a আজও কালবৈশাখী ঝড় হতে পারে
ঢাকা শুক্রবার, ২৬ পৌষ ১৪৩২, ০৯ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

আজও কালবৈশাখী ঝড় হতে পারে


আবহাওয়া ডেস্ক:
মঙ্গলবার, ১১ মে, ২০২১, ০১:৪৭
আজও কালবৈশাখী ঝড় হতে পারে

ফাইল ছবি

 

আজও কালবৈশাখী ঝড় হতে পারে ঢাকাসহ আশেপাশের এলাকায়। সেই সাথে কোথাও কোথাও হতে পারে শিলাবৃষ্টিও। ঢাকায় বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ থাকতে পারে ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার। 

আবহাওয়াবিদ শাহনাজ সুলতানা সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘গতকালের মতো আজও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কালবৈশাখী ঝড় হতে পারে। দুপুরের পর থেকে যে কোনও সময় ঢাকার বাইরে আর ঢাকার মধ্যে সন্ধ্যার পর যে কোনও সময় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আকাশ আপাতত মেঘলা আছে। একেবারে নিশ্চিত করে ঠিক কখন ঝড় হবে তা আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা সম্ভব নয়। তবে আজ ঝড় হবে এটা নিশ্চিত।’
 
এদিকে আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক জানান,  এমনিতে ঢাকায় বাতাসের গতি ৫ থেকে ১০ কিলোমিটার হলেও ঝড়ের সময় বাতাসের গতি বেড়ে ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার পযন্ত যেতে পারে।

গতকাল ঢাকায় দুই দফা বৃষ্টির কারণে তাপমাত্রা অনেকখানি কমে এসেছে। তার আগের দুই দিন আকাশ মেঘলা থাকলেও বৃষ্টি হয়নি। 

আবহাওয়া অধিদফতর জানায়,  লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ এবং এর আশেপাশের এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমে স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। এর প্রভাবে রংপুর,  রাজশাহী, খুলনা, ময়মনসিংহ, সিলেট, চট্টগ্রাম,বরিশাল ও ঢাকা বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ  বৃষ্টি হতে পারে। এতে দিনের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা কিছুটা কমতে পারে।
 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

নিউজিল্যান্ডে ৭.১ মাত্রার ভূমিকম্প


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
বৃহস্পতিবার, ১৬ মার্চ, ২০২৩, ১০:১০
নিউজিল্যান্ডে ৭.১ মাত্রার ভূমিকম্প

ফাইল ছবি

নিউজিল্যান্ডে ৭.১ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে নিউজিল্যান্ডের উত্তরাঞ্চলীয় কেরমাডেক আইল্যান্ডসে। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক বিভাগের (ইউএসজিএস) তথ্য অনুযায়ী ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিলো মাটির ১০ কিলোমিটার গভীরে। রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (১৬ মার্চ) ভোর রাত ২টায় নিউজিল্যান্ডের কেরমাডেক আইল্যান্ডসে ভূমিকম্প আঘাত হানে। যার উৎপত্তিস্থল ছিলো ভূগর্ভের ১০ কিলোমিটার গভীরে। এ ঘটনার পর সুনামি সতর্কতা জারি করা হলেও পরে তা তুলে নেওয়া হয়। এতে ক্ষয়ক্ষতির কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

সুনামি সতর্কতার বিষয়ে স্থানীয় কর্মকর্তারা জানান, প্রথমে ওই এলাকার জন্য সুনামির হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছিলো। সে সময় বলা হয়েছিলো, নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া বা ফিলিপাইনের জন্য সুনামির কোনো আশঙ্কা নেই। তবে কিছু সময় পরে ওই সতর্কবার্তা পুরোপুরি প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়।

বিশ্বের দুটি প্রধান টেকটোনিক প্লেটের সীমানাবর্তী এলাকায় অবস্থিত নিউজিল্যান্ড। সেই প্লেট দুটি হল প্যাসিফিক প্লেট এবং অস্ট্রেলিয়ান প্লেট। এছাড়া নিউজিল্যান্ড রিং অফ ফায়ার নামে পরিচিত তীব্র ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকার সংলগ্ন। তাই প্রতি বছরই হাজার হাজার ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে নিউজিল্যান্ড নামে ভুখন্ডটি।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

ইসলামপুর, জামালপুরের কাঁসাশিল্প বিলুপ্তির পথে


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
শুক্রবার, ১৯ আগষ্ট, ২০২২, ০৫:৫৮
ইসলামপুর, জামালপুরের কাঁসাশিল্প বিলুপ্তির পথে

ফাইল ছবি

বিলুপ্তির পথে ইসলামপুর, জামালপুর জেলার কাঁসাশিল্প। উপজেলার দরিয়াবাদ গ্রামের এ শিল্পটি এক সময় বিশ্ব জুড়ে খ্যাতি অর্জন করেছিল। তত্কালীন ব্রিটিশ সরকার ১৯৪২ সালে লন্ডনের বার্মিংহামে সারা বিশ্বের হস্তশিল্প প্রদর্শনীর আয়োজন করেছিল। সেই প্রদর্শনীতে ইসলামপুরের প্রয়াত কাঁসাশিল্পী জগত্চন্দ্র কর্মকারের কারুকার্যখচিত কাঁসার কাজ বিশ্বখ্যাত শিল্প হিসাবে স্বর্ণপদক লাভ করেছিল। কিন্তু কালের বিবর্তনে শিল্পটি এখন হারিয়ে যেতে বসেছে।

বাংলায় এ মিশ্র ধাতব শিল্পটি কখন কোথায় কীভাবে শুরু হয়েছিল সে সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট কোন উল্লেখ না থাকলেও ইতিহাসবিদদের মতে দেশে সর্বপ্রথম ঢাকার ধামরাই এলাকায় কাঁসার শিল্পীরা এসে বসতি স্হাপন করে কারখানা গড়ে তোলেন। কালক্রমে নানা কারণে তারা দেশের বিভিন্ন স্হানে ছড়িয়ে পড়েন।

কাঁসাশিল্পীরা তাদের পেশাগত জীবন পারিবারিকভাবে গড়ে তোলার কারণে একই পাড়া-মহল্লায় বসবাস করতেন। তাই তাদের বসবাসকারী এলাকা কাঁসারি পাড়া নামে পরিচিতি লাভ করে। কাঁসা মূলত একটি মিশ্র ধাতু। তামা ও টিন দিয়ে এটি তৈরি হয়ে থাকে। তবে এই মিশ্রনের ওপর নির্ভর করে শিল্পের স্হায়িত্ব, মসৃণতা ও উজ্জ্বলতা। বিষয়টি কারিগর সম্প্রদায়ের অতি গোপনীয় বিষয় বলে জানিয়েছে।

স্হানীয় একটি কাঁসা কারখানার মালিক উত্তম কুমার কর্মকার বলেন, শিল্পটি বাঁচিয়ে রাখতে মসলিন শিল্পের মতো সরকারি সাহায্য সহযোগিতার প্রয়োজন। বিশেষ করে টিন (রাং) মালেশিয়া থেকে আমদানি করতে হয়। পাশাপাশি স্বল্প সুদে ব্যাংক ঋণের ব্যবস্হা করে উত্পাদিত কাঁসার পণ্য বহির্বিশ্বে বাজারজাত করতে হবে। কাঁসাশিল্পী লাল মিয়া, শরিফ উদ্দিন, সাহেব আলী, অবিজল এনামুল হক জানান, উত্পাদিত পণ্য কম বিক্রির কারণে কারখানার মালিকগণ স্বল্পসংখ্যক পণ্য তৈরি করে থাকেন। দৈনিক ৫০০ টাকা বেতনে তাদের পোষায় না।

ইসলামপুরের কাঁসাশিল্প সমিতির সভাপতি নারায়ণ চন্দ্র কর্মকার ও সাধারণ সম্পাদক অঙ্কনচন্দ্র কর্মকার জানান, তারা বংশগত ঐতিহ্য এবং পেশাগত দিক থেকে এই শিল্পটি ধরে রেখেছেন। বর্তমানে তামা ও টিনের দাম অত্যধিক বেশি। তাই ১ কেজি কাঁসা তৈরিতে খরচ পড়ে ২ হাজার ৩০০ টাকা। বিক্রি করতে হয় ২ হাজার ৫০০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৩ হাজার টাকা।

প্লাস্টিক-মেলামাইনের তৈজসপত্রের ভিড়ে ক্রেতারা এত উচ্চমূল্যের কাঁসার তৈজসপত্র কিনতে চান না। এ কারণে কারিগরদের সঠিকভাবে বেতন দেওয়া সম্ভব হয় না। তাই তাদের বর্তমানে দুর্দিন চলছে। অনেকেই বাঁচার তাগিদে এ পেশা ছেড়ে দিয়ে অন্য পেশায় চলে যাচ্ছেন। এভাবে চলতে থাকলে ভবিষ্যতে এ শিল্পটিও মসলিন শিল্পের মতো বিলীন হয়ে যাবে। সূত্র: ইত্তেফাক

শিল্প সংশ্লিষ্টদের আবেদন, কাঁচামালের দাম কমিয়ে সহজ শর্তে ব্যাংক ঋণ প্রদানের ব্যবস্হা করলে শিল্পটি ধরে রাখা সম্ভব হবে। এ বিষয়ে স্হানীয় সংসদ সদস্য ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক খান দুলাল বলেন, আধুনিক যন্ত্রপাতিসহ কাঁচামাল আমদানির ব্যাপারে সরকারের দায়িত্বশীল ব্যক্তিবর্গ উদ্যোগ নিলে শিল্পটি বিলুপ্তি থেকে রক্ষা পাবে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর সর্বশেষ

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - কৃষি ও আবহাওয়া

সর্বোচ্চ পঠিত - কৃষি ও আবহাওয়া

কৃষি ও আবহাওয়া এর সব খবর