a সাবের হোসেন চৌধুরী পূর্ণমন্ত্রী হলেন
ঢাকা শনিবার, ১৫ ভাদ্র ১৪৩২, ৩০ আগষ্ট, ২০২৫
https://www.msprotidin.com website logo

সাবের হোসেন চৌধুরী পূর্ণমন্ত্রী হলেন


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক:
শুক্রবার, ১২ জানুয়ারী, ২০২৪, ১১:২৮
সাবের হোসেন চৌধুরী পূর্ণমন্ত্রী হলেন

ছবি সংগৃহীত: সাবের হোসেন চৌধুরী

১৯৯৬ সালে ঢাকা-৬ নির্বাচনি আসন (বর্তমানে-৯ আসন) থেকে প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন সাবের হোসেন চৌধুরী। শেখ হাসিনার প্রথম মন্ত্রিসভায় তিনি নৌপরিবহণ উপমন্ত্রী হিসেবে ১৯৯৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর থেকে ১৯৯৮ সালের ২৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। এরপর ১৯৯৮ সালের ২৪ ডিসেম্বর থেকে ২০০১ সালের ১৫ জুলাই পর্যন্ত তিনি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় উপমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এবার তিনি পূর্ণমন্ত্রীর দায়িত্ব পেলেন সাবের হোসেন চৌধুরী। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন। 

সাবের হোসেন চৌধুরীর জন্ম ১০ সেপ্টেম্বর ১৯৬১ সালে। তার পিতৃ-ভিটা ফেনী জেলার দাগনভূঞা উপজেলায়। ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি ছিলেন তিনি। তার সময়কালীন ২০০০ সালের জুন মাসে বাংলাদেশ আইসিসির পূর্ণ সদস্য পদ এবং টেস্ট স্ট্যাটাস পায়। 

বাংলাদেশের ক্রিকেটের উন্নয়ন এবং বিশ্ব ক্রিকেটে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০০২ সালের অক্টোবর মাসে লন্ডনে মেরিলিবোন ক্রিকেট ক্লাব তাকে আজীবন সদস্যপদ প্রদান করে। তিনি ব্যক্তিগতভাবেও ক্রিকেট উন্নয়নে সর্বদা কাজ করার চেষ্টা করে গেছেন।

তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাবেক রাজনৈতিক সচিব ছিলেন। ২০০১ সালের ডিসেম্বর মাসে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মনোনীত হন। 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

নেতা হতে গেলে রাজনৈতিক দায়বদ্ধতা থাকা জরুরি: ড. মঈন খান


সাইফুল আলম, ঢাকা প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সোমবার, ২৬ মে, ২০২৫, ০৪:০৭
নেতা হতে গেলে রাজনৈতিক দায়বদ্ধতা থাকা জরুরি ড মঈন খান

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

 

সাইফুল আলম, ঢাকা:  "বাংলাদেশে সামাজিক দায়িত্বশীল নেতৃত্ব এবং সুশাসন” শীর্ষক একটি আন্তর্জাতিক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (২৫ মে) সকালে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক সংগঠন 'স্কুল অফ লিডারশিপ' (SOLE USA) বাংলাদেশ শাখার উদ্যোগে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। দেশের বিভিন্ন দলের শীর্ষ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক, গবেষক, আইনজীবি, চিকিৎসক, উন্নয়ন কর্মকর্তা ও সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ সেমিনারে অংশগ্রহণ করেন। 

SOLE বাংলাদেশ শাখার সভাপতি অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীমের সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. মঈন খান। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন লন্ডনের নর্থামব্রিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আলিয়ার হোসেন।
সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য রাখেন SOLE USA-এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট ড. গোলাম রাব্বানি। 

তিনি বলেন, আমাদের রাজনৈতিক সংস্কার চাইতে হবে। অনেকে ভাবে রাজনৈতিক সংস্কার চাইলে বড় বড় রাজনৈতিক দল মন খারাপ করতে পারে। এমনটা হওয়া উচিত না। রাষ্ট্র সংস্থারের পাশাপাশি রাজনৈতিক সংস্কার জরুরি। SOLE বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের কর্মকর্তাদের এই অসাধারণ উদ্যোগের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. মঈন খান বলেন, নেতা হতে গেলে রাজনৈতিক দায়বদ্ধতা থাকা জরুরি। অনেককে বলতে শোনা যায় বিএনপি ক্ষমতায় গেলে স্বৈরাচার হয়ে উঠবে। এমন কথায় আমি হতবাক হই। বিএনপি সরকার হিসেবে দীর্ঘদিন দেশ পরিচালনা করেছে। ভুলত্রুটি ছিলো, কিন্তু বিএনপি কখনো স্বৈরাচারী ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়নি। 

বিএনপি দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পেলে স্বৈরাচারী হয়ে উঠবে না। জনগণের কল্যাণে কাজ করবে। বিএনপি ১৫ বছর দেশ পরিচালনাকালে বিরোধী দল মত দমনে কোন গায়েবি মামলা দেয়নি, আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ব্যবহার করেনি। বিএনপি স্বৈরাচার হয়ে উঠবে বলে এমন মিথ্যা নেরেটিভ দাঁড় করাবেন না। বিএনপি মহাসচিবের বিরুদ্ধে গত ১৫ বছরে ১০৫ টি মিথ্যা মামলা দিয়েছে। বিএনপি ক্ষমতাকালে হাসিনা বা আওমিলীগের সাধারণ সম্পাদকের নামে একটি মামলা দিয়েছে এমন ঘটনা ঘটেনি। বিএনপি ও আওমিরীগ মুদ্রার এপিঠ ওপিঠ এটাও মানতে নারাজ ড. মঈন খান।  তিনি বলেন আওমিলীগ ফ্যাসাবাদী দল, বিএনপি ফ্যাসিবাদী দল নয়। 

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. কামরুল আহসান বলেন, ছাত্রজনতা বারবার প্রাণ দিয়ে দেশকে সঠিক পথে এনেছে। কিন্তু আমরা অভিভাবকরা বারবারর ব্যর্থ হয়েছি। ১৯৭১, ৯০, ২৪ সবকটা আন্দোলনে ছাত্রজনতা জীবন দিয়েছে। কিন্তু বিপ্লব পরবর্তী সময়ে আমরা চেতনা ধরে রাখতে ব্যর্থ হয়েছি। আমরা ব্যর্থ হচ্ছি বলেই ৭১ এর পর ৯০ হয়েছে, সর্বশেষ ২৪ তৈরি হয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আমি হতাশ। ছাত্ররা কতো রক্ত দিবে? কেনো দেশে এখন নেতৃত্ব সংকট? এর জন্য সকল পক্ষ দায় এড়াতে পারে না। 

গণসংহতি পার্টির সভাপতি জুনায়েদ সাকি বলেন, গণতান্ত্রিক চর্চা প্রসারিত করতে হবে। গণতান্ত্রিক চর্চা না করে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করা যাবে না। অন্তর্বর্তিতালীন সরকারের মাঝেও গণতান্ত্রিক চর্চার মধ্যে ঘাটতি দেখা যাচ্ছে। যার ফলে ঐক্য বিনষ্ট হচ্ছে।  বিরোধ তৈরি হচ্ছে। দেশের সার্থে জাতীয় ঐক্যের ক্ষেত্রে সবার সহযোগিতা দরকার। এর জন্য প্রধান দায়িত্ব সরকারের।  তাদের উচিত সকল দলের সাথে কথা বলে আস্থার মধ্যে আনতে হবে। নির্দিষ্ট দলের প্রতি ঝুকে গেলে বিরোধ সৃষ্টি হবেই। 

এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, আমিত্বের যে কালচার এটা থেকে বের হয়ে আসতে হবে। পূর্বের ফ্যাসিবাদ সরকারকে বলতে শুনতাম আমি মোবাইল দিয়েছি, আমি ইন্টারনেট দিয়েছি, আমি পদ্মাসেতু করেছি। প্রকৃত লিডাররা আমি বলবে না, বলবে আমার সরকার এসব করেছে। কেনো আমাদের প্রকৃত লিডারশিপ তৈরি হচ্ছে না? 
এর জন্য দলগুলোর পাশাপাশি পরিবারও দায়ী। আমাদের পরিবার আমাদেরকে রাজনীতির বাইরে রেখে ঘরোয়া টিকটিকি বানাই রাখছে। পরিবার, স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে লিডারশিপ তৈরি করতে হবে। চ্যালেঞ্জ নেয়া শিখতে হবে জীবনের প্রতিটা স্তরে। 

এনডিএম চেয়ারম্যান ববি হাজ্জজ বলেন, পতিত হাসিনাকে নিয়ে আলোচনা করার প্রয়োজন নেই। আমি এটা করেছি ওটা করেছি সে দিন আর আসবে না।  শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান একটা সমৃদ্ধ বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন। সে পরম্পরায় বেগম খালেদা জিয়ার সেক্রিফাইসের কারনে জনগণ তাঁকে আপোষহীন নেত্রী উপাধি দিয়েছে। জুলাই আন্দোলনে তারেক রহমানের অবদান অনস্বীকার্য। তিনি আন্দোলনে ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিলেন। 

প্রেসক্লাবের সভাপতি কবি হাসান হাফিজ বলেন, আগামী নির্বাচনে স্বচ্ছতা জবাবদিহিতা আওতায় আনতে বিভিন্ন পেশাজীবিদের নিয়ে একটা মনিটরিং কমিটি গঠন করতে পারি। ভারতের সাথে বন্ধুত্ব চাই, কিন্তু মাথা বিক্রি করেিতে চাই না। কাঁটাতারে ফেলানীর লাশ চাই না। বন্ধুত্ব হবে সমতার ভিত্তিতে। গত ১৫ বছরে ফ্যাসিবাদ আমাদের ধ্বংস করে দিয়েছে। বর্তমান সরকার কাজ করে যাচ্ছে। কোন কোন উপদেষ্টা অপরিপক্কতার পরিচয় দিচ্ছে। এ ছোট্ট উপদেষ্টা পরিষদ দিয়ে দেশ সঠিক চলবে না। আশা করি সুস্ঠু নির্বাচন দিয়ে ড. ইউনুস যেনো সুন্দরভাবে বিদায় নিতে পারে। রাজনৈতিক দলগুলোরও পরষ্পরের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হবে। 

বিএনপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ড. মাহাদী আমিন বলেন, নতজানু পররাষ্ট্রনীতি, কৃষি বিপ্লব, খাল খনন, গার্মেন্টস শিল্প শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের হাত ধরে শুরু হয়েছিলো। তিনি ছিলেন বহুদলীয় গণতন্ত্রের জনক। নেতৃত্বের কথা যদি এদেশে আসতে হয় তাহলে দেশের জন্য ইতিবাচক নেতৃত্বে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নামই আসবে। গত ১৫ বছরে বিএনপি সবচেয়ে বেশী নির্যাতিত নিপীড়িত ছিলো। ৫০০ এর অধিক বিএনপি নেতাকর্মী জুলাই আন্দোলনে শহীদ হয়েছে। ৩১ দফার মাধ্যমে সংস্কারের কথা এদেশে প্রথম বলেন তারেক রহমান। ৩১ দফা বাস্তবায়ন হলেই দেশে পর্যাপ্ত সংস্থার হবে।

SOLE USA, বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের  নির্বাহী পরিচালক – ড. জামিল আহমেদের সঞ্চালনায় সেমিনারে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন SOLE বাংলাদেশ চ্যাপাটারের প্রতিনিধি ফয়েজ কাওসার, মেজর জেনারেল আশাব উদ্দিন (অব.)। আরো উপস্থিত ছিলেন, কৃষিবিদ শামীমুর রহমান শামীম , SOLE সমন্বয়ক মেজর (অব.) সিদ্দিক, অধ্যাপক ড. এ.কে.এম. মতিনুর রহমান এবং ইয়ুথ পার্লামেন্ট সভাপতি অ্যাড. আমিনুল ইসলাম মুনীর প্রমুখ। 
উল্লেখ্য, সেমিনারে বিদেশী ডেলিগেটগন অনলাইন প্লাটফর্মে যুক্ত ছিলেন।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আফগানিস্তানে ফের কাজে যোগ দিচ্ছে অব্যাহতি নেওয়া পুলিশ সদস্যরা


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সোমবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ১০:৫৫
আফগানিস্তানে ফের কাজে যোগ দিচ্ছে অব্যাহতি নেওয়া পুলিশ সদস্যরা

ফাইল ছবি

আফগানিস্তানে তালেবান ক্ষমতা নেওয়ার পর কাজ থেকে অব্যাহত থাকে সে দেশের পুলিশ বাহিনী। অবশেষে কাবুল বিমানবন্দরে তালেবানের পাশাপাশি কাজে ফিরেছে আফগানিস্তানের পুলিশ। কাবুল বিমানবন্দরে তালেবানের পাশাপাশি দায়িত্ব পালন করছেন তারা। তালেবান কমান্ডারদের কাছ থেকে টেলিফোন পাওয়ার পর তারা কাজে যোগ দিয়েছেন বলে জানানো হয়েছে।

ফ্রান্স ২৪ জানায় আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রণ তালেবানের হাতে চলে যাওয়ায় দেশটির পুলিশ সদস্যরা দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নিয়েছিলেন। কিন্তু তালেবান সাবেক সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীদের সবাইকে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার পর এসব পুলিশ আবার কাজে ফিরলেন। বিমানবন্দরের কর্মকর্তারা গত রোববার জানান, কাবুল বিমানবন্দরের চেকপয়েন্ট পরিচালনার কাজে ফিরেছে আফগান পুলিশ। তালেবানদের সঙ্গে কাজ করছেন তারা।

গত মাসে পদত্যাগ করে চলে যাওয়া অনেকের কাছে তালেবান কমান্ডারের ফোনকল পৌঁছার পর কাজে ফিরেছেন তারা। আফগান পুলিশের দুই কর্মকর্তা জানিয়েছেন, শনিবার (১১ সেপ্টেম্বর) তালেবান কমান্ডারদের কাছ থেকে টেলিফোন পাওয়ার পর তারা কাজে যোগ দিয়েছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন পুলিশ অফিসার বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানিয়েছেন, দুই সপ্তাহ পর তিনি আবার কাজে ফিরলেন। তিনি বলেন, দেশের সেবায় আবার ফিরতে পেরে তিনি খুবই খুশি। অন্য একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘গতকাল (শনিবার) ছিল দুর্দান্ত, আবার কাজে ফিরতে পেরে দারুণ লাগছে।’

গত সপ্তাহে তালেবান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করে। এর আগে গতকাল শনিবার আফগানিস্তানের প্রেসিডেন্ট প্রাসাদে নিজেদের পতাকা উত্তোলন করে তালেবান। এর মাধ্যমে আফগানিস্তানে তাদের শাসন শুরু হওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / khurshedalm@msprotidin.com
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - রাজনীতি