a হিজবুল্লাহর হাতে এক লাখ ক্ষেপণাস্ত্রে আতঙ্ক ইসরায়েল
ঢাকা শনিবার, ১০ মাঘ ১৪৩২, ২৪ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

হিজবুল্লাহর হাতে এক লাখ ক্ষেপণাস্ত্রে আতঙ্ক ইসরায়েল


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
রবিবার, ০৭ নভেম্বর, ২০২১, ০৮:৩৭
হিজবুল্লাহর হাতে এক লাখ ক্ষেপণাস্ত্রে আতঙ্ক ইসরায়েল

ফাইল ছবি

লেবাননের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হিজবুল্লাহর হাতে এক লাখের বেশি ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে জানা গেছে। এতে ভয়ঙ্কর নিরাপত্তা হুমকির মধ্যে রয়েছে ইসরায়েল। কারণ এসব ক্ষেপণাস্ত্র দখলদার ইহুদিবাদী দেশটির যেকোনো জায়গায় আঘাত হানতে সক্ষম।  

ইসরায়েলের হিব্রু ভাষার ‘ইসরায়েল হাইয়ুম’ নামের পত্রিকাটি এমন আতঙ্কের খবর প্রকাশ করেছে। খবরে বলা হয়েছে, পরিস্থিতির পরিবর্তন করতে হলে ইসরায়েলকে বহু পথ মাড়াতে হবে।

যদিও আঞ্চলিক রাজনীতিতে হিজবুল্লাহর প্রভাব ও ভূমিকার প্রেক্ষাপটে ইসরায়েল বহুমুখী সামরিক সংঘাতের প্রস্তুতি জোরদার করেছে। তাতেও ইসরায়েলের সরকার মারাত্মকভাবে নিরাপত্তাহীনতা ভুগছে এবং সামরিক শক্তির অভাববোধ।
    
উল্লেখ্য, ২০০৬ সালের ৩৩ দিনের যুদ্ধের কথা উল্লেখ করে পত্রিকাটি বলেছে, অধিকৃত ভূখণ্ড এখন এক লাখের বেশি ক্ষেপণাস্ত্রের আওতার মধ্যে রয়েছে। পাশাপাশি গাজা থেকে যুক্ত হবে আরো হাজার হাজার ক্ষেপণাস্ত্র। সূত্র: পার্সটুডে

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

জীবন রক্ষার্থে জান্তা বাহিনীর ১০৫ সীমান্তরক্ষী বাংলাদেশে আশ্রয়


আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সোমবার, ০৫ ফেরুয়ারী, ২০২৪, ১০:১৩
জীবন রক্ষার্থে জান্তা বাহিনীর ১০৫ সীমান্তরক্ষী বাংলাদেশে আশ্রয়

ফাইল ছবি

বান্দরবানে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার তুমব্রু সীমান্তের ওপারে মিয়ানমারে গতরাতেও বিদ্রোহী গ্রুপ আরাকান আর্মির সঙ্গে সেদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে। এতে আতঙ্কের মধ্যে আছে সীমান্তবাসীরা। বিদ্রোহীদের হাত থেকে বাঁচতে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন মিয়ানমার জান্তা সরকারের ১০৫ সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদস্য।

তবে ভোরের দিকে গোলাগুলির শব্দ কিছুটা কমেছে। সোমবার সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত সীমান্তের ওপারে গোলাগুলির তেমন শব্দ শোনা যায়নি বলে জানিয়েছেন সীমান্তবাসীরা।

এদিকে মিয়ানমারের স্বাধীনতাকামী সংগঠন আরাকান আমি (এএ) বিদ্রোহীদের সঙ্গে চলমান সংঘাতে টিকতে না পেরে জীবন বাঁচাতে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ঢুকে আশ্রয় নিয়েছে তুমব্রু সীমান্তের ৬৮ জন এবং ঘুমধুম সীমান্তের ৩৭ জন মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদস্য। আশ্রয় নেয়া মিয়ানমার সীমান্তরক্ষীদের মধ্যে বেশ কয়েকজন গুলিবিদ্ধও রয়েছে। গুলিবিদ্ধ আহত দুজনকে কক্সবাজারে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য শফিকুল ইসলাম ও আনু মোহাম্মদ বলেন, মিয়ানমার বাহিনীর ছোড়া গুলিতে রোববার দৃই বাংলাদেশী নাগরিক গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোর বাসিন্দাদের মধ্যে। সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে যানবাহন ও লোকজনের চলাচল সীমিত করেছে প্রশাসন। বিদ্রোহীদের তোপের মুখে প্রাণ বাঁচাতে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে তুমব্রু সীমান্তের ওপারের মিয়ানমার ক্যাম্পের ৬৮ জন এবং ঘুমধুম সীমান্তের ওপারে ক্যাম্পের ৩৭ জন মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদস্য।

জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয়রা জানায়, নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের তুমব্রু সীমান্তে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে সামরিক জান্তা বাহিনীর সঙ্গে স্বাধীনতাকামী সংগঠন আরকান আর্মী (এএ) মধ্যে তুমুল সংঘাত চলছে।

গত শনিবার থেকে মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনীর দুটি ক্যাম্প দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছে আরাকান আর্মি। ইতিমধ্যে ক্যাম্পগুলোর কিছুটা অংশ দখলে নিয়েছে বিদ্রোহীরা। তবে মিয়ানমার সরকারি বাহিনী হেলিকপ্টার থেকে বোমা ছোড়ার মাধ্যমে পরিস্থিতি সামলানোর চেষ্টা করছে।

বান্দরবানের জেলা প্রশাসক শাহ মোজাহিদ উদ্দিন বলেন, সীমান্তে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হওয়ায় সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে যানবাহন ও লোকজনের চলাচল সীমিত করা হয়েছে। সীমান্তবর্তী ৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ রাখা হয়েছে। সীমান্তে টহল বাড়ানো হয়েছে। নিরাপত্তা চৌকিগুলোতে সতর্কবস্থায় রয়েছে বর্ডার গার্ড বিজিবি। সূত্র: যুগান্তর

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

রাজনীতিতে অন্তর্ভূক্তিমূলক নীতি গ্রহনের জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহবান দলিত জনগোষ্ঠীর


সাইফুল আল, বিশেষ প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১২:০১
রাজনীতিতে অন্তর্ভূক্তিমূলক নীতি গ্রহনের জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহবান দলিত জনগোষ্ঠীর

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

সাইফুল আলম, ঢাকা: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচনী ইশতেহারে সুনির্দিষ্টভাবে দলিত জনগোষ্ঠীর উন্নয়নের বিষয়গুলো অন্তর্ভূক্ত করা এবং তাদের রাজনৈতিক ক্ষমতায়নে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ কী ভূমিকা রাখতে পারেন সে বিষয়ে আলোচনার উদ্দেশ্যে আজ ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৫ (বুধবার), শফিকুল কবির মিলনায়তন, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি, ঢাকা-এ বিডিইআরএম এবং নাগরিক উদ্যোগ এর আয়োজনে ‘দলিত জনগোষ্ঠীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন: চ্যালেঞ্জ ও উত্তরনের উপায় শীর্ষক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।  সভায় বাংলাদেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, নাগরিক সংগঠনের প্রতিনিধিবৃন্দ, দলিত জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিবৃন্দ এবং গণমাধ্যমকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

মতবিনিময় সভায় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, নাজমুল হক প্রধান, সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল; খালেকুজ্জামান লিপন, সহ সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ); আব্দুল্লাহ আল ক্বাফি রতন, সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি); তৌফিক উজ জামান, যুগ্ম সদস্য সচিব, জাতীয় শ্রমিক শক্তি; জাসেম আলম, সদস্য, বাংলাদেশ যুব ফেডারেশন; সীমা দত্ত, সভাপতি, বাংলাদেশ নারী মুক্তি কেন্দ্র; সুকৃতি কুমার মন্ডল, সভাপতি, বাংলাদেশ মাইনোরিটি জনতা পার্টি; এডভোকেট উৎপল বিশ্বাস, সদস্য সচিব, জাত-পাত বিলোপ জোট; দিদারুল ভূইয়া, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন; এবং মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম, নাগরিক ঐক্য।

দলিত প্রতিনিধিদের মধ্যে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ রবিদাস ফোরাম (বিআরএফ) এর সভাপতি চাঁনমোহন রবিদাস, বিডিইআরএম-ঢাকা জেলা শাখার সভাপতি গগণ লাল, নারায়নগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি রাজেন্দ্র কুমার দাস, বিডিইআরএম ফেনী জেলা শাখার সভাপতি বলরাম দেবনাথ, দিনাজপুর জেলা শাখার সভাপতি সবুজ রবিদাস, সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি দুলাল দাস, বাগেরহাট জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক রাজেন্দ্র নাথ রায়, যশোর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক বাবলু দাস, নওগাঁ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক বিরেন রবিদাস, ফরিদপুর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক রাম চন্দ্র মালো, পটুয়াখালী জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক কল্যাণ বিশ্বাস, বগুড়া জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক বিজয় চন্দ্র রবিদাস, গবেষক এবং উন্নয়নকর্মী মাজহারুল ইসলাম, নারীপক্ষের প্রতিনিধি জাহানারা খাতুন, নাগরিক উদ্যোগ এর অ্যাডভোকেসি অফিসার মোহন রবিদাস, কাউন্সিল অব মাইনোরিটি এর নির্বাহী পরিচালক খালিদ হোসেন।

বাংলাদেশ দলিত ও বঞ্চিত জনগোষ্ঠী অধিকার আন্দোলন (বিডিইআরএম) এর কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক শিপন কুমার রবিদাস মূল বক্তব্য উপস্থাপনকালে বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে দলিত জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহনের জায়গায় একটি বিশাল শুন্যতা রয়ে গেছে। বর্তমানে আমরা আরেকটি জাতীয় নির্বাচনের দ্বারপ্রান্তে। আগামী নির্বাচনকে ঘিরে আমাদের প্রত্যাশা অনেক।  আমরা ইতোমধ্যে লক্ষ্য করছি দলিত জনগোষ্ঠীর অনেক প্রতিনিধি রাজনীতিতে সক্রিয় হতে শুরু করেছেন।  বিভিন্ন রাজনৈতিক দল দলিত জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিদের মনোনয়ন প্রদানের কথা ভাবছেন।  জুলাই অভ্যুত্থানের পর বিভিন্ন রাজনৈতিক দলে দলিত জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ বাড়তে শুরু করেছে। আমরা প্রত্যাশা করছি বাংলাদেশের সকল রাজনৈতিক দল আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলিত জনগোষ্ঠীর মধ্যে থেকে প্রার্থীদের মনোনয়ন প্রদানের মাধ্যমে দলিতদের রাজনৈতিক ক্ষমতায়নে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখবেন।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক