a
ফাইল ছবি
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শিশুদের জন্য ডরমিটরি ভবনে ডে-কেয়ার সেন্টার চালু রয়েছে। সেন্টার পরিচালনার জন্য তিনজন স্টাফ, একজন ক্লিনার, একজন সুপারভাইজারও আছেন। ছুটির দিন ব্যতীত প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত এটি খোলা থাকে। সেখানে শিশুদের জন্য থাকা, খাওয়া, ঘুমানো, প্রাথমিক চিকিৎসা ব্যবস্থা, খেলাধুলা, বিনোদন ও প্রি-স্কুল সুবিধা থাকলেও যথেষ্ট প্রচার কিংবা প্রশাসনের উদ্যোগের কারনে তেমন সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। ২০১৮ সালের মে মাসে চালু হওয়া ডে-কেয়ার সেন্টারে ২৫-৩০ জন বাচ্চা রাখা গেলেও পাওয়া যায় ৮-১০ জনকে।
সম্প্রতি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার্স ইউনিটির চলমান একটি জরিপে (অনলাইন) দেখা যায়, ৭২ শতাংশ শিক্ষক, শিক্ষার্থী কিংবা কর্মকর্তা-কর্মচারী জানেন না যে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ডে কেয়ার আছে! মাত্র ২৫ শতাংশ বিশ্ববিদ্যালয় ডে-কেয়ার নিয়ে অবগত আছেন। ডে-কেয়ারের কথা জেনেও বিভিন্ন বিষয় চিন্তা করে বাচ্চা রাখতে অপারগ এক শতাংশ গোষ্ঠী। বাকি ২ শতাংশ কোনো মতামত দেননি।
জবি ডে-কেয়ার সেন্টারের আহ্বায়ক ড. আবদুস সামাদ বলেন, ইতোমধ্যে প্রতিটি বিভাগে নোটিশের মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি বিভাগের দায়িত্ব নোটিশগুলো সবাইকে জানিয়ে দেওয়া। কিছু বিভাগের দায়িত্বহীনতায় নোটিশগুলো শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছায় না।
ডে-কেয়ারের সুযোগ সুবিধা সম্পর্কে সুপার ভাইজার শাকিলা জামান সুবর্ণা বলেন, কেউ চাইলে দৈনিক ৩শ টাকার বিনিময়ে ফুলটাইম বাচ্চা রাখতে পারবে। ১-২ বছরের শিশুদের জন্য মাসে ২ হাজার ও ২-৫ বছরের শিশুদের জন্য মাসে ১ হাজার টাকা সার্ভিস চার্জ রাখা হয়। ভর্তি ছাড়া খণ্ডকালীন সময়ের জন্য আলাদাভাবে ফি দেওয়া যায়। তিনি আরো বলেন, এখান থেকে বাচ্চাদের খাবার দেওয়া হয় না। তাদের বাসা থেকে যা দেওয়া হয় তাই খাওয়ানো হয়। কেউ অসুস্থ হলে আমরা জরুরি ভিত্তিতে তার বাবা-মাকে জানাই এবং সাথে সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টার থেকে চিকিৎসা নিই। এক কথায় গোসল থেকে ঘুম পাড়ানো পর্যন্ত সব কিছুর দায়িত্ব ডে কেয়ার সেন্টার পালন করে।
আধুনিক ভাষা ইন্সটিটিউট (জবি) এর প্রভাষক অর্পিতা হক জানান, ডে-কেয়ার সম্পর্কে অল্প কিছুদিন হলো অবগত হয়েছি। ডে-কেয়ারে গিয়ে সেখানকার পরিবেশ ভালো লাগায় আমার বাচ্চাকে রাখার পরিকল্পনা করছি।
সম্প্রতি জবির ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের এক শিক্ষার্থীর মেয়েকে কোলে নিয়ে পরীক্ষা হলে দায়িত্ব পালন করছেন সহকারী অধ্যাপক কামরুল ইসলাম। মূলত এর পরেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ডে-কেয়ার সেন্টারের বিষয়টি সামনে চলে আসে।
ছবি:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
দেশের ২২টি সাধারণ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় ঐতিহ্যবাহী চাঁদপুর জেলা থেকে আগত শিক্ষার্থীদের জন্য ‘হেল্প ডেস্ক’ স্থাপন করে পর্যাপ্ত সহায়তা করেছে জবিস্থ চাঁদপুর জেলা ছাত্রকল্যাণ পরিষদ।
