a
ছবি: নূরে আলম সিদ্দিকী
বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি, ভাষা আন্দোলন, ৬ দফা ও স্বাধীন বাংলা ছাত্র পরিষদের অন্যতম নেতা নূরে আলম সিদ্দিকী আর নেই (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
আজ বুধবার ভোররাতে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। তার প্রেস সচিব কবি মৃত্যুর বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, বুধবার ভোর ৪টা ৩৭ মিনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নূরে আলম সিদ্দিকী মারা যান। আজ দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তার মরদেহ হেলিকপ্টার যোগে ঝিনাইদহে নেওয়া হয়েছে। সেখানে বাদ জোহর জানাজার পর গুলশানের আজাদ মসজিদে বাদ আছর তার দ্বিতীয় জানাজা হবে। এসময় নূরে আলম সিদ্দিকীকে ‘গার্ড অব অনার’ দেওয়া হবে। এরপর সাভারে নিজের করা মসজিদের পাশে তাকে দাফন করা হবে।
উল্লেখ্য, সত্তরের দশকের তুখোড় ছাত্রনেতা নূরে আলম সিদ্দিকী ১৯৭০-১৯৭২ মেয়াদে ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। মুক্তিযুদ্ধে ছিল তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। নূরে আলম সিদ্দিকী ৬ দফা আন্দোলন, ভাষা আন্দোলনে অংশগ্রহণসহ তৎকালীন সকল রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। তিনি ১৯৭৩ সালের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে তৎকালীন যশোর-২ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৯৬ সালের সপ্তম ও ২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে ঝিনাইদহ-২ আসন থেকে অংশ নিয়েছিলেন। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
ফাইল ছবি: রবিনের পরিবার
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক (ভারপ্রাপ্ত সদস্যসচিব) তানভীর আহমেদ রবিনের সন্ধান জানতে ডিবি পুলিশের প্রধান কার্যালয়ে গেছেন পরিবারের সদস্যরা।শনিবার রাত ৪টার দিকে তার পরিবারের সদস্যদের রাজধানীর মিন্টুরোডে ডিবি পুলিশের প্রধান কার্যালয়ের সামনে দেখা গেছে।
বিএনপির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এ তথ্য জানিয়ে একটি ভিডিও শেয়ার করা হয়েছে। যেখানে চারজন নারী ও দুজন পুরুষ সদস্য রয়েছেন। এদিকে শনিবার দিনগত রাত তিনটায় নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী অভিযোগ করে বলেন রবিনকে ডিবি পুলিশ তুলে নিয়ে গেছে।
রিজভী বলেন, তানভীর আহমেদ রবিন শনিবার রাত ১২টার দিকে নয়াপল্টনস্থ দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে বের হন। এরপর মোটরসাইকেলে করে নাইটিঙ্গেল মোড়ের দিকে রওয়ানা হন। তখন আগে থেকে কার্যালয়ের সামনে ও আশপাশে অবস্থান করা গোয়েন্দা পুলিশ তাকে ধাওয়া করে। একপর্যায়ে নাইটিঙ্গেল মোড়ে ঘিরে ফেলে গোয়েন্দা পুলিশ তাকে তুলে নিয়ে যায় বলে শুনেছি।
তিনি বলেন, সেখানে উপস্থিত অনেক লোক এ ঘটনা দেখেছে। পরিবারের সঙ্গে কথা বলে সেটি নিশ্চিত হয়েছি। কিন্তু ডিবি পুলিশ তা স্বীকার করছে না। তুলে নিয়ে স্বীকার না করার এই ব্যাপারটি মনুষ্যত্বহীন কাজ। অথচ এ কাজটি তারা ধারাবাহিকভাবে করছে।
এসময় রবিনকে অবিলম্বে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানান রিজভী। অন্যথায় চরম পরিণতি ভোগ করতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিমুজ্জামান সেলিমসহ আরও কয়েকজন নেতা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে শনিবার সন্ধ্যার পর নয়া পল্টন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এবং আশপাশের এলাকা থেকে দলের ১৫ জনের অধিক নেতাকর্মীকে গ্রেফতারের অভিযোগ করছে বিএনপি।
নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করা হচ্ছে এই খবর পেয়ে রাত সাড়ে ১১টার দিকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির দুই সদস্য মির্জা আব্বাস ও গয়েশ্বর চন্দ্র রায় নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আসেন।
এসময় মির্জা আব্বাস দাবি করেন, সন্ধ্যা থেকে রাত সাড়ে ১২টা পর্যন্ত দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে যারা বের হয়েছে, তাদেরই গ্রেফতার করা হয়েছে। সূত্র: যুগান্তর
শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল
একটি ফেসবুক পেজ থেকে শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের বিরুদ্ধে দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে অপপ্রচার চালানো হয়। সেখানে দাবি করা হয়েছে তিনি বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের ‘দ্বৈত নাগরিক’।
পেজটিতে আরও বলা হয়েছে যে, শিক্ষা উপমন্ত্রী সংবিধান লঙ্ঘন করে বিবাহ সূত্রে যুক্তরাজ্যের নাগরিক হয়ে গেছেন। বিষয়টি নওফেলের দৃষ্টিগোচর হলে নিজের ব্যক্তিগত ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে বুধবার (৭ এপ্রিল) দিবাগত রাতে একটি স্ট্যাটাস দেন। তার স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো জনমনে বিভ্রান্ত দূর করার জন্যে:
‘একটি ফেসবুক পেজে প্রচার করা হয়েছে বিবাহ সূত্রে আমার যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব হয়ে গিয়েছে এবং তা সংবিধান লঙ্ঘন! এইসব উদ্ভট প্রচারকদের কারণে কেউ যদি বিভ্রান্তও হয়, তাই সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে, বাংলাদেশ ব্যতীত কোনো দেশের নাগরিক আমি কখনও ছিলাম না এখনও নেই!’
‘যুক্তরাজ্যে পড়াশুনা করলেই বা ওই দেশের কারো সাথে বিবাহ হলেই সেখানের নাগরিক হওয়া যায় না। বৈবাহিক সূত্রে নাগরিক হতে হলেও একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে যুক্তরাজ্যে বসবাসকারী হতে হয় এবং সর্বশেষ যা আমি শুনেছি প্রায় ছয় বছর সেখানে বিবাহ পরবর্তী নিয়মিত থাকতে হয়। সুতরাং, আমার অজ্ঞাতসারেও, বিবাহ সূত্রে যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব পেয়ে যাওয়ার কোনো সম্ভাবনাই নাই!’