a
ছবি সংগৃহীত: প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বিএনপির একটি প্রতিনিধিদল সাক্ষাৎ করবেন। আজ সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবনে এ সাক্ষাৎ হবে। বিএনপির চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবীর খান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
শায়রুল কবীর খান আরও বলেন, আগামীকাল বিএনপির প্রতিনিধিদল সাক্ষাৎ করবে প্রধান উপদেষ্টার সাথে। দলে কারা কারা থাকবেন তা এখনো ঠিক হয়নি। তবে দেশের বিদ্যমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েই সেখানে আলোচনা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এখন ঢাকার বাইরে থাকলেও গতকাল রাতে তিনি ঢাকায় পৌঁছেছেন।
এদিকে গতকাল সাড়ে তিনটায় প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠক করেছে বিএনপির একটি প্রতিনিধিদল। নেতৃত্ব দিয়েছিলেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। তার সঙ্গে ছিলেন দলের স্থায়ী কমিটির ২ সদস্য সালাহ উদ্দিন আহমদ ও সেলিমা রহমান। সূত্র: ইত্তেফাক
ফাইল ছবি
লকডাউনে মুভমেন্ট পাস নিয়ে চিকিৎসক-পুলিশের বাকবিতণ্ডার ঘটনায় দুই পেশাজীবী সংগঠনের পাল্টাপাল্টি বিবৃতি কাম্য নয় বলে মন্তব্য করেছেন হাইকোর্ট। আজ মঙ্গলবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সরদার রাশেদ জাহাঙ্গীরের হাইকোর্ট বেঞ্চ এসব মন্তব্য করেন।
আদালতে আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ চিকিৎসক-পুলিশের বাকবিতণ্ডার ভিডিও ভাইরাল হওয়ার ঘটনার পর পেশাজীবী সংগঠনগুলোর পাল্টাপাল্টি বিবৃতির প্রতিবেদন তুলে ধরেন।
আদালত ইউনুছ আলী আকন্দকে উদ্দেশ্য করে বলেন, গতকাল আপনি এই বিষয়টি নিয়ে এসেছিলেন। আপনি তো সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি নন। তাহলে আপনি কেন এসেছিলেন? এ পর্যায়ে ইউনুছ আলী আকন্দ বলেন, আমার মেয়েও একজন চিকিৎসক। তাছাড়া আত্মীয়-স্বজনের মধ্যেও অনেক চিকিৎসক রয়েছেন।
আদালত চিকিৎসক-পুলিশের বাকবিতণ্ডার প্রসঙ্গে বলেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাছে এমন আচরণ অনাকাঙ্ক্ষিত। আবার এসব ঘটনাকে কেন্দ্র করে পাল্টাপাল্টি বিবৃতি দেওয়াও ঠিক হয়নি। দুটি পেশাজীবী সংগঠনের মাঝে পাল্টাপাল্টি বিবৃতি কাম্য নয়।
উল্লেখ্য, গত রবিবার রাজধানীর এলিফ্যান্ট রোডে লকডাউনে মুভমেন্ট পাস নিয়ে চিকিৎসক-পুলিশ ও ম্যাজিস্ট্রেটের বাকবিতণ্ডার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে
ব্যাপক আকারে প্রচার হয়।
ফাইল ছবি: ডোনাল্ড ট্রাম্প
সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাময়িকভাবে প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকারের দায়িত্ব নেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম বৃহস্পতিবার এ কথা জানায়। এই সপ্তাহে নিজ দলের অতি-ডান সদস্যরা রিপাবলিকান কেভিন ম্যাককার্থির বিরুদ্ধে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের অভিযোগ আনে এবং ডেমোক্র্যাটদের সাথে তার সহযোগিতায় ক্ষুব্ধ হয়ে একটি নৃশংস, ঐতিহাসিক বিদ্রোহের মাধ্যমে স্পিকার পদ থেকে অপসারিত করা হয়। খবর এএফপি’র।
ট্রাম্প ফক্স নিউজকে বলেন, ‘আমাকে সমন্বয়কারী হিসেবে কথা বলতে বলা হয়েছে কারণ কংগ্রেসে আমার অনেক বন্ধু রয়েছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘তারা আমাকে জিজ্ঞাসা করেছে যে যদি তারা ভোট না পায়, সেক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদী কাউকে না পাওয়া পর্যন্ত আমি স্পিকার থাকার কথা বিবেচনা করব কিনা, কারণ আমি প্রেসিডেন্ট পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছি।’
তবে সাবেক রিপাবলিকান কংগ্রেসওম্যান বারবারা কমস্টক সিএনএনকে বলেন, ট্রাম্প এই ভূমিকার জন্য যোগ্য হবেন না কারণ তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। কমস্টক বলেন, ‘দুর্ভাগ্যবশত তিনি হাউসের নিয়মাবলী জানেন না। নিয়মানুযায়ী অভিযুক্ত ব্যক্তি হাউসের নেতৃত্বে থাকতে পারবেন না।’
২০২৪ সালের রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট মনোনয়নের জন্য অগ্রগামী ট্রাম্প, ২০২০ সালের নভেম্বরে বিজয়ী ডেমোক্র্যাট জো বাইডেনের নির্বাচনের ফলাফলকে নস্যাৎ করার ষড়যন্ত্রের অভিযোগে আগামী মার্চে ওয়াশিংটনে বিচারের মুখোমুখি হতে চলেছেন।
ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অন্যান্য ফৌজদারি মামলাগুলোর মধ্যে রয়েছে জর্জিয়ায় দক্ষিণ রাজ্যে নির্বাচনী ফলাফলগুলোকে বানচাল করার ষড়যন্ত্রের অভিযোগ এবং ফ্লোরিডায় গোপন সরকারী নথিগুলোকে অব্যবস্থাপনার অভিযোগে ২০২৪ সালের মে মাসে ট্রায়ালের মুখোমুখি হবেন।
ট্রাম্প ও তার দুই ছেলেও বর্তমানে নিউইয়র্কে তাদের রিয়েল এস্টেট সম্পদের মূল্য বৃদ্ধির জন্য আরও অনুকূল ব্যাংক ঋণ ও বীমা শর্তাবলী পাওয়ার জন্য একটি নাগরিক জালিয়াতির বিচারের মুখোমুখি হচ্ছেন। সূত্র: ইত্তেফাক