শনিবার (৩০ জুলাই) গুচ্ছের ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার্থীদের সহায়তা ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করে উক্ত ছাত্রকল্যাণ পরিষদ।
এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা ছাত্রকল্যাণ পরিষদের সভাপতি জয়নাল আবেদীন, সাধারণ সম্পাদক বায়েজিদ বোস্তামী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম, ফজলে রাব্বি ও রাফি, সাংগঠনিক সম্পাদক রবিনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দরা।
সরেজমিনে দেখা যায়, চাঁদপুর জেলা ছাত্রকল্যাণ পরিষদ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে ভর্তিচ্ছুক শিক্ষার্থীদের জন্য তথ্য সহায়তা কেন্দ্র স্থাপন করা হয়। সহায়তা কেন্দ্র থেকে শিক্ষার্থীদের আসন পরিকল্পনা বিষয়ক তথ্য প্রদান করা হয়। হেল্প ডেস্কে শিক্ষার্থীদের ব্যাগ, মোবাইল গচ্ছিত রাখা হয়। এছাড়াও আগত পরীক্ষার্থীদের মাঝে মাস্ক, কলম, পানি বিতরণ করা হয়, অভিভাবকদের বসার ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়।
সার্বিক কার্যক্রমের বিষয়ে জবিস্থ চাদপুর জেলা ছাত্রকল্যাণের সভাপতি জয়নাল আবেদীন বলেন, ‘আমরা আমাদের জেলা থেকে আগত শিক্ষার্থীদের সাধ্যমত সহযোগিতা করার চেষ্টা করেছি। তাদের সাথে নিয়ে আসা জিনিসপত্র (ব্যাগ, ঘড়ি, মোবাইল) সংগ্রহ করে আমাদের হেফাজতে রেখে তাদেরকে পরীক্ষা শেষে আবার ফিরিয়ে দিয়েছে।’
সাধারণ সম্পাদক বায়েজিদ বোস্তামী বলেন, নিজ জেলা থেকে আসা পরীক্ষার্থীদের মাঝে মাস্ক, কলম পানিসহ অন্যান্য সহায়ক দ্রব্যাদি বিতরণের মাধ্যমে তাদের পাশে থাকার চেষ্টায় ছিলাম আমরা। আমাদের এ আয়োজনে যারা পাশে ছিলো তাদেরকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা। ভবিষ্যতেও আমরা এমন আয়োজন অব্যাহত রাখার চেষ্টা করবো।
নেতৃবৃন্দের সাথে কথা বলে আরো জানা যায় যে, সামনে আরো দুই ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় তাদের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
উল্লেখ্য যে, গুচ্ছভুক্ত ২২টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা আজ থেকে শুরু হয়েছে। ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে দ্বিতীয়বারের মত গুচ্ছভুক্ত ভর্তি পরীক্ষা।
সংগৃহীত ছবি
হেফাজত-পুলিশ সংঘর্ষে ওসিসহ ৫ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। এ সময় দুইজন দারোগার ২টি মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। বিক্ষোভকারীরা ওসির গাড়ি ভাংচুর করে।
রোববার দুপুরে হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জে এ ঘটনায় আহত পুলিশ সদস্যদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
আজমিরীগঞ্জ থানার ওসি নূরুল ইসলাম জানান, উপজেলার বানিয়াচং-আজমিরীগঞ্জ সড়কের নগর পয়েন্টে কিছু লোক রাস্তা অবরোধ করছিল। খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে গেলে মাইকে ঘোষণা দিয়ে ৭-৮শ' লোক জড়ো হয়।
এ সময় তারা হামলা চালিয়ে এএসআই নিজাম উদ্দিনসহ দুইজন দারোগার মোটরসাইকেলে আগুন দেয়। ওসির গাড়িও ভাংচুর করা হয়। হামলায় আহত ওসি নূরুল ইসলাম, এসআই পুনয়েল ও এসআই নজিবরকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। সূত্র:যুগান্তর