a
ছবি : আবুল মাল আবদুল মুহিতে
সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের প্রথম জানাজার নামাজ সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার বেলা ১১টা ৫ মিনিটের দিকে রাজধানীর গুলশান আজাদ মসজিদে নানা শ্রেণি–পেশার মানুষের অংশগ্রহণে মুহিতের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
এর আগে সংসদ প্লাজায় সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের দ্বিতীয় জানাজার কর্মসূচি বাতিল করা হয়।
গুলশান আজাদ মসজিদের জানাজায় অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল, আবুল মাল আবদুল মুহিতের ভাই পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন, আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান, পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান, অর্থনীতিবিদ কাজী খলীকুজ্জমান আহমদসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।
জানাজা নামাজ শেষ মসজিদের দক্ষিণ ফটকে আবুল মাল আবদুল মুহিতের মরদেহ দেখতে তার বন্ধ, শুভাকাঙ্খীরা ভিড় করেন। বেলা সোয়া ১১টায় সবার দেখা শেষে মরদেহ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য নিয়ে যান তার পরিবারের সদস্যরা।
শুক্রবার রাত ১২টা ৫৬ মিনিটে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে তিনি শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৮ বছর।
বার্ধক্যের নানা জটিলতায় সাবেক অর্থমন্ত্রী বেশ কিছুদিন থেকে অসুস্থ ছিলেন। মাঝে তাকে কয়েক দফায় হাসপাতালে ভর্তিও করা হয়। আবুল মাল আবদুল মুহিত লিভার ক্যানসারে ভুগছিলেন। করোনার মধ্যে দেড় বছর আগে এই রোগ সম্পর্কে জানতে পারেন তিনি। বিষয়টি পারিবারিকভাবেই গোপন রাখা হয়। এর মধ্যে করোনায়ও আক্রান্ত হন মুহিত।
আবুল মাল আবদুল মুহিত ১৯৩৪ সালের ২৫ জানুয়ারি সিলেটে জন্মগ্রহণ করেন। তার মা সৈয়দা শাহার বানু চৌধুরী ও বাবা আবু আহমদ আবদুল হাফিজ। মা-বাবা দুইজনই তৎকালীন সিলেট জেলার রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। ১৪ ভাইবোনের মধ্যে তার অবস্থান তৃতীয়। পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন তার ছোট ভাই। সূত্র: যুগান্তর
ফাইল ছবি
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গতকাল সোমবার (১৭ মে) রাতে এক বিবৃতিতে সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে প্রথম আলোর সিনিয়র সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে ৫ ঘন্টা আটক ও পরে তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর এবং সর্বশেষ তার বিরুদ্ধে জিডি করার ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে তার মুক্তির দাবী করেছেন।
বিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিব বলেন, এই ন্যাক্কার জনক ঘটনায় প্রমান হয়, বাংলাদেশে এখন স্বাধীন সাংবাদিকতা এবং তথ্য পাবার কোনো সুযোগ নাই।
বিবৃতিতে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, রোজিনা ইসলাম একজন সিনিয়র সাংবাদিক। তাঁর অনেক অনুসন্ধানী ও সাহসী রিপোর্টে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের বিশেষ করে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অনেক বড় বড় দুর্নীতির খবর জনগণ জানতে পেরেছে। সেজন্য সরকার তাঁর ওপর নজরদারি করছিল বলেই মনে হয়।
