a
ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
মুন্না শেখ, জবি প্রতিনিধি: ১৬ এপ্রিল, ২০২৫ ( বুধবার) দুপুর ১২ টায় উপাচার্য কনফারেন্স রুমে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজের অগ্রগতি, জকসু নির্বচন, অস্থায়ী আবাসন, আবাসন ভাতা, জুলাই আন্দোলনের বিরোধীকারীদের বিচারসংক্রান্ত বিষয়,ফুড কোর্ট এবং অডিটোরিয়াম সংস্করণ নিয়ে শিক্ষার্থীদের সাথে আলোচনা সভা করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন জবি উপাচার্য অধ্যাপক রেজাউল করিম পিএইচডি,ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শারমিন, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ তাজাম্মুল হক এবং ইতিহাস বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড. মো. বিলাল হোসাইন সহ সাধারণ শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকবৃন্দ।
আলোচনা সভায় প্রক্টর অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ তাজাম্মুল হক বলেন, "আমরা দ্বিতীয় ক্যাম্পাসে যতদিন পর্যন্ত না হল স্থাপন করতে পারছি ততদিন পর্যন্ত আমরা দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের ৭ একর জায়গাতে অস্থায়ী আবাসনের ব্যবস্থা করবো বলেছিলাম। কিন্তু আমরা যখনই দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের অস্থায়ী আবাসন নিয়ে কাজ করতে যাই তখনই ওই ৭ একর জায়গাতে কিছু পরিমাণ বালু ভরাট করেছিল আগের প্রকল্প থাকাকালীন। আমরা দেখেছি এখান থেকে কিছু মানুষেরা বালু নিয়ে গেছে।যাদের নেতৃত্বে ওখানে বালু ভরাটের কাজ চলছিলো তারা যেন কীভাবে জানতে পারে দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হবে। তাদের পারিশ্রমিক না পাওয়ার আশায় তারা কাজ বন্ধ করে দেয়। সেই প্রেক্ষিতে এখন বলা যায়, দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ সেনাবাহিনী শুরু করলেই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে আলাদাভাবে ওই ৭ একর জমিতে দ্রুত অস্থায়ী আবাসনের ব্যবস্থা করা হবে।"
তিনি আরও জানান ২০২৬ সালের মধ্যে দ্বিতীয় ক্যাম্পাসে পূর্ণাঙ্গভাবে শিক্ষার্থীদের জন্য দুইটি হল স্থাপন সম্পন্ন হবে। যার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা সুষ্ঠু পরিবেশে ফিরে আসতে পারবে।
দ্বিতীয় ক্যাম্পাস সেনাবাহিনীর কাছে দেওয়া প্রসঙ্গে উপাচার্য অধ্যাপক রেজাউল করিম পিএইচডি বলেন, "আমরা শিক্ষার্থীদের কল্যাণের জন্যই কাজ করে যাচ্ছি। শিক্ষার্থীরা দ্বিতীয় ক্যাম্পাস নিয়ে যতটুকু চিন্তা করে তার থেকে দ্রুত গতিতে দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ চলমান রয়েছে। নতুন করে আরডিপি নিয়োগের কাজ চলছে। সমস্ত কাজ মন্ত্রণালয় পাঠানো হয়েছে আশা করি দ্রুত সমাধান হবে। ধারণা রাখছি আগামী অল্প কয়েকদিনের মধ্যেই সেনাবাহিনী দৃশ্যমান ভাবে কাজ শুরু করতে পারবে।"
ছবি-মুক্তসংবাদ প্রতিদিনঃ রংপুর জেলা ছাত্রকল্যাণ কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক
জবি প্রতিনিধি: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রংপুর জেলা ছাত্রকল্যাণ কমিটির মো: সোহাগ মন্ডল কে সভাপতি এবং আমিনুল ইসলাম কে সাধারণ সম্পাদক করে নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।
শনিবার (৯ আগস্ট) রংপুর জেলা ছাত্রকল্যাণে উপদেষ্টা এবং সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ আনোয়ারুল সালাম ও সহকারী অধ্যাপক মো শরিফুল ইসলাম এবং অনান্য উপদেষ্টাদের স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানা যায়।
