a
ফাইল ছবি
পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের আগের দামই বহাল রেখেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। ফলে অপরিবর্তিতই থাকল বিদ্যুতের পাইকারি দাম। আজ বৃহস্পতিবার বিইআরসি অনলাইনে এক সভায় এ কথা জানা যায়।
এর আগে ৬৬ শতাংশ দাম বাড়াতে আবেদন করেছিল পিডিবি । সেই আবেদনে সাড়া দেয়নি বিইআরসি।
গত এক যুগে বিদ্যুতের দাম বেড়েছে ৯ বার। এ সময়ে পাইকারি পর্যায়ে ১১৮ শতাংশ ও গ্রাহক পর্যায়ে ৯০ শতাংশ বেড়েছে বিদ্যুতের দাম। সর্বশেষ দাম বাড়ানো হয় ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে, যা ওই বছরের মার্চে কার্যকর হয়।
গত জুন মাসেও গড়ে ২৩ শতাংশ বাড়ানো হয় গ্যাসের দাম। ৬ আগস্ট থেকে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে সাড়ে ৪২ থেকে ৫১ শতাংশ। এরপর এক মাসের মাথায় লিটার প্রতি ৫ টাকা কমানো হয় জ্বালানি তেলের দাম। সূত্র: প্রথম আলো
ফাইল ছবি
চার দশক পর বাংলাদেশে আবারও দূতাবাস খুলতে যাচ্ছে লাতিন আমেরিকার দেশ আর্জেন্টিনা। আর্জেন্টাইন পররাষ্ট্রমন্ত্রী সান্তিয়াগো ক্যাফিয়েরো এ ঘোষণা দিয়েছেন।
ক্যাফিয়েরো জানান, ২০২৩ সালে ভারতে অনুষ্ঠিতব্য জি-২০ পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সম্মেলনে অংশ নেওয়ার পর তিনি বিস্তারিত চূড়ান্ত করতে বাংলাদেশ সফর করবেন।
কাতারে চলমান বিশ্বকাপ ফুটবলে মেসির দলের প্রতি বাংলাদেশিদের সমর্থনের বিষয়টি এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে অন্যরকম ভূমিকা রাখছে বলে জানা যায়।
বাংলাদেশে বরাবরই আর্জেন্টিনা ফুটবল দলের একনিষ্ঠ ভক্ত-সমর্থক ছিল। তবে কাতার বিশ্বকাপে দলটির প্রতি বাংলাদেশিদের অপরিসীম আবেগ-অনুরাগ বিশ্ববাসীর মনোযোগ কেড়েছে।
কাতার বিশ্বকাপে মেক্সিকোর বিপক্ষে মেসির গোলের পর উল্লাসরত বাংলাদেশি সমর্থকদের একটি ভিডিও ফিফার অফিসিয়াল টুইটার অ্যাকাউন্টে পোস্ট করার পর তা বিশ্ববাসীর নজর কাড়ে।
ভিডিওটি দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। আর্জেন্টিনার বিভিন্ন গণমাধ্যমেও ঘটনাটি ফলাও করে প্রচার করা হয়।
পরে আর্জেন্টিনার জাতীয় ফুটবল দলের অফিসিয়াল টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে বাংলাদেশ সম্পর্কে টুইট করে বলা হয়, 'আমাদের দলকে সমর্থন করার জন্য আপনাদের ধন্যবাদ! ওরা (বাংলাদেশিরা) আমাদের মতোই পাগল!'
এর পরিপ্রেক্ষিতে আর্জেন্টিনার সাধারণ নাগরিকরাও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাংলাদেশিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
আর্জেন্টিনা ফুটবল দলের প্রতি বাংলাদেশিদের অকুণ্ঠ ভালোবাসার প্রতিদান হিসেবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের জন্য একটি আর্জেন্টাইন ফ্যান গ্রুপও তৈরি করা হয়।
পরে গত শনিবার এক টুইটবার্তায় আর্জেন্টিনার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সান্তিয়াগো ক্যাফিয়েরো বাংলাদেশে পুনরায় দূতাবাস চালু করার পরিকল্পনার কথা জানান। সূত্র: যুগান্তর
ফাইল ছবি
মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে যুক্তরাজ্যে মৃত্যুর ঘটনা কমে এসেছে। যা সম্ভব হয়েছে লকডাউনের কারণে। এমনটিই মন্তব্য করেছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। খবর এনডিটিভি
বরিস জানান, করোনাভাইরাসের প্রকোপের মাত্রা কমিয়েছে লকডাউনের ফলে। এই বিধিনিষেধ শিথিল হলে আবারও বাড়বে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা।
তিনি আরও জানান, সংক্রমণ কমলেও অর্থনীতি পুনরায় চালুর যে রোডম্যাপ আগে ঘোষণা করা হয়েছিল সরকার সেখান থেকে সরে আসবে না।
এ প্রসঙ্গে জনসন আরও বলেন, ‘আমরা যদি সব কিছু খুলে দেই তাহলে অবশ্যম্ভাবী পরিণতি হিসেবে আমরা আরও সংক্রমণ দেখতে পাব এবং দুঃখজনকভাবে আমরা হাসপাতালে আরও রোগী ও মৃত্যু দেখতে পাব।’
গত বছরের ডিসেম্বরে যুক্তরাজ্য টিকাদান কর্মসূচি শুরু করেছিল। মোট জনগোষ্ঠীকে টিকা দেওয়ার হারের ক্ষেত্রে বিশ্বে ইসরায়েলের পরই যুক্তরাজ্যের অবস্থান। তবে সংক্রমণের মাত্রা বেড়ে যাওয়ায় দেশটিতে জানুয়ারি মাসে পুনরায় লকডাউন ঘোষণা করা হয়। ফেব্রুয়ারি থেকে সংক্রমণের মাত্রা ও মৃত্যুর হার কমতে শুরু করে বলে জানায় দেশটির গণমাধ্যমগুলো।
যুক্তরাজ্যে এখন পর্যন্ত ৪৩ লাখ ৭৫ হাজার ৮১৪ জনের শরীরে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া গেছে এবং মৃত্যু হয়েছে ১ লাখ ২৭ হাজার ১২৩ জনের।