a
ফাইল ছবি
দেশের অন্যতম মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কিত সংগঠন সাইকোলজিক্যাল স্টুডেন্ট এসোসিয়েশন (পিএসএ) এর নতুন কমিটিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৬-১৭ সেশনের শিক্ষার্থী মিম মারিহা মৃধা-কে সভাপতি এবং একই বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৭-১৮ সেশনের শিক্ষার্থী সালমান রশিদ শান্ত কে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ঘোষণা দেওয়া হয়। গত ৩১ এপ্রিল,২০২১ (শুক্রবার) সংঠনের প্রতিষ্ঠাতা সদস্যরা ২৫ সদস্য বিশিষ্ট নতুন এ কমিটি ঘোষণা করেন।
১ম কার্যনির্বাহী কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন:- সহ-সভাপতি- সাদিয়া সুলতানা নিশাত (ইবি) ও ইফফাত জাহান শমী (বশেমুরবিপ্রবি), যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সানজিদা মেহরীন (শাবিপ্রবি); সাংগঠনিক সম্পাদক- রাফিউর রহমান (তেজগাঁও কলেজ), সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক- অনুপমা আনজুম (হাবিপ্রবি), আনিকা তাবাসসুম (ইডেন কলেজ); প্রচার ও প্রচারণা সম্পাদক- রিফাত হাসান রবিন (জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়), সহকারী প্রচার ও প্রচারণা সম্পাদক: যারীন তাসনিম (শাবিপ্রবি) ও আরাফাত বাদশা (নোবিপ্রবি); কোষাধ্যক্ষ- মিনহাজ উদ্দিন (রাবি), সহকারী কোষাধ্যক্ষ–হৃদয় ইফতেখার ইফতি (বাহার কলেজ); দপ্তর সম্পাদক- নোয়েল নাহিদ টিপ (রাবি), সহকারী দপ্তর সম্পাদক- তামান্না তাজরীন তিশা (কুবি);
এবং কার্যনির্বাহী সদস্যপদে নির্বাচিত বাকি সদস্যবৃন্দ হলেন- আফিয়া সুলতানা, আয়শা সিদ্দিকা আশা, সুমাইয়া বিনতে আজাদ, আতিক মোহাম্মদ জুবায়ের, নাফিসা জাহান, জিনাত ইমু, সজল মুহিব, মারিয়া হায়দার শান্তা, ফৌজিয়া কালাম কান্তা, আফসানা আফরিন।
নতুন কমিটি সম্পর্কে সাধারণ সম্পাদক সালমান রশিদ শান্ত বলেন, "সাইকোলজি স্টুডেন্টস এসোসিয়েশন (PSA)- এর যাত্রা শুরু হয়েছিলো জনসাধারণের কাছে মানসিক স্বাস্থ্যসেবার সঠিক বার্তা পৌঁছে দিতে। এই সংগঠনের সদস্যগণ প্রথম থেকেই আমাদের এই মূলনীতি অর্জনে একাগ্রতা ও দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়েছেন এবং একই ধারাবাহিকতায় নতুন কমিটির সদস্যরাও মানসিক সুস্বাস্থ্যের বার্তা সকলের কাছে পৌঁছে দিতে সময় উপযোগী উদ্যোগ গ্রহণ করবেন বলে আমরা বিশ্বাস করি।"
উল্লেখ্য,“Ensuring Mental Health Care by Enriching Ourselves” এই স্লোগানকে সামনে রেখে ১২ মার্চ,২০২০ থেকে সংগঠনটি কাজ শুরু করে এবং করোনাকালে "টেলিকাউন্সিলিং" সেবার আওতায় মানসিক স্বাস্থ্য রক্ষায় PSA প্রতিনিয়ত সেবা দিয়ে চলেছে।
সুস্থ মন ও সুস্বাস্থে গড়ে উঠুক প্রতিটি পরিবার, এই স্লোগানকে সামনে রেখেই এগিয়ে যাবে পিএসএ এই আশা ব্যক্ত করেন সংগঠনটির প্রত্যেক সদস্য।
ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেলকে ফাঁসানোর অভিযোগ উঠেছে এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, নিজের অবৈধ কর্মকাণ্ড আড়াল করতে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে হিমেলের বিরুদ্ধে মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করা হয়েছে। হিমেল এই অভিযোগকে ‘সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন’ বলে দাবি করেছেন এবং পুরো বিষয়টিকে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
ওই চিকিৎসকের নাম মোশারফ হোসাইন। তিনি ঢাকা ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজের প্রফেসর ও আইসিইউ-এর প্রধান এবং পুরান ঢাকার মিটফোর্ডে অবস্থিত মেডি এইড হাসপাতালের পরিচালক। ভুক্তভোগী ডাক্তার মোশারফ নিজেকে ড্যাবের সদস্য এ বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য বলে দাবি করেছেন।
