a
ফাইল ছবি: তারেক জিয়া
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সহায়তার জন্য দলের সব স্তরের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
বুধবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্ট্যাটাসে তিনি এই আহ্বান জানান।
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, বিধ্বংসী আকস্মিক বন্যা বাংলাদেশের পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চলের চারটি জেলায় আঘাত হেনেছে, যার ফলে লক্ষাধিক লোক অসংখ্য গ্রামে পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন। সরকারকে অনুরোধ করছি- এসব জেলায় পরিবার, জীবিকা ও সম্পত্তি রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে। পাশাপাশি বিএনপি’র সকল স্তরের নেতাকর্মীদেরকে আশ্রয়, খাদ্য ও রসদ, মানবিক ত্রাণসহ ক্ষতিগ্রস্থ মানুষদের সহায়তা করার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি।
তিনি বলেন, আমাদের সবসময় মানবতাকেই সমুন্নত রাখতে হবে এবং এই সংকটের সময়ে দলমত নির্বিশেষে একে অপরের পাশে দাঁড়াতে হবে। সূত্র: ইত্তেফাক
রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায়: জন কেরি
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের জলবায়ুবিষয়ক বিশেষ দূত ও দেশটির সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি বলেছেন, রোহিঙ্গাদের দায়িত্ব শুধু বাংলাদেশের নয়, এই দায়িত্ব জাতিসংঘকেও নিতে হবে। সবারই এই ইস্যুতে ভূমিকা রাখতে হবে।
আজ শুক্রবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।
এর আগে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনের সঙ্গে বৈঠক করেন জন কেরি। বৈঠক শেষে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের উত্তরে জন কেরি বলেন, বাংলাদেশ সরকার রোহিঙ্গাদের ব্যাপারে খুব সদয়।
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছে। এজন্য বাংলাদেশ সরকারকে ধন্যবাদ।
ফাইল ছবি: মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পু
দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হচ্ছেন সাবেক জেলা দায়রা জজ ও দুদকের সাবেক কমিশনার মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পু। প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা দলীয় প্রার্থী হিসেবে তার নাম চূড়ান্ত করেছেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
ওই সূত্র জানায়, আজ রবিবার দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের নির্বাচন কমিশনে দলীয় প্রার্থী হিসেবে সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর নাম দাখিল করেছেন। বিএনপি, জাতীয় পার্টসহ অন্য কোন দল থেকে প্রার্থী দেয়া না হলে সাহাবুদ্দিনই পরবর্তী প্রেসিডেন্ট বলা যায়।
মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর জন্ম ১৯৪৯ সালে পাবনা জেলা। তিনি ছাত্রজীবনে পাবনা জেলা ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী ও সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। তিনি ১৯৮২ সালে বিসিএস (বিচার) ক্যাডার হিসেবে যোগ দেন। বিচারকের বিভিন্ন পদে চাকরি শেষে ২৫ বছর পর ২০০৬ সালে জেলা ও দায়রা জজ হিসেবে অবসর নেন।
মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পু ২০১১ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।