a
ছবি: সংগৃহীত
পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান লংমার্চে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। কয়েকটি টেলিভিশনে প্রচারিত ফুটেজে দেখা গেছে, কিছু মানুষের সহায়তায় আহত ইমরান খানকে একটি গাড়িতে তোলা হয়। ইমরান খানের পায়ে ব্যান্ডেজও দেখা গেছে।
ডনের খবরে বলা হয়েছে, ইমরান খানকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে পাঞ্জাব পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে।
গত ২৯ অক্টোবর ইসলামাবাদ অভিমুখে পিটিআই চেয়ারম্যান ইমরান খান লং মার্চ শুরু করেন। লাহোর লিবার্টি চক থেকে এই লংমার্চ শুরু হয় । চলতি বছরে পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রীর এটি দ্বিতীয় লং মার্চ। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
ছবি সংগৃহীত: রামমন্দির
ভারতের উত্তর প্রদেশের অযোধ্যায় ‘বাবরি মসজিদের’ স্থলে নির্মিত আলোচিত সেই রামমন্দিরটি আজ উদ্বোধন করা হচ্ছে। ‘প্রাণ প্রতিষ্ঠা’ নামের এই অনুষ্ঠান আজ সোমবার উদ্বোধন করবেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে উদ্বোধন করা হবে (বাংলাদেশ সময় দুপুর ১২টা ৫০ মিনিট)।
রামমন্দিরের এই উদ্বোধন ঘিরে অযোধ্যাকে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলেছে। লতা মঙ্গেশকর চকে মোতায়েন করা হয়েছে রাজ্যের সন্ত্রাসবিরোধী স্কোয়াডের (এটিএস) সদস্যদের।
অযোধ্যা পুলিশ জানিয়েছে, অনুষ্ঠান ঘিরে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিস্তৃত পরিসরে নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ড্রোনের মাধ্যমে নিরাপত্তা পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
রামমন্দির প্রতিষ্ঠা ভারতের ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) সরকারের অন্যতম রাজনৈতিক অঙ্গীকার। এ প্রতিশ্রুতি পূরণ এ বছর অনুষ্ঠেয় লোকসভা নির্বাচনের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ বহন করবে বলে মনে করা হচ্ছে।
অন্যান্য রাজনৈতিক দলের সঙ্গে কংগ্রেস সভাপতি ও রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খাড়গে, কংগ্রেস সংসদীয় দলের নেত্রী সোনিয়া গান্ধী ও লোকসভার বিরোধী নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরীকেও ট্রাস্টের পক্ষ থেকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে এ অনুষ্ঠানে কংগ্রেস না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এছাড়া শিবসেনার উদ্ধব ঠাকরে, সমাজবাদী পার্টির অখিলেশ যাদব, তৃণমূল কংগ্রেসের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কিংবা সিপিএমের সীতারাম ইয়েচুরিও জানিয়ে দিয়েছেন, ওই অনুষ্ঠানে তারা যাবেন না।
উল্লেখ্য, মোগল সম্রাট বাবরের সেনাপতি মীর বাঁকি ১৫২৮ সালে অযোধ্যায় মসজিদটি তৈরি করেন, যা পরবর্তী সময়ে বাবরি মসজিদ নামে পরিচিতি লাভ করে। তবে দেশটির হিন্দু সম্প্রদায়ের দাবি, সেখানে ‘রামের মন্দির ভেঙে’ মসজিদটি তৈরি করা হয়েছিল। সূত্র: এনডিটিভি, হিন্দুস্তান টাইমস, ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস
ফাইল ছবি
জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান জিএম কাদের বলেছেন, সারাদেশে গোয়েন্দা নিয়োগের মাধ্যমে দেশের সবাইকে নজরদারিতে রাখা হয়েছে। স্মার্ট বাংলাদেশের মাধ্যমে দেশ জেলখানায় পরিণত হচ্ছে। দেশে শান্তি নিয়ে আসতে অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচন দরকার।
তিনি বলেন, দেশে একদলীয় শাসন ব্যবস্থা তৈরি হয়েছে। চলছে এক ধরনের বৈষম্য। প্রশাসন শাসক গোষ্ঠীর লাঠিয়াল বাহিনীতে পরিণত হয়েছে। বৈষম্য তৈরি করে দেশকে শাসন এবং শোষণ করছে শাসক শ্রেণি।
বৃহস্পতিবার দুপুরে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের বনানী কার্যালয় মিলনায়তনে দলটির এক বিশেষ সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
জিএম কাদের বলেন, সাধারণ মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নেয়া হয়েছে। আজ মানুষ শাসক শ্রেণির দাসে পরিণত হয়েছে। মানুষের রাজনৈতিক কোন অধিকার নেই।
সারাদেশে এখন দুর্নীতি চলছে অভিযোগ করে জিএম কাদের বলেন, দুর্নীতি এখন রন্ধ্রে রন্ধ্রে। গ্রাম-গঞ্জ আজ মাদকে সয়লাব। সরকার দেশের অর্থনীতি নষ্ট করেছে। ক্ষমতাসীন সরকার ইতিহাস বিকৃত করেছে। সেই সঙ্গে সংস্কৃতি নস্যাৎ করেছে। সরকারের লোকজন লাভের জন্য পরিবেশ নষ্ট করছে। সূত্র: বিডি প্রতিদিন