a
ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বাঁধন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিটের নতুন কার্যকরী কমিটি ২০২২ এ নবনির্বাচিত সভাপতি মাহিয়ান এ.কে. মাহমুদ ও সাধারণ সম্পাদক রাসেল আকন্দ। জোনাল প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন জান্নাতুল ফেরদৌস নিশি । সহ-সভাপতি মেহেনাজ পারভীন ও আরাফাত হোসেন খান। সহ-সাধারণ সম্পাদক সুরাইয়া আহমেদ। সাংগঠনিক সম্পাদক রিয়াজুল ইসলাম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক রিয়াজ ভূঁইয়া, কোষাধ্যক্ষ রবিউল ইসলাম ও দপ্তর সম্পাদক মিজানুর রহমান এবং প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক নাহিদ হাসান।
তথ্য ও শিক্ষা সম্পাদক মোসাঃ আলেমা খাতুন। কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে আছেন পল্লব কুমার দেবাশীষ, খাদিজাতুল কোবরা সায়মা, মোহাম্মদ আলী, বিশ্বজিৎ দাস ও মোহাম্মদ আবু রায়হান।
উপাচার্য ড. ইমদাদুল হক বলেন "বাঁধন একটি মানবিক সংঘটন। যারা মানুষের জন্য কাজ করে তারা মহৎ। বাঁধন, মানুষের পাশে সবসময় ছিলো। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় বাঁধন সামনেও থাকবে। যারা বেশি বেশি রক্ত দেয় তাদের সম্মানিত করে বাকিদের মাঝে রক্তদানেও উৎসাহ সৃষ্টি করতে বাঁধনকে আহবান করছি।"
ফাইল ছবি
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদকের কটূক্তি ও অবান্তর মন্তব্যের প্রতিবাদে ও তাদের দৃষ্টানত মূলক শাস্তির দাবিতে ২৩ মে (সোমবার) বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ।
সোমবার (২৩ মে) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষা শহীদ রফিক ভবনের নিচ থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি ইব্রাহিম ফরাজি ও সাধারণ সম্পাদক এস এম আকতার হোসাইন এর নেতৃত্বে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন নেতাকর্মীরা। মিছিলটি শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হয়ে রায়সাহেব বাজার মোড় ঘুরে ভিক্টোরিয়া পার্ক প্রদক্ষিণ করে বিজ্ঞান অনুষদ, ভিসি চত্বর, সমাজবিজ্ঞান অনুষদ হয়ে ভাষা শহীদ রফিক ভবনে এসে শেষ হয়। এ সময় জমায়েত হয়ে ছাত্রদলকে প্রতিহত করতে স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত করে তোলে পুরো ক্যাম্পাস।
উক্ত সমাবেশ সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক এস এম আকতার হোসাইন। এসময় তিনি বলেন, ছাত্রলীগের একমাত্র অভিভাবক মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কে নিয়ে কটূক্তি করায় ছাত্রদলকে মাফ না চাওয়া পর্যন্ত জগন্নাথে অবাঞ্চিত ঘোষণা করা হল।
শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মোঃ ইব্রাহিম ফরাজী সকলের উদ্দেশ্যে বলেন, আজ থেকে ছাত্রদল অবাঞ্চিত। আপনারা ছাত্রদলের অছাত্রদের দেখা মাত্রই প্রতিহত করবেন।
ফাইল ছবি
প্রতিদিন বাড়ছে করোনার সংক্রমণ। দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ দ্রুত হারে বাড়ছে এবং এই মুহূর্তে অন্তত ২৯টি জেলা করোনাভাইরাসের উচ্চ সংক্রমণের ঝুঁকিতে রয়েছে বলে জানায় স্বাস্থ্য বিভাগ। এসব জেলার মধ্যে রয়েছে ঢাকা, চট্টগ্রাম, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ, ফেনী, চাঁদপুর, নীলফামারী, সিলেট, টাঙ্গাইল, গাজীপুর, কুমিল্লা, নোয়াখালী, মাদারীপুর, নওগাঁ, রাজশাহী ইত্যাদি। ঢাকায় সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানানো হয়।