অভিযোগের ব্যাপারে মেহেদী হাসান হিমেল জানান, ‘ডা. হারিস আমার মামা হন, তার সাথে আমার রক্তের সম্পর্ক। আমাদের বাড়িও পাশাপাশি। আমার মামার সাথে অন্যায় হচ্ছে, এটা শোনার পর আমি ঘটনার খোঁজ নিতে গিয়েছিলাম। উভয়পক্ষের সাথে কথা বলেছি, সমাধানের জন্য দিন তারিখ ঠিক করা হয়েছে। তিনি আমার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির যেই অভিযোগ এনেছেন এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। তিনি কারো চাপে পড়ে আমার রাজনৈতিক সুনাম নষ্ট করতে আমার বিরুদ্ধে এমন মিথ্যা অপবাদ দিচ্ছেন। তিনি নিজের অপকর্ম ঢাকতে আমার উপর দোষ চাপাচ্ছেন।’
ঘটনার প্রেক্ষাপট তুলে ধরে হিমেল জানান, তার মামা ডাক্তার হারিসসহ আরও দুইজন চিকিৎসক ২০২১ সালের ২৮ ডিসেম্বর রাজধানীর মিটফোর্ড টাওয়ারের তৃতীয় তলা (বর্তমানে মেডিলাইফ হাসপাতাল) ল্যান্ডস্কেপ কোম্পানির কাছ থেকে ক্রয় করেন। পরবর্তীতে তারা উক্ত ফ্লোরটি মেডিলাইফ হাসপাতাল নামে ভাড়া দেন, যেখানে ডাক্তার মোশাররফও শেয়ারহোল্ডার হিসেবে যুক্ত হন।
এর পূর্বে, ডাক্তার হারিসসহ মোট ছয়জন চিকিৎসক ‘এভার হেলথ হাসপাতাল’ নামে একই ফ্লোরে একটি প্রাইভেট হাসপাতাল পরিচালনা করতেন। সেই সময়কার কিছু চিকিৎসা সরঞ্জামের যৌথ মালিকানা বিষয়টি পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে নিষ্পত্তি হয় এবং ডাক্তার মোশাররফ তার অংশের মালামাল বুঝে নেন।
কিন্তু ২০২৫ সালের ১ মার্চ ডাক্তার মোশাররফ ফ্লোরে তালা দেন এবং ৫ মার্চ ভোরে ফ্লোরে থাকা সকল চিকিৎসা সরঞ্জাম ও মালামাল বেআইনিভাবে লুট করে নিয়ে যান বলে অভিযোগ করেন মালিক পক্ষ। এমনকি ফ্লোরে ভাংচুর ও নতুন করে তালা ঝুলিয়ে দেওয়ার ঘটনাও ঘটান। অথচ ডাক্তার মোশাররফ ওই ফ্লোরের বৈধ মালিক নন বলে জানিয়েছেন হিমেল।
এ ঘটনার প্রেক্ষিতে মালিকপক্ষ হিমেলকে বিষয়টি জানান এবং তিনি স্বশরীরে মালিক ডাক্তারগণসহ ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি শান্তিপূর্ণভাবে মীমাংসার উদ্যোগ নেন। দুই পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা চলাকালীন, আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত হয়, মঙ্গলবার দুপুর ২টায় ল্যান্ডস্কেপ কোম্পানির সাথে সাক্ষাৎ করে বিষয়টি পরিষ্কার করা হবে এবং বুধবার দুই পক্ষ বসে মীমাংসার চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে উপনীত হবেন।
হিমেল বলেন, “আমি কোনো ব্যক্তির কাছ থেকে এক টাকাও দাবি করিনি। বরং একজন আত্মীয় ও একজন সচেতন ছাত্রনেতা হিসেবে আমি একটি অবৈধ দখলের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষকে সহযোগিতা করেছি। একজন চিকিৎসক ও প্রতিষ্ঠানের মালিক হয়েও যদি কেউ আইন অমান্য করে, ক্ষমতার অপব্যবহার করে জোরপূর্বক তালা লাগায়, সম্পত্তি দখল করে নেয়, তাহলে সেটা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। আমি সেই অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছি, যেভাবে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তোলা হয়েছে, তা পুরো ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার অপচেষ্টা ছাড়া কিছুই নয়।”
এবিষয়ে ড. হারিস জানিয়েছেন, “আমরা মিডফোর্ড টাওয়ারের তৃতীয় তলা কিনে মেডি লাইফকে ভাড়া দিয়েছি। তবে সরকার পরিবর্তনের পর ৫ আগস্ট বিকেলে ডা. মোশাররফ একবার তালা লাগান, যা আমরা সেনাবাহিনীর সহায়তায় খুলি। পরে ১ মার্চ ওয়ারীর কমিশনার আবুল বাশারের সহায়তায় পুনরায় তালা লাগানো হয়। পরবর্তীতে আইনগত সহায়তা নিতে থানায় গেলে বিভিন্ন জায়গায় আবুল বাশারের প্রভাবে তাদের সহযোগিতা করতে নিষেধ করা হয়। তাই বিষয়টি তিনি যেহেতু রাজনৈতিক প্রভাবের জায়গাতে নিয়ে গিয়েছে আমরাও পলিটিক্যালি সমাধানের চেষ্টা করেছি।
