a রাষ্ট্রপতি বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবসে বাণী দিয়েছেন
ঢাকা মঙ্গলবার, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২, ১৭ ফেরুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

রাষ্ট্রপতি বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবসে বাণী দিয়েছেন


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
শনিবার, ১২ জুন, ২০২১, ১১:২৭
রাষ্ট্রপতি বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবসে বাণী দিয়েছেন

ফাইল ছবি

রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ শনিবার ( ১২ জুন) বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষ্যে বাণী প্রদান করেছেন: মহামান্য রাষ্ট্রপতি বলেন-
“বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও ‘বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস’ পালনের উদ্যোগকে আমি স্বাগত জানাই। এ বছর বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবসের প্রতিপাদ্য ‘মুজিববর্ষের আহ্বান, শিশুশ্রমের অবসান’ যথার্থ হয়েছে বলে আমি মনে করি। জাতিসংঘ ২০২১ সালকে ‘আন্তর্জাতিক শিশুশ্রম নিরসন বছর’ হিসেবে ঘোষণা করায় এ বছরের ‘বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস’ উদযাপন বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।

শিশুশ্রম একটি জাতীয় সমস্যা। উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে হলে শিশুর সার্বিক কল্যাণ নিশ্চত করে তাদের সুযোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার কোনো বিকল্প নেই। আর সেজন্যই শিশুশ্রম নির্মূল করে বাধ্যতামূলক শিক্ষাপ্রদানের মাধ্যমে শিশুর যথাযথ বিকাশ নিশ্চিত করতে হবে। বাংলাদেশ এ বছর স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শততম জন্মবার্ষিকী উদযাপন করছে। তাই শিশুদের সার্বিক বিকাশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে যথাযথ কর্মসূচি গ্রহণ করার এখনই সময়। সরকার এসডিজি-বাস্তবায়নের মাধ্যমে ২০২১ সালের মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম-নিরসন এবং ২০২৫ সালের মধ্যে দেশকে সকল ধরনের শিশুশ্রম হতে মুক্ত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। সরকার শিশুশ্রম-নিরসনে জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে অঙ্গীকারবদ্ধ।
 
বাংলাদেশ জাতিসংঘের শিশু অধিকার সনদ ও ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রমবিষয়ক আইএলও-কনভেনশন অনুসমর্থনকারী দেশ। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিবিষয়ক এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য শিশুশ্রম-নিরসনকে অন্যতম সূচক হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। বিষয়টি United Nations Periodical Review (UPR), European Union এর সাথে প্রণীত National Action Plan on Labour Sector of Bangladesh এ এজেণ্ডাভুক্ত আছে। শিশুশ্রম নিরসনে ২০১০ সালে ‘জাতীয় শিশুশ্রম-নিরসন নীতিমালা’ প্রণয়ন করা হয়েছে। এ নীতিমালা-বাস্তবায়নে জাতীয় কর্মপরিকল্পনা তৈরি ও শিশুদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ কাজের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। শিশুশ্রম-নির্মূলে জাতীয়, বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলাপর্যায়ে কমিটিগঠনের মাধ্যমে চারস্তরবিশিষ্ট প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো প্রস্তুত করা হয়েছে। এছাড়া এ বছর ৬টিসহ এ পর্যন্ত মোট ৮টি শিল্পখাতকে শিশুশ্রমমুক্ত করা হয়েছে। আমি আশা করি, সকলের আন্তরিক প্রচেষ্টায় সকল প্রাতিষ্ঠানিক ও অপ্রাতিষ্ঠানিক সেক্টরকে শিশুশ্রমমুক্ত করার মাধ্যমে বাংলাদেশকে শিশুশ্রমের অভিশাপ থেকে মুক্ত করা সম্ভব হবে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

রাষ্ট্র পরিচালনায় শ্রমিকের নেতৃত্ব ও অংশীদারিত্ব অনিবার্য: বাংলাদেশ কংগ্রেস


সাইফুল আলম, বিশেষ প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বৃহস্পতিবার, ০১ মে, ২০২৫, ০৭:৩৬
রাষ্ট্র পরিচালনায় শ্রমিকের নেতৃত্ব ও অংশীদারিত্ব অনিবার্য: বাংলাদেশ কংগ্রেস

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

 

সাইফুল আলম, ঢাকা:  বাংলাদেশ কংগ্রেসের চেয়ারম্যান এ্যাড. কাজি রেজাউল হোসেন বলেন, মাথার ঘাম পায়ে ফেলে শ্রমিকসমাজ দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখেন। জাতীয় সমৃদ্ধি অর্জনে সীমাহীন ত্যাগ স্বীকার করেন হাসিমুখে। কিন্তু মালিক পক্ষ শ্রমিকের ন্যায্য মজুরী,মর্যাদা, স্বাস্থ্য সুরক্ষার ব্যাপারে উদাসীন। ঘন্টার পর ঘন্টা মৃত্যু ঝুঁকি নিয়ে কঠোর পরিশ্রম করলেও শ্রমিকের জীবদ্দশায় স্বচ্ছলতা আসেনা। বরং অপুষ্টির শিকার হয়ে তিলে তিলে ক্ষয়ে যান। শ্রমিকের অধিকার ও মর্যাদা ভুলুন্ঠিত করে কোন রাষ্ট্র,জাতি টিকে থাকতে পারে না। মানব সভ্যতা হুমকির মুখে পড়বে। মেহনতি জনতাই রাষ্ট্রের মূল মালিক। তাদের ঘামে গড়ে উঠেছে আকাশছোঁয়া প্রাসাদ। জাতির স্বার্থে শ্রমিকের কল্যাণ,মানবিক কর্মপরিবেশ, ক্ষমতায়ন ও নেতৃত্বের বিকাশ অতীব জরুরি।

আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (১ মে) সকাল ১১ টায় রাজধানীর বাংলামটর মোড়ে অনুষ্ঠিত এক শ্রমিক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। শুভেচ্ছা বক্তব্যে মহাসচিব এ্যাড. ইয়ারুল ইসলাম বলেন, শ্রমিক কারো দাস  নয়। উন্নয়ন ও অগ্রগতির অংশীদার। অভারটাইমের নামে শোষণ ও দাস প্রথা বন্ধ, প্রত্যেক জেলায় শ্রম আদালত প্রতিষ্ঠা,আইএলও কনভেনশন অনুসরণ, ট্রেড ইউনিয়ন কার্যকর ও সময়োপযোগী শ্রম আইন প্রণয়ন,শ্রমিকের জন্য রেশনিং ব্যবস্থা,স্বতন্ত্র হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার প্রতি গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

সেলিম রেজা বাচ্চুর সঞ্চালনায়  বক্তব্য রাখেন যুগ্ম-মহাসচিব এ্যাড. মিজানুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল মোর্শেদ, অর্থ সম্পাদক প্রভাষক মোস্তফা আনোয়ার রিপন,দপ্তর সম্পাদক তুষার রহমানসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।

বক্তব্য শেষে বাংলামোটর মোড় থেকে শোভাযাত্রা শুরু হয়ে কারওয়ান বাজার মোড় প্রদক্ষিণ করে পুনরায় বাংলামটর মোড়ে এসে এসে শেষ হয়। সমাবেশের শুরুতেই কোরআন তেলাওয়াত, নিহত শ্রমিকদের স্মরণে ১ মিনিট নিরবতা পালন করা হয়েছে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

আজ থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার আবেদন শুরু


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন:
সোমবার, ০৮ মার্চ, ২০২১, ০৯:৫২
আজ থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার আবেদন শুরু

ফাইল ফটো:ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস

২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের অনলাইন ভর্তি আবেদন আজ সোমবার (৮ মার্চ) থেকে শুরু হচ্ছে। যা চলবে আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত। 

আজ বিকাল ৫টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আখতারুজ্জামান উপস্থিত থেকে বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ভর্তি অফিসে অনলাইন ভর্তি আবেদন গ্রহণ প্রক্রিয়া উদ্বোধন করবেন। ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা বিকাল ৫টা থেকে ৩১ মার্চ রাত ১১ টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত https://admission.eis.du.ac.bd ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।

এ বছর মোট পাঁচটি ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। সেগুলো হল: ক-ইউনিট, খ-ইউনিট, গ-ইউনিট, ঘ-ইউনিট এবং চ ইউনিট।
ক-ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ২১ মে, খ-ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ২২ মে, গ-ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ২৭ মে, ঘ-ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ২৮ মে এবং চ-ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা (সাধারণ জ্ঞান) ৫ জুন অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিটি ইউনিটের পরীক্ষা ঢাকাসহ আটটি বিভাগীয় শহরে সকাল ১১ টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে।

ভর্তিচ্ছু আবেদনকারীদের ন্যূনতম যোগ্যতা হিসেবে ‘ক’ ইউনিটের জন্য মাধ্যমিক ও সমমান এবং উচ্চ মাধ্যমিক ও সমমান পরীক্ষায় (৪র্থ বিষয়সহ) প্রাপ্ত জিপিএ-দ্বয়ের যোগফল ন্যূনতম ৮.৫ (আলাদাভাবে জিপিএ ৩.৫), ‘খ’ ইউনিটের জন্য জিপিএ-দ্বয়ের যোগফল ন্যূনতম ৮.০ (আলাদাভাবে ৩.০), ‘গ’ ইউনিটের জন্য জিপিএ-দ্বয়ের যোগফল ন্যূনতম ৮.০ ( আলাদাভাবে ৩.৫), ‘ঘ’ ইউনিটের জন্য মানবিক শাখার ক্ষেত্রে জিপিএ-দ্বয়ের যোগফল ন্যূনতম ৮.০ (আলাদাভাবে ৩.০) ও বিজ্ঞান শাখার ক্ষেত্রে জিপিএ-দ্বয়ের যোগফল ন্যূনতম ৮.৫ (আলাদাভাবে ৩.৫) এবং ‘চ’ ইউনিটের জন্য জিপিএ-দ্বয়ের যোগফল ন্যূনতম ৭.০ (আলাদাভাবে জিপিএ ৩.০) থাকতে হবে।  

পরীক্ষার মানববণ্ঠন: 
‘ক’, ‘খ’, ‘গ’ ও ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় ৬০ নম্বরের এমসিকিউ এবং ৪০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হবে। শুধুমাত্র ‘চ’ ইউনিটের পরীক্ষায় ৪০ নম্বরের এমসিকিউ এবং ৬০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা নেওয় হবে। ‘ক’, ‘খ’, ‘গ’ ও ‘ঘ’ ইউনিটের এমসিকিউ পরীক্ষার জন্য ৪৫ মিনিট এবং লিখিত পরীক্ষার জন্য ৪৫ মিনিট সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। ‘চ’ ইউনিটের এমসিকিউ পরীক্ষার জন্য ৩০ মিনিট এবং লিখিত পরীক্ষার জন্য ৪৫ মিনিট সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / এম কে আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - জাতীয়