a
ফাইল ছবি
লক্ষ্মীপুর-২, সিলেট-৩, ঢাকা-১৪ এবং কুমিল্লা-৫ আসনের উপ-নির্বাচনের তফসিল আগামী ২৪ মে ঘোষণা করা হবে। আর ভোটের তারিখ জুলাই মাসে নির্ধারন করা হয়েছে। আজ বুধবার (১৯ মে) নির্বাচন কমিশন ভবনে এক সভা শেষে ইসি সচিব হুমায়ুন কবীর খন্দকার সাংবাদিকদের এ কথা জানান।
করোনা পরিস্থিতি যেমনই হোক এর মধ্যেই নির্বাচন আয়োজন করার পক্ষে আছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। করোনা পরিস্থিতি যেননই হউক না কেন আইন অনুযায়ী কমিশনকে নির্বাচন করতেই হবে।
গত ১১ মে কমিশনের অনানুষ্ঠানিক এক বৈঠকে এ সভা আহ্বান করা হয়েছিল। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিতব্য সভায় চার নির্বাচন কমিশনার, ইসি সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে।
লক্ষ্মীপুর-২ ও সিলেট-৩ আসনে ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন হওয়ার থাকলেও ইতোমধ্যে ৯০ দিনও পার হয়ে গেছে। করোনা সংক্রমণ বাড়ার কারণে ১ মার্চ সব ধরণের নির্বাচন স্থগিত করেছিল কমিশন। বিভিন্ন আসনের নির্বাচনের মেয়াদ শেষ হলেও সিইসির বিশেষ ক্ষমতাবলে এসব নির্বাচন মেয়াদ ৯০ দিন বৃদ্ধি করা হয়। এই ৯০ দিনও অতিক্রম হয়ে যাচ্ছে। তাই এখন এসব নির্বাচন আয়োজন করার কথা ভাবছে দেশের সাংবিধানিক এই প্রতিষ্ঠানটি।
ফাইল ছবি
নতুন শিক্ষা কারিকুলামে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সপ্তাহে ২দিন ছুটি থাকবে। শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা সাপ্তাহিক ছুটি ২দিন উপভোগ করতে পারবেন। আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ শ্রেণির নতুন কারিকুলামে পাইলটিং (পরীক্ষামূলক) ক্লাস শুরু হবে। উল্লেখ্য, প্রাথমিক পর্যায়ের ক্লাস শুরুর কথা রয়েছে মার্চ মাস থেকে।
সচিবালয়ে স্কুল-কলেজ খোলার বিষয়ে বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী ডা: দীপু মনি এ তথ্য জানান।
ডা: দীপু মনি জানান, স্কুল-কলেজ খোলায় ষষ্ঠ শ্রেণির ক্লাস নতুন কারিকুলামে নিতে আর কোনো বাধা নেই। নতুন কারিকুলাম ট্রাইআউট ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হবে। প্রাথমিকে মার্চ থেকে শুরু হবে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালে নতুন শিক্ষাক্রমের পাইলটিং করার কথা। ২০২৩ সাল থেকে পরিমার্জিত নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়ন শুরু হবে। ২০২৫ সালের মধ্যে মাধ্যমিক পর্যায়ের কারিকুলাম বাস্তবায়ন সম্পন্ন হবে। এছাড়া, ২০২৬ ও ২০২৭ সালে উচ্চ মাধ্যমিকের একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষাক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।
নতুন কারিকুলামে দু’দিন সাপ্তাহিক ছুটির বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘প্রাথমিকে শনিবার ছুটি না রাখা হলেও এখন থেকে রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। আমরা মনে করি, একজন শিক্ষক বা শিক্ষার্থীর সপ্তাহে দুটো দিন..., একটু যদি ব্রেক না হয়। এখন তো কম সময় ক্লাস করছিল, তারপরও একটু ব্রেক দরকার আছে। সেটাকে যদি বাদ দিয়ে দিতে পারতাম, তাহলে কয়েকটা দিন বেশি পেতাম। মাসে চারটা দিন বেশি পেতাম, সেটা ঠিক। আবার ধর্মীয় কিছু ছুটি আছে, নানা রকম বিষয় আছে।’
সংবাদ সম্মেলনে এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো: জাকির হোসেন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো: আবু বকর ছিদ্দিকী, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের মহাপরিচালক অধ্যাপক নেহাল আহমেদ।
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে রয়েল রিসোর্টে হেফাজতের কেন্দ্রীয় যুগ্ম-মহাসচিব মামুনুল হককে ঘিরে ঘটনার পর মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টি (জাপা)। দুই দলই পাল্টাপাল্টি বক্তব্য দিচ্ছে ও দোষারোপ করছে। আওয়ামী লীগ বলছে, হেফাজতে ইসলামের কর্মীদের কাঁধে বন্দুক রেখে বিএনপি, জামায়াত ও জাতীয় পার্টি সোনারগাঁয়ের আওয়ামী লীগ নেতাদের বাড়িঘরে হামলা করেছে। পার্টি অফিসে ভাঙচুর চালিয়েছে। অন্যদিকে এর প্রতিবাদ করে জাতীয় পার্টির নেতারা বলেছেন, আওয়ামী লীগ নিজেদের দোষ ঢাকতে জাতীয় পার্টির ঘাড়ে চাপাচ্ছে।
জানা গেছে, রয়েল রিসোর্টের ঘটনাকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের পার্টি অফিস ভাঙচুরের প্রতিবাদে গত রবিবার সোনারগাঁ উপজেলা আওয়ামী লীগ মোগরাপাড়া চৌরাস্তায় পার্টি অফিসের সামনে প্রতিবাদ সভা করে। সভায় বক্তৃতাকালে সাবেক এমপি কায়সার বলেন, হেফাজতে ইসলামের কর্মীদের কাঁধে বন্দুক রেখে বিএনপি, জামায়াত ও জাতীয় পার্টি আওয়ামী লীগ নেতাদের বাড়িঘরে হামলা করেছে। পার্টি অফিস ভাঙচুর করেছে।
এসব বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছেন সোনারগাঁ উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি আবদুর রউফ ও সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম। তারা বলেন, রয়েল রিসোর্টে হেফাজতের কেন্দ্রীয় যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হককে কেন্দ্র করে সংঘটিত ঘটনার পর প্রতিবাদ সভায় নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আবদুল্লাহ আল কায়সার হাসনাত সোনারগাঁ উপজেলা জাতীয় পার্টি সম্পর্কে যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা সম্পূর্ণ বানোয়াট, কল্পনাপ্রসূত ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তার বক্তব্যের মধ্যে সামান্যতম সত্যতা নেই।
হেফাজতের যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হককে সোনারগাঁ রয়েল রিসোর্টে অবরুদ্ধ করে রাখার ঘটনায় হেফাজতের নেতা-কর্মীরা আওয়ামী লীগ নেতাদের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও আওয়ামী লীগের পার্টি অফিসে অগ্নিসংযোগের ঘটনা পরিদর্শন করতে গত শনিবার সোনারগাঁয়ে আসেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা।
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম এমপি, বাহাউদ্দিন নাছিম এমপি, দফতর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, এ কে এম শামীম ওসমান এমপি, নজরুল ইসলাম বাবু এমপিসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ উপজেলা আওয়ামী লীগের পার্টি অফিস পরিদর্শন করেন। সেখান থেকে তারা হেফাজতের হামলায় উপজেলা যুবলীগের সভাপতি রফিকুল ইসলাম নান্নুর ভাঙচুর করা বাড়িঘর পরিদর্শনের পর সোহাগ রনির বাড়িতে যান।
ভাঙচুর করা বাড়িঘর ও পার্টি অফিস পরিদর্শন শেষে কেন্দ্রীয় নেতারা জানান, সোনারগাঁয়ে ওইদিন যা ঘটেছিল তা একটি ন্যক্কারজনক ঘটনা। সেই ঘটনার সঙ্গে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
সূত্র জানায়, মামুনুল হককে ছিনিয়ে নেওয়ার সময় হেফাজতের উত্তেজিত কর্মী-সমর্থকরা রয়েল রিসোর্টের নিচতলা থেকে পঞ্চম তলা পর্যন্ত ভাঙচুর করেন। পরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। মোগরাপাড়ায় যুবলীগ নেতা রফিকুল ইসলাম নান্নু ও ছাত্রলীগ নেতা সোহাগ রনির বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করা হয়। এ সময় হেফাজত কর্মীরা রাস্তায় আগুন জ্বালিয়ে সড়কে অবস্থান নেন। সূত্র:বিডিপ্রতিদিন