a
সংগৃহীত ছবি
লিচু গাছে আমের ফলন, লিচুর গাছে লিচুই ধরবে এটাই স্বাভাবিক কিন্তু যদি লিচু গাছে আম ধরে? অবাক হওয়ার বিষয় নয় কি? হ্যা এমনটিই ঘটেছে ঠাকুরগাঁওয়ে। ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার