a
ফাইল ছবি
বিদ্যুৎহীন রাজধানীর অনেক এলাকায় সোমবার রাতে সড়কবাতি বন্ধ থাকায় দুর্ভোগে পড়েছে সাধারণ মানুষ।
ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাব পড়েছে রাজধানীতেও। ঝড়ো হাওয়া, গাছ ভেঙে পড়া এবং বৃষ্টিতে কারিগরি ত্রুটি দেখা দেওয়া ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বিঘ্নিত হয়েছে। মিরপুর, মোহাম্মদপুর, খিলগাঁও, সবুজবাগ, শ্যামপুর, মগবাজার, উত্তরাসহ নগরীর বিভিন্ন জায়গার বিদ্যুৎ না থাকায় ভোগান্তিতে পড়েছেন রাজধানীবাসী।
ঢাকা বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানির (ডিপিডিসি) সূত্রে জানা গেছে, রাজধানীর উলন গ্রিড বন্ধ রয়েছে। ফলে আশেপাশের একটা বড় অংশে বিদ্যুৎ সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এ ছাড়া খিলগাঁও, মোহাম্মদপুর, শ্যামপুর, বাসাবোসহ অনেক এলাকায় গাছ পড়ে ও ঝড়ো বাতাসে লাইন বিচ্ছিন্ন হয়ে বিদ্যুৎ বিতরণ বন্ধ হয়ে গেছে।
ঢাকা ইলেক্ট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানির (ডেসকো) সূত্র বলছে, গাছের ডাল পড়ে আর বাতাসে লাইন ছিড়ে উত্তরখান, মিরপুরের বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বিঘ্নিত হচ্ছে। বৃষ্টিতে অনেক এলাকায় শট সার্কিট হয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে।
সরবরাহ স্বাভাবিক করতে বিভিন্ন টিম মাঠে কাজ করছে বলে জানিয়েছে ডিপিডিসি ও ডেসকো। সূত্র: সমকাল
ফাইল ছবি
আগামী ৭ আগস্ট থেকে শুরু হচ্ছে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকাদান কর্মসূচি। এদিন থেকে শুরু করে পরবর্তী ছয়দিনে এক কোটি মানুষকে এ টিকাদান কর্মসূচির আওতায় আনা হবে। আজ রবিবার (১ আগস্ট) স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
মন্ত্রণালয় জানায়, আগামী ৭ আগস্ট থেকে শুরু হয়ে টিকাদান ক্যাম্পেইন চলবে ১২ আগস্ট পর্যন্ত। এই সময়জুড়ে এক কোটি মানুষকে টিকা দেওয়া হবে। তবে ঢাকার সব জেলাসহ রাজধানীতে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার দ্বিতীয় ডোজ টিকা কার্যক্রম শুরু হচ্ছে আগামীকাল (সোমবার)।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, যাদের দ্বিতীয় ডোজের টিকা বাকি আছে টিকাদান ক্যাম্পেইন চলাকালে এসএমএস না এলেও তারা দ্বিতীয় ডোজের টিকা দিতে পারবেন। এছাড়াও বয়ষ্কদের টিকা নিতে নিবন্ধন লাগবে না।
উল্লেখ্য, দেশে গত ৭ ফেব্রুয়ারি করোনাভাইরাসের টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়। শুরুতে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা উদ্ভাবিত ও ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটে তৈরি কোভিশিল্ড দিয়ে এ কর্মসূচি শুরু হলেও ভারত সরকারের নিষেধাজ্ঞায় পরে এ টিকার সংকট পড়ে দেশে। সেই থেকে ২৭ জুলাই পর্যন্ত এ টিকার প্রথম ডোজ নিয়ে দ্বিতীয় ডোজের অপেক্ষায় রয়েছেন প্রায় সাড়ে ১৪ লাখ মানুষ। সূত্র: ইত্তেফাক
করোনাভাইরাস
গত ২৪ ঘন্টায় করোনাভাইরাসে মৃত্যু হয়েছে ৩১ জন। এ নিয়ে করোনাভাইরাসে দেশে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ১২ হাজার ৭৬ জন।
এদিকে, গত ২৪ ঘন্টায় করোনাভাইরাসে শনাক্ত হয়েছে ১২৯০ জন। এ নিয়ে দেশে মোট করোনাভাইরাসে শনাক্তের সংখ্যা ৭ লাখ ৭৮ হাজার ৬৮৭ জন।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে আরও জানানো হয়, গত ১ দিনে বাসা ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও ১৩৭০ জন করোনারোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মোট ৭ লাখ ১৯ হাজার ৬১৯ জন।