a গাজীপুর সিটি মেয়র জাহাঙ্গীরকে শোকজ
ঢাকা রবিবার, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২, ১৫ ফেরুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

গাজীপুর সিটি মেয়র জাহাঙ্গীরকে শোকজ


এমএস. প্রতিদিন ডেস্ক::
রবিবার, ০৩ অক্টোবর, ২০২১, ০১:৪৪
গাজীপুর সিটি মেয়র জাহাঙ্গীরকে শোকজ

ফাইল ছবি

আওয়ামী লীগের স্বার্থ পরিপন্থী কর্মকাণ্ড ও সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে গাজীপুর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সিটি মেয়র জাহাঙ্গীর আলম সরকারকে শোকজ করেছে আওয়ামী লীগ। 

দলের দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া বাংলাদেশ গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের স্বাক্ষরিত চিঠিতে ১৫ দিনের মধ্যে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। সূত্র: বিডি প্রতিদিন

বিস্তারিত পরে আসবে....  

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আইনের শাসন যে কোন সমাজে টেকসই শান্তি ও উন্নতির জন্য অপরিহার্য


কর্নেল আকরাম, কলাম লেখক, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
রবিবার, ০৯ ফেরুয়ারী, ২০২৫, ০৯:৩৮
আইনের শাসন যে কোন সমাজে টেকসই শান্তি ও উন্নতির জন্য অপরিহার্য

ছবি সংগৃহীত


আইনের শাসন যে কোনো সমাজে টেকসই শান্তি ও উন্নতির জন্য অত্যন্ত অপরিহার্য ও গুরুত্বপূর্ণ। আইন সবকিছুর ঊর্ধ্বে এবং আইনের শাসনের মূল উদ্দেশ্য হলো দেশে আইনশৃঙ্খলা নিশ্চিত করা ও ন্যায়বিচারের মাধ্যমে সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা। সুশাসন ও সৎ বিচারব্যবস্থা ছাড়া আইনের শাসন বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এ ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি একটি পূর্বশর্ত। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে, ব্রিটিশ শাসনকাল ছাড়া উপমহাদেশের ইতিহাসে আমরা কখনো প্রকৃত অর্থে আইনের শাসনের অভিজ্ঞতা পাইনি।  

আজকের বিশ্বে আইনের শাসনকে সমাজ শাসনের একটি কাঙ্ক্ষিত বৈশিষ্ট্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়। বিখ্যাত ব্রিটিশ আইনজ্ঞ এ. ভি. ডাইসি ‘আইনের শাসন’-এর প্রবক্তা। তিনি সমাজে শৃঙ্খলা ও টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য আইনের গুরুত্বকে বিশেষভাবে তুলে ধরেছেন। আইনের শাসনের তিনটি মূলনীতি হলো—  
১. আইনকে স্বেচ্ছাচারীভাবে ব্যবহার করা যাবে না।  
২. প্রতিটি নাগরিক আইনের চোখে সমান।  
৩. নাগরিকদের অধিকার সংবিধানে নিশ্চিত থাকতে হবে।  

কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নয়, তার সামাজিক অবস্থান বা ক্ষমতা যাই হোক না কেন। "আপনি যত উচ্চ পদেই থাকুন না কেন, আইন আপনার ঊর্ধ্বে"—এই নীতিই আইনের শাসনের মূল আদর্শ।  

স্বাধীন বিচারব্যবস্থা ও চ্যালেঞ্জসমূহ:
একটি স্বাধীন ও কার্যকর বিচারব্যবস্থা আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য অত্যন্ত জরুরি। তবে এটি বাস্তবায়ন করা কঠিন এবং সময়সাপেক্ষ কাজ। যেহেতু পুরো বিষয়টি জটিল, তাই তড়িঘড়ি কোনো সিদ্ধান্ত নিলে সুফল আসবে না। এ কাজে যথাযথ জ্ঞান ও অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের যুক্ত করতে হবে। প্রয়োজনে বিদেশি বিশেষজ্ঞদের সহায়তা নিতেও কুণ্ঠাবোধ করা উচিত নয়, কারণ দক্ষ ও পেশাদার ব্যক্তিদের ছাড়া বিচারব্যবস্থার সংস্কার সম্ভব নয়।  

একটি কার্যকর বিচারব্যবস্থা গঠনে নতুন বিচারকদের নির্বাচন, নিয়োগ ও প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। এটি একদিনের মধ্যে সম্ভব নয়, তবে দেরি না করে অবিলম্বে কাজ শুরু করা উচিত।  

