a
ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বাঁধন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিটের নতুন কার্যকরী কমিটি ২০২২ এ নবনির্বাচিত সভাপতি মাহিয়ান এ.কে. মাহমুদ ও সাধারণ সম্পাদক রাসেল আকন্দ। জোনাল প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন জান্নাতুল ফেরদৌস নিশি । সহ-সভাপতি মেহেনাজ পারভীন ও আরাফাত হোসেন খান। সহ-সাধারণ সম্পাদক সুরাইয়া আহমেদ। সাংগঠনিক সম্পাদক রিয়াজুল ইসলাম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক রিয়াজ ভূঁইয়া, কোষাধ্যক্ষ রবিউল ইসলাম ও দপ্তর সম্পাদক মিজানুর রহমান এবং প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক নাহিদ হাসান।
তথ্য ও শিক্ষা সম্পাদক মোসাঃ আলেমা খাতুন। কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে আছেন পল্লব কুমার দেবাশীষ, খাদিজাতুল কোবরা সায়মা, মোহাম্মদ আলী, বিশ্বজিৎ দাস ও মোহাম্মদ আবু রায়হান।
উপাচার্য ড. ইমদাদুল হক বলেন "বাঁধন একটি মানবিক সংঘটন। যারা মানুষের জন্য কাজ করে তারা মহৎ। বাঁধন, মানুষের পাশে সবসময় ছিলো। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় বাঁধন সামনেও থাকবে। যারা বেশি বেশি রক্ত দেয় তাদের সম্মানিত করে বাকিদের মাঝে রক্তদানেও উৎসাহ সৃষ্টি করতে বাঁধনকে আহবান করছি।"
ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
মুন্না শেখ, জবি প্রতিনিধি: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে সহযোগী অধ্যাপক ড. ময়েনুল হক-কে নিয়োগ দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই ২০২৫) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অফিস থেকে প্রকাশিত এক অফিস আদেশে জানানো হয়, বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০০৫-এর ২৪(২) ধারা অনুযায়ী এবং পূর্ববর্তী চেয়ারম্যানের মেয়াদ শেষে ড. ময়েনুল হক-কে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান হিসেবে পরবর্তী ৩ (তিন) বছরের জন্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
অফিস আদেশে আরও উল্লেখ করা হয়, এই নিয়োগ ১২/০৭/২০২৫ তারিখ থেকে কার্যকর হবে এবং তিনি বিধি মোতাবেক ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবেন।
এ নিয়োগের অফিস আদেশে স্বাক্ষর করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মোঃ শেখ গিয়াস উদ্দিন।
ফাইল ছবি
বিএনপিকে নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে মহা সমাবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছে এবং আওয়ামী লীগকে বায়তুল মোকাররম মসজিদের দক্ষিণ গেটে আগামীকাল শুক্রবার সমাবেশের অনুমতি দেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার (২৭ জুলাই) বিকালে এক সংবাদ সম্মেলনে দুই দলের এই সমাবেশের অনুমতি দেওয়ার কথা জানান ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার।
কমিশনার বলেন, ‘আমরা ২ দলকে মোট ২৩টি শর্তসাপেক্ষে তাদের আবেদনকৃত জায়গায় সমাবেশ করার অনুমতি দিচ্ছি। প্রথমত, আমরা বিএনপি-আওয়ামী লীগ ২ দলকেই চৌহদ্দি নির্ধারণ করে দিয়েছি। বিএনপির ক্ষেত্রে বলা হয়েছে, নাইটিঙ্গেলের মোড় থেকে পুলিশ হাসপাতালের মোড় পর্যন্ত জায়গার মধ্যে তাদের সমাবেশ ও মাইকিং ব্যবহার সীমাবদ্ধ রাখতে হবে। আওয়ামী লীগের ক্ষেত্রে বলা হয়েছে, তারা মহানগর নাট্যমঞ্চ থেকে পশ্চিমের মুক্তাঙ্গন পর্যন্ত তাদের সমাবেশ ও মাইকিং ব্যবহার সীমাবদ্ধ রাখতে হবে।’
দুই দলের ক্ষেত্রেই নির্দেশ-অনুরোধ থাকবে, তারা কোনো লাঠিসোটা কোনোভাবেই সমাবেশে আনতে পারবে না, কোনো ব্যাগ বহন করতে পারবে না উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘রাষ্ট্রদোহী কোনো বক্তব্য প্রদর্শন করতে পারবে না, আমাদের যে সীমানা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে, এর বাইরে কোনো মাইক ব্যবহার করতে পারবে না। জনদুর্ভোগ এড়াতে তারা যতটা সম্ভব স্বেচ্ছাসেবক রাখবেন।’ সূত্র: ইত্তেফাক