a
ফাইল ছবি
পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের আগের দামই বহাল রেখেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। ফলে অপরিবর্তিতই থাকল বিদ্যুতের পাইকারি দাম। আজ বৃহস্পতিবার বিইআরসি অনলাইনে এক সভায় এ কথা জানা যায়।
এর আগে ৬৬ শতাংশ দাম বাড়াতে আবেদন করেছিল পিডিবি । সেই আবেদনে সাড়া দেয়নি বিইআরসি।
গত এক যুগে বিদ্যুতের দাম বেড়েছে ৯ বার। এ সময়ে পাইকারি পর্যায়ে ১১৮ শতাংশ ও গ্রাহক পর্যায়ে ৯০ শতাংশ বেড়েছে বিদ্যুতের দাম। সর্বশেষ দাম বাড়ানো হয় ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে, যা ওই বছরের মার্চে কার্যকর হয়।
গত জুন মাসেও গড়ে ২৩ শতাংশ বাড়ানো হয় গ্যাসের দাম। ৬ আগস্ট থেকে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে সাড়ে ৪২ থেকে ৫১ শতাংশ। এরপর এক মাসের মাথায় লিটার প্রতি ৫ টাকা কমানো হয় জ্বালানি তেলের দাম। সূত্র: প্রথম আলো
ফাইল ছবি
চোরাচালানকারীদের কাছ থেকে প্রায় আড়াই হাজার বছর আগের একটি ‘তাওরাত’ গ্রন্থ উদ্ধার করেছে তুরস্কের পুলিশ। দেশটির উত্তরাঞ্চলীয় সামসুন প্রদেশের পুলিশ জানিয়েছে, একটি সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্র কিছু ঐতিহাসিক প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন পাচার করছে এই মর্মে খবর পাওয়ার পর তারা ওই চক্রকে ধরতে অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানে প্রদেশের জানিক শহরের উপকণ্ঠে দুটি ব্যক্তিগত গাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়। তল্লাশির এক পর্যায়ে একটি গাড়ি থেকে প্রায় ২ হাজার ৫০০ বছর আগের ঐশী গ্রন্থ তাওরাতের একটি কপি উদ্ধার করে।
প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে, ১৯ পৃষ্ঠার গ্রন্থটি একটি চামড়ার বাক্সের মধ্যে ছিল। ঐতিহাসিক এই ঐশী গ্রন্থ চোরাচালানের দায়ে পাঁচ জনকে আটকের কথা জানিয়েছে তুরস্কের পুলিশ।
নবী হজরত মুসা (আ.) উপর তাওরাত গ্রন্থ নাজিল হয়েছিল। হজরত মুসা (আ.), তার ভাই হজরত হারুনকে (আ.) নিয়ে বনি ইসরাইল জাতির মধ্যে এই তাওরাতের বাণী প্রচার করেন। তবে ইহুদি পুরোহিতরা পরে এই ঐশী গ্রন্থের বাণীকে অনেকক্ষেত্রে পরিবর্তন করে ফেলে। পরবর্তীতে ইসলামের শেষ নবী হযরত মুহাম্মাদ মুস্তফার (সা.)-এর উপর পবিত্র গ্রন্থ আল-কুরআন নাজিল হওয়ার পর মূল তাওরাত গ্রন্থের কার্যকারিতা আর থাকেনা। সূত্র: পার্সটুডে
ছবি: মুক্তা দাশ
মরণঘাতী সময়
মু্ক্তা দাশ
একটা সময় ছিল
কোনটা সুখ আর কোনটা অসুখ ঠিকঠাক মতই হয়তো বুঝতাম ।
দিনে দিনে বয়স বেড়েছে , অনেকগুলো বছরের সীমানা পেরিয়ে এসেছি
এখন বেলা প্রায় শেষ !
সূর্য অস্ত যাবার প্রস্তুতি চলছে দেহের প্রতিটি কোষে কোষে ।
নীড়ের পাখি নীড়হারা হওয়ার ভয়ে মুখ থুবড়ে জবুথবু ,
তবুও কি আকাশে ডানা মেলে না !? মেলে তো ।
উড়ে যায়, উড়ে উড়ে যায় নীলিমায়!
দিনশেষে ঘরে ফিরতেই হয়,, ফিরে আসে ইচ্ছায় কিংবা অনিচ্ছায় ! ফিরতে তাকে হয় ই ।
পরিনত সময়ের নিয়মে এখন বুঝে উঠতে খুব কষ্ট হয়
কোনটা সুখ আর কোনটা অসুখ !?
ঝাপসা চোখে সুখে অসুখ খুঁজে পাই , আর
অসুখে কেবলি সুখ হাতড়ে বেড়াই ।
যোগ বিয়োগের নিয়মগুলো বেমালুম পাল্টে গেছে !
শরৎবাবু বেঁচে থাকলে , দেবদাস আর পার্বতীকে
সময়ের ছাঁচে নতুন ভার্চুয়াল রূপে সাজাতো।
নতুন আয়নায় আমি কেবলি সেকেলে আমাকে দেখি ,
লালন করি সময় অনুপযোগী অনুভব!
অনুভূতিগুলো কেমন ভোঁতা হয়ে গেছে ,
পোড় খেতে খেতে পুড়তেই ভালোবাসে, স্বেচ্ছায় ।
পোড়া মনে পুড়তেও যে সুখ আছে ..!
মরণঘাতী অসুখে ই চরম সুখ ।
ক'জন ই বা পায় এমন সুখ ।।