বর্তমান বিচারব্যবস্থার দুর্বলতা:
বর্তমান বিচারব্যবস্থা সমাজে প্রকৃত অর্থে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম নয়। এটি একটি ফ্যাসিবাদী সরকারকে সুবিধা দিতে গঠিত হয়েছে, জনগণের কল্যাণে নয়। তাই পুরো বিচারব্যবস্থা পুনর্গঠন করা প্রয়োজন। যদিও বিচারকগণ বিচারব্যবস্থার মূল চালিকাশক্তি, তবে আইনজীবীদের ভূমিকাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। বিচারব্যবস্থা শুধু বিচারকদের নিয়ে গঠিত নয়, আইনজীবীরাও এর অংশ। আইনজীবীদের মানুষের কল্যাণে কাজ করার মানসিকতা ও উৎসাহ সৃষ্টি করতে হবে।  

আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার পুরোপুরি নির্ভর করে বিচারক ও আইনজীবীদের সততা ও পেশাদারিত্বের ওপর। যদি এই দুই সম্প্রদায়ের কোনো একটি দুর্নীতিগ্রস্ত হয় বা পেশাগতভাবে অযোগ্য হয়, তাহলে সমাজে আইনের শাসন কার্যকর করা অসম্ভব হয়ে পড়বে।  

তদন্ত ও অপরাধ বিচার ব্যবস্থায় সংস্কার:
অপরাধ তদন্তের ক্ষেত্রে পুলিশ প্রশাসনেরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। অপরাধ তদন্ত কর্মকর্তাদের অবশ্যই সৎ, দক্ষ ও দায়িত্বশীল হতে হবে। অপরাধ দমন ও অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত করতে পুলিশের কার্যকর ভূমিকা অত্যন্ত জরুরি।  

এ ছাড়াও, সমাজের দায়িত্বও কম নয়। জনগণের সমর্থন ও সহযোগিতা ছাড়া আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয়। কীভাবে সাধারণ মানুষ এই সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে সহযোগিতা করতে পারে, তা নিয়ে সচেতনতা তৈরি করা জরুরি। নৈতিক শিক্ষার উন্নয়ন জনগণের চারিত্রিক পরিবর্তন আনতে পারে, যা এই লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।  

অর্থনৈতিক সংস্কার ও সামাজিক উন্নয়ন:
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—গরিব জনগণের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করা। অন্যথায় কোনো সংস্কারই টেকসই ফল আনবে না। বেশিরভাগ অপরাধ দারিদ্র্যের কারণে সংঘটিত হয়, তাই মানুষের জীবনমান উন্নয়নে জরুরি অর্থনৈতিক সংস্কার প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলক যাকাত ব্যবস্থা গরিব মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে কার্যকর উপায় হতে পারে।  

গণমাধ্যমের ভূমিকা:
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় গণমাধ্যমের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গণমাধ্যম যদি সঠিকভাবে কাজ করে, তাহলে বিচারব্যবস্থা সংস্কার সহজ হবে। তারা একদিকে সমাজকে সচেতন করতে পারে, অন্যদিকে বিচারব্যবস্থার পর্যবেক্ষক হিসেবেও কাজ করতে পারে।  

আইনের শাসনকে একটি সামাজিক আন্দোলন হিসেবে গড়ে তুলতে হবে এবং সাধারণ জনগণের মধ্যে এর গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করতে হবে। সুশাসন ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা অপরিহার্য, তবে শুধু বিচার বিভাগের স্বাধীনতা যথেষ্ট নয়। সমগ্র সমাজকে এই আন্দোলনে অংশ নিতে হবে, তবেই টেকসই শান্তি ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

 

লেখক: অধ্যাপক কর্ণেল আকরাম
সম্পাদক, মিলিটারি হিস্টোরি জার্নাল

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

মিথ্যা মামলা, শারীরিক নির্যাতন ও ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে চার কোটি টাকা আদায়ের অভিযোগ


সাইফুল আলম, বিশেষ প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
মঙ্গলবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৫, ০৪:২২
মিথ্যা মামলা, শারীরিক নির্যাতন ও ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে চার কোটি টাকা আদায়ের অভিযোগ

ছবি: ‍মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

 

সাইফুল আলম, ঢাকা: পুলিশ কর্তৃক হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলা, শারীরিক নির্যাতন করে মিথ্যা স্বীকারোক্তিমূলক ভিডিও ধারণ ও ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে টাকা নেওয়ার অভিযোগ করে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন 'মেডিকো’র প্রতিষ্ঠাতা ডা. মো. জোবায়দুর রহমান জনি।

আজ মঙ্গলবার (১৫ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচাস্থ ঢাকা রিপোর্টারস ইউনিটিতে (ডিআরইউ) নিজেকে নির্দোষ দাবি করে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন ‘মেডিকো’র প্রতিষ্ঠাতা ডা. মো. জোবায়দুর রহমান জনি। তিনি বলেন, পরিবারের ভয় এবং স্ত্রী সন্তানদের ‘ক্রসফায়ারের ভয়’ দেখিয়ে চার কোটি টাকা আদায় করা হয় তার কাছ থেকে। 

ডা. মো. জোবায়দুর রহমান বলেন, শুরুতেই আমি আমার সকল প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকবৃন্দ, রাজনৈতিক সহকর্মীবৃন্দ, শুভাকাংখী, আত্মীয়-স্বজনসহ যারা ২০২৩ সালের আগস্ট মাসে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস সংক্রান্ত বিষয়ে আমাকে নিয়ে বিব্রত হয়েছিলেন তাদের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি। আপনাদের অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে, আজকে ১৫ এপ্রিল মঙ্গলবার কতিপয় পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেছি। 

এরপর কান্না জড়িত কন্ঠে তিনি বলেন, ২০২৩ সালের ২ আগস্ট। সকাল সাড়ে ৬টার দিকে রাজধানীর শান্তিনগর চামেলীবাগের গ্রিন পিস অ্যাপার্টমেন্টের একটি ফ্ল্যাটে তৎকালীন সিআইডির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জুয়েল চাকমার নেতৃত্বে ৭/৮ জন পুলিশ প্রবেশ করেন। ঘুমন্ত অবস্থায় ওই বাসা থেকে দেশের অন্যতম মেডিকেল ভর্তি কোচিং প্রতিষ্ঠান ‘মেডিকো’র প্রতিষ্ঠাতা ডা. মো. জোবায়দুর রহমান জনিকে তুলে নিয়ে যায় সিআইডির সদস্যরা। সেসময় জনির বিরুদ্ধে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ আনে সিআইডি।

এখানেই শেষ নয়, ডা. মো. জোবায়দুর রহমান জনিকে সিআইডি হেডকোয়ার্টারে নিয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জুয়েল চাকমার নেতৃত্বে বেধড়ক মারধর করা হয়। আটকের ২৯ ঘণ্টা পর আদালতে সোপর্দ করা হয় জনিকে। এরপর রিমান্ডের নামে জনির স্ত্রীকে তার স্বামীকে ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে সিআইডির কর্মকর্তারা হাতিয়ে নেয় ৪ কোটি টাকা। টাকা পরিশোধ করতে ভুক্তভোগীর পরিবারকে গাড়ি, ফ্ল্যাট ও জমি বিক্রি করতে বাধ্য করেছিলেন সিআইডির কর্মকর্তারা।

