a
সংগৃহীত ছবি
ইরান এবং সিরিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার ইঙ্গিত দিয়েছে সৌদি আরব। কাতারের আল-জাজিরা টেলিভিশন চ্যানেল জানিয়েছে, কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের বিষয়ে একটি চুক্তির খুব কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছে সৌদি আরব এবং সিরিয়া।
মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ে রিয়াদ নতুন নীতি গ্রহণ করতে যাওয়া প্রাক্কালে এই খবর এলো।
সৌদি আরব এবং সিরিয়ার মধ্যে বিরাজমান উত্তেজনা কমানোর ব্যাপারে ইরান সব সময় তৎপর। কয়েকটি সূত্র থেকে জানা গেছে, এরফলেই সৌদি আরব কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।
সিরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র আল-জাজিরাকে জানিয়েছে, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান তেহরানের সঙ্গে উত্তেজনা কমানোর চেষ্টা করছেন, এর পাশাপাশি ইরান বন্ধুদেশ সিরিয়াকে জড়িত করেছে।
সিরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, সৌদির যুবরাজ সিরিয়াকে আশ্বস্ত করার জন্য তার টিমকে এই নির্দেশনা দিয়েছেন যে, রিয়াদ সিরিয়ায় সরকার পরিবর্তন চায় না বরং সিরিয়া হচ্ছে ভ্রাতৃসুলভ আরব দেশ। ফলে স্বাভাবিকভাবেই সৌদি আরব এবং সিরিয়ার সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ হওয়া উচিত।
সিরিয়ার সূত্র আরও জানায়, সৌদি যুবরাজের মনোভাবকে তাৎক্ষণিকভাবে ইরান স্বাগত জানিয়েছে।
ফাইল ফটো
ইহুদিবাদী দেশ ইসরাইলে গত দুই বছরে চারবার সাধারণ নির্বাচন দিয়েও দেশটির পার্লামেন্ট নেসেটে কোনো দল বা জোটই সরকারকে টিকে রাখতে পারছে না। সর্বশেষ গত মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত চতুর্থ নির্বাচনের আগে জনমত জরিপে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর পরাজয়ের ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছিল। খবর বিবিসি, রয়টার্স ও আলজাজিরার।
নির্বাচনের পর বুথফেরত জরিপেও নেতানিয়াহুর কট্টর ডান নিকুদ পার্টি নেসেটের ১২০ আসনের মধ্যে বড়জোর ৫২ থেকে ৫৩টি আসন পেতে পারে বলে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।
মঙ্গলবার দেশটির সাধারণ নির্বাচনে সকাল ৭টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলে। সরকার গঠন করতে হলে নেতানিয়াহুর দল এবং তার জোটকে কমপক্ষে দরকার ৬১টি আসন, যা পাওয়ার সম্ভবনা খুবই কম। জনমত জরিপে উঠে এসেছে নেসেটের কর্তৃত্ব নিয়ে সেখানে আবারও রাজনৈতিক অচলাবস্থা সৃষ্টি হতে পারে।
পার্লামেন্টে ৬১ আসন পেলেই সরকার গঠন করতে পাবে যে কোনো দল। প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলোর মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে বলে জনমত জরিপের ফলে জানা গেছে। ফলে কোনো পক্ষই মন্ত্রিসভা গঠনের মতো সুস্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে না।
ইসরাইলের কয়েকটি টেলিভিশন চ্যানেল নির্বাচনের একদিন আগে জনমত জরিপে যে ফল উঠে এসেছে, নির্বচনের পর বুথফেরত জরিপেও একই চিত্র ফুটে উঠেছে জানা গেছে।
ইসরাইলে গত দুই বছরের মধ্যে এ নিয়ে চতুর্থ দফা সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও কোনো নির্বাচনেই কোনো দল বা জোট সুস্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ার কারণে ইসরাইলে রাজনৈতিক অচলাবস্থা চলে আসছে। নতুন এই নির্বাচনেও সেই অচলাবস্থা দূর হচ্ছে না বলে আভাস দিচ্ছে ইসরাইলের টিভি চ্যানেলগুলো।
নির্বাচনের বিজয়ী হওয়া নেতানিয়াহুর জন্য অপরিহার্য হয়ে পড়েছে। এ নিয়ে তার ওপর রাজনৈতিক চাপও সৃষ্টি হয়েছে। ইসরাইলের ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘ সময় ধরে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করে আসছেন নেতানিয়াহু। ২০০৯ সাল থেকে নেতানিয়াহু টানা প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করে আসছেন কট্টরপন্থি এ লিকুদ পার্টির নেতা।
নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে বিচার চলছে; পাশাপাশি করোনাভাইরাসের মহামারি ব্যবস্থাপনায় চরম ও দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন বলে তার বিরুদ্ধে কঠোর সমালোচনা ও আন্দোলন হয়ে আসছে।
ফাইল ফটো:
ভোলার দক্ষিণে চরফ্যাশন উপজেলার দক্ষিণ আইচা থানার চরমানিকা ইউনিয়নে চর ইসলাম, চর ফারুকীসহ বিভিন্ন চরে অজ্ঞাত রোগে মারা গেছে প্রায় অর্ধশত মহিষ। এখনো প্রায় অর্ধশতাধিক আক্রান্ত আছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এসব চরে গবাদিপশু রয়েছে প্রায় এক থেকে দেড় হাজার।
স্থানীয় পশু চিকিৎসক সাঈদ সিকদার জানান, সর্দি, পেট ফোলা, মুখ দিয়ে লালা পড়া ও খাবারে অনীহা দেখা দেওয়ার ছয় থেকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মহিষ মারা গেছে প্রায় ৫০টি । যাদের মহিষ মারা গেছে তারা হলেন—চরমানিকা ইউনিয়নের দক্ষিণ আইচা ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বারেক হাওলাদারের ১টি, চরমানিকা ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাবুল হাওলাদারের ৬টি, মিনাল রায়ের ৮টি, রবি হাজারীর ৩টি, তপন বিশ্বাসের ৪টি, আলমের ৪টি, কাঞ্চন মাতুব্বরের ৪টি, মুনসুর মুন্সীর ৮টি, দক্ষিণ চর আইচা ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাশু সর্দারের ৩টিসহ প্রায় ৫০টি মহিষ অজ্ঞাত রোগে মারা গেছে।
এরা নদী শিকস্তি পরিবার। মনপুরা ও তজুমদ্দিন এবং চরফ্যাশনের মূল ভূখণ্ড থেকে নদীভাঙনের শিকার হয়ে নতুন করে বাঁচার জন্য আশ্রয় নিয়েছেন এরা এসব চরে। এ আকস্মিক ও ভয়ানক দুর্যোগ তাদের স্বপ্নকে বিলীন করে দিয়েছে।
এ ব্যাপারে চরফ্যাশন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. আতিকুর রহমান জানান, এখনো মহিষ মারা যাওয়ার কারণ আমরা শনাক্ত করতে পারেনি, তবে আমাদের পরীক্ষানিরীক্ষা চলমান আছে।
ভোলা জেলায় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক জাকির হোসেন মহিন মহিষ নিয়ে কাজ করতে গিয়ে বলেন , যে সমস্ত মহিষকে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়নি সেগুলো হয়তো মারা যাচ্ছে বিভিন্ন উপসর্গ নিয়ে। তিনি এ ব্যাপারে মহিষ মালিকেরা প্রাণিসম্পদ বিভাগের দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান।