a শক্তিশালী ভূমিকম্পে পাকিস্তানে নিহত ২০, আহত ৩ শতাধিক
ঢাকা সোমবার, ২১ পৌষ ১৪৩২, ০৫ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

শক্তিশালী ভূমিকম্পে পাকিস্তানে নিহত ২০, আহত ৩ শতাধিক


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বৃহস্পতিবার, ০৭ অক্টোবর, ২০২১, ০৯:৩৯
শক্তিশালী ভূমিকম্পে পাকিস্তানে নিহত ২০, আহত ৩ শতাধিক

ফাইল ছবি

পাকিস্তানের বেলুচিস্তান প্রদেশে শক্তিশালী ভূমিকম্পের আঘাতে অন্তত ২০ জন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে প্রায় তিন শতাধিক। স্থানীয় সময় আজ বৃহস্পতিবার সকালে ভূমিকম্প হয়েছে। প্রাদেশিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ বলছে, রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৯। খবর ডন ও বিবিসির।

পাকিস্তানের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোতে প্রকাশিত ছবিতে দেখা যাচ্ছে, ভূমিকম্পের পর বেলুচিস্তানের রাজধানী কোয়েটার লোকজন শহরের রাস্তায় নেমে এসেছেন।

পাকিস্তানের একজন সরকারি কর্মকর্তার বরাত দিয়ে বিবিসি জানিয়েছে, ভূমিকম্পে দালান ধসে এসব মানুষের প্রাণহানি হয়।

স্থানীয় এক কর্মকর্তা বিবিসিকে জানিয়েছেন, ভূমিকম্পে অন্তত ৩০০ জন আহত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর মধ্যে গুরুতর অনেককে তড়িঘড়ি করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। উদ্ধার অভিযান চলছে।

নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে বেশ কয়েকজন নারী ও শিশু রয়েছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। একজন কর্মকর্তা বলেছেন, ভূমিকম্পে সবচেয়ে ক্ষতি হয়েছে হারানি জেলায়।

হারানি প্রাদেশিক রাজধানী কোয়েটার উত্তরে অবস্থিত। হারানিতে বেশ কয়েকটি বড় কয়লাখনি রয়েছে।

বেলুচিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মীর জিয়াউল্লাহ লাঙ্গু বিবিসিকে বলেছেন, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় জরুরি সেবা বিভাগের কর্মকর্তাদের পাঠানো হয়েছে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

ইয়েমেনে সরকারি বাহিনী ও হুতিদের মধ্যে তুমুল লড়াই, নিহত ১৪০


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০১:০৮
ইয়েমেনে সরকারি বাহিনী ও হুতিদের মধ্যে তুমুল লড়াই, নিহত ১৪০

ফাইল ছবি

ইয়েমেনের সেনাবাহিনী ও দেশটির সশস্ত্র হুতি বিদ্রোহীদের মধ্যে কয়েকদিনের তুমুল লড়াইয়ে ১৪০ জনের বেশি নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। 

চলতি সপ্তাহে দেশটির উত্তরাঞ্চলীয় মারিব শহর এ হতাহতের ঘটনা ঘটেছে বলে শুক্রবার ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী এবং স্বাস্থ্য দফতরের বরাতে ডন এ খবর জানিয়েছে। 

খবরে বলা হয়, গত চারদিনের সংঘর্ষে সরকারি বাহিনীর অনুগত প্রায় ৪৭ সেনা প্রাণ হারিয়েছেন। উভয়পক্ষের যুদ্ধে ইরান সমর্থিত ৯৩ জন হুতি বিদ্রোহী নিহত হয়েছে বলে দাবি করা হয়, সরকারি বাহিনীর বিমান হামলায় তারা নিহত হয়েছেন বলে জানানো হয়। 

তেলসমৃদ্ধ অঞ্চল মারিবের আধিপত্য নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সরকারি বাহিনী ও হুতি গোষ্ঠী দীর্ঘদিন ধরেই লড়াই চালিয়ে আসছে। যদিও হুতি বিদ্রোহীদের পক্ষ তাদের সদস্য হতাহতের বিষয়টি 
এখনো নিশ্চিত করেনি।

