a
ফাইল ছবি
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ জানিয়েছেন, চলতি মাসেই কিছু আইপি টিভির অনুমোদন দেয়া হবে। তবে নীতিমালা অনুযায়ী আইপি টিভি সংবাদ পরিবেশন করতে পারবে না।
আজ সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সমসাময়িক ইস্যু নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
এসময় তিনি জানান, দেশে কোনো আইপি টিভির অনুমোদন নেই। আমরা ইত্যোমধ্যে রেজিস্ট্রেশন দেয়া শুরু করেছি এবং আবেদন আহ্বান করা হয়েছে। সব মিলিয়ে ৬০০ এর মতো আবেদন জমা পড়েছে। আমরা খুব সহসা, এ মাসের মধ্যেই অনুমোদন দেব। যেহেতু আমরা অনুমোদন দেয়া শুরু করিনি, তাই কোনোটার অনুমোদন নেই।
তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, হেলেনা জাহাঙ্গীরেরও আইপি টিভিরও অনুমোদন নেই। কিছু আইপি টিভির বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ আছে। সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতে আমরা সময় সময় ব্যবস্থা গ্রহণ করি। কিছু কিছু আইপি টিভি দেখা গেছে ব্যক্তিস্বার্থে পরিচালিত হয়। তারপর নানা ধরনের বিভ্রান্তি ছড়ায়, নানা ধরনের অনুষ্ঠান প্রচার করে, সংবাদ পরিবেশন করে। এ ধরনের কোনো অভিযোগ যদি আমাদের নজরে আসে, তাহলে আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করি। ইতোমধ্যে অনেকগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। তার ক্ষেত্রেও একই ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
ষ্টাফ রিপোর্টারঃ মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ৪৮- তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে গতকাল ঢাকায় ১৭ নভেম্বর, রবিবার, পুরানা পল্টনে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ভাষানী ন্যাপ ঐক্য প্রক্রিয়ার আহ্বায়ক আব্দুল লতিফ ভাসানীর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ নাগরিক পরিষদের উপদেষ্টা ও জাতীয় মুক্তি দলের চেয়ারম্যান এটিএম,মমতাজুল করিম, নাগরিক পরিষদের সভাপতি আব্দুল আহাদ নুর , বাংলাদেশ জাস্টিস পার্টির সভাপতি এডভোকেট আবুল কাশেম মজুমদার, মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ফাউন্ডেশনের সেক্রেটারি আব্দুল কুদ্দুস, আবুল হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা ও প্রজন্ম কল্যাণ সমিতির সেক্রেটারি নজরুল বাঙালি, মুন্সি আবদুল কাদের, শিপ্রা বেগম, নাসরিন হীরা প্রমুখ।
সভায় উত্তরবঙ্গ থেকে অর্ন্তবর্তী সরকারে কোন উপদেষ্টা নিয়োগ না করায় ক্ষোভ প্রকাশ করা হয় এবং অনতিবিলম্বে উত্তরবঙ্গ থেকে ৪ জন উপদেষ্টা নিয়োগ ও লালমনিরহাট ও বগুড়ায় বিমানবন্দর চালু করার জন্য অন্তবর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রতি আহ্বান জানানো হয়।
ফাইল ছবি
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘ক্রাউন জুয়েল’ বা ‘মুকুট মণি’ উপাধিতে ভূষিত করেছে আর্থ ইনস্টিটিউট, কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, গ্লোবাল মাস্টার্স অব ডেভেলপমেন্ট প্র্যাকটিস এবং ইউএন সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট সল্যুশনস নেটওয়ার্ক।
“২০৩০” সালের মধ্যে জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জন নিয়ে নবম বার্ষিক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক থেকে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে স্বাগত জানানোর সময় ২০ সেপ্টেম্বর সোমবার ‘ক্রাউন জুয়েল’ বা ‘মুকুট মণি’ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
সম্মেলনে অংশ নেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানান ইউএন সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট সল্যুশনস নেটওয়ার্কের প্রেসিডেন্ট ও যুক্তরাষ্ট্রের বিশিষ্ট উন্নয়ন অর্থনীতিবিদ জেফ্রি স্যাক্স। অধিবেশনে জেফ্রি স্যাক্স বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনার সঙ্গে এক হতে পেরে আমরা আনন্দে উদ্বেলিত।
আমরা আপনার কথা শুনতে চাই, বিশেষ করে এই জন্যে যে, আমরা যখন পৃথিবীর দেশগুলোর টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যের অগ্রগতি বিশ্লেষণ করি যা প্রতি বছর জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন সমাধান নেটওয়ার্ক করে থাকে, ২০১৫ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অগ্রগতিতে বিশ্বে প্রথম হয়েছে। তাই আমরা সেই অর্জনের জন্য আপনাকে অভিনন্দন জানাতে চাই।