a জাতীয় মুক্তিদলের জরুরি আলোচনা সভা পুরানা পল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়
ঢাকা রবিবার, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

জাতীয় মুক্তিদলের জরুরি আলোচনা সভা পুরানা পল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়


আরাফাত, বিশেষ প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শনিবার, ০৮ নভেম্বর, ২০২৫, ০২:১৫
জাতীয় মুক্তিদলের জরুরি আলোচনা সভা পুরানা পল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়

ছবিঃ মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

 

আরাফাত, ঢাকা প্রতিনিধিঃ আজ ৮ নভেম্বর শনিবার  বেলা ১২টায়, ১৪ পুরানা পল্টন, কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জাতীয় মুক্তিদলের জরুরি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় মুক্তি দলের মাননীয় চেয়ারম্যান এটিএম মমতাজুল করিমের সভাপতিত্বে আলোচনা সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভাটির সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন সংগঠনের মহাসচিব অধ্যাপক মোহাঃ খোরশেদ আলম।

সভায় জাতীয় মুক্তিদলের চেয়ারম্যান নির্বাচন কমিশনকে বলেন, আপনারা সাহসিকতা ও নিরপেক্ষতার সহিত একটি ফ্রি এন্ড ফেয়ার নির্বাচন সম্পন্নের আয়োজন করুন। জনগণ যাতে আপনাদের প্রতি পুরোপুরি আস্থা রাখতে পারে। তিনি অর্ন্তবর্তী সরকারের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা সাহসিকতার সাথে দায়িত্ব পালন না করায় জনমনে নানান অসন্তোষ দানা বেঁধেছে। বর্তমানে জিনিসপত্র ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে, জনগণ অনেক কষ্টের মাঝে দিনাতিপাত করছে। দেশে নানা-রকম বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছে, সরকারের সেদিকে নজর দিচ্ছেনা। দেশে নানান প্রতিকূলতা সত্ত্বেও নির্বাচন কমিশন সাহসিকতা ও নিরপেক্ষতার সহিত দায়িত্ব পালনে উদাত্ব আহ্বান জানান।

জাতীয় মুক্তিদলের মহাসচিব অধ্যাপক মোহাঃ খোরশেদ আলম বলেন, দেশ আজ মহা-দূর্যোগের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করছে। নির্বাচনের প্রারম্ভে দেশী-বিদেশী নানান মহল নির্বাচনকে বানচাল বা প্রশ্নবিদ্ধ করতে নানামুখী ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, আমরা দেশপ্রেমিক জনগণকে সাথে নিয়ে, বিশেষ করে যারা স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তি তাদের একত্রিত করে সম্মিলিতভাবে  দেশবিরোধী সেসব অপশক্তিকে বিতাড়িত করে সকলে মিলে সুন্দর বাংলাদেশ বিনির্মাণে কাজ করে যাবো।

জাতীয় মুক্তিদলের ভাইস চেয়ারম্যান, বীর মুক্তিযোদ্ধা নজরুল ইসলাম বাঙ্গালি বলেন, ৭১ এর সংবিধান বাদ দিয়ে মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী কোন আইন এ দেশে বাস্তবায়িত হতে দেয়া হবেনা। তিনি আরও বলেন, দেশের সীমানাগুলো আজ অরক্ষিত এবং বন্দরগুলো নিয়েও নানান চক্রান্ত চলছে। অথচ রাজনৈতিক দলগুলো এবং অর্ন্তবর্তী সরকারও এসব নিয়ে কোন মাথা ব্যথা নেই এবং জনগণকেও না জানিয়ে অন্ধকারে রাখার চেষ্টা করছে।

সংগঠনের যুগ্ন মহাসচিব জহিরুল ইসলাম সিরাজ, সাংগঠনিক সচিব মোহাম্মদ উল্লাহ, কেন্দ্রীয় সদস্য ছানাউল্লাহ ও বাংলাদেশ নাগরিক পার্টির সভাপতি মোঃ আমজাদ হোসেন সজল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

খালেদা জিয়াকে টুস করে ফেলে দেওয়ার কথাটি হিউমার: ওবায়দুল কাদের


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
সোমবার, ২৫ জুলাই, ২০২২, ০৮:৩০
খালেদা জিয়াকে টুস করে ফেলে দেওয়ার কথাটি হিউমার: ওবায়দুল কাদের

ফাইল ছবি

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে পদ্মা সেতু থেকে টুস করে ফেলে দেওয়ার কথাটি ছিল হিউমার। তিনি আরও বলেছেন, বিএনপি ঘেরাও করতে এলে চা খাওয়ানোর কথাটিও হিউমার ছিল। আজ সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন।

মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে একজন সাংবাদিক ওবায়দুল কাদেরকে প্রশ্ন করেন, প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বিএনপিকে চা খাওয়ার দাওয়াতের কথা বলে আসলে সংলাপের দরজা খুলতে চাইছেন কি না। জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘দেখুন, এ তো পলিটিক্যাল হিউমার। যেমন বেগম খালেদা জিয়াকে টুপ করে ফেলে দেওয়ার কথাটি হিউমার। তারা (বিএনপি) ঘেরাও করবে, আন্দোলন করবে—এটারই জবাবে হিউমারের দিক থেকে বলেছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপি নেতা মির্জা ফখরুলেরা ঘেরাও করতে এলে চা খাওয়ালে অসুবিধা কী?’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ১৮ মে দলীয় এক সভায় পদ্মা সেতু নিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার অতীত মন্তব্যের সমালোচনা করেন। শেখ হাসিনা বলেন, ‘খালেদা জিয়া বলেছিল, জোড়াতালি দিয়ে পদ্মা সেতু বানাচ্ছে। সেতুতে যে স্প্যানগুলো বসাচ্ছে, এগুলো তার কাছে ছিল জোড়াতালি দেওয়া। বলেছিল, জোড়াতালি দিয়ে পদ্মা সেতু বানাচ্ছে, ওখানে চড়া যাবে না। চড়লে ভেঙে পড়বে। আবার তার সঙ্গে কিছু দোসরেরাও...তাদের এখন কী করা উচিত? পদ্মা সেতুতে নিয়ে গিয়ে ওখান থেকে টুস করে নদীতে ফেলে দেওয়া উচিত।’

গত শনিবার দলীয় আরেক সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানান, বিএনপি যদি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচি দেয়, তাতেও বাধা দেওয়া হবে না। শেখ হাসিনা বলেন, ‘বাংলামোটরে যে বাধা দেওয়া, সেটা সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিয়েছি। আসুক না হেঁটে হেঁটে যত দূর আসতে পারে। কোনো আপত্তি নেই। আমি বসাব, চা খাওয়াব। কথা বলতে চাইলে শুনব।’ সূত্র: প্রথম আলো

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

বেগম খালেদা জিয়া ওমরাহ পালন শেষে বিদেশে চিকিৎসা নিতে যাবেন


স্বাস্থ ডেস্ক: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বৃহস্পতিবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২৪, ০৬:০০
বেগম খালেদা জিয়া ওমরাহ পালন শেষে বিদেশে চিকিৎসা নিতে যাবেন

ফাইল ছবি:বেগম খালেদা জিয়া

 

নিউজ ডেস্ক: বেগম খালেদা জিয়া উন্নত চিকিৎসার জন্য ডিসেম্বরের মাঝামাঝিতে বিদেশে যেতে পারেন। পবিত্র ওমরাহ পালন শেষে প্রথমে যুক্তরাজ্যের লন্ডনে এবং পরে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার কথা রয়েছে। এজন্য যাবতীয় প্রস্তুতিও নেওয়া হচ্ছে। গতকাল ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসে গিয়েছিলেন ‘বায়োমেট্রিক ফিঙ্গার প্রিন্ট’ দেয়ার জন্যে।

বিএনপি চেয়ারপারসনের চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা জানান, উন্নত চিকিৎসার জন্য খালেদা জিয়াকে দু-তিনটি দেশে নেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে। তাকে যুক্তরাষ্ট্রেও নেওয়া হতে পারে। সে জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ১২ অথবা ১৩ ডিসেম্বর তিনি যাত্রা শুরু করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। তার সঙ্গে চিকিৎসকসহ ১৭ জন সফরসঙ্গী থাকবেন। যাওয়ার পথে সৌদি আরবে ওমরাহ পালন করার কথা রয়েছে। সর্বশেষ ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে হজ পালন করেছিলেন তিনি। ইতিপূর্বে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে ওমরাহ করার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছে সৌদি সরকার।

খালেদা জিয়ার চিকিৎসকরা জানান, বর্তমানে বিমানে ভ্রমণের মতো শারীরিক ফিটনেস খালেদা জিয়ার রয়েছে। তবে ঝুঁকি এড়াতে তার সফরে ছয়জন চিকিৎসক থাকবেন। যুক্তরাজ্যের ভিসা ইতোমধ্যে পাওয়া গেছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসার কাজ এখনও শেষ হয়নি।

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - রাজনীতি