কোন ধরনের সঠিক তদন্ত ছাড়াই গ্রেফতারের প্রমাণ :
[১] সম্পূর্ণ ভুল তথ্য নিয়ে বাসা থেকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে : তারা বাসায় এসে বলেছে আমি ডাক্তার না, আমার ওয়াইফ ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে পাশ করা, এমনকি শুরু দিকে তারা আমার নামটিও সঠিকভাবে যাচাই করে নাই ।
[২] তারা বলেছে ২০০৬ সাল থেকে মেডিকো ফুলে ফেঁপে উঠেছে, অথচ মেডিকো শুরু হয় ২০১১/১২ সাল থেকে । প্রয়োজনে ট্রেড লাইসেন্স চেক করুন।
[৩] আমার নামে কোন জিডি নাই, কোন মামলা নাই, মূল মামলার এজাহারে আমার নাম নাই, কোন নিউজ নাই। হঠাৎ কিভাবে দাগী আসামী হয়ে গেলাম যে বাসায় অভিযান চালাতে হবে? শুধুমাত্র আমার পরিবারকে ভয় দেখানোর জন্য অস্ত্রসহ অভিযানের নাটক করা হয়েছিলো ।
[৪] আমি এভেলেইভেল থাকা সত্যেও আজ পর্যন্ত কোনদিন জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়নি, এমন না যে লুকিয়ে ছিলাম, বাসা থেকে সিআইডি অফিসে যেতে দুই মি. লাগে ৷
শারীরিক নির্যাতনের প্রমাণ :
[১] আমাকে দুই ঘন্টা যাবৎ শারীরিক নির্যাতন করা হয়েছে, ফ্লোরে ফেলে পিটানো হয়েছে, ইলেকট্রিক শক দেওয়া হয়েছে [২] কারাবাসের সম্পূর্ণ সময় ৪৩ দিন কারা হাসপাতালে ভর্তি থেকে চিকিৎসা নিতে হয়েছে, ঠিকভাবে হাঁটতে পারতাম না
[৩] রিমান্ডে থাকা অবস্থায় ৩য় দিনে অসুস্থ অবস্থায় রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছি
[৪] জামিনের পরে পপুলার হাসপাতাল ধানমন্ডিতে থেকে চিকিৎসা নিয়েছি
টাকা নেওয়ার প্রমাণ :
[১] রিমান্ডে নিয়ে আরও নির্যাতনের ভয় দেখায়, আরও মামলা দিবে, আমার ওয়াইফকে এরেস্ট করবে, মেডিকো সীলগালা করে দিবে- এগুলো বলে টাকা আদায় করেছে। ৪ আগস্ট ২০২৩ তারিখ শুক্রবার রাত ৮টা থেকে ১০টা মালিবাগের স্কাই সিটি হোটেলের সিসি টিভি ফুটেজ চেক করেন। আগারগাঁও আইসিটি ভবনের পাশের রাস্তার ভিডিও ফুটেজ চেক করেন।
[২] টাকা নেওয়া সংক্রান্ত একাধিক অডিও রেকর্ড আমার কাছে আছে।
[৩] টাকা ব্যবস্থা করতে গিয়ে আমি যা যা বিক্রি করেছি সেগুলোর তথ্য চাইলে দেওয়া যাবে।

টাকা চেয়ে হুমকি ও অব্যাহত চাপ দেওয়ার প্রমাণ :
[১] ব্যাংক একাউন্ট ফ্রিজ রাখা হয়েছে ৬ মাসের অধিক। পেপারস আছে।
[২] নতুন মামলায় মা, বাবা, স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চিঠি দেওয়া হয়েছে ৩০ জুন ২০২৪ তারিখে।
[৩] প্রতি নিয়ত হোয়াটসঅ্যাপে ফোন দিয়ে হুমকি দেওয়া হয়েছে।

এরপর তিনি কান্না জড়িত কন্ঠে আরো বলেন, আমাকে রাজনৈতিক কারণে গ্রেফতার :
[১] বাসা থেকে তুলে নেওয়ার সময় বলেছে পলিটিক্যাল বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে ছেড়ে দিবে।
[২] চোখ বেঁধে টর্চার শুরুতে বিভিন্ন রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছে এবং গালাগালি করা হয়েছে।
[৩] আমার পরিবারকে বার বার রাজনীতি করা নিয়ে ভয় দেখিয়েছে।
[৪] প্রেস কনফারেন্সে আমার রাজনৈতিক পরিচয় হাইলাইট করে বার বার বলা হয়েছে, প্রেস রিলিজ দেওয়া হয়েছে। ঐ সময়ের ভিডিও ও পত্রিকাগুলো চেক করেন।

[৫] তৎকালীন সিআইডি প্রধান আমার স্ত্রীর সাথে বাজে ব্যবহার করে রুম থেকে বের করে দিয়েছে। তার অভিযোগ যে তোমার হাজবেন্ড রাজনীতি করে, এ বিষয়ে কোন কথা বলা যাবে না ।
নিয়ে নয়? [৬] ২০০৫ সালের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে কেন স্বীকারোক্তি দিতে বাধ্য করা হল? কেন অন্য কোন বছরের পরীক্ষা নিয়ে করা হয়নি? 

এমন সব প্রশ্ন রেখে সর্বশেষে ডা. জোবায়দুর রহমান বলেন, জীবনের ঝুঁকি বিবেচনায় এতদিন অভিযুক্ত সিআইডির সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা করতে পারিনি। ১৫ এপ্রিল আদালতে বিভিন্ন অভিযোগে সিআইডির তৎকালীন কর্মকর্তা বর্তমানে র্যাব-১৪ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জুয়েল চাকমা, সাবেক সিআইডি প্রধান মোহাম্মদ আলী মিয়া, তৎকালীন সিআইডিতে কর্মরত বর্তমানে বরিশাল মেট্রোপলিটনের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মেহেদি হাসান এবং সিআইডির উপ-পরিদর্শক (এসআই) আতিকুর রহমানসহ অজ্ঞাত ৪/৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছি।

সূত্র: কালবেলা

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - রাজনীতি