কমিটিতে সহ-সভাপতি হিসাবে আছেন – রবিউল ইসলাম ও মোঃ সোহেল রানা; যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক, মোঃ লাইচ মিয়া, রাফিউল ইসলাম, মোঃ আসাদুজ্জামান আসিব মন্ডল; সাংগঠনিক সম্পাদক
টি এম নোমানী, মোঃ রানা হোসাইন সাগর, সহ- সাংগঠনিক সম্পাদক শাহ মোঃ হিমেল, অর্থ-বিষয়ক সম্পাদক মোঃ নিশাত ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক জামিল হোসেন সালমান, প্রচার সম্পাদক অনিক লাকড়া, সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোঃ লিমন, আইন বিষয়ক সম্পাদক মোঃ আলী আশা, ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক রিয়াদ হাসান, ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক মোঃ আলামিন হোসেন। কমিটিকে আগামী এক মাসের মধ্যে পূণাঙ্গ করার র্নিদেশনা দেন উপদেষ্টারা।
দায়িত্ব গ্রহন করে সভাপতি মো: সোহাগ মন্ডল বলেন,”রংপুর জেলা ছাত্র কল্যাণ একটি অরাজনৈতিক এবং ঐতিহ্যবাহী সংগঠন। আমরা এই সংগঠনকে এবং সংগঠনের সকল সদস্য কে নিয়ে একত্রে কাজ করে জেলা ছাত্র কল্যাণকে রোল মডেল হিসাবে উপস্থাপন করবো ইনশাআল্লাহ্। ”
সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম বলেন,”রংপুর জেলা ছাত্রকল্যাণ পরিষদ একটি সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক সংগঠন, সংগঠনের সাথে জড়িত প্রতিটা মানুষ খুবই আন্তরিক। তাদের দীর্ঘদিনের ফসল আমাদের এই সুনামধন্য সংগঠন, তারা আমাকে যোগ্য বিবেচনা করে দায়িত্ব দিয়েছে, ইনশাআল্লাহ আমি চেষ্টা করবো সংগঠনের সাথে প্রতিটা কর্মকাণ্ড সুষ্ঠু ভাবে পরিচালনা করার।”
ফাইল ছবি: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
করোনা সংক্রমণ ভয়ংকরভাবে বাড়ছে আর তা নিয়ন্ত্রণে আওয়ামী লীগ সরকারের দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ নেই বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, স্বাস্থ্য বিভাগের ঘোষিত ১৮ দফা নির্দেশনা বাস্তবায়নে সরকারের দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ লক্ষ্য করা যায়নি।
করোনা এ দুর্যোগে সুবর্ণজয়ন্তীর বৃহৎ আয়োজনের সমালোচনা করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, সুবর্ণজয়ন্তীর অনেক আগেই স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে বলা হয়েছিলো যে, করোনা খুব মারাত্মকভাবে আসছে, অবিলম্বে জনসমাগম বন্ধ করা দরকার। কিন্তু সরকার তা করেনি। এখন যেহেতু উৎসব শেষ হয়েছে, তাদের মহান অতিথিরা চলে গেছেন। এখন তারা এই বিষয়টা আবার সামনে এনেছেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, শুধু স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে নয়, সরকারের পক্ষ থেকে যে দৃশ্যমান ক্যাম্পিং থাকবে, প্রচার-প্রচারণা থাকবে, উদ্যোগ থাকবে সেসব লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। তিনি অভিযোগ করে বলেন, সরকার ফ্যাক্টসগুলোকে গোপন করছে, ডাটাগুলোকেও গোপন করছে। এর আগে টেস্টই করেনি। যে করতে পেরেছে তার ওপর তারা নির্দেশনা দিয়েছে। এখনো যে টেস্ট হচ্ছে তা খুবই কম।
করোনা সংক্রমণ থেকে রক্ষায় দলের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর কর্মসূচি স্থগিত করার কথা পুনরুল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমাদের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর কর্মসূচি স্থগিত করেছি। আমরা রাজনৈতিক কর্মসূচি করতে বাধ্য হয়েছি যখন তারা (সরকার) আমাদের জনগনের উপর এভাবে আক্রমণ করেছে, হামলা করেছে তার জন্য।
সম্মেলনে দলের সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন নসু, সহ দফতর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপু ও চেয়ারপার্সনের প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান উপস্থিত ছিলেন।