a
ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বাঁধন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিটের নতুন কার্যকরী কমিটি ২০২২ এ নবনির্বাচিত সভাপতি মাহিয়ান এ.কে. মাহমুদ ও সাধারণ সম্পাদক রাসেল আকন্দ। জোনাল প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন জান্নাতুল ফেরদৌস নিশি । সহ-সভাপতি মেহেনাজ পারভীন ও আরাফাত হোসেন খান। সহ-সাধারণ সম্পাদক সুরাইয়া আহমেদ। সাংগঠনিক সম্পাদক রিয়াজুল ইসলাম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক রিয়াজ ভূঁইয়া, কোষাধ্যক্ষ রবিউল ইসলাম ও দপ্তর সম্পাদক মিজানুর রহমান এবং প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক নাহিদ হাসান।
তথ্য ও শিক্ষা সম্পাদক মোসাঃ আলেমা খাতুন। কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে আছেন পল্লব কুমার দেবাশীষ, খাদিজাতুল কোবরা সায়মা, মোহাম্মদ আলী, বিশ্বজিৎ দাস ও মোহাম্মদ আবু রায়হান।
উপাচার্য ড. ইমদাদুল হক বলেন "বাঁধন একটি মানবিক সংঘটন। যারা মানুষের জন্য কাজ করে তারা মহৎ। বাঁধন, মানুষের পাশে সবসময় ছিলো। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় বাঁধন সামনেও থাকবে। যারা বেশি বেশি রক্ত দেয় তাদের সম্মানিত করে বাকিদের মাঝে রক্তদানেও উৎসাহ সৃষ্টি করতে বাঁধনকে আহবান করছি।"
ফাইল ছবি
গত ৯ই আগস্ট, ২০২১ তারিখে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ভাষা ইন্সটিটিউট (আই.এম.এল)-র চতুর্থ বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে উক্ত ইন্সটিটিউটের শিক্ষার্থীরা ভার্চুয়াল আড্ডার মাধ্যমে দিবসটি উদযাপনের আয়োজন করে। কোভিড-১৯ মহামারীর ফলে প্রায় দেড় বছর ধরে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে দিবসটি ভার্চুয়ালি উদযাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
জুম অ্যাপের মাধ্যমে রাত ৯ টায় মিটিং শুরু হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন ইন্সটিটিউটের পরিচালক এবং সহযোগী অধ্যাপক খন্দকার মোন্তাসির হাসান, সাবেক পরিচালক ও সহযোগী অধ্যাপক ড. প্রতিভা রানী কর্মকার, সহযোগী অধ্যাপক দেবাশিস বিশ্বাস, সহকারী অধ্যাপক মোঃ নিয়াজ আলমগীর, প্রভাষক রাবিতা রহমান এবং নতুন যুক্ত হওয়া তিনজন প্রভাষক যথাক্রমে সুরাইয়া আক্তার সুমনা, অর্পিতা হক ও বেঞ্জির এলাহী মুন্নি এবং শিক্ষার্থীবৃন্দ। ক্ষনিকের জন্য আই.এম.এল এর সাবেক অধ্যাপক ও জবির বর্তমান ট্রেজারার অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ যুক্ত হয়েছিলেন।
তিনি বলেন, "আই.এম.এল একটি আবেগের জায়গা। ৬০৫ নং রুম আমার অনেক স্মৃতি বিজড়িত একটি জায়গা।" তিনি ইন্সটিটিউটের সর্বাঙ্গীণ উন্নতি কামনা করেছেন। শিক্ষক থেকে শিক্ষার্থী সকলের প্রিয়মুখ তিনি। আই.এম.এল এর যাত্রা এবং বিভিন্ন সময় কীভাবে ইন্সটিটিউটের পাশে থেকে সহযোগিতা করেছেন সে বিষয়ে স্মৃতিচারন করেন তিনি।
ভার্চুয়াল আড্ডায় আরো যুক্ত ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একাউন্টিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও অর্থ হিসাব দপ্তরের পরিচালক ড. কাজী নাসির উদ্দিন এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের স্বনামধন্য অধ্যাপক ড. মনিরুজ্জামান।
শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে নিজেদের তৈরি গান, কবিতা এবং আই.এম.এল নিয়ে আবেগ-অনুভূতি ব্যক্ত করে অনেকেই। ক্ষনিকের জন্য সকলে ফিরে গিয়েছিল করোনা পূর্বকালীন আমেজে। দীর্ঘদিন পর একত্রিত হতে পেরে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উভয়ই আনন্দিত।
উল্লেখ্য যে, ২০১৭ সালের ৯ই আগস্ট জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে আধুনিক ভাষা ইন্সটিটিউট (আই.এম.এল) যাত্রা শুরু করে। এরপর ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষ থেকে চার বছর মেয়াদী ইংরেজি ভাষা বিষয়ের উপর বি.এ সম্মান চালু হয়। এখন পর্যন্ত তিনটি ব্যাচ চলমান আছে। এছাড়া আরবি, ফরাসি ও ইংরেজি ভাষার উপর ডিপ্লোমা এবং সার্টিফিকেট কোর্স চালু আছে। বর্তমানে ইন্সটিটিউটে মোট আটজন শিক্ষক এবং বি.এ সম্মান এ ১১৮ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। প্রতি বছর ৯ই আগস্ট শিক্ষার্থীরা আই.এম.এল ডে পালন করে যা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে অনন্য। ইন্সটিটিউটটি নতুন হলেও এখানকার শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের জন্য সকলের প্রশংসা কুড়িয়েছে।
ফাইল ছবি
শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, আগামী ১২ সেপ্টেম্বর থেকে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান শুরু হবে। আর প্রতিদিন হবে এইচএসসি, এসএসসি ও পঞ্চম শ্রেণির ক্লাস। তবে বাড়িতে করোনা রোগী থাকলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে না আসার অনুরোধ জানান তিনি।
রবিবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে জানানো হয়। শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
ডা. দীপু মনি বলেন, শুরুর দিকে ২০২১ সালে যারা এসএসসি ও এইচএসসি এবং ২০২১ সালে যারা এসএসসি পরীক্ষা দেবেন তাদের প্রতিদিন স্কুলে আসতে হবে। এছাড়াও পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন ক্লাসে আসবে।
তিনি বলেন, ১২ সেপ্টেম্বর শুরুর দিন ৪-৫ ঘণ্টা ক্লাস হবে। পর্যায়ক্রমে ক্লাসের সংখ্যা বাড়বে। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে চেকলিস্ট পূরণ করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে হবে। র্যান্ডম স্যাম্পলিং করে সংক্রমণের ঝুঁকি থাকলে বন্ধ করার সিদ্ধান্তও নেওয়া হতে পারে।
স্কুলে প্রবেশের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের সারিবদ্ধভাবে প্রবেশ করাতে হবে। স্কুলে আপাতত কোনো অ্যাসেম্বলি হবে না। তবে ফিজিক্যাল অ্যাক্টিভিটি বা খেলাধুলা চলবে যাতে শারীরিক ও মানসিকভাবে ভালো থাকতে পারে।