তিনি আরও জানান, শুরুতে বিষয়টি হিমেলকে ঈদের সময় তাকে অবগত করি। এরপর গত পরশু আমরা মেডি লাইফের চেয়ারম্যান ও ব্যবসায়িক অংশীদারের সঙ্গে ডা. মোশাররফের কাছে যাই। তাঁকে জিজ্ঞাসা করি, আপনি কি এই ফ্লোরের মালিক? তিনি জানান, না, তিনি মালিক নন। তাঁর মতে, এই পদক্ষেপগুলো কমিশনার আবুল বাশার নিয়েছেন।”
তিনি অভিযোগ করেন, সেখান থেকে বেরিয়ে ডা. মোশাররফ থানায় মিথ্যা অভিযোগ করেন যে, তারা নাকি তার কাছে বিশ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেছে, যা সম্পূর্ণ বানোয়াট। এই অভিযোগ সত্য কিনা মেডি লাইফের চেয়ারম্যান বিষয়টি স্পষ্ট করতে পারবেন। ইতিমধ্যে আমরা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছি।
অপর মালিক ডা: মুর্শিদা পারভীন বলেন, ‘মোশাররফ আওয়ামী আমলে ফারুক খানের ভাতিজি জামাই পরিচয় দিয়ে আমাদের অত্যাচার করেছে এবং ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ এ মেডিকেল অফিসার থেকে প্রফেসর প্লাস হেড অফ ডিপার্টমেন্ট হয়েছে।এখন আবার বিএনপির নাম ভাঙিয়ে আমার ফ্লোর জোর করে তালা লাগিয়ে দিয়েছে। আমরা তার অত্যাচারের কাছে অসহায়।’
ডা: রাজিব বলেন, ‘আমি ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একই ডিপার্টমেন্ট চাকরি করার কারণে আমার বিরুদ্ধে ডিরেক্টর, ডেপুটি ডিরেক্টর উনাদের কাছে বিভিন্ন মিথ্যা অভিযোগ করে আমাকে হেনস্তা করে। সাথে আমার ফ্লোর জোরপূর্বক দখল করে রেখে আমাদেরকেই মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে। যারা আমাদের বিপদে পাশে দাঁড়াচ্ছে তাদের বিরুদ্ধেও মিথ্যে অভিযোগ আনছে।’
আরেকজন মালিক ডা: মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘আমরা ওর মতো ভূমিদস্যুদের হাত থেকে আইনগত বা সামাজিক হস্তক্ষেপ কামনা করছি। তার মত লোক দেশের জন্য ক্ষতিকর, আমরা চাইনা পতিত ফ্যাসিস্ট হাসিনার কোন দোসর পুনরায় আর কারো সম্পদ দখল করুক।’
ডা. মোশাররফ হোসেনের লুটপাটের কয়েকটি সিসিটিভি ফুটেজ এই প্রতিবেদকের কাছে এসেছে। দেখা যাচ্ছে তিনি ট্রাকে করে হাসপাতালের মালামাল সরাচ্ছেন।
এরইমাঝে গত রোববার ডা. মোশাররফ হোসেন জবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেল-এর বিরুদ্ধে দলবল নিয়ে তার ক্লিনিকে যেয়ে হেনস্তা ও চাঁদাবাজির অভিযোগ আনেন। এই ব্যাপারে ডা. মোশারফের সাথে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।
ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বেশ কিছু দিন যাবত ঢাকাসহ সারাদেশে মৃদু তাপদাহ বয়ে যাচ্ছে। এসময়ে বৃষ্টি না হওয়ায় এমন তাপদাহ হওয়ার অন্যতম কারণ বলে আবহাওয়াবিদরা বলে আসছিলেন। চারিদিকে ধুলোর পাশাপাশি গরম। নগরবাসীদের একদম স্বস্তি ছিলনা। আজ সকাল থেকে বৃষ্টি আসার আগমন লক্ষ্য করে অনেকের মাঝে স্বস্তি বিরাজ করছে।
বিশেষ করে রাজধানীতে আজ বুধবার সকালে মেঘলা আকাশ থেকে যে সামান্য ছিটেফোঁটা বৃষ্টি হলো, তা একটু হলেও স্বস্তিদায়ক।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আজ দেশের কয়েকটি জেলায় বৃষ্টি হবে। তবে রাজধানীতে আংশিক মেঘলা থাকবে, তবে দীর্ঘস্থায়ী হবে না।
গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যা ছয়টায় দেওয়া আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, কুমিল্লা, যশোর ও কুষ্টিয়া অঞ্চলসহ ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের দু–এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
রাজধানীতে সকাল থেকেই আজ মেঘলা আকাশ এবং মেঘের তর্জন-গর্জন হচ্ছে। কিছু কিছু জায়গায় সামান্য বৃষ্টিপাত হয়েছে।