a
সারাদেশে চলছে দ্বিতীয় লগডাউন। সংক্রমণ পরিস্থিতি ঠেকাতে মানা হচ্ছে চলাচলে নানান বিধিনিষেধ। এরই প্রেক্ষিতে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, বিধি-নিষেধের আওতামুক্ত ব্যক্তি কারা ও প্রতিষ্ঠান কোনগুলো। তাদের চলাচলে মুভমেন্ট পাস প্রয়োজন নেই। শুধু পরিচয়পত্র প্রদর্শন করে কর্মস্থলে আসা-যাওয়া করতে পারবেন নির্দ্বিধায়।
চলমান লকডাউনের বিধিনিষেধের আওতামুক্ত:
১. ডাক্তার
২. নার্স
৩. মেডিকেল স্টাফ
৪. কোভিড টিকা/চিকিৎসার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি/স্টাফ
৫. ব্যাংকার
৬. ব্যাংকের অন্যান্য স্টাফ
৭. সাংবাদিক
৮. গণমাধ্যমের ক্যামেরাম্যান
৯. টেলিফোন/ইন্টারনেট সেবাকর্মী
১০. বেসরকারি নিরাপত্তাকর্মী
১১. জরুরি সেবার সঙ্গে জড়িত কর্মকর্তা/কর্মচারী
১২. অফিসগামী সরকারি কর্মকর্তা
১৩. শিল্পকারখানা/গার্মেন্টস উৎপাদনে জড়িত কর্মী/কর্মকর্তা
১৪. আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য
১৫. ফায়ার সার্ভিস
১৬. ডাকসেবা
১৭. বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও জ্বালানির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি/কর্মকর্তা
১৮. বন্দরসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি/কর্মকর্তা
ফাইল ছবি: সালাহউদ্দিন আহমেদ
ভারতে অবৈধ অনুপ্রবেশের দায় থেকে বেকসুর খালাস পেয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ। ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মেঘালয়ের শিলং জজ আদালতের আপিল বিভাগ এ রায় ঘোষণা করেন। ফলে ভারত থেকে সালাহউদ্দিনের দেশে ফিরতে আর কোনো বাধা নেই।
বুধবার (১ মার্চ) বিকালে ভারতের শিলং থেকে এ কথা জানান সালাহউদ্দিন নিজেই। তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘গতকাল মঙ্গলবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ভারতের শিলংয়ের জজ কোর্টের রায়ে আমি বেকসুর খালাস পেয়েছি, আলহামদুলিল্লাহ।’
আদালতের রায় প্রসঙ্গে সালাহউদ্দিন বলেন, ‘২০১৮ সালের ২৬ অক্টোবর নিম্ন আদালত খালাস দিয়েছিলেন। পরে সেই রায়ের বিরুদ্ধে সরকার আপিল করে। শিলংয়ের জজ কোর্ট গতকাল মঙ্গলবার আবারও আমাকে বেকসুর খালাস দিয়ে মামলা নিষ্পত্তি করতে আদেশ দিয়েছেন। দ্রুত যেন আমাকে দেশে ফেরানোর ব্যবস্থা করা হয়, সেই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’
সালাহউদ্দিন আরও বলেন, ‘আমার প্রায়োরিটি এখন দেশে ফেরা। যত শিগগিরই সম্ভব দেশে ফিরতে চাই।’
উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের মার্চে যখন সালাহউদ্দিন নিখোঁজ হন, ওই সময়ে বিএনপি পুরোদমে আন্দোলনে, তিনি সেসময়ে গোপনে বিভিন্ন জায়গায় থেকে মিডিয়া কথা বলতেন এবং দলের মুখপাত্রের ভূমিকা পালন করছিলেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়িয়ে অজ্ঞাত জায়গা থেকে প্রতিদিন দলের কর্মসূচি ও নেতাকর্মীদের কাছে শীর্ষ নেতৃত্বের নির্দেশনা গণমাধ্যমে মাধ্যমে পাঠানোর কাজটি করতেন বিশ্বস্থতার সাথে।
২০১৩ সালে বিএনপির স্থায়ী কমিটির অধিকাংশ সদস্য, তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীসহ ঢাকার গ্রহণযোগ্য নেতারা যখন গ্রেফতার হয়ে কারাগারে, তখন সালাহউদ্দিন আহমেদ দলের মুখপাত্রের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।
দল ও পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ, ২০১৫ সালের ১০ মার্চ গভীর রাতে রাজধানীর উত্তরার বাসা থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়ে সালাহউদ্দিনকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। এর দুই মাস পর ভারতে উদ্দেশ্যহীনভাবে ঘুরে বেড়াতে দেখা যায় তাকে।
উদ্ধারের পর সালাহউদ্দিনের বিরুদ্ধে দেশটিতে অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে মামলা হয়। প্রায় সাড়ে তিন বছর মামলার কার্যক্রম চলার পর ২০১৮ সালের ১৩ আগস্ট বিচারিক প্রক্রিয়া শেষ হয়। পরে পক্ষে-বিপক্ষে রায় সম্পন্নের পর বর্তমানে মামলায় নির্দোষ হিসেবে রায় পান সালাহউদ্দিন আহমেদ। সূত্র: ইত্তেফাক
ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সাইফুল আলম: বাংলাদেশ ইসলামী সমন্বয় পরিষদের উদ্যোগে ২১ নভেম্বর ২০২৫ইং, জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলের (২য় তলায়) অনিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের সম্মিলিত সমমনা জোট- এর আত্মপ্রকাশ উপলক্ষে “সংবাদ সম্মেলন” করেন। এই সম্মিলিত সমমনা জোটের আহবায়ক ক্যান্সার গবেষক অধ্যক্ষ ডাক্তার এস এম সরওয়ার এর সভাপতিত্বে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন জোটের সদস্য সচিব মোহাম্মদ আবু আহাদ আল মামুন দিপু মির।
এই সময় আরো উপস্থিত ছিলেন মোয়াজ্জেম হোসেন খান মজলিস প্রধান উপদেষ্টা, কাজী মনিরুল ইসলাম যুগ্ন আহবায়ক, এস এম জাকির হোসেন যুগ্ন আহবায়ক ,বাবু নিউটন অধিকারী যুগ্ম আহ্বান, এডভোকেট মজিবুর রহমান জোট নেতা, সৈয়দ নাজমুল ইসলাম,মনসুর রহমান পাশা ,মশিউর রহমান,বাহাদুর মিয়া ,মোস্তাফিজুর রহমান ,আরিফুর রহমান ,মোসলেম আলী ,অ্যাডভোকেট নাজমুন নাহার,সাদিকুল ইসলাম,সাইফুল ইসলাম, এম এ জলিল, হারুনুর রশিদ, অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম, মোহাম্মদ ইলিয়াত চৌধুরী, সাহিত্যিক ইঞ্জিনিয়ার বিএম এরশাদ,কবি ইসমাইল হোসেন জনি সহ প্রমুখ।
সংবাদ সম্মেলনে রাষ্ট্র কাঠামো গঠনের জন্য ৩১ দফা দাবী উপস্থাপন করেন বক্তারা । অনিবন্ধিত ৩৩ টি রাজনৈতিক দল একত্রিত হয়ে সম্মিলিত সমমনা জোট গঠন করেন। সাংবাদিকের ভিবিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন সমমনা জোটের আহবায় ক্যান্সার গবেষক অধ্যক্ষ ডাক্তার এস এম সরওয়ার।
নিম্নে জোটের ৩১ দফা তুলে ধরা হলো:----১। বৈষম্যহীন নিরাপদ গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ চাই, ২। পেশিশক্তি ও কালো টাকার প্রভাবমুক্ত আগামী নির্বাচন চাই। ৩। সংশোধন পূর্বক নির্বাচন চাই। রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন পদ্ধতি সহজী করণ চাই । ৪। কৃষকের উৎপাদন ও বিপণন সুরক্ষা দিয়ে কৃষি পণ্যের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা। ৫ । ক্ষমতা বিকেন্দ্রীকরণ। ৬। বৃহত্তর জেলাগুলোকে বিভাগে রূপান্তরিত করা। ৭। সংসদীয় আসন বৃদ্ধি করা। ৮। দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদের কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা। ৯ । জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারীদের সংসদীয় আসন বৃদ্ধি করা। ১০। একাত্তরের চেতনা ২৪ প্রেরণার সংমিশ্রণে নতুন বাংলাদেশ গঠন করা। ১১। সকল ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে বিদ্যুৎ বিল পানির বিল সম্পূর্ণ ফ্রি করা। ১২। বাংলাদেশের প্রতিটা সিম কোম্পানিকে মিনিট ও মেগাবাইট মেয়াদবিহীন হতে হবে। ১৩। রাজনৈতিক দলের দলীয় প্রধান থাকতে পারবেনা। ১৪। বন্ধুত্বপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি লেজুরবৃত্তি পররাষ্ট্রনীতি পরিহার। ১৫। মাধ্যমিক পর্যায় পর্যন্ত একমুখী অবৈতনিক শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করা। ১৬ । ভিক্ষুকদের রাষ্ট্রীয় তত্ত্বাবধানে পুনর্বাসন করা । ১৭। স্বাধীন গণমাধ্যম ও শক্তিশালী গঠন এবং সাংবাদিকদের বেতন ভাতা চালু করা । ১৮। সার্বজনীন স্বাস্থ্য ব্যবস্থা চালু করা। ১৯ । নারীর অধিকার নিরাপত্তা ও ক্ষমতায়ন নিশ্চিতকরণ।২০। মানবকেন্দ্রিক কল্যাণমুখী অর্থনীতি নিশ্চিতকরণ। ২১। বেকারদের কর্মসংস্থান নিশ্চিতকরণ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি না হওয়া পর্যন্ত বেকার ভাতার প্রদান । ২২। টেকসই কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ। ২৩। জলাবায়ু সহনশীলতা ও নদী এবং নদী ভাঙ্গন রোধে বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ গ্রহণ করা। ২৪। দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা এবং প্রবাসীদের মর্যাদা ও অধিকার সংরক্ষণ করা। ২৫। জাতীয় প্রতিরক্ষা শক্তিশালী করার কৌশল নির্ধারণ করা। ২৬। জনবান্ধব আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী গঠন করা। ২৭। ধর্ম-বর্ণ সম্প্রদায় ও জাতিসত্তার মর্যাদার বিকাশ ঘটানো। ২৮। চাকুরীর বয়সসীমা ৩৫ বছরে উন্নীতকরণ। ২৯। এইচএসসি পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। ৩০। প্রতিটা জেলায় মেডিকেল কলেজ কৃষি কলেজ এবং ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ নির্মাণ করা। এবং প্রতিটা উপজেলায় ২৫০ সজ্জা বিশিষ্ট আধুনিক হাসপাতাল স্থাপন করা, ৩১ । স্বতন্ত্র সাহিত্য মন্ত্রণালয় স্থাপন করা।
অনিবন্ধিত ৩৩ টি রাজনৈতিক একত্রিত হয়ে সম্মিলিত সমমনা জোট গঠন করেন।