a
ফাইল ছবি
বাংলাদেশে সাধারণত ট্রেনে উঠতে সিঁড়ির প্রয়োজন হয়। তবে এবার মেট্রো ট্রেনে উঠতে লাগবে না কোন সিঁড়ি। মেট্রো রেলস্টেশনের প্লাটফর্মগুলো সমতল হওয়ায় যাত্রীরা সহজেই প্লাটফর্ম থেকেই ট্রেনে উঠতে পারবেন। মেট্রোরেল প্রকল্পের অধীনে প্রথম ট্রেন চালক হিসেবে নিয়োগ পাওয়া নাসরুল্লাহ ইবনে হাকিম গণমাধ্যমকে বলেন, ট্রেনের প্রত্যেক কোচের দু’পাশে চারটি দরজা থাকবে। ট্রেন স্টেশনে পৌঁছালে একপাশের দরজা খুলে যাবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মেট্রো রেল স্টেশন তিন তলা হবে। দ্বিতীয় তলায় টিকিট কাউন্টার। দ্বিতীয় তলা থেকে টিকিট সংগ্রহ করে চলন্ত সিঁড়িতে তৃতীয় তলায় যাবেন। সেখানে যাত্রীদের বসার চেয়ার থাকবে। ট্রেন স্টেশনে এলে উঠবেন যাত্রীরা।
ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) সূত্র জানায়, মেট্রো রেলের দুটি সেট মোংলা বন্দরে চারটি বার্জে নামানো হয়। শুল্ক ও ভ্যাট সম্পর্কিত প্রক্রিয়া শেষে বার্জযোগে মেট্রো ট্রেন সেটগুলো আগস্টের তৃতীয় সপ্তাহে ঢাকায় উত্তরার ডিএমটিসিএল ডিপোতে পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে। ডিএমটিসিএল এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এন এন ছিদ্দিক গণমাধ্যমকর্মীদের জানান, করোনাভাইরাস থেকে সুরক্ষা পেতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে মেট্রোরেলের নির্মাণকাজ চলছে। ঢাকায় আনা দুটি মেট্রো ট্রেনের বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষা ডিপোর ভেতরে চলছে।
ফাইল ছবি
বিশ্ব মহামারী করোনার দ্বিতীয় ঢেউ থেকে দেশ ও জাতিকে শন্কামুক্ত রাখতে বাংকাদেশে ১৪ এপ্রিল থেকে সর্বত্র লকডাউন ঘোষণা করেছিল সরকার করোনার ফলে বন্ধ হওয়া অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট আবারও চালু করা হয়েছে। ১৬ দিন ফ্লাইট বন্ধ থাকার পর বুধবার (২১ এপ্রিল) সকাল পৌণে ৮টায় শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে অবতরণ করে। কিন্তু বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট এখনও চালু করা হয়নি।
একসূত্র থেকে জানা যায়, গতকাল বুধবার (২১ এপ্রিল) সকাল পৌণে ৮টায় আসা ইউএস বাংলার ফ্লাইটি ঢাকার উদ্দেশ্যে সিলেট ছাড়ে সকাল ৯টা ২০ মিনিটে। এছাড়া দুপুর ১টা ২০ মিনিটে ঢাকা থেকে নভোএয়ারের একটি ফ্লাইট ঢাকা থেকে সিলেট আসে। নভোএয়ার সিলেট থেকে ঢাকায় যাবে দুপুর ২টা ২০ মিনিটে।
এছাড়া ইউএস বাংলার আরেকটি ফ্লাইট বুধবার রাত ৭টায় ঢাকা থেকে ছেড়ে সিলেট আসবে ৭টা ৫০ মিনিটে এবং ওইদিন রাত ৮টা ২০ মিনিটে সিলেট থেকে ছেড়ে যাবে ঢাকার উদ্দেশ্যে। আর নভোয়ার বিমানের ফ্লাইটটি রাত সাড়ে ৭টায় ঢাকা থেকে সিলেট আসবে। আবার বুধবার রাত ৮টা ৫০ মিনিটে সিলেট থেকে ঢাকায় যাবে।
এ ব্যাপারে সিলেট ওসমানী বিমানবন্দরের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপক হাফিজুর রহমান বলেন, লকডাউনের কারণে বন্ধ থাকায় তা ২১ এপ্রিল থেকে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট আবারও চালু করা হয়েছে। তবে বাংলাদেশ বিমানসহ আন্তর্জাতিক সব ফ্লাইট এই মূহুর্ত্ খুলে দেয়ার কথা ভাবছে না সরকার।
ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
ফেনী জেলায় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা প্রেক্ষাপট ও প্রয়োজনীয়তা শীর্ষক নাগরিক সংলাপ অনুষ্ঠিত। শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারী) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে "ফেনী জেলায় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা প্রেক্ষাপট ও প্রয়োজনীয়তা শীর্ষক নাগরিক সংলাপ ফেনী জেলায় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজ বাস্তবায়ন পরিষদের আহ্বায়ক অধ্যাপক আবু আহমেদের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব সাইদুল ইসলামের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয়।
নাগরিক সংলাপে উপস্থিত থেকে বক্তব্য প্রদান করেন এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মনজু, ফেনী জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক গাজী হাবিবুল্লাহ মানিক, রিহ্যাবের পরিচালক ড. মো: হারুন অর রশিদ, সুপ্রিম কোর্টের ডেপুটি এটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার নুর মোহাম্মদ আজমী, স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের ডীন ড. আহমেদ কামারুজ্জামান মজুমদার, ফেনী সমিতি ঢাকার সহ সভাপতি মেসবাহ উদ্দিন সাঈদ, স্টার লাইন গ্রুপের পরিচালক মাইন উদ্দিন, ইসলামী ব্যাংকের সিএফও আবদুর রহিম, বিশিষ্ট সাংবাদিক বোরহান উদ্দিন ফয়সাল, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মারুফ ফাহিম ও পরিষদের লিয়াজো সমন্বয়ক মু. আবিদুর রহমান আবেদ। নাগরিক সংলাপে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পরিষদের মুখপাত্র ওমর ফারুক।
অধ্যাপক আবু আহমেদ বলেন, ফেনী জেলায় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজ এখন সময়ের দাবি। এটি এখন কোন জেলাভিত্তিক ইস্যু নয়, এটা জাতীয় নিরাপত্তা ও জাতীয় উন্নয়নের জন্য করা জরুরী।
মজিবুর রহমান মনজু বলেন, ফেনীতে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজ না হওয়ার পিছনে রাজনৈতিক কারণই বড় কারণ। তাই পলিসি লেভেলে যোগাযোগ এবং জনসম্পৃক্ততার মাধ্যমে এই দুটি প্রতিষ্ঠান আমরা বাস্তবায়ন করবো।
গাজী মানিক বলেন, ফেনীর মানুষের অনেক দিনের এই আকাংখা বাস্তবায়নের এখনই উপযুক্ত সময়। তাই সকলকে সাথে নিয়ে আমরা এই দুটি প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করবো। প্রয়োজনে এর জন্য আবার ফেনীর মানুষকে সাথে নিয়ে রাজপথে নামবো।
ড. আহমেদ কামারুজ্জামান বলেন, ফেনীর বন্যার সময় আমরা একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়কে অনেক মিস করেছি। সকল বড় ইস্যুতে একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় যে ভুমিকা পালন করতে পারে, তা অন্য কিছু দিয়ে কাভার করা যায়না।
ড. হারুন অর রশিদ বলেন, আমরা এখন সবকিছুকে বাদ দিয়ে এই ইস্যুকে সামনে নিয়ে কাজ করতে হবে। এখনই পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজ করার উপযুক্ত সময়।
মাইন উদ্দিন বলেন, মেডিকেল কলেজ আমাদের দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন। এই স্বপ্ন বাস্তবায়নে আমরা নিরলস কাজ করে যাবো।
সাইদুল ইসলাম বলেন, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় উদ্দেশ্য শুধু শিক্ষা নয়। পাশাপাশি উন্নয়নের বিকেন্দ্রীকরণ, ভু-রাজনৈতিক কারন ও বিশিষ্ট ব্যাক্তিদের স্বীকৃতির জন্যও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় অপরিহার্য।
এছাড়াও সংলাপে বক্তব্য প্রদান করেন জেলা এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলুল হক, ডুসাফ সভাপতি সাজিন চৌধুরী, ছাত্রদলের ফেনী জেলা যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মজুমদার রশিদ, ফয়জুল্লাহ নোমানী, রফিকুল ইসলাম কিরন, আবদুল্লাহ আল মামুন এবং সাংবাদিক আবদুল্লাহ প্রমুখ।