a
ফাইল ছবি
ঢাকা-ময়মনসিংহ রোডের বিমানবন্দর সড়কটি আগামীকাল থেকে তিন দিন এড়িয়ে চলার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বিমানবন্দর স্টেশন এলাকায় বিআরটি প্রকল্পের উন্নয়ন কাজ ত্বরান্বিত করার জন্য ২৪ নভেম্বর সন্ধ্যা ৬টা থেকে ২৭ নভেম্বর সকাল ৬টা পর্যন্ত সড়কটি না ব্যবহার করার জন্য নির্দেশনা এসেছে।
কাজ চলার সময় বাড়তি যানজটের আশঙ্কায় জনসাধারণের জন্য বিশেষ এই ট্রাফিক নির্দেশনা দিয়েছে বিআরটি।
বিআরটির প্রকল্প পরিচালক এএসএম ইলিয়াস শাহ স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে ওই সময়ে জনসাধারণ ও পরিবহণকে সম্ভাব্য বিকল্প পথ ব্যবহারের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। এ বিষয়ে সবার সহানুভূতি ও সহযোগিতাও কামনা করা হয়েছে।
এই সড়কে অনেকদিন যাবত জনদুর্ভোগের শেষ নেই। দীর্ঘদিন ধরে বিআরটি প্রকল্পের কাজ চলমান থাকায় সড়কে বেহাল অবস্থার মধ্যে রয়েছে। ফলে উত্তরা থেকে গাজীপুর পর্যন্ত এলাকার মানুষকে অন্তহীন দুর্গতি পোহাতে হচ্ছে।
তাই সড়কটিতে যান চলাচল স্থায়ীভাবে নির্বিঘ্ন করার লক্ষ্যে আগামীকাল থেকে তিন দিন টানা কাজ চলবে। সূত্র: যুগান্তর
ফাইল ছবি
জেরুজালেমে আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণে মুসল্লি ও বেসামরিক নাগরিকদের ওপর ইসরায়েলি বর্বোচিত হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ।
আজ সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এক বিবৃতিতে এই নিন্দা জানানো হয়। এতে বলা হয়েছে, ইসরায়েলি বাহিনী কর্তৃক শেখ জাররাহ এলাকায় ফিলিস্তিনি পরিবার উচ্ছেদ এবং সেখানে ইসরায়েলি বেসামরিক জনগোষ্ঠীকে স্থানান্তরিত করার উদ্যোগে এক অমানবিকতা প্রকাশ পেয়েছে।
এটা মানবাধিকার, আন্তর্জাতিক আইন এবং চুক্তি লঙ্ঘন। বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি এই ধরনের সন্ত্রাসী আক্রমণ বন্ধে ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানাচ্ছে।
বিবৃতিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে বলা হয়েছে, “টেকসই ফিলিস্তিন রাষ্ট্রে জনগণের সার্বভৌম ও স্বাধীন স্বদেশ নিশ্চিতের অলঙ্ঘনীয় অধিকারের প্রতি দৃঢ় সমর্থন জানাচ্ছে বাংলাদেশ। জাতিসংঘের বিভিন্ন প্রস্তাবের মধ্য দিয়ে যে রাষ্ট্রের ভৌগোলিক অখণ্ডতা প্রতিষ্ঠিত হবে।”
ইসরায়েলের ‘জেরুজালেম দিবস’ পালনকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। রবিবার সন্ধ্যা থেকে সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত আল আকসা মসজিদের আশেপাশে বিক্ষোভকারী ফিলিস্তিনিদের উপর পুলিশ ব্যাপক হামলা চালিয়ে শত শত ফিলিস্তিনীকে গুলি করে আহত করেছে।
ছবি: সংগৃহীত
ইউক্রেনের জন্য অত্যাধুনিক প্যাট্রিয়ট আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা পাঠাতে পরিকল্পনা চূড়ান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র। এতে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে রাশিয়া। যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনা জানার পর রাশিয়ার পক্ষ থেকে আন্তমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, রাশিয়ার পক্ষ থেকে কৌশলগত পারমাণবিক প্রতিরক্ষাব্যবস্থা প্রস্তুত করার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে রাশিয়া। রুশ বাহিনী তাদের কালুগা অঞ্চলের একটি ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্রে ‘ইয়ার্স’ নামের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রস্তুত করে রেখেছে। ওই ক্ষেপণাস্ত্র প্রস্তুত করার একটি ভিডিও উন্মুক্ত করেছে প্রতিরক্ষা দপ্তর। তাতে বলা হয়, দেশটির ‘কৌশলগত ক্ষেপণাস্ত্র বাহিনী দিবস’ উপলক্ষে এই ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করা হচ্ছে।
কালুগা অঞ্চলের কোজেলস্কি ক্ষেপণাস্ত্র নির্মাণকেন্দ্রের কমান্ডার আলেক্সি সোকোলভ বলেন, ক্ষেপণাস্ত্রটি পরিকল্পনা অনুযায়ী যুদ্ধের দায়িত্বে থাকবে। এ ছাড়া আরেকটি ক্ষেপণাস্ত্রে পারমাণবিক অস্ত্র যুক্ত থাকবে। এতে কৌশলগত ক্ষেত্রে যেকোনো সমস্যা সমাধান করা যাবে।
বুধবার ওয়াশিংটনে রুশ দূতাবাস এক বিবৃতিতে বলেছে, ইউক্রেনে মার্কিন প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্রের যেকোনো চালান ‘অনাকাঙ্ক্ষিত পরিণতির দিকে নিয়ে যেতে পারে’ এবং বৈশ্বিক নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলতে পারে।
এর আগে কিয়েভকে যাতে প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা সরবরাহ করা না হয়, সে জন্য পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোকে সতর্ক করেন রাশিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি মেদভেদেভ। ইউক্রেনে যুক্তরাষ্ট্র প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা পাঠালে সেগুলো রুশ হামলার বৈধ লক্ষ্যবস্তু হবে বলে মন্তব্য করেছে ক্রেমলিন।
ইউক্রেনকে প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা সরবরাহের পদক্ষেপকে ক্রেমলিন একটি উসকানি হিসেবে গণ্য করবে বলে মনে করা হচ্ছে। ইউক্রেন যুদ্ধের প্রায় ১০ মাস পার হয়েছে। সামনেই বড়দিন বা ‘ক্রিসমাস’। এ উপলক্ষে যুদ্ধবিরতির কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছে মস্কো।
যুদ্ধ বন্ধে বর্তমানে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে কোনো সংলাপ হচ্ছে না। এখন ইউক্রেনের পূর্ব ও দক্ষিণাঞ্চলে ব্যাপক লড়াই চলছে। পাশাপাশি রাজধানী কিয়েভসহ গোটা ইউক্রেনে বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ অবকাঠামোয় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে আসছে রুশ বাহিনী।
রাশিয়ার এ ধরনের হামলার পরিপ্রেক্ষিতে ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা শক্তিশালী করতে পশ্চিমা মিত্রদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে আসছে কিয়েভ। রুশ হামলার কারণে লাখো ইউক্রেনীয় বর্তমানে বিদ্যুৎহীন অবস্থায় রয়েছেন। তীব্র শীতের মধ্যে বিদ্যুৎ না থাকায় তাঁরা নিজেদের ঘরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক রাখতে পারছেন না।
ইউক্রেনের এক কর্মকর্তার মতে, সারা দেশে ব্যাপক বিদ্যুৎ–বিভ্রাটের পর দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর খেরসন সম্পূর্ণভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। সূত্র: প্রথম আলো