশ পুলিশ পদকেও (বিপিএম) ভূষিত হয়েছিলেন। সূত্র: বিডি প্রতিদিন