a
ছবি: দ্বিতীয় ক্যাফেটেরিয়ার নির্ধারিত বিল্ডিং
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) প্রায় ২৬ হাজারের বেশি শিক্ষার্থীর জন্য রয়েছে মাত্র একটি ক্যাফেটেরিয়া। যেখানেও সিট সংখ্যা খুবই সীমিত হওয়ায় একজনের পর অন্য জনকে অপেক্ষা করতে হয় বসার জায়গার জন্য। বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থী দূর থেকে আসে। তারা ক্যাম্পাসে এসে ক্যাফেটেরিয়াতে খাওয়ার উদ্দেশ্যে গেলে বেশির ভাগ সময়ে দেখা যায় সেখানে সিট ফাঁকা থাকে না। তাই তাদের বাধ্য হয়ে আশপাশের অপরিষ্কার ও মানহীন হোটেলগুলোর শরণাপন্ন হতে হয়। পূর্বে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদে একটি ক্যাফেটেরিয়া থাকলেও তা অনেকদিন হলো ভেঙে ফেলা হয়েছে।
শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ দিনের দাবি ছিল আরেকটি ক্যাফেটেরিয়ার। শিক্ষার্থীদের সেই দাবিতে সাড়া দিয়ে প্রশাসন আরেকটি ক্যাফেটেরিয়া স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় গেটের (জীম-ওয়াসি গেট) রফিক ভবনের পেছনের ফাঁকা জায়গায় দ্বিতীয় ক্যাফেটেরিয়া স্থাপনের পরিকল্পনা করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রকৌশলী মো. হেলাল উদ্দিন পাটোয়ারী জানান, ক্যাফেটেরিয়ার জন্য জায়গা ও নকশা প্রস্তুত করা হয়েছে। পরবর্তী সিন্ডিকেট সভায় বিষয় উত্থাপন করা হবে। সেখানে অনুমোদন হলে ক্যাফেটেরিয়ার নির্মাণ কাজ শুরু হবে।
শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এই বিষয়ে জানতে চাইলে রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থী তৌসিফ জানান, আমরা ক্যাম্পাসে এসে খাবারের জন্য আমাদেরকে দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। এছাড়াও খাবারের মানও ভাল থাকে না সবসময়। দুপুরে ক্লাস শেষ করে এসে অনেক সময় খাবার পাওয়াও যায় না। আমাদের জন্য দ্বিতীয় ক্যাফেটেরিয়া করার উদ্দোগের জন্য প্রশাসনকে অনেক ধন্যবাদ।
ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বইমেলা কেবল বই কেনা-বেচার জন্য নয়; বইমেলা বাঙালির ‘প্রাণের মেলা’। প্রতি বছরের ন্যায় এবারও অমর একুশে বইমেলায় অংশগ্রহণ করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় স্টল।
বুধবার (১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২২) বিকাল ৫টায় অমর একুশে বইমেলা ২০২২-এ বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় স্টল (স্টল নং: ৬৭৩) এর শুভ উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক। এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ট্রেজারার অধ্যাপক ড. কামালউদ্দীন আহমদ।
এসময় উপাচার্য বলেন - গ্রন্থমেলা মানে জ্ঞানের মেলা। যেখানে প্রবীণ, তরুণ, বৃদ্ধ সবার জ্ঞানের সমাহারে সৃষ্ট জ্ঞান কালো অক্ষরে বাঁধাই করা হয় সাদা কাগজে মোড়ানো বইয়ের মাঝে। গ্রন্থমেলা মানে বইপ্রেমী পাঠকদের জন্য এক অনন্য আনন্দের মেলা। তীব্র জ্ঞান আহরণের মেলা। যেখানে বইপ্রেমী পাঠকরা ভার্চুয়াল জগৎ থেকে বেরিয়ে এসে ভিড় জমায় গ্রন্থমেলায় তাদের প্রিয় লেখকের বই কেনার জন্য। প্রতিবছরের ন্যায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব প্রকাশনায় শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের বইগুলো নিয়ে সাজানো হয়েছে আমাদের জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় স্টল।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ইনস্টিটিউটের পরিচালক, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় চেয়ারম্যানবৃন্দ, প্রক্টর, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় স্টলের সাজ-সজ্জা কমিটির আহবায়ক অধ্যাপক চঞ্চল কুমার বোসসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষিকা উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গত, গত চার বছর যাবত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় অমর একুশে বইমেলায় অংশগ্রহণ করে আসছে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টলে নিজস্ব প্রকাশনায় প্রকাশিত বই, জার্নালসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীর বই সেখানে স্থান পেয়ে থাকে।
ফাইল ছবি
সরবরাহ কিছুটা বৃদ্ধি পাওয়ায় কমেছে কাঁচা মরিচের ঝাচ। পাইকারি ৩০০’শ থেকে সাড়ে ৩৫০’শ ও খুচরা পর্যায়ে ৪০০’শ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে কাঁচা মরিচ।
রবিবার সকালে শহরের নতুন হাটখালা, পুরাতন হাটখোলা ও ডাক বাংলা বাজারসহ বিভিন্ন উপজেলায় একই দামে মরিচ বিক্রি হচ্ছে। গত শনিবার শৈলকুপা ও কালীগঞ্জ উপজেলার বাজারে পাইকারি ৬০০শত ও খুচরা ৭০০ টাকা কেজি দরে কাঁচা মরিচ বিক্রি হলেও আজ দাম কম হওয়ার পরও নাভিশ্বাস ক্রেতাদের। দ্রুত বাজার নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি সরকারের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেন ভোক্তারা।
আর ব্যবসায়ী ও কৃষকরা বলছেন, বাজারে কাঁচা মরিচের সরবরাহ কম আর মাঠে উৎপাদন কম হওয়ার কারণে দাম নাগালের বাইরে চলে যায়। তবে আমদানী বেশি হলে আরও স্বাভাবিক হবে বাজার। এরই মধ্যে ৬ ভারতীয় মরিচের ট্রাক বাংলাদেশ প্রবেশ করায় এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। সূত্র: বিডি প্রতিদিন