a
সংগৃহীত ছবি
লিচু গাছে আমের ফলন, লিচুর গাছে লিচুই ধরবে এটাই স্বাভাবিক কিন্তু যদি লিচু গাছে আম ধরে? অবাক হওয়ার বিষয় নয় কি? হ্যা এমনটিই ঘটেছে ঠাকুরগাঁওয়ে। ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার ছোটবালিয়া সিংগিয়া কলোনিপাড়া গ্রামে গিয়ে এই ঘটনা দেখা যায়।
ওই গ্রামের আব্দুর রহমানের বাড়িতে একটি লিচু গাছের একটি ডালে ছোট ছোট নয়টি লিচু ধরেছে। একটি থোকায় লিচুর সঙ্গে আমও ধরেছে। এ ঘটনা এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। এলাকার লোকজন ঘটনাটি দেখার জন্য ভিড় করছে আব্দুর রহমানের বাড়িতে। মুহূর্তেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি ছড়িয়ে পড়ে ও দূর দূরান্তের লোকজন সেখানে গিয়ে নিজের চোখে দেখে আসছে।
এ বিষয়ে বালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নূরে আলম মুক্তি বলেন, ‘ঘটনাটি অলৌকিক। এ জাতীয় ঘটনা এর আগে চোখে পড়েনি।’
এ ব্যাপারে ঠাকুরগাঁও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কৃষি কর্মকর্তা (প্রশিক্ষণ) মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘লিচু গাছে আম ধরার বিষয়টি একটি ব্যতিক্রম ঘটনা। এর কোনো বৈজ্ঞানিক কারণ বা ব্যাখ্যা নেই।’
তবে লিচুর আকৃতির পরিবর্তন হয়ে এমন হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছেন এই কৃষি কর্মকর্তা।
ফাইল ছবি
শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ায় অধিকাংশ কারখানা ঈদুল আজহার ছুটি ঘোষণা করায় পোশাক শ্রমিকদের বড় একটি অংশই গ্রামের বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন। সাভারে ঢাকা-আরিচা, নবীনগর-চন্দ্রা ও টঙ্গী-আশুলিয়া-ইপিজেডসহ শাখা সড়কে প্রায় ২৭ কিলোমিটার যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। কয়েক কিলোমিটার সড়ক পাড়ি দিতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকতে হচ্ছে যাত্রীদের।
পাশাপাশি গণপরিবহন সংকট ও অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ে ঈদে ঘরমুখো মানুষের দুর্ভোগ চরমে উঠেছে। শুক্রবার সকালে সাভারে ঢাকা-আরিচা, নবীনগর-চন্দ্রা ও টঙ্গী-আশুলিয়া-ইপিজেডসহ শাখা সড়কগুলোতে এরকম দৃশ্য চোখে পড়ে।
ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে এরই মধ্যে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে আশুলিয়ার কারখানাগুলোতে। তাই বাসস্ট্যান্ডগুলোতে ঘরমুখো মানুষের উপচেপড়া ভিড় দেখা গেছে। কেউ আবার বাসের অগ্রিম টিকিট কেটে রেখেছিলেন। কেউবা চলতি গাড়িতেও নানা ঝক্কি-ঝামেলা ঠেলে ওঠে যাচ্ছেন। তবে, যাত্রীর তুলনায় অপ্রতুল গণপরিবহন। তাই অনেকেই ট্রাক ও পণ্যবাহী গাড়িতে করে বাড়ির উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন।
অপরদিকে, সাভারের চারদিকে সৃষ্টি হয়েছে তীব্র যানজট। তিনটি সড়কের ২৭ কিলোমিটার পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে যানবহনের জটলা। ফলে ভোগান্তিতে পড়েছে ঘরমুখো মানুষ। নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কের দুই লেনে পল্লীবিদ্যৎ এলাকা থেকে জিরানী পর্যন্ত আট কিলোমিটার যানজট। এছাড়া টঙ্গী-আশুলিয়া-ইপিজেড সড়কে বাইপাইল থেকে জামগড়া ও ধাউর থেকে আশুলিয়া বাজার পর্যন্ত ১২ কিলোমিটার যানজট।