ইরানি মদদপুষ্ট হুতি বিদ্রোহীরা ২০১৪ সালে ইয়েমেনের রাজধানী সানা দখল করার পর দেশটির সৌদি সমর্থিত প্রেসিডেন্ট আব্দে রাব্বি মানসুর হাদিকে ক্ষমতাচ্যুত করে। পরে আব্দে রাব্বি মানসুর দেশ ছেড়ে পালিয়ে সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে চলে যান।

এরপর ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধে হস্তক্ষেপ করে সৌদি সামরিক জোট। প্রতিশোধ নিতে কিছুদিন পর সৌদি শহরগুলোতে একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে আসছে ইরানের মিত্র হুতি বিদ্রোহীরা।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

দারিদ্র ও বেকারত্ব বাড়তে পারে চলমান সংকটে:সিপিডি


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
শুক্রবার, ২১ অক্টোবর, ২০২২, ১০:২৯
দারিদ্র ও বেকারত্ব বাড়তে পারে চলমান সংকটে:সিপিডি

ফাইল ছবি

বর্তমান সংকটে সরকারের উদ্যোগগুলো সঠিক, কিন্তু পর্যাপ্ত নয় বলে উল্লেখ করেছে গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)। সমস্যা মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি হলেও সংকট সমাধানে সরকার স্বল্পমেয়াদি উদ্যোগ নিচ্ছে। বর্তমানে জ্বালানি সংকট, বিদ্যুত্ সংকট, বৈদেশিক মুদ্রার সংকট পরবর্তীকালে আরো অন্যান্য খাতেও দেখা দিতে পারে। এর প্রভাবে দেশে দারিদ্র্য ও বেকারত্ব বৃদ্ধির আশঙ্কা রয়েছে। ফলে রাজনৈতিক সংকটে রূপ নিতে পারে বলে উল্লেখ করেছে সংস্থাটি।

‘বিশ্ব অর্থনীতিতে মন্দার আভাস এবং বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জ উত্তরণ কোন পথে?’ শীর্ষক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে এ কথা বলা হয়। ধানমন্ডিতে সিপিডির কার্যালয়ে আয়োজিত এই ব্রিফিংয়ে মূল উপস্থাপনা তুলে ধরেন সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন। গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম, জ্যেষ্ঠ গবেষক তৌফিকুল ইসলাম খান বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন। এক প্রশ্নের জবাবে খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, প্রধানমন্ত্রী যে দুর্ভিক্ষের কথা বলছেন, সেটি যৌক্তিক কথা। কারণ বিশ্ববাজারে খাদ্য একটি রাজনৈতিক পণ্য হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে খাদ্যপণ্য কেনায় সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে। কারণ, নিজের মজুত নিশ্চিত না করে কোনো দেশ পণ্য রপ্তানি করতে চাইবে না। তাই ভবিষ্যতে ডলার থাকলেও বিশ্ববাজারে পর্যাপ্ত খাদ্যপণ্য না-ও থাকতে পারে।

বাংলাদেশের মতো যারা খাদ্য আমদানি নির্ভর দেশ, মূলত তারাই খাদ্যের ঝুঁকিতে রয়েছে। খুব দ্রুত সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে—সরকারের এই মোহ ভঙ্গ হওয়া প্রয়োজন।

খাদ্যসংকট, জ্বালানিসংকট, বৈদেশিক মুদ্রার সংকট আগামী দিনে প্রলম্বিত হবে কর্মসংস্থানে। এর ফলে দারিদ্র্য বৃদ্ধির আশঙ্কা দেখা যাচ্ছে, বেকারত্বের আশঙ্কাও রয়েছে। যদি সেটি হয়. তাহলে রাজনৈতিক সংকটে পরিণত হবে। এই বিষয়গুলো মাথায় রেখে সরকারের উদ্যোগগুলো ঢেলে সাজাতে হবে।

মূল উপস্থাপনায় ফাহমিদা খাতুন বলেন, ২০১৯ সালের জানুয়ারি মাসে ঢাকায় চার সদস্যের একটি পরিবারের অত্যাবশ্যকীয় সব খাদ্যপণ্যসহ সার্বিক খরচ ছিল ১৭ হাজার ৫৩০ টাকা। জরিপে দেখা গেছে, বর্তমানে রাজধানীতে বসবাসরত চার সদস্যের একটি পরিবারের মাসে খাদ্য খাতে ব্যয় করতে হচ্ছে গড়ে ২২ হাজার ৪২১ টাকা। মাছ-মাংস বাদ দিলেও খাদ্যের পেছনে ব্যয় হবে ৯ হাজার ৫৯ টাকা। এটা ‘কম্প্রোমাইজড ডায়েট’ বা আপসের খাদ্য তালিকা। মূল্যস্ফীতির লাগামহীন অবস্থা। দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষ কঠিন অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। শুধু আমদানি পণ্য নয়, দেশে উত্পাদিত পণ্যের মূল্যও বেশি। এটা কমার কোনো লক্ষণ নেই। খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি কাছাকাছি অবস্থান করছে। তবে বাজারের চিত্রে দেখা যায় পণ্যমূল্য প্রকৃত মূল্যের চেয়ে অনেক বেশি। এজন্য প্রকৃত অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে মূল্যস্ফীতি নির্ধারণ করা উচিত।

তিনি বলেন, ২৯টি নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রে কর হার অনেক বেশি। এজন্য এটার প্রভাব পড়ছে মূল্যস্ফীতির ওপর। এটা কমানো গেলে মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমত। মূল্যস্ফীতির সমাধানে সব শিল্পে ন্যূনতম বেতন বাড়ানোর পদক্ষেপ নিতে হবে এখনই। এছাড়া ব্যক্তি খাতেও যারা কাজ করছেন, তাদের জীবনমানে এত ধস নেমেছে যে, এ আয় দিয়ে তারা চলতে পারছেন না। তাদের বেতনও পুনর্বিবেচনা করতে হবে। সরকার ওএমএসসহ যেসব পণ্য দিয়েছে, তা সারা দেশে সহজলভ্য করতে হবে। এখানে দুর্নীতি যেন না হয়, সেটাও দেখতে হবে। তিনি আরো বলেন, একেবারেই দরিদ্রদের আর্থিক সহায়তার পরিমাণ কমপক্ষে ১ হাজার টাকা করতে হবে। ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের ঋণের ব্যবস্থা করতে হবে।

জ্বালানি সংকট সমাধানে সিপিডি বিভিন্ন কূপ থেকে গ্যাস উত্তোলনে মনোযোগী হওয়া, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে সুপারিশ করেছে। ফাহমিদা খাতুন বলেন, সাধারণত ৬০ দিনের জ্বালানি মজুতকে আদর্শ ধরা হয়। কিন্তু আমাদের ডিজেল ৬১ দিন, অকটেন ১৯ দশমিক ৬ দিন, পেট্রোল ৩৮ দশমিক ৪ দিন, ফার্নেস ওয়েল ২৭ দশমিক ৯ দিনের মজুত আছে। বিপিসির হাতে ২৩ হাজার কোটি টাকা আছে। টাকা একদম নেই বিষয়টা তেমন নয়। এ জন্য জ্বালানি তেলের দর পুনর্বিবেচনার দাবি জানান তারা। জ্বালানি তেলের ঘাটতি মেটাতে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘খাদ্যসংকটের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। বিশ্ব খাদ্য সংস্থা বলছে, ভবিষ্যতে বিশ্বের ৪২টি দেশে খাদ্যসংকট হতে পারে। এই তালিকায় বাংলাদেশও আছে। এই আশঙ্কা শুধু আমাদের নয়, আন্তর্জাতিক সংস্থারও। এজন্য মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ নিতে হবে। কারণ বৈশ্বিক অর্থনীতির সঙ্গে আমাদের অর্থনীতি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। এক বছরের মধ্যে পরিত্রাণ পাব এটা আশা করা যায় না।’

অপর এক প্রশ্নের জবাবে গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, বিদ্যুতে ভর্তুকি বেশি। এর বড় কারণ হলো বিদ্যুতের ক্যাপাসিটি চার্জ। সরকারকে এই ক্যাপাসিটি চার্জভিত্তিক বিদ্যুেকন্দ্র থেকে সরে আসতে হবে। আইএমএফের যে শর্ত, তাতে বিদ্যুতের ভর্তুকি কমানোর কথা বলা হয়েছে। ক্যাপাসিটি চার্জভিত্তিক বিদ্যুত্ থেকে নো ইলেক্ট্রিসিটি নো চার্জ—এই ব্যবস্থায় আসতে হবে। সূত্র: ইত্তেফাক

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর সর্বশেষ

সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক