a
সারাদেশে চলছে দ্বিতীয় লগডাউন। সংক্রমণ পরিস্থিতি ঠেকাতে মানা হচ্ছে চলাচলে নানান বিধিনিষেধ। এরই প্রেক্ষিতে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, বিধি-নিষেধের আওতামুক্ত ব্যক্তি কারা ও প্রতিষ্ঠান কোনগুলো। তাদের চলাচলে মুভমেন্ট পাস প্রয়োজন নেই। শুধু পরিচয়পত্র প্রদর্শন করে কর্মস্থলে আসা-যাওয়া করতে পারবেন নির্দ্বিধায়।
চলমান লকডাউনের বিধিনিষেধের আওতামুক্ত:
১. ডাক্তার
২. নার্স
৩. মেডিকেল স্টাফ
৪. কোভিড টিকা/চিকিৎসার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি/স্টাফ
৫. ব্যাংকার
৬. ব্যাংকের অন্যান্য স্টাফ
৭. সাংবাদিক
৮. গণমাধ্যমের ক্যামেরাম্যান
৯. টেলিফোন/ইন্টারনেট সেবাকর্মী
১০. বেসরকারি নিরাপত্তাকর্মী
১১. জরুরি সেবার সঙ্গে জড়িত কর্মকর্তা/কর্মচারী
১২. অফিসগামী সরকারি কর্মকর্তা
১৩. শিল্পকারখানা/গার্মেন্টস উৎপাদনে জড়িত কর্মী/কর্মকর্তা
১৪. আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য
১৫. ফায়ার সার্ভিস
১৬. ডাকসেবা
১৭. বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও জ্বালানির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি/কর্মকর্তা
১৮. বন্দরসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি/কর্মকর্তা
ফাইল ছবি
দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ আবারো উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছায় বিচারক ও আইনজীবীদের নতুন নির্দেশনা দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্ট। নির্দেশনায় বলা হয়, সুপ্রিম কোর্টসহ অধস্তন আদালতের বিচারক ও আইনজীবীরা কালো কোট এবং গাউনের পরিবর্তে সাদা ড্রেস ও নেক ব্যান্ড, কালো টাই পরবেন। মঙ্গলবার (৩০ মার্চ) সুপ্রিম কোর্ট এ নির্দেশনা প্রদান করেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, প্রধান বিচারপতির সাথে সুপ্রীম কোর্টের জ্যেষ্ঠ বিচারপতিদের আলোচনাক্রমে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরিবর্তিত এ পরিস্থিতিতে বিচারক এবং আইনজীবীদের সাদা শার্ট বা সাদা শাড়ী/সালোয়ার কামিজ ও সাদা নেক ব্যান্ড/কালো টাই পরিধান করবেন।
এ ক্ষেত্রে কালো কোট এবং গাউন পরিধান করার প্রয়োজনীয়তা নেই। এই নির্দেশনা বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট এবং দেশের সকল অধস্তন আদালতে অবিলম্বে কার্যকর হবে।
দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ পুনরায় বেড়ে যাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে এর আগে জরুরি সেবা প্রতিষ্ঠান ছাড়া সব অফিস ও কারখানা অর্ধেক জনবল দ্বারা পরিচালনা, উপাসনালয়ে স্বাস্থ্যবিধি মানা, জনসমাগম সীমিত করা, গণপরিবহনে ধারণক্ষমতার অর্ধেক যাত্রী পরিবহনসহ ১৮ দফা নির্দেশনা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার।
ফাইল ছবি
ক্রিকেট দুনিয়ায় নতুন সংযোজন ‘দ্য হান্ড্রেডে’বলের টুর্নামেন্ট। প্রথম আসরে পুরুষদের ফাইনাল ম্যাচে মইন আলির বার্মিংহাম ফোনিক্সকে ৩২ রানে হারিয়ে প্রথম আসরের শিরোপা ঘরে তুলেছে সাউদার্ন ব্রেভ। ৩৬ বলে ৬১ রান করে ফাইনালে ম্যাচসেরা আইরিশ তারকা পল স্টার্লিং।
পুরো টুর্নামেন্টেই দুর্দান্ত ছন্দে থাকা লিয়াম লিভিংস্টন হয়েছেন ম্যান অব দ্য টুর্নামেন্ট। দলকে বিপর্যয় থেকে বাঁচিয়ে ইনিংসটাকে এগিয়ে নিয়েছেন পল স্টার্লিং টসে জিতে সাউদার্ন ব্রেভকে ব্যাটিংয়ে পাঠান বার্মিংহাম অধিনায়ক মইন আলি। ব্যক্তিগত ৭ রান করেই প্যাভিলিয়নে ফিরে যান সাউথ আফ্রিকান তারকা কুইন্টন ডি কক; ৪ রান করেন দলীয় অধিনায়ক জেমস ভিনস। কিন্তু একপ্রান্ত আগলে রেখে ইনিংসকে এগিয়ে নিতে থাকেন স্টার্লিং; অ্যালেক্স ডেভিসকে নিয়ে গড়েন ৫০ রানের জুঁটি। ৩৬ বলে ৬১ রান করে স্টার্লিং যখন ড্রেসিং রুমে ফিরে যাচ্ছেন দলের রান তখন মাত্র ৮৫।
এই রানটাকেই ১৬৮ পর্যন্ত নিয়ে যাওয়ার পেছনে পুরো অবদান রস হোয়াইটলির; খেলেছেন ১৯ বলে ৪৪ রানের টর্নেডো একটি ইনিংস। সিংগাপুরের প্লেয়ার টিম ডেভিডের ব্যাট থেকে এসেছে ৬ বলে ১৫ রান। বার্মিংহাম ফোনিক্সের হয়ে দুর্দান্ত বল করেছেন কিউই পেসার এডাম মিলনে; ২০ বল করে মাত্র ৮ রান দিয়ে নিয়েছেন ২টি উইকেট। ১৯ বলে ৪৬ রান করে রান আউট হন লিভিংস্টন ১৬৯ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ২ উইকেট হারায় মইন আলির দল।
এরপর পুরো টুর্নামেন্টেই দুর্দান্ত ছন্দে থাকা লিভিংস্টনকে নিয়ে ইনিংসের হাল ধরেন মইন। তৃতীয় উইকেট জুঁটিতে তাদের দুজনের ব্যাট থেকে আসে ৫৬ রান; ৪ চার এবং ৪ ছয়ে মাত্র ১৯ বলে লিভিংস্টন করেন ৪৬ রান। লিভিংস্টন ছাড়া প্রতিরোধ গড়তে পারেনি আর কেউই, বার্মিংহাম ফোনিক্সের ইনিংস থামে ১৩৬ রানে। ইংলিশ অলরাউন্ডার মইন ৩৬ রান করলেও খেলেছেন ৩০টি বল; যা ম্যাচে হারের ব্যবধানটাই কমাতে পেরেছে মাত্র। ২০ বলে ১৩ রান দিয়ে ১টি উইকেট নিয়েছেন ইংলিশ পেসার টাইমাল মিলস।
সাউদার্ন ব্রেভ: ১৬৮/৫(১০০ বল),
বার্মিংহামঃ ১৩৬/৫(১০০ বল)
প্লেয়ার অব দ্যা ম্যাচ: পল স্ট্রার্লিং
প্লেয়ার অব দ্যা টুর্নামেন্টঃ লিয়াম লিভিংস্টোন