a
ফাইল ছবি।ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম বলেছেন, ‘সম্প্রতি ক্ষমতা দখল করা আফগানিস্তানের সশস্ত্র গোষ্ঠী তালেবানের আহ্বানে যারা হিজরত করতে দেশ ছেড়েছেন তাদের বিষয়ে সতর্ক রয়েছে গোয়েন্দারা। বাংলাদেশে ঢোকার চেষ্টা করলেই তাদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে।’
আজ সোমবার দুপুরে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘যদি কারও সন্তান কিংবা ছাত্র হঠাৎ করে কাউকে কিছু না বলে বাড়ি থেকে চলে যায় তাহলে তার বিষয়ে দ্রুত পুলিশকে জানানো উচিত।’
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ থেকে কতজন আফগানিস্তানে গেছে কিংবা সেখানে কতজন অবস্থান করছে এসব তথ্য আমাদের দেশের গোয়েন্দাদের থেকেই পাওয়া যায়। রাষ্ট্রীয়ভাবে আফগানিস্তান থেকে আমাদের বলা হয়নি এতজন বাংলাদেশি তাদের দেশ থেকে পালিয়ে গেছে কিংবা আটক হয়ে কারাগারে। এসব নিয়ে দেশে যারা কাজ করে তারা সতর্ক রয়েছে।’ সূত্র: বিডি প্রতিদিন
গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ও শান্তিতে নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. ইউনূস। ফাইল ছবি
গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ও শান্তিতে নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. ইউনূসকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের পাওনা বাবদ ১২ কোটি টাকা দানকর দিতেই হবে বলে রায় দিয়েছে আপিল বিভাগ।
রোববার (২৩ জুলাই) সকালে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন ৪ সদস্যের আপিল বেঞ্চ এ রায় দেন। এর আগে ড. ইউনূসের পক্ষে করা সময় আবেদন খারিজ করে দেন আপিল বিভাগ।
এর আগে, গত ৩১ মে ১২ কোটি টাকা কর দাবি করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের নোটিশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের করা তিনটি আয়কর রেফারেন্স মামলা খারিজ করে দেন হাইকোর্ট। পরে এ রায়ের বিরুদ্ধে চেম্বার আদালতে আবেদন করেন ড. ইউনূস। সেখানেও রায় স্থগিত হয়নি।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯০ সালের দানকর আইন অনুযায়ী ২০১১-২০১২ করবর্ষে মোট ৬১ কোটি ৫৭ লাখ ৬৯ হাজার টাকা দানের বিপরীতে প্রায় ১২ কোটি ২৮ লাখ ৭৪ হাজার টাকা কর দাবি করে নোটিশ পাঠায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড। ২০১২-২০১৩ করবর্ষে ৮ কোটি ১৫ লাখ টাকা দানের বিপরীতে এক কোটি ৬০ লাখ ২১ হাজার টাকা দানকর দাবি করা হয়। আর ২০১৩-২০১৪ করবর্ষে ৭ কোটি ৬৫ হাজার টাকা দানের বিপরীতে এক কোটি ৫০ লাখ ২১ হাজার টাকা কর দাবি করে নোটিশ দেয় এনবিআর।
দানের বিপরীতে কর দাবি করে এনবিআরের এইসব নোটিশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে মামলা আপিল ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন ড. ইউনূস। তার দাবি, আইন অনুযায়ী দানের বিপরীতে এনবিআর এই কর দাবি করতে পারে না।
এরপর ২০১৪ সালের ২০ নভেম্বর তার আবেদন খারিজ করেন। এরপর ২০১৫ সালে তিনি হাইকোর্টে তিনটি আয়কর রেফারেন্স মামলা করেন। ওই মামলাগুলোর প্রাথমিক শুনানি নিয়ে দানকর দাবির নোটিশের কার্যকারিতা স্থগিত করে ২০১৫ সালে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। সূত্র: ইত্তেফাক
ফাইল ছবি
তরুণদের বিয়েতে উদ্বুদ্ধ করতে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান একটি ডেটিং অ্যাপ চালু করেছে। গত সোমবার (১২) দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের এক সংবাদে এই তথ্য জানানো হয়।
নতুন এই ডেটিং অ্যাপটির নাম ‘হামদাম’। যার বাংলা অর্থ সঙ্গী। এই ডেটিং অ্যাপের মাধ্যমে বিয়ে করতে ইচ্ছুক তরুণ-তরুণীরা পছন্দের সঙ্গী খুঁজে পেতে এবং বাছাই করতে পারবেন। খবর আল-জাজিরা।
সংবাদ মাধ্যমটির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের মানুষ দেরিতে বিয়ে করছে। ফলে আশঙ্কাজনকভাবে দেশটিতে জন্মহার কমছে। এ নিয়ে উদ্বিগ্ন কর্তৃপক্ষ তরুণ-তরুণীরা যাতে দ্রুত বিয়ে করতে পারে তার জন্য এই ডেটিং অ্যাপ চালু করেছে।
অ্যাপটির নির্মাতা প্রতিষ্ঠান তেবইয়ান কালচারাল ইন্সটিটিউট জানিয়েছে, অ্যাপটিতে ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার’ (আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স) ব্যবহার করা হয়েছে। হামদামের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুসারে, সত্যিকার অবিবাহিত যারা স্থায়ীভাবে বিয়ে ও একমাত্র জীবনসঙ্গীর সন্ধান করছে তাদের সহায়তার জন্যই অ্যাপটিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার হয়েছে।
ইরানে ডেটিং অ্যাপ বেশ জনপ্রিয়। তবে দেশটির সাইবারস্পেস পুলিশের প্রধান কর্নেল আলী মোহাম্মদ রাজাবি বলেন, ইরানে এই ধরনের এটিই একমাত্র বৈধ অ্যাপ, বাকি অ্যাপগুলো অবৈধভাবে চলছে।
উল্লেখ্য, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ দেশটির বিভিন্ন কর্তৃপক্ষ বেশ কয়েকবার দেরি করা বিয়ে করা এবং জন্মহার হ্রাসের জন্য সতর্ক করেছেন।