a ইউপি নির্বাচন ও অন্যান্য প্রসঙ্গ নিয়ে মাহবুব তালুকদারের বক্তব্য
ঢাকা শনিবার, ৪ মাঘ ১৪৩২, ১৭ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

ইউপি নির্বাচন ও অন্যান্য প্রসঙ্গ নিয়ে মাহবুব তালুকদারের বক্তব্য


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
বুধবার, ০৫ জানুয়ারী, ২০২২, ০৬:৩০
ইউপি নির্বাচন ও অন্যান্য প্রসঙ্গ নিয়ে  নির্বাচনি আইন ভঙ্গ করে আচরণবিধি লঙ্ঘন সুষ্ঠু নির্বাচনের গোড়া

ফাইল ছবি : মাহবুব তালুকদার

মানবাধিকারের আলোচনা এখন সর্বত্রে। মানবাধিকার উৎসারিত হয় ভোটের অধিকার থেকে। আমাদের সংবিধানের স্পিরিটই হচ্ছে তাই। জনগণের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা ও রক্ষা করা এখনও সুদূরপরাহত। গণতন্ত্র ও মানবাধিকার একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ। একমাত্র নির্ভেজাল গণতন্ত্রই মানবাধিকারের গ্যারান্টি দিতে পারে। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও এর প্রাতিষ্ঠানিক রূপদানের জন্য অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ আইনানুগ গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের কোনো বিকল্প নেই।
 
২। নির্বাচনি আইন ভঙ্গ করে আচরণবিধি লঙ্ঘন সুষ্ঠু নির্বাচনের গোড়া কর্তনের নামান্তর। কতিপয় সংসদ সদস্য সরাসরি আচরণবিধি লঙ্ঘন করে চলমান ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কলুষিত করেছেন। কেবল চিঠি দেওয়া ছাড়া তাদের সম্পর্কে আর কোনো ব্যবস্থা নেয়া যায়নি।

আবার কেউ কেউ সেই চিঠি উপেক্ষা করেছেন। এজন্য আইনের কঠোর প্রয়োগ অনিবার্য ছিল। কিন্তু নির্বাচন প্রক্রিয়া সংস্কার না করা হলে তাদের সম্পর্কে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা সম্ভব নয়। অন্যান্য যারা আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন, তাদেরকে সামান্য অর্থদন্ড প্রদান ব্যতীত অন্য কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা ছাড়া আইনের কঠোর বাস্তবায়ন সম্ভব নয়।
 
৩। সন্ত্রাস ও সংঘর্ষ যেন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের অনুসঙ্গ হয়ে উঠেছে। এখন ভোটযুদ্ধে যুদ্ধ আছে, ভোট নেই। ইউপি নির্বাচনে এখন উৎসবের বাদ্যের বদলে বিষাদের করুণ সুর বাজছে। কিন্তু নির্বাচন ও সন্ত্রাস একসঙ্গে চলতে পারে না। নির্বাচনি সন্ত্রাস প্রতিহত করতে হলে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে তাদের প্রতিঘাত আরও জোরদার করতে হবে। ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের সন্ত্রাসের কারণ অনুসন্ধান করে তা থেকে অব্যাহতির উপায় উদ্ভাবন অপরিহার্য।

তবে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন প্রথা উঠিয়ে না দিলে সন্ত্রাস ও সংঘর্ষ উত্তরোত্তর বেড়ে যাওয়ার আশংকা রয়েছে। আমরা অবশ্যই সন্ত্রাসমুক্ত নির্বাচন চাই।
 
৪। নির্বাচনের মৌলিক শর্ত ভোটের আগে ও পরে ব্যালট পেপারের নিরাপত্তা  বিধান। আমরা যথাযথভাবে তা দিতে ব্যর্থ হয়েছি। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী এর দায় এড়াতে পারবে বলে মনে হয় না। পত্রিকা মতে দেশের বেশ কয়েকটি এলাকায় যেমন টাঙ্গাইল (ডুবাইল), কুড়িগ্রাম (যাত্রাপুর), নেত্রকোণা (দূর্গাপুর), ফেনী (ছাগলনাইয়া), কুমিল্লার আদর্শ সদর (পাস্তুরি), সিরাজগঞ্জ শাহজাদপুর (জালালপুর), কিশোরগঞ্জ (ভৈরব), রাজশাহী (চারঘাট), হবিগঞ্জ (সদর), ঠাকুরগাঁও সদর (আখানগর), গোপালগঞ্জ (কোটালীপাড়া), গাইবান্ধা (জুমারবাড়ি), যশোর (কেশবপুর), সাভার (আশুলিয়া) ইত্যাদি স্থানে নির্বাচনের ব্যালট পেপার ছিনতাই হয়ে গেছে।

