a
ফাইল ছবি
আওয়ামী লীগের স্বার্থ পরিপন্থী কর্মকাণ্ড ও সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে গাজীপুর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সিটি মেয়র জাহাঙ্গীর আলম সরকারকে শোকজ করেছে আওয়ামী লীগ।
দলের দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া বাংলাদেশ গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের স্বাক্ষরিত চিঠিতে ১৫ দিনের মধ্যে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
বিস্তারিত পরে আসবে....
ফাইল ছবি
জাতীয় পার্টি আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকে সরে যেতে পারে বলে সন্দেহ করছে সরকার। গতকাল সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর এ সন্দেহ প্রকাশ করেছেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
তিনি বলেছেন, জাতীয় পার্টিকে বিশ্বাস করা যায় না। সরকারের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুই মন্ত্রী আজ মঙ্গলবার গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এই দুই মন্ত্রী গতকালের মন্ত্রিসভার বৈঠকে ছিলেন।
দুই মন্ত্রী বলেছেন, মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর অনানুষ্ঠানিক আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী আগামী ৭ জানুয়ারির নির্বাচন নিয়ে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের বেশ কিছু পরামর্শ দেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
ওই দুই মন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর অনানুষ্ঠানিক আলোচনায় আগামী নির্বাচনে জাতীয় পার্টির অংশগ্রহণ নিয়ে কয়েকজন মন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তাঁরা আওয়ামী লীগের ‘স্বতন্ত্র’ প্রার্থীদের বিষয়েও কথা বলেন। স্বতন্ত্র প্রার্থীদের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে যেতে ব্যবস্থা নিতেও তাঁরা প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করেন।
মন্ত্রীদের অনুরোধ নাকচ করে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতীয় পার্টি আগামী নির্বাচনে কী করবে, তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। শেখ হাসিনা আরও বলেন, জাতীয় পার্টি রওশন এরশাদ, তাঁর ছেলে রাহগির আল মাহি এরশাদ (শাদ এরশাদ) ও মসিউর রহমানকে নির্বাচন থেকে সরিয়ে রেখেছে। তারা কখন কী করবে, তার কোনো নিশ্চয়তা নেই।
শেখ হাসিনা আরও বলেন, একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের দিকে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। আর সবাইকে সেদিকেই যেতে হবে। নির্বাচন কারও জন্য অপেক্ষা করবে না। নির্বাচন হবেই।
সাম্প্রতিক সময়ে জাতীয় পার্টি কয়েক দফায় আওয়ামী লীগের সঙ্গে বৈঠক করেছে। ৭ জানুয়ারির ভোটে আসন ভাগাভাগি নিয়েই মূলত সেসব বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।
জাতীয় পার্টির সূত্র বলছে, তারা চায় তাদের চাহিদামতো ৩০ থেকে ৩৫টি আসন থেকে ‘আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থীদের’ সরিয়ে নেওয়া হোক, যাতে জাতীয় পার্টির প্রার্থীরা সহজে জিতে আসতে পারেন।
জাতীয় পার্টির এ চাওয়ার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, ‘সবাইকেই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হবে।’
বৈঠকে উপস্থিত দুই মন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রীকে ‘দলীয় স্বতন্ত্র প্রার্থীদের’ প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে বিরত রাখার অনুরোধ করলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে তাঁর কিছু বলার নেই। সূত্র: প্রথম আলো
ফাইল ছবি
ঢাকায় আগামীকাল শুক্রবার গণমিছিলের অনুমতি পেয়েছে বিএনপি। শর্তসাপেক্ষে এ অনুমতি দিয়েছে ঢাকা মহানগর (ডিএমপি) পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার রাতে বিষয়টি সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন ডিএমপির যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (অপারেশনস) বিপ্লব কুমার সরকার।
তিনি বলেন, বিএনপি গণমিছিলের জন্য ডিএমপি কমিশনার বরাবর আবেদন করেছিল। আবেদনটি যাচাই-বাছাই করে শর্তসাপেক্ষে অনুমতি দেওয়া হয়েছে। দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তিসহ সরকার পতনের এক দফা দাবিতে শুক্রবার রাজধানীতে এই গণমিছিল করবে বিএনপি।
শুক্রবার বিকাল ৩টায় ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণে পৃথক দুটি গণমিছিল অনুষ্ঠিত হবে।
ঢাকা মহানগর দক্ষিণের উদ্যোগে গণমিছিল কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এতে আরও অংশ নেবেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীসহ সিনিয়র নেতারা। গণমিছিলটি দয়াগঞ্জ মোড় থেকে শুরু হয়ে কমলাপুর স্টেডিয়ামে পাশ দিয়ে খিলগাঁও চৌরাস্তায় গিয়ে শেষ হবে।
ঢাকা মহানগর উত্তর আয়োজিত গণমিছিলটি গুলশান-২ নম্বর ডিসিসি মার্কেট সামনে থেকে শুরু হয়ে গুলশান-১ নম্বর গোলচক্বর হয়ে তিতুমীর কলেজের সামনে দিয়ে মহাখালী বাস টার্মিনালে গিয়ে শেষ হবে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। গণমিছিলে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খানসহ সিনিয়র নেতারা উপস্থিত থাকবেন।
অন্যদিকে গণতন্ত্র মঞ্চগণ- বিকাল ৪টা ২০ মিনিট জাতীয় প্রেস ক্লাব সামনে থেকে গণমিছিল শুরু হবে, ১২ দলীয় জোট বিকাল ৪টায় বিজয় নগর পানির ট্যাংক সামনে, জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট-বিকেল ৪টায় পুরানা পল্টন আলরাজী কমপ্লেক্স সামনে থেকে পদযাত্রা শুরু করবে।
এছাড়া এলডিপি বিকাল ৩টা কারওয়ানবাজার এফডিসি সংলগ্ন এলডিপি অফিস সামনে থেকে, গণফোরাম ও পিপলস পার্টি বিকাল ৪টায় মতিঝিল নটরডেম কলেজ উল্টো দিকে গণফোরাম চত্বর সামনে থেকে, গণঅধিকার পরিষদ, বিকাল ৪টা কেন্দ্রীয় কার্যালয় পুরানা পল্টন সামনে থেকে, জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন (এনডিএম) মালিবাগ মোড় বিকাল ৫টা ৩০মিনিট থেকে, লেবার পার্টি বিকাল ৩টায় নয়াপল্টন মসজিদ গলি অফিস সামনে, গণঅধিকার পরিষদ (ডক্টর রেজা কিবরিয়া-ফারুক হাসান) গণস্বাক্ষর কর্মসূচি সকাল ১০টায় রামপুরা ব্রিজ, বিকাল ৪টায় পুরানা পল্টন মোড় থেকে গণস্বাক্ষর ও পদযাত্রা, গণতান্ত্রিক বাম ঐক্য সকাল ১০টায় সেগুনবাগিচা স্কুল থেকে পল্টন মোড় হয়ে প্রেস ক্লাবে সামনে, বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ বিকাল ৪টা শাহবাগ মোড়, সমমনা গণতান্ত্রিক পেশাজীবী জোট সকাল ১০টায় জাতীয় প্রেস ক্লাব সামনে থেকে গণমিছিল শুরু করবে।
এছাড়া সরকার পতনের এক দফা দাবিতে সকাল ১১টায় বিজয়নগরস্থ বিজয়-৭১ চত্বরে (হোটেল ৭১ এর উল্টা পার্শ্বে) বিক্ষোভ সমাবেশ করবে আমার বাংলাদেশ (এবি পার্টি)।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে বিএনপির পক্ষ থেকে এসব তথ্য জানানো হয়। সূত্র: বিডি প্রতিদিন