সোমবার (২৯ মার্চ) স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলাদেশে এযাবৎকালের মধ্যে সবচেয়ে বেশি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তি শনাক্ত করা হয়েছে। আর এই সময়ের মধ্যে ৪৫ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা সাংবাদিকদের বলেন, গত কিছুদিন ধরে বাংলাদেশে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ছে এবং সংক্রমণের মাত্রা ‘খুব দ্রুত বাড়ছে’। তিনি বলেন, মার্চের ১৩ তারিখে সংক্রমণের মাত্রা উচ্চ ছিল ৬টি জেলায়, ২০ তারিখে দেখা গেছে ২০টি জেলা ঝুঁকিতে আছে। আর মার্চের ২৪ তারিখে দেখা গেছে করোনাভাইরাস সংক্রমণের হার উচ্চ এমন জেলার সংখ্যা ২৯টি। তাই বোঝা যাচ্ছে, সংক্রমণের হার বাড়ছে দ্রুত।
করোনাভাইরাস থেকে ঝুঁকির মাত্রা প্রতি সপ্তাহেই বিশ্লেষণ করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। বিভিন্ন জেলা থেকে পাওয়া তথ্য, রোগীর সংখ্যা, সংক্রমণের মাত্রা- এসবের ওপর ভিত্তি করে ঝুঁকিপূর্ণ জেলা চিহ্নিত করে অধিদপ্তর। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সংক্রমণের উচ্চ হার সামাল দিতে এখন স্থানীয়ভাবে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, প্রতি জেলায় কভিড-১৯ নিয়ন্ত্রণসংক্রান্ত কমিটি রয়েছে এবং এসব কমিটি স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ এবং স্বাস্থ্য বিভাগের সঙ্গে মিলে সংক্রমণ ঠেকানোর জন্য এক সঙ্গে কাজ করবে।
মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা বলেন, আরটিপিসিআরের পাশাপাশি এখন হাসপাতালগুলোতে অ্যান্টিজেন পরীক্ষার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ২৮ হাজারের বেশি নমুনা পরীক্ষা করা হয় বলে সংবাদ সম্মেলনে জানান। তিনি বলেন, প্রয়োজন হলে পরীক্ষার সংখ্যা আরও বাড়ানো হবে। নমুনা সংগ্রহের যেসব বুথ বন্ধ করা হয়েছিল, সেগুলোও খুলে দেওয়া হবে।
করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়ার জন্য সরকারের সবচেয়ে বড় যে অস্ত্র, সেই টিকার ঘাটতি নিয়ে আলোচনা আছে। মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা স্বীকার করেন যে যারা প্রথম ডোজ টিকা নিয়েছেন, তাদের সবাইকে দ্বিতীয় ডোজ দেবার মতো টিকার মজুদ বর্তমানে দেশে নেই। তিনি বলেন, এই মুহূর্তে সরকারের হাতে ৪২ লক্ষ টিকা মজুদ আছে। আর এপ্রিল মাসে কিছু টিকার চালান আসবে বলে সরকার আশা করছে।
সংক্রমণ বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে হাসপাতালগুলোতে ক্রমে রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। এখন স্বাস্থ্য অধিদপ্তর চেষ্টা করছে যে কভিড-ডেডিকেটেড হাসপাতালের সংখ্যা আরও বাড়ানোর। তবে রোগীদের অনুরোধ জানানো হয়েছে, নিজ নিজ জেলার হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার জন্য। মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা বলেন, ঢাকার বাইরে থেকে রোগীরা ঢাকায় চলে আসেন, যে কারণে ঢাকার হাসপাতালগুলোতে চাপ বাড়ে।
করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে সোমবার সরকার ১৮ দফা নতুন নির্দেশনা ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে, সব ধরনের সামাজিক, রাজনৈতিক, ধর্মীয় অনুষ্ঠানে জনসমাগম সীমিত করা। মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরার মতে, সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি ঠেকাতে এই ১৮ দফা ‘স্ট্রিক্টলি’ অর্থাৎ কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে। এই ১৮ দফা নির্দেশনার মধ্যে সরকার উচ্চসংক্রমণযুক্ত এলাকায় সকল ধরনের জনসমাগম নিষিদ্ধ করেছে। এ ছাড়া, পর্যটন ও বিনোদনকেন্দ্রে জনসমাগম সীমিত করার নির্দেশনাও রয়েছে এর মধ্যে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলেছে, যেসব জেলায় উচ্চসংক্রমণ রয়েছে, প্রয়োজনে সেসব জেলার সঙ্গে আন্তজেলা যোগাযোগও সীমিত করা হবে। তবে সেটি সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন জেলার পরিস্থিতি বুঝে সিদ্ধান্ত নেবেন। এছাড়া, প্রয়োজন হলে স্থানীয়ভাবে লকডাউন আরোপ করা হতে পারে। প্রত্যেক জেলার হাসপাতালে অক্সিজেনের সুবিধা এবং অন্যান্য চিকিৎসা সুবিধা পর্যাপ্ত রয়েছে বলে দাবি করা হয় সংবাদ সম্মেলনে।