যে কোনো মূল্যে ব্যালট পেপারের সুরক্ষা দিয়ে এই অবস্থার অবসান ঘটানো প্রয়োজন। স্মরণযোগ্য যে, ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের পূর্ব রাতে ব্যালট পেপারের ঘটনাটি বিবিসি প্রকাশ করার পর নির্বাচন কমিশন দিনের ভোট রাতে করে বলে আমরা প্রশ্নবিদ্ধ হই। এটি কোনভাবেই কাম্য ছিল না। সূত্র: বিডি প্রতিদিন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

শামসুল হক টুকু ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হলেন


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
রবিবার, ২৮ আগষ্ট, ২০২২, ০৫:৫৩
শামসুল হক টুকু ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হলেন

ফাইল ছবি

অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী মিয়ার মৃত্যুতে ডেপুটি স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত হলেন শামসুল হক টুকু। রোববার জাতীয় সংসদ অধিবেশনের শুরুতেই তাকে ডেপুটি স্পিকার হিসেবে কণ্ঠভোটে নির্বাচিত করা হয়।

এর আগে সংসদের চিফ হুইপ নূর-ই আলম চৌধুরী ডেপুটি স্পিকার হিসেবে তার নাম প্রস্তাব করেন। পরে কামরুল ইসলাম (ঢাকা-২) তা সমর্থন করেন। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী ভোটে দিলে তা কণ্ঠভোট পাস হয়।

নির্বাচিত হওয়ায় এদিনই সন্ধ্যা ৭টায় ডেপুটি স্পিকার হিসেবে শপথ নেবেন শামসুল হক টুকু। জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ তার চেম্বারে ডেপুটি স্পিকারকে শপথ বাক্য পাঠ করাবেন বলে জানা গেছে।

গত ২২ জুলাই জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার মো. ফজলে রাব্বী মিয়া মারা যান। এতে জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকারের পদটি শূন্য হয়ে যায়।

২০০৯-২০১৪ সাল পর্যন্ত শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি একই মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি। সূত্র: যুগান্তর

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

জমিজমা বিরোধে চাচা-ভাতিজা নিহত


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
বৃহস্পতিবার, ০৮ এপ্রিল, ২০২১, ১১:১৫
জমিজমা বিরোধে চাচা-ভাতিজা নিহত

প্রতিকী ছবি

সুনামগঞ্জের ডংরিয়া গ্রামে জমিজমা নিয়ে বিরোধের জের ধরে সংঘর্ষে চাচা-ভাতিজা নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও দুইজন। বৃহস্পতিবার সকাল ৯ টা এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন-ওই গ্রামের ওসমান মিয়ার ছেলে আব্দুল তাহিদ (৬২) ও তার ভাতিজা রাফিদ মিয়ার ছেলে রিপন মিয়া (৪২)। গ্রামে উত্তেজনা থাকায় ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জমিজমা নিয়ে আব্দুল তাহিদের সঙ্গে রিপন মিয়ার পরিবারে বিরোধ ছিল। এই বিরোধের জের ধরে বৃহস্পতিবার সকালে চাচা-ভাতিজার পরিবারের মধ্যে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মারামারি ও ধাওয়া-পালটা শুরু হয়। এক পর্যায়ে গুরুতর আহত আব্দুল তাহিদ ও রিপন মিয়াকে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাদের দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।

দক্ষিণ সুনামগঞ্জ থানার ওসি মুক্তাদীর আহমদ জানান, দুই পরিবারের আত্বীয়-স্বজনদের মাঝে উত্তেজনা বিরাজ করায় গ্রামে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। সম্পদ নিয়ে পারিবারিক বিরোধের জেরে সংঘর্ষে চাচা-ভাতিজা নিহত হন বলে তিনি জানান।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - জাতীয়