a
সারাদেশে চলছে দ্বিতীয় লগডাউন। সংক্রমণ পরিস্থিতি ঠেকাতে মানা হচ্ছে চলাচলে নানান বিধিনিষেধ। এরই প্রেক্ষিতে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, বিধি-নিষেধের আওতামুক্ত ব্যক্তি কারা ও প্রতিষ্ঠান কোনগুলো। তাদের চলাচলে মুভমেন্ট পাস প্রয়োজন নেই। শুধু পরিচয়পত্র প্রদর্শন করে কর্মস্থলে আসা-যাওয়া করতে পারবেন নির্দ্বিধায়।
চলমান লকডাউনের বিধিনিষেধের আওতামুক্ত:
১. ডাক্তার
২. নার্স
৩. মেডিকেল স্টাফ
৪. কোভিড টিকা/চিকিৎসার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি/স্টাফ
৫. ব্যাংকার
৬. ব্যাংকের অন্যান্য স্টাফ
৭. সাংবাদিক
৮. গণমাধ্যমের ক্যামেরাম্যান
৯. টেলিফোন/ইন্টারনেট সেবাকর্মী
১০. বেসরকারি নিরাপত্তাকর্মী
১১. জরুরি সেবার সঙ্গে জড়িত কর্মকর্তা/কর্মচারী
১২. অফিসগামী সরকারি কর্মকর্তা
১৩. শিল্পকারখানা/গার্মেন্টস উৎপাদনে জড়িত কর্মী/কর্মকর্তা
১৪. আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য
১৫. ফায়ার সার্ভিস
১৬. ডাকসেবা
১৭. বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও জ্বালানির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি/কর্মকর্তা
১৮. বন্দরসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি/কর্মকর্তা
ফাইল ছবি
মতিঝিল আরামবাগ এলাকায় নকশা বহির্ভূত কয়েকটি ভবনে আজ রাজউক উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছে। অভিযানটি পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কামরুজ্জামান।
রবিবার (১৩ আগস্ট) সকাল থেকে শুরু হওয়া অভিযান শেষ হয় বিকেলে। অভিযান চলাকালীন কয়েকটি নকশা বহির্ভূত ভবনে সেটব্যাক ও ভয়েড দখল করে ইমারতের নির্মাণ কাজ করায় তা বন্ধ করে দেওয়া হয়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কামরুজ্জামান বলেন, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক জোন-৬/১) এর মতিঝিল আরামবাগ এলাকায় নকশা বহির্ভূত কয়েকটি বহুতল ভবনের আংশিক অপসারণ করে। কয়েকটি ভবনের মালিককে সতর্ক করে দেওয়া হয় যাতে তারা পরবর্তীতে নকশা বহির্ভূত ভবন নির্মাণ না করে।
মোবাইল কোর্টের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন অথরাইজড অফিসার প্রকৌশলী জোটন দেবনাথ, সহকারী অথরাইজড অফিসার সাব্বিরুল ইসলাম , প্রধান ইমারত পরিদর্শক ইমরান হোসেন, বেলাল হোসেন ও মোঃ মোত্তালিব হোসেন ও রাজউকের অন্যান্য কর্মকর্তারা। সূত্র: ইত্তেফাক
ছবি: সংগৃহীত
নবান্ন মানে নতুন ধানের উৎসব। নতুন চালের রান্না উপলক্ষে আয়োজিত উৎসবই নবান্ন উৎসব। সাধারণত অগ্রাহায়ন মাসে আমন ধান পাকার পর এই উৎসব শুরু হয়। অগ্রহায়ন মাস আসতে আর মাত্র পাঁচ দিন বাকি। ইতোমধ্যে দিনাজপুরের কাহারোলের গ্রামসহ অন্যান্য স্থানে নবান্ন উৎসবের প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে।
বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে ঘুরে দেখা গেছে, নবান্নকে সামনে রেখে গৃহীনিরা নতুন ধানের চালের আটা তৈরিতে ব্যস্ত । গৃহবধূরা ঢেঁকিতে চাল কুটছে। আর এই চালের গুড়ো দিয়ে নানা রকমের পিঠা তৈরি করেন তারা।
এদিকে নবান্ন উৎসব উপলক্ষে কৃষকের ঘরে ঘরে চলছে ঘর-দোয়ার পরিস্কার পরিছন্নের কাজ। গ্রামের বধূরা সকাল হতে বিকাল পর্যন্ত বাড়ির উঠানসহ বিভিন্ন কাজকর্ম ব্যস্ত রয়েছেন, যেন তাদের দম ফেলারও সময় নেই।
এছাড়া কৃষকের ঘরে ঘরে বিভিন্ন ধরনের খাবার তৈরির প্রস্তুতি চলছে। নতুন ধানের চাল তৈরি হবে পায়েস, খিরসহ নানা জাতের পিঠা-পুলি। আসন্ন নবান্নকে কেন্দ্র করে হাটবাজারগুলোতে নারকেল, গুড়সহ নানা উপকরণের বিক্রিও বেড়েছে। সূত্র: ইত্তেফাক