a
ছবি: সংগৃহীত
জামায়াত ইসলামী ও তাদের ছাত্র সংগঠন ইসলামী ছাত্রশিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধ করে জারি করা আদেশটি বাতিল করা হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জারি এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রেসিডেন্টের আদেশক্রমে এতে সই করেন জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মোহাম্মদ আবদুল মোমেন।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, যেহেতু বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এবং উহার ছাত্র সংগঠন ইসলামী ছাত্রশিবিরসহ উহার সকল অঙ্গ সংগঠনের সন্ত্রাস ও সহিংসতায় সম্পৃক্ততার সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য নেই এবং যেহেতু সরকার বিশ্বাস করে যে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এবং উহার ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরসহ উহার সকল অঙ্গ সংগঠন সন্ত্রাসী কার্যকলাপের সাথে জড়িত নহে, সেহেতু সরকার, সন্ত্রাস বিরোধী আইন, ২০০৯ এর ধারা ১৮ এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এবং উহার ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরসহ উহার সকল অঙ্গ সংগঠনকে রাজনৈতিক দল ও সংগঠন হিসাবে নিষিদ্ধ ঘোষণা সংক্রান্ত এ বিভাগের বিগত ১৭ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ মোতাবেক ১ আগস্ট ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ তারিখের প্রজ্ঞাপন এস, আর, ও. নং, ২৮১/আইন/২০২৪ এতদ্বারা বাতিল করা হইলো।
উক্ত আইনের তফসিল-২ হইতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এবং উহার ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরসহ উহার সকল অঙ্গ সংগঠন এর তালিকাভুক্তি বাতিল করা হইলো। ইহা অবিলম্বে কার্যকর হইবে। সূত্র: মানবজমিন
ড. হাছান মাহমুদ
যেসব নেতারা নিজের স্বার্থে ইসলামকে ব্যবহার করে, ফতোয়া দেয়, গরম গরম বক্তব্য দেয়, অথচ নিজের জীবন ইসলাম সম্মতভাবে পরিচালনা করে না- এ ধরনের নষ্ট-ভণ্ড নেতৃত্বকে বর্জন করার জন্য মাদ্রাসার শিক্ষক-ছাত্রদের কাছে আহ্বান জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।
আজ দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সমসাময়িক ইস্যু নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
আল্লামা মামুনুল হকের বিষয়ে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘প্রথমত গতকাল আমি অবাক বিস্ময়ে দেখলাম, মূলত দেশ ডিজিটাল হওয়ার কারণেই এটি লাইভ দেখতে পেলাম। একজন নারীসহ হেফাজতের নেতা মামুনুল হককে কিছু মানুষ আটক করেছেন। সেখানে তিনি আল্লাহর কসম খেয়ে বলেছেন, সেই নারী তার বিবাহিত স্ত্রী। যদিও মামুনুল হক তার যে নাম বলেছেন, ওই নারী নিজের ভিন্ন নাম বলেছেন। ওই নারীর বাবার নাম মামুনুল হক যেটা বলেছেন, সেটার সঙ্গেও মিল নেই। এর কিছুক্ষণ পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শুনতে পেলাম মামুনুল হক তার স্ত্রীকে কল দিয়ে বলেছেন, তুমি কিছু মনে করো না, এটা শহীদ ভাইয়ের স্ত্রী।’
ড. হাছান মাহমুদ বলেন, উত্তেজিত জনতা যখন মামুনুল হককে আটক করেছে তখন তিনি আল্লাহর কসম খেয়ে বলছেন, ওই নারী তার স্ত্রী, অপরদিকে বিবাহিত স্ত্রীকে কল দিয়ে তিনি বলছেন, ‘তুমি কিছু মনে করো না, আমি পরিস্থিতির কারণে বলেছি। এ ঘটনাগুলো হেফাজতে ইসলামের নেতাদেরও যারা এদের সমর্থন করেন তাদের কেমন লাগছে জানি না। তবে আমার ভিশন লজ্জা হচ্ছে। আসলে এসব নেতারা মামুনুল হকসহ যারা দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে অপচেষ্টা চালিয়েছেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে যে তাণ্ডব চালিয়েছে। তাদের নেতৃত্ব নষ্ট ও ভণ্ড এটিরই প্রমাণ হচ্ছে গত কালের ঘটনার প্রবাহ।
তিনি আরও বলেন, আমি এসমস্ত কারণে মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অনুরোধ জানাবো এসব নষ্ট ও ভণ্ড নেতৃত্বকে বর্জন করার। মামুনুল হকরা ইসলামের লেবাস পড়ে আসলে কি করছেন সেটিই গতকালকে বেরিয়ে এসেছে। তার ভাষায়, ইসলাম কখনো এগুলো অনুমোদন করে না। তিনি বলেন মামুনুল হক বলেছেন তিনি রিলাক্স করতে গেছেন।
সংগৃহীত ফটো: আহত মমতা বন্দোপাধ্যায়
বুধবার নন্দীগ্রামের রেয়াপাড়ায় একটি মন্দির থেকে বের হওয়ার সময় ৪-৫ জন ব্যক্তি তাকে জোরে ধাক্কা মেরে ফেলে দেয় বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। খবর আনন্দবাজার পত্রিকার। এতে মমতার মাথা, কপাল এবং পায়ে চোট লেগেছে। এরপর প্রচারণা বন্ধ রেখে কলকাতায় ফিরিয়ে নেওয়া হয় তাকে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পুরো ঘটনাকে ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখছেন।
বুধবার হলদিয়ায় মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে নন্দীগ্রামে ফিরে আসার সময় সেখানে একাধিক মন্দির পরিদর্শন করছিলেন। সবশেষ রেয়াপাড়ায় একটি মন্দির থেকে বের হওয়ার সময় ভিড়ের মধ্য থেকে তাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়া হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।
খবরে আরও বলা হয়, ভীড়ের মধ্যে আকস্মিক ধাক্কা দেওয়ার ফলে তিনি মুখ থুবড়ে পড়ে যান। এতে তার কপালে ও মাথায় আঘাত লাগে। এছাড়া তিনি পায়েও ব্যাথা পান।
ঘটনাস্থলে তখন কোনো পুলিশ ছিল না বলে অভিযোগ করেছে তৃণমূল নেতৃবৃন্দ। পরে দেহরক্ষীরাই সেখান থেকে তাকে তুলে গাড়িতে নিয়ে যান হাসপাতালে।