a
ফাইল ছবি
ন্যাটো জোটের সদস্যপদের জন্য আবেদন করার ফলে রাশিয়ার তোপের মুখে আছে ফিনল্যান্ড। রাশিয়ার গ্যাস কোম্পানি গ্যাজপ্রম ফিনল্যান্ডে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে।
এমন সময় এই ঘোষণা এল, যখন ন্যাটো জোটের সদস্যপদের জন্য আবেদন করে দেশটি। যদিও রাশিয়া বলছে. ফিনল্যান্ড রুশ মুদ্রা রুবলে গ্যাসের অর্থ পরিশোধ করতে রাজি না হওয়ায় এ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
গ্যাসগ্রিড ফিনল্যান্ড এক বিবৃতিতে বলেছে, ইমাত্রা প্রবেশ পয়েন্ট দিয়ে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, রাশিয়া থেকে ফিনল্যান্ডে এই ইমাত্রা পয়েন্ট দিয়ে গ্যাস সরবরাহ করা হতো।
ফিনিস রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন পাইকারি গ্যাস বিক্রেতা গ্যাজম গ্যাস সরবরাহ বন্ধের তথ্য নিশ্চিত করেছে। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
ফাইল ছবি
শেষ মুহূর্তে এসে প্রতিনিধি পরিষদ এবং সিনেট উভয়ই স্বল্পমেয়াদি তহবিল চুক্তিতে সম্মত হওয়ায় সরকার অচল (শাটডাউন) হওয়া থেকে রক্ষা পেল যুক্তরাষ্ট্র। এই চুক্তি না হলে যুক্তরাষ্ট্রের লাখ লাখ সরকারি কর্মচারীকে বিনাবেতনে ছুটিতে পাঠাতে হতো এবং বন্ধ হয়ে যেতো সরকারের গুরত্বপূর্ণ বিভিন্ন সেবা।
বিবিসি জানায়, মার্কিন সরকারকে আগামী নভেম্বরের মধ্যভাগ পর্যন্ত অর্থায়ন সংক্রান্ত একটি বিল সিনেটে ৮৮-৯ ভোটে পাস হয়েছে। তবে এখানে ইউক্রেনের জন্য নতুন কোনো সহায়তার পরিকল্পনা রাখা হয়নি।
৪৫ দিনের এই পরিকল্পনা উত্থাপন করেন মার্কিন হাউজ স্পিকার কেভিন ম্যাকার্থি। এটি পাস হওয়ায় আপাতত স্বস্তি পেলো ডেমোক্র্যাট সরকার।
এর আগে, নতুন অর্থায়ন বিল নিয়ে কট্টর রিপাবলিকান সদস্যদের ঘোর আপত্তি থাকায় আংশিক অচল হওয়ার ঝুঁকিতে পড়েছিল বাইডেন প্রশাসন। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
ফাইল ছবি
গত দুই মাস ধরে সেনা-বিরোধী রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে প্রাণ গিয়েছে কমপক্ষে ৫০০ জনের। এই পরিস্থিতিতে মায়ানমারে সেনার বিরুদ্ধে একজোট হতে শুরু করেছে সশস্ত্র জনজাতি গোষ্ঠীগুলি।
গত শনিবার মিয়ানমারের সেনাদের গুলিতে এক দিনে শতাধিক বিক্ষোভকারীর মৃত্যু হয়। ওই দিন থেকে সেনাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ শুরু করেছে প্রত্যন্ত এলাকার জনজাতি জঙ্গিরা। আজ ভোরের দিকে উত্তর মিয়ানমারের কাচিন গেরিলা বাহিনী পুলিশের একটি পোস্ট দখল করে নেয়।
একই সিদ্ধান্ত নিয়েছে কারেন গেরিলা বাহিনী। গত শনিবার এই জঙ্গি গোষ্ঠীই প্রথম সেনাদের উপরে হামলা চালিয়েছিল। তার জবাবে প্রত্যন্ত জনজাতি অধ্যুষিত গ্রামগুলিতে আকাশপথে হামলা চালাচ্ছে মিয়ানমারের সেনারা। ইতিমধ্যেই ১০ গ্রামবাসীর মৃত্যু হয়েছে।
মায়ানমার পার্লামেন্টের নির্বাসিত সদস্যেরা সেনা-বিরোধী যে গোষ্ঠী ইতিমধ্যেই গড়ছেন, আপাতত সেই সিআরপিএইচ গোষ্ঠীর নেতৃত্বে রয়েছেন ডক্টর সাসা নামে এনএলডি-র এক নেতা। তিনি আজ স্পষ্ট জানিয়েছেন, সেনার অত্যাচার রুখতে জনজাতি জঙ্গি গোষ্ঠীগুলির সাহায্য নিতে তাঁরা প্রস্তুত। জনজাতি ও নাগরিক গোষ্ঠী একত্র হয়ে একটি ‘ফেডারেল আর্মড ফোর্স’ গঠনের চিন্তা-ভাবনা করছে বলেও জানান তিনি।
এই পরিস্থিতিতে চাপ বাড়ছে থাইল্যান্ড সীমান্তে। মায়ানমার সীমান্ত ঘেঁষা থাই প্রদেশের গভর্নর আজ জানিয়েছেন, যে সব বাসিন্দা সীমান্ত পেরিয়ে তাঁদের দেশে ঢুকেছিলেন, তাঁরা স্বেচ্ছায় ফিরে গিয়েছেন। যদিও মানবাধিকার সংগঠনগুলির দাবি, থাই সেনারা জোর করে তাঁদের ফেরত পাঠিয়েছে। এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী প্রয়ুত চান-ওচা।
এদিকে, মায়ানমারে জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত নন এমন আমেরিকান কূটনীতিকদের অবিলম্বে দেশে ফেরার নির্দেশ দিয়েছে জো বাইডেন প্রশাসন।