a ডিএসএ’র সব মামলা বাতিল ও গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মুক্তির দাবিতে ১৯ আন্তর্জাতিক সংস্থার চিঠি
ঢাকা শনিবার, ১৫ ভাদ্র ১৪৩২, ৩০ আগষ্ট, ২০২৫
https://www.msprotidin.com website logo

ডিএসএ’র সব মামলা বাতিল ও গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মুক্তির দাবিতে ১৯ আন্তর্জাতিক সংস্থার চিঠি


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
বৃহস্পতিবার, ৩১ আগষ্ট, ২০২৩, ১২:১২
ডিএসএ’র সব মামলা বাতিল ও গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মুক্তির দাবিতে ১৯ আন্তর্জাতিক সংস্থার চিঠি

ফাইল ছবি

বাংলাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দায়ের হওয়া সব মামলা বাতিলের আহ্বান ও মামলায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মুক্তির দাবি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে চিঠি দিয়েছে ১৯টি আন্তর্জাতিক সংস্থা। এই সংস্থাগুলো মানবাধিকার ও গণমাধ্যমের অধিকার রক্ষায় কাজ করে।

বুধবার (৩০ আগস্ট) কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টসের (সিপিজে) ওয়েবসাইটে ১৯ সংস্থার এই চিঠি প্রকাশ করে।

এতে বলা হয়েছে, শুধু শান্তিপূর্ণভাবে নিজের মতপ্রকাশের কারণে যাদের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করা হয়েছে, কর্তৃপক্ষের উচিৎ অবিলম্বে সেসব মামলা বাতিল করা। সেই সঙ্গে এসব মামলায় যাদের আটক বা গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তাদের অবিলম্বে মুক্তি দিতে হবে।

চিঠিতে বলা হয়, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলে সরকারের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তকে আমরা স্বাগত জানাই। তবে আইনের খসড়া, সাইবার সিকিউরিটি অ্যাক্ট, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, গোপনীয়তা ও স্বাধীন সাংবাদিকতা এবং মানবাধিকারকে দমন করার জন্য পূর্বে ব্যবহৃত বেশ কয়েকটি দমনমূলক ধারা বজায় রাখা হয়েছে।

চিঠিতে আরও বলা হয়, নতুন আইনটি যাতে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়, সংবিধানে প্রদত্ত মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতার অধিকার সমুন্নত রাখে এবং সাংবাদিক ও মানবাধিকার রক্ষাকারীদের কাজের জন্য ঝুঁকিতে না ফেলে- তা নিশ্চিত করার জন্য আমরা সুশীল সমাজের সংগঠন, সাংবাদিক এবং অন্যান্যদের সঙ্গে পরামর্শ ও প্রতিক্রিয়া অন্তর্ভুক্ত করার জন্য আপনার প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।

সাংবাদিকতা কোনো অপরাধ নয় উল্লেখ করে চিঠিতে বলা হয়েছে, কর্তৃপক্ষ বা যাদের নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করা হচ্ছে, তাদের কোনো ধরনের প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপের শিকার হওয়ার ভয় ছাড়াই গণমাধ্যমগুলোর স্বাধীনভাবে বাংলাদেশের সব জাতীয় ও স্থানীয় ঘটনার সংবাদ প্রকাশের ক্ষমতা থাকা উচিৎ। বিশেষত, বাংলাদেশে আসন্ন জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে গণমাধ্যমের এই ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের ই-মেইলে চিঠিটি পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন, ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক খান এবং জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন আহমদকে চিঠির অনুলিপি পাঠানো হয়েছে।

চিঠিতে সংবাদ প্রকাশের জেরে টেলিভিশন চ্যানেল আরটিভির নিজস্ব প্রতিবেদক অধরা ইয়াসমিনের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলা প্রত্যাহারের আহ্বান জানানো হয়েছে।

চিঠি পাঠানো সংস্থাগুলো হলো: অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল; আর্টিকেল নাইনটিন (দক্ষিণ এশিয়া); এশিয়ান হিউম্যান রাইটস কমিশন; বাংলাদেশি জার্নালিস্ট ইন ইন্টারন্যাশনাল মিডিয়া; ক্যাপিটাল পানিশমেন্ট জাস্টিস প্রজেক্ট; সিভিকাস: ওয়ার্ল্ড অ্যালায়েন্স ফর সিটিজেন পার্টিসিপেশন; কোয়ালিশন ফর উইমেন ইন জার্নালিজম (সিএফডব্লিউআইজে);  কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টস; ফোরাম ফর ফ্রিডম এক্সপ্রেশন, বাংলাদেশ; ফ্রি প্রেস আনলিমিটেড; আইএফইএক্স; ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন ফর হিউম্যান রাইটস (এফআইডিএইচ); ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব জার্নালিস্টস (আইএফজে); ইন্টারন্যাশনাল ওমেন’স মিডিয়া ফাউন্ডেশন; পেন আমেরিকা; পেন বাংলাদেশ; পেন ইন্টারন্যাশনাল; রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডারস ও রবার্ট এফ কেনেডি হিউম্যান রাইটস। সূত্র: ইত্তেফাক

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

একাদশ সংসদের চতুর্দশ অধিবেশন আরম্ভ হবে ১ সেপ্টেম্বর


এম.এস প্রতিদিন ডেস্ক:
মঙ্গলবার, ১৭ আগষ্ট, ২০২১, ১২:২১
একাদশ সংসদের চতুর্দশ অধিবেশন আরম্ভ হবে ১ সেপ্টেম্বর

ফাইল ছবি

একাদশ জাতীয় সংসদের চতুর্দশ অধিবেশন আগামী ১ সেপ্টেম্বর বুধবার বিকাল ৫টায় শুরু হবে। সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদের (১) দফায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ এ অধিবেশন আহ্বান করেছেন।

ষাট দিনের সাংবিধানিক বাধ্যবাদকতা পূরণে এ অধিবেশন আহ্বান করা হয়েছে। সংবিধান অনুযায়ী এক অধিবেশন শেষ হওয়ার পরবর্তী ৬০ দিনের মধ্যে সংসদের পরবর্তী অধিবেশন বসতে হবে। সে হিসেবে করোনা মহামারি পরিস্থিতিতে আসন্ন অধিবেশন সংক্ষিপ্ত হওয়ার কথা রয়েছে। জাতীয় সংসদের সর্বশেষ ত্রয়োদশ (বাজেট) অধিবেশন গত ২ জুন শুরু হয়ে গত ৩ জুলাই শেষ হয়।

ওই অধিবেশনে ২০২১-’২২ অর্থ বছরের বাজেট পেশ ও পাস করা হয়। মোট ১২ কার্যদিবসের ওই অধিবেশনে সম্পূরক বাজেটসহ মূল বাজেটের ওপর মোট ১৫ ঘন্টা ৩২ মিনিট আলোচনা হয়েছে। এর ওপর আলোচনায় অংশ নেন ৮৫ জন সরকার ও বিরোধী দলের সংসদ সদস্য।বাজেট পাসসহ সেই অধিবেশনে ৭টি সরকারি বিল পাস হয়।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / khurshedalm@msprotidin.com

করোনার সংক্রমণ ও মৃত্যুর ভয়াবহতায় গণফোরামের উদ্বেগ


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
রবিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২১, ১১:৩৯
করোনার সংক্রমণ ও মৃত্যুর ভয়াবহতায় গণফোরামের উদ্বেগ

