a
ফাইল ছবি
আওয়ামী লীগের স্বার্থ পরিপন্থী কর্মকাণ্ড ও সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে গাজীপুর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সিটি মেয়র জাহাঙ্গীর আলম সরকারকে শোকজ করেছে আওয়ামী লীগ।
দলের দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া বাংলাদেশ গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের স্বাক্ষরিত চিঠিতে ১৫ দিনের মধ্যে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
বিস্তারিত পরে আসবে....
ফাইল ছবি
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গতকাল সোমবার (১৭ মে) রাতে এক বিবৃতিতে সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে প্রথম আলোর সিনিয়র সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে ৫ ঘন্টা আটক ও পরে তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর এবং সর্বশেষ তার বিরুদ্ধে জিডি করার ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে তার মুক্তির দাবী করেছেন।
বিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিব বলেন, এই ন্যাক্কার জনক ঘটনায় প্রমান হয়, বাংলাদেশে এখন স্বাধীন সাংবাদিকতা এবং তথ্য পাবার কোনো সুযোগ নাই।
বিবৃতিতে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, রোজিনা ইসলাম একজন সিনিয়র সাংবাদিক। তাঁর অনেক অনুসন্ধানী ও সাহসী রিপোর্টে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের বিশেষ করে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অনেক বড় বড় দুর্নীতির খবর জনগণ জানতে পেরেছে। সেজন্য সরকার তাঁর ওপর নজরদারি করছিল বলেই মনে হয়।
পেশাগত কারণে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে গেলে একা পেয়ে তাঁকে অন্যায়ভাবে দীর্ঘ ৫ ঘন্টা আটকে রেখে তার ওপর মানসিক নির্যাতন চালালে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে পুলিশ ডেকে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ এনে তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়া হয়।
এ ঘটনা তুচ্ছ বা বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, কর্তৃত্ববাদী শাসনে সাংবাদিক দলন এবং সরকারের সীমাহীন দুর্নীতির সংবাদ প্রচারে অব্যাহত প্রতিবন্ধকতার একটি উদাহরণ। রোজিনা ইসলামের মতো সাহসী এবং অনুসন্ধানী সাংবাদিকরা যাতে আর সরকারের দুর্ণীতি, লুটপাট, অনিয়ম, স্বেচ্ছাচারিতার সংবাদ প্রকাশ করতে না পারে, এ ঘটনার মাধ্যমে তাদেরকে ভয় দেখানো হচ্ছে বলে মনে হয়।
বিবৃতিতে মীর্জা ফখরুল রোজিনা ইসলামকে মুক্তি, তাঁর বিরুদ্ধে করা জিডি প্রত্যাহার ও তাঁকে আটকে রাখার সাথে জড়িতদের বিচার এবং সাংবাদিক দলন-নিপীড়ন বন্ধ করে স্বাধীন সাংবাদিকতা ও সঠিক তথ্য পাবার অধিকারে সরকারী হস্তক্ষেপ বন্ধের জোর দাবী জানান।
ফাইল ফটো: কাজী হায়াৎ
পরিচালক ও অভিনেতা কাজী হায়াৎ ও তার স্ত্রী দুজনই কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়েছেন। গতকাল বুধবার রাতে তাদের করোনা রিপোর্ট পজিটিভ আসে। তারা দু'জনই বাসায় আইসোলেশনে আছেন।
কাজী হায়াৎ নিজেই বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন। তিনি আরও বলেন, ‘কয়েকদিন আগে হঠাৎ আমার শরীরে জ্বর আসে। প্রথমে ভেবেছিলাম স্বাভাবিক জ্বর। কিন্তু তিনদিন ধরে জ্বর না কমায় আমার স্ত্রীসহ দু'জনই করোনা পরীক্ষা করাই।’
কাজী হায়াৎ বলেন, ‘আমরা দুই জনই গত ২ মার্চ রাজধানীর মগবাজারের একটি হাসপাতাল থেকে করোনার টিকা নিয়েছিলাম।’
এখন হালকা জ্বর অনুভব করলেও দুই জনের মধ্যে কোনো শারীরিক জটিলতা নেই বলে জানিয়েছেন।
তিনি দেশবাসীর নিকট সুস্থতার জন্য দোয়া চেয়ে এই চলচ্চিত্র পরিচালক আরও জানান, ওপেন হার্ট সার্জারি হয়েছিল তার এবং ১০টি রিং পরানো। তার স্ত্রীর হার্টেও ৫টি রিং পরানো আছে।