পেশাগত কারণে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে গেলে একা পেয়ে তাঁকে অন্যায়ভাবে দীর্ঘ ৫ ঘন্টা আটকে রেখে তার ওপর মানসিক নির্যাতন চালালে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে পুলিশ ডেকে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ এনে তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়া হয়।
এ ঘটনা তুচ্ছ বা বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, কর্তৃত্ববাদী শাসনে সাংবাদিক দলন এবং সরকারের সীমাহীন দুর্নীতির সংবাদ প্রচারে অব্যাহত প্রতিবন্ধকতার একটি উদাহরণ। রোজিনা ইসলামের মতো সাহসী এবং অনুসন্ধানী সাংবাদিকরা যাতে আর সরকারের দুর্ণীতি, লুটপাট, অনিয়ম, স্বেচ্ছাচারিতার সংবাদ প্রকাশ করতে না পারে, এ ঘটনার মাধ্যমে তাদেরকে ভয় দেখানো হচ্ছে বলে মনে হয়।
বিবৃতিতে মীর্জা ফখরুল রোজিনা ইসলামকে মুক্তি, তাঁর বিরুদ্ধে করা জিডি প্রত্যাহার ও তাঁকে আটকে রাখার সাথে জড়িতদের বিচার এবং সাংবাদিক দলন-নিপীড়ন বন্ধ করে স্বাধীন সাংবাদিকতা ও সঠিক তথ্য পাবার অধিকারে সরকারী হস্তক্ষেপ বন্ধের জোর দাবী জানান।
ফাইল ছবি
দেশে আমদানিসহ সব পণ্যের দাম দিনদিন বেড়েই যাচ্ছে। কমে যাচ্ছে টাকার মান। বেড়ে যাচ্ছে মূল্যস্ফীতির হার। এই পরিস্থিতিতে বড় ধরনের অর্থ সংকটে পড়ছে স্বল্প ও মধ্য আয়ের মানুষেরা। বৈদেশিক মুদ্রার আয় দিয়ে ব্যয় মেটানো যাচ্ছে না। খরচ হচ্ছে আরও বেশি। বিশেষ করে আগে স্থগিত করা বৈদেশিক ঋণ ও সুদ বাবদ অর্থ পরিশোধের ক্ষেত্রে এখন রিজার্ভ থেকে ডলার দিতে হচ্ছে। এতে রিজার্ভ কমে যাচ্ছে।
অন্যদিকে রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয়ের একটি অংশ আগে রিজার্ভে যোগ হতো। বর্তমানে বৈদেশিক মুদ্রার দায় মিটিয়ে অতিরিক্ত কোনো ডলার ব্যাংকগুলোর কাছে থাকছে না। ফলে রিজার্ভে ডলার যোগ হচ্ছে না। দীর্ঘ সময় ধরে এ অবস্থা চলার কারণে রিজার্ভের চাপ ক্রমেই বেড়ে চলছে। এতে ডলারের দাম বেড়েই চলেছে।
সূত্র জানায়, স্বাভাবিক অবস্থায় রপ্তানি আয় দিয়ে আমদানি ব্যয় মেটানো যেত না। ফলে বৈদেশিক বাণিজ্যে ঘাটতি হতো। এখন ঘাটতি আরও বেড়েছে। দেশে বর্তমানে প্রতি মাসে গড়ে রেমিট্যান্স ও রপ্তানি বাবদ আয় হচ্ছে ৬৫৬ কোটি ডলার। এর বিপরীতে আমদানি বাবদ মাসে ব্যয় হচ্ছে গড়ে ৫৫০ কোটি ডলার। বাড়তি থাকছে ১০৬ কোটি ডলার। এর মধ্যে বৈদেশিক ঋণ ও সুদ বাবদ পরিশোধ হচ্ছে ১৫৭ কোটি ডলার। ফলে প্রতি মাসে গড়ে ঘাটতি থাকছে ৫১ কোটি ডলার।
এর বাইরে বিদেশ ভ্রমণ, চিকিৎসা ব্যয়, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা বাবদ ব্যয়, বিদেশি কোম্পানির অর্জিত মুনাফা ও রয়্যালটি বাবদ আরও অর্থ পরিশোধ করতে হচ্ছে। এতে ঘাটতি আরও বেড়ে যাচ্ছে। সবমিলিয়ে গত অর্থবছরে বৈদেশিক মুদ্রার চলতি হিসাবে ঘাটতি হয়েছে ৩৩৩ কোটি ৪০ লাখ ডলার।
এর আগের ২০২১-২২ অর্থবছরে ঘাটতি হয়েছিল ১ হাজার ৮৬৪ কোটি ডলার। এক বছরের ব্যবধানে ঘাটতি কমেছে ১ হাজার ৫৩০ কোটি ডলার। এক বছরের ব্যবধানে ঘাটতি কমলেও স্থগিত করা বৈদেশিক ঋণ ও সুদ পরিশোধের কারণে এখন রিজার্ভে বেশি চাপ বাড়ছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন থেকে দেখা যায়, আমদানি ব্যয় ও বৈদেশিক ঋণ পরিশোধে গত অর্থবছরে কেন্দ্রীয় ব্যাংক রিজার্ভ থেকে ১ হাজার ৩৫৮ কোটি ডলার বিক্রি করেছে। জুলাইয়ে বিক্রি করেছে ১১৪ কোটি ডলার। আগস্টেও ডলার বিক্রি অব্যাহত রয়েছে। ওই সময়ে শুধু জুলাইয়ে কিছু ডলার কিনে রিজার্ভ বাড়িয়েছে এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের দেনা পরিশোধের জন্য।
আগে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাজার থেকে ডলার কিনে রিজার্ভ বাড়াত। কারণ ওই সময়ে বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয়ের চেয়ে আয় বেশি হতো। ফলে বাড়তি ডলার ব্যাংকগুলো বিক্রি করে দিতে বাধ্য হতো। কারণ তারা নির্ধারিত কোটার বেশি ডলার নিজেদের কাছে রাখত পারত না। দেশে মোট রপ্তানি আয় দিয়ে ৬০ শতাংশ আমদানি ব্যয় মেটানো যায়। বাকি ৪০ শতাংশ রেমিট্যান্স থেকে মেটানো হয়। এরপরও ২০ শতাংশ রেমিট্যান্স রিজার্ভে যোগ হতো।
গত বছর থেকে রপ্তানি আয় ও রেমিট্যান্স দিয়ে আমদানি ব্যয় মেটানো যাচ্ছিল না। ফলে রিজার্ভ থেকে ডলার দেওয়া হতো। যা এখনও দেওয়া হচ্ছে। তবে এখন আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমায় ও আমদানি নিয়ন্ত্রণ করায় রেমিট্যান্স ও রপ্তানির ডলার দিয়ে আমদানি মেটানো যাচ্ছে। কিন্তু আমদানির বকেয়া দেনা ও স্থগিত করা বৈদেশিক ঋণ শোধ করা যাচ্ছে না। এজন্য রিজার্ভ থেকে ডলার দিতে হচ্ছে। ফলে রিজার্ভ কমে যাচ্ছে। অন্যদিকে বাজার থেকে ডলার কিনতে পারছে না। ফলে রিজার্ভে ডলার যোগও হচ্ছে না।
প্রতিবেদন থেকে দেখা যায়, ২০১৫ সালে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে ৪৫৫ কোটি ১০ লাখ ডলার কিনে রিজার্ভে যোগ করেছে। এর বিপরীতে রিজার্ভ থেকে কোনো ডলার বিক্রি করেনি। ২০১৬ সালে ৩৮৮ কোটি ১০ লাখ ডলার কিনেছে, কিন্তু এর বিপরীতে বিক্রি করেছে মাত্র ৮০ লাখ ডলার।
২০১৭ সালে বৈদেশিক মুদ্রার আয় কমায় ও আমদানি খরচ বাড়ায় ১২৩ কোটি ১০ লাখ ডলার রিজার্ভ থেকে বিক্রি করেছে। এর বিপরীতে ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে কিনেছে মাত্র ৪ কোটি ৫০ লাখ ডলার। ২০১৮ সালেও একই কারণে বাজার থেকে কোনো ডলার ক্রয় করতে পারেনি। ওই বছরে রিজার্ভ থেকে ২২৯ কোটি ২০ লাখ ডলার বিক্রি করেছে। ২০১৯ সালেও ১৬২ কোটি ১০ লাখ ডলার বিক্রির বিপরীতে কোনো ডলার ক্রয় করেনি।
২০২০ সালে করোনার কারণে আমদানি একেবারে কমে যায়। এর বিপরীতে রেকর্ড পরিমাণে রেমিট্যান্স আসে। ফলে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে রেকর্ড পরিমাণে ডলার কেনে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ওই বছর সর্বোচ্চ ৬৩৬ কোটি ৮০ লাখ ডলার কিনেছিল। এর বিপরীতে বিক্রি করেছে মাত্র ৬৬ কোটি ৪০ লাখ ডলার। ২০২১ সালে ২৬৫ কোটি ডলার কেনার বিপরীতে বিক্রি করেছে ২৪৮ কোটি ৩০ লাখ ডলার।
২০২২ সালে ডলার সংকট প্রকট হলে রেকর্ড পরিমাণ অর্থাৎ ১ হাজার ২৯৪ কোটি ডলার রিজার্ভ থেকে বিক্রি করে। কোনো ডলার কেনেনি। ফলে গড় দেড় বছর ধরে বৈদেশিক মুদ্রার আয় থেকে কোনো ডলার রিজার্ভে যোগ হচ্ছে না। তবে বৈদেশিক মুদ্রার ঋণ থেকে পাওয়া অর্থ রিজার্ভে যোগ হচ্ছে। গত এক বছরের ব্যবধানে বৈদেশিক ঋণ ছাড় কমেছে ১৪৪ কোটি ডলার।
করোনার পর হঠাৎ চাহিদা বাড়ায় ২০২১ সালে আমদানি ব্যয় বাড়ে ৫৩ শতাংশ। ২০২২ সালে বৈশ্বিক মন্দার কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের দাম ও দেশীয় বাজারে ডলারের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় আমদানি ব্যাপকভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হয়। তারপরও আমদানি ব্যয় বাড়ে ২৩ শতাংশ। ব্যয় বাড়লে রপ্তানি ও রেমিট্যান্স সে তুলনায় বাড়েনি। ফলে ডলারের প্রবাহে ঘাটতি দেখা দেয়। যা এখনও অব্যাহত রয়েছে।
২০১৮ সালের জানুয়ারিতে ডলার ছিল ৮২ টাকা ৯০ পয়সা। আগস্টে তা ঠেকেছে ১০৯ টাকা ৫০ পয়সায়। ওই সময়ে ডলারের দাম বেড়েছে ২৬ টাকা ৬০ পয়সা। ২০১৮ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ডলারের দাম স্থিতিশীল ছিল। ২০২০ সালে ডলারের দাম ১০ পয়সা কমেছে। বাকি বছরগুলোতে ১ টাকা করে বেড়েছে। ২০২২ সালে এসে অস্থির হয়ে যায়। ওই বছরের শুরুতে ডলারের দাম ছিল ৮৫ টাকা ৮০ পয়সা। এখন দেড় বছরের মাথায় এখন তা ১০৯ টাকা ৫০ পয়সা। কোনো কোনো ক্ষেত্রে আরও বেশি।
বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের মধ্যে ২০১৯ ও ২০২০ সালে রেমিট্যান্স প্রবৃদ্ধি ছিল গড়ে ১৮ শতাংশ করে। ২০২১ সালে তা কমে মাত্র দেড় শতাংশ ও ২০২২ সালে সাড়ে ৩ শতাংশ কমেছে। গত অর্থবছরে বছরে রপ্তানি আয় বেড়েছে মাত্র সাড়ে ৬ শতাংশ। আগের অর্থবছরে সাড়ে ৩৪ শতাংশ বেড়েছিল।
২০১৯ সালের ডিসেম্বরে আমদানি ব্যয় হয় ৪৫০ কোটি ডলার, ২০১৯ সালের ওই মাসে ৪৬০ কোটি ডলার, ২০২০ সালের এই মাসে ৪৭০ কোটি ডলার। ২০২১ সালের ডিসেম্বরে তা বেড়ে হয় ৭৪০ কোটি ডলার। ২০২২ সালে নিয়ন্ত্রণ করার পর ডিসেম্বরে আমদানি ব্যয় হয় ৫২০ কোটি ডলার। ওই বছরের আগস্টে সর্বোচ্চ ৮৫০ কোটি ডলার ছাড়িয়ে ছিল আমদানি ব্যয়। জুনে আমদানি ব্যয় হয়েছে প্রায় ৫০০ কোটি ডলার।
২০০৭ সাল থেকে দেশের রিজার্ভ বাড়ছিল। মাঝে মধ্যে কিছুটা কমলেও তা কখনো চিন্তার কারণ হয়নি। কিন্তু এবার বড় শঙ্কার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে রিজার্ভ ছিল ৩ হাজার ২০০ কোটি ডলার। যা ৫ দশমিক ২ মাসের আমদানি ব্যয়ের সমান। ২০১৯ সালের তা বেড়ে ৩ হাজার ২৭০ কোটি ডলারে দাড়ায়। যা ওই সময়ের সাড়ে ৫ মাসের আমদানি ব্যয়ের সমান। ২০২০ সালে ছিল ৪ হাজার ৩২০ কোটি ডলার। যা দিয়ে ওই সময়ের সাড়ে ৫ মাসের আমদানির ব্যয় মেটানো যেত।
২০২১ সালে রিজার্ভ ৪ হাজার ৬২০ কোটি ডলারে ওঠে। যা ৬ মাসের আমদানি ব্যয়ের সমান। ওই বছরের আগস্টে রিজার্ভ সর্বোচ্চ ৪ হাজার ৮০৬ কোটি ডলারে ওঠেছিল। ২০২২ সালে তা কমে ৩ হাজার ৩৭০ কোটি ডলারে নামে। যা ওই সময়ে সাড়ে ৫ মাসের আমদানি ব্যয়ের সমান। এখন তা আরও কমে নিট রিজার্ভ ২ হাজার ৩১৪ কোটি ডলার। যা দিয়ে নিয়ন্ত্রিত ৩ মাসের কম আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব হবে। সূত্র: যুগান্তর