a
সংগৃহীত ছবি
সিরিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় হাসাকা প্রদেশে মার্কিন সামরিক বাহিনীর একটি বহরকে আটকে দিয়েছে সেই এলাকার সাধারণ জনগণ। সিরিয়ায় মার্কিন সেনাদের মোতায়েনের কারণে দেশটির জনগণ যে প্রচণ্ড সংক্ষুব্ধ সামরিক বহর আটকে দেয়ার ঘটনা তারই বহিঃপ্রকাশ।
সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সানা জানিয়েছে, মার্কিন সামরিক বহরে চারটি গাড়ি ছিল কিন্তু জনতার বাধা ও অনড় অবস্থানের কারণে মার্কিন সেনারা বহর নিয়ে পিছু হটতে বাধ্য হয়। এসময় লোকজন মার্কিন সামরিক বহরকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে।
বার্তা সংস্থা সানা জানিয়েছে, মার্কিন সামরিক বহরের সঙ্গে কুর্দি গেরিলাদের একটি গাড়িও ছিল। সিরিয়ার কুর্দি গেরিলাদেরকে প্রকাশ্যে সমর্থন দিয়ে আসছে আমেরিকা।
এদিকে, গতকাল (মঙ্গলবার) একটি বিশাল সামরিক বহরে করে সিরিয়ার হাসাকা প্রদেশ থেকে কয়েক টন গম ইরাকের আধা-স্বায়ত্ত্বশাসিত কুর্দিস্তানে নেয়া হয়। ওই বহরে অন্তত তিন ডজন ট্রাক ছিল। কুর্দি প্রভাবিত সিরিয়ান ডেমোক্র্যাটিক ফোর্সেস বা এসডিএফ’র গেরিলারা এসব ট্রাক পাহারা দিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল।
ফাইল ছবি
ইউক্রেনে অস্ত্র সরবরাহ নিয়ে ইসরায়েলকে হুঁশিয়ারি দিয়েছে রাশিয়া। দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি মেদভেদেভ বলেছেন, ইউক্রেনে ইসরায়েলের অস্ত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত হবে ‘বেপরোয়া’।
দিমিত্রি মেদভেদেভ বর্তমান রাশিয়ার নিরাপত্তা কাউন্সিলের উপ প্রধানের দায়িত্বে আছেন। ইউক্রেন ইস্যুতে বিভিন্ন মন্তব্য করে বেশ আলোচনায় আছেন তিনি।
সোমবার এক টেলিগ্রাম বার্তায় দিমিত্রি মেদভেদেভ বলেন, ‘মনে হচ্ছে ইসরায়েল ইউক্রেনে অস্ত্র সরবরাহের পরিকল্পনা করছে। এই সিদ্ধান্ত ‘খুবই অপরিণামদর্শী’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটা রাশিয়া-ইসরায়েলের মধ্যে সকল আন্তঃরাষ্ট্রীয় সম্পর্ক নষ্ট করে দিবে।’
এ বিষয়ে মন্তব্যের জন্য যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গণমাধ্যম সিএনএন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে যোগাযোগ করে। কিন্তু মেদভেদেভের মন্তব্য নিয়ে তারা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।
উল্লেখ্য, ইসরায়েলের প্রবাসী (ডায়াস্পোরা) বিষয়ক মন্ত্রী ন্যাসম্যান শাই রবিবার এক টুইটবার্তায় ইউক্রেনে সামরিক সহায়তা পাঠানোর পক্ষে কথা বলেন।
ইসরায়েলের এই মন্ত্রী টুইটারে লেখেন, ইরান রাশিয়ায় ব্যালেস্টিক মিসাইল পাঠাচ্ছে এমন খবর বের হয়েছে। সুতরাং এই রক্তাক্ত সংঘাতে ইসরায়েলের কোথায় অবস্থান নেওয়া উচিত, তা নিয়ে আর কোনো সন্দেহ নেই। ন্যাটো এবং যুক্তরাষ্ট্রের মতো ইসরায়েলের কাছ থেকেও ইউক্রেনের অস্ত্র নেওয়ার সময় এসেছে।’ ইউক্রেন যুদ্ধে ইসরায়েল রাশিয়ার নিন্দা জানালেও কিয়েভকে এখন পর্যন্ত অস্ত্র দেয়নি। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
ফাইল ছবি
কক্সবাজারের শরণার্থী শিবির থেকে স্বেচ্ছায় পঞ্চম দফায় (প্রথম অংশ) ৪৫টি বাসে ৪৬২ পরিবারের দুই হাজার ৫৫৫ রোহিঙ্গা ভাসানচরের উদ্দেশে চট্টগ্রামে রওনা দিয়েছেন। ষষ্ঠ দফায় যাওয়ার জন্য প্রস্তুত রয়েছেন আরও চার হাজারের বেশি। এর আগে মোট ১৩ হাজার ৭২৩ রোহিঙ্গাকে ভাসানচরে স্থানান্তর করা হয়েছে।
মঙ্গলবার সকালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তায় উখিয়ার বিভিন্ন ক্যাম্প থেকে ভাসানচরের উদ্দেশে রোহিঙ্গারা সপরিবারে উখিয়া ডিগ্রি কলেজ মাঠে আসতে থাকেন। পরে দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত আড়াই হাজারের বেশি রোহিঙ্গা ৪৫টি বাসে চট্টগ্রাম রওনা হন। তারা রাতে চট্টগ্রামের বিএন শাহীন কলেজের ট্রানিজট ক্যাম্পে থেকে বুধবার অথবা বৃহস্পতিবার নৌবাহিনীর ব্যবস্থাপনায় ভাসানচরে পৌঁছাবেন।
রাত ৯টার দিকে মোবাইল ফোনে ভাসানচর আশ্রয়ণ প্রকল্পের পরিচালক কমডোর রাশেদ সাত্তার বলেন, ষষ্ঠ দফায় ভাসানচরে চার হাজারের বেশি রোহিঙ্গাকে স্বেচ্ছায় হস্তান্তর প্রস্তুতি রয়েছে। মঙ্গলবার দুই হাজারের বেশি রোহিঙ্গা ভাসানচরের উদ্দেশে উখিয়া ত্যাগ করেছে।
কক্সবাজারের শরণার্থী কমিশনার কার্যালয়ের তথ্যমতে, গত ডিসেম্বর থেকে পাঁচ দফায় ভাসানচরে গেছেন মোট ১৩ হাজার ৭২৩ রোহিঙ্গা। এর আগে গত বছরের মে মাসে অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় যাওয়ার চেষ্টা করা ৩০৬ রোহিঙ্গাকে সমুদ্র থেকে উদ্ধার করে সেখানে নিয়ে রাখা হয়।