অন্যদিকে, ঢাকা-আরিচা মহাড়কে গাড়ির চাপ না থাকলেও গাবতলী থেকে ৭ কিলোমিটার যানজট সৃষ্টি হয়েছে বলে জানা গেছে। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
ফাইল ছবি: প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান
প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান বলেছেন, সমাজে শালিস ও বিচারের মাধ্যমে মামলা কমানো সম্ভব। এজন্য সবাইকে নিজ নিজ জায়গা থেকে উদ্যোগ নিতে হবে।
মঙ্গলবার সকালে নাটোর জজ আদালত চত্বরে বিচারপ্রার্থীদের জন্য বিশ্রামাগার ‘ন্যায়কুঞ্জ’ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধান বিচারপতি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চিন্তা করেছেন যে, দেশের সকল মানুষের আইনের আশ্রয়ের অধিকার এবং সাংবিধানিক অধিকার রয়েছে। সেই অধিকার প্রয়োগ করতে মানুষ আসেন। সেই কষ্ট দূর করতে এ বিশ্রামাগার নির্মাণ করা হয়েছে। সারা বাংলাদেশে ৬৪ জেলায় এই বিশ্রামাগার নির্মাণের প্রজেক্ট হাতে নেওয়া হয়েছে। এক-দুইটি ছাড়া প্রায় সবগুলো সম্পন্ন হয়েছে।
এসব বিশ্রামাগারে বিচারপ্রার্থীরা এসে সময় কাটাতে পারবেন। আগে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে বিশ্রামাগার ছিল না। বিচারপ্রার্থীরা এসে বাড়ি চলে যেত। কোথাও বসার জায়গা ছিল না। এখন তারা ইচ্ছা করলেই বসে বিশ্রাম নিতে পারবেন। অনেক সময় বিচার কাজ হতে দেরি হয়, সেক্ষেত্রে বিচারপ্রার্থীরা বিশ্রামাগারে বসে সময় কাটাতে পারবেন।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল হাসান বলেন, আমরা খুব চেষ্টা করছি মামলা শেষ করতে। সমাজে কিছু হলেই আমরা দৌড়ে মামলা করতে চলে যাই। যদি এটা কমে যায়, তাহলে অনেক অংশে মামলা কমে যাবে। এত মামলা শেষ করতে পারেন না বিচারকরা। প্রতি বছর ১০০ বিচারক নিয়োগ করা হয়। একজন বিচারক নিয়োগের পর মামলা বিষয়ে জানতে হয়, দক্ষ হিসেবে গড়ে তুলতে সময় লাগে। একটি পরিসংখ্যানে দেখেছি, তারা প্রতি বছর নতুন দায়েরকৃত মামলা ৮০% শেষ করতে পারেন। বাকি ২০% থেকে যায়। যদি মামলা দায়ের প্রবণতা না কমে, তাহলে মামলা কোনো দিনই শেষ হবে না। সমাজে কোনো ঘটনা দ্রুত মামলা দায়ের না করে সামাজিক শালিস ও বিচারের মধ্য দিয়ে মীমাংসা করলে কমে যাবে।
তিনি বলেন, আগের দিনে মানুষ সমাজে বিচার-শালিসের মাধ্যমে ঘটনা নিষ্পত্তি করতো। তুচ্ছ ও সাধারণ ঘটনা নিয়ে আমরা মামলা দায়ের করব না। তাহলে মামলার সংখ্যা কমে আসবে। এজন্য সবাইকে উদ্যোগ নিতে হবে।
এসময় নাটোর জেলা ও দায়রা জজ অম্লান কুসুম জিষ্ণু, নাটোরের জেলা প্রশাসক আবু নাছের ভূঁঞা, পুলিশ সুপার মো. তারিকুল ইসলাম, নাটোর জজ কোর্টের পিপি মো. সিরাজুল ইসলাম, নাটোর জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি রুহুল আমিন টগর, জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো. মশিউর রহমানসহ জেলার সকল কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সূত্র: বিডি প্রতিদিন