ফাইল ছবি

বীর মুক্তিযোদ্ধা ও গণফোরাম নেতা মোস্তফা মোহসীন মন্টু, সংবিধান প্রনয়ন কমিটির অন্যতম সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী অধ্যাপক ড. আবু সাইয়িদ এবং গণফোরাম এর মূখপাত্র সিনিয়র এডভোকেট সুব্রত চৌধুরী এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন-সরকারের উদাসীনতা, অব্যবস্থাপনা ও সিদ্ধান্তহীনতায় পরিস্থিতি ক্রমাগত অবনতির দিকে যাচ্ছে। করোনাকালে পর্যটন কেন্দ্রগুলো খুলে দেওয়ায় এবং গণ পরিবহন ও মার্কেটগুলো একবার বন্ধ করে আবার খুলে দেওয়া, প্রণোদনার নামে জনগণের সাথে প্রতারণা ও দূর্নীতিকে প্রশ্রয় দেওয়ায় পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণ এর বাইরে চলে যাচ্ছে।

একদিকে রমজানকে সামনে রেখে চাল, ডাল, তেল এবং শাক-সবজিসহ জীবন ধারণের জন্য নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস পত্রের দাম বেড়েই চলছে। সরকারের কোন পদক্ষেপ লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। টিসিবি'র মাধ্যমে কম দামে যে সকলখাদ্য দ্রব্য বিক্রয় করা হত, তার দামও বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। করোনার বিস্তাররোধে সরকারের আমদানীকৃত টিকার এখনো দেখা মিলছেনা। সীমিত পরিসরে সমাজের সুবিধা ভোগীরা করোনার টিকা পাচ্ছে, কিন্তু ব্যাপক জনগোষ্ঠীকে টিকা দানের আওতায় আনা সম্ভব হচ্ছেনা।

এই মর্মে নেতৃবৃন্দ আরো উদ্বেগ প্রকাশ করছেন যে, করোনা আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা ব্যয় এখন আকাশচুম্বী। সংকটময় ও আতঙ্কময় পরিস্থিতে হাসপাতালগুলো কসাইখানায় পরিণত হয়েছে। করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসার নামে সেখানে রোগীদের ও স্বজনদের সর্বশান্ত করা হচ্ছে। আইসিইউ তে রোগীকে নিতে পারলে কোন কথাই নেই। প্রতিদিন হাজার থেকে ২ লাখ টাকা পর্যন্ত চিকিৎসা ব্যয় চাপিয়ে দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট ওষুধের দাম নাগালের বাইরে।

১ বছর সময় কালের মধ্যে আইসিইউ এর সংখ্যা বাড়াতে সরকারের কোন কার্যকর উদ্দ্যোগ বা ম্যাথা ব্যথা নেই। বসুন্ধারা কনভেনশন সেন্টারে পার্শে সরকারী অর্থ ব্যয়ে গত বছর যে বিশাল আকারের অস্থায়ী হাসপাতাল তৈরি করা হয়েছিল তা করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসায় কোন কাজে আসে নাই। বরং জনগণের বিশাল অংকের অর্থের অপচয় হয়েছে। ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মহাখালীস্থ এক স্থাপনাকে আবারো বিশাল অংকের টাকা ব্যয়ে হাসপাতাল বানানো হচ্ছে। এইভাবে একটার পর একটা হাসপাতাল বানানো হচ্ছে কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হচ্ছেনা।

কোভিড ১৯ আক্রান্তদের চিকিৎসার নামে এক শ্রেণীর সরকার ঘনিষ্ঠ অসাধু তাবেদাররা রাতারাতি শত কোটির টাকার মালিক বনে যাচ্ছে। সরকারের উদাসীনতা ও অব্যবস্থাপনা দূর্নীতিকে প্রশ্রয় দান এবং দক্ষতা ও জবাবদিহিতার অভাবে করোনা আক্রান্ত পরিস্থতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে এবং চিকিৎসা ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়ছে। সরকারের একের পর এক সিদ্ধান্তহীনতার কারণে করোনা পরিস্থিতি ভয়াবাহ রূপ ধারণ করেছে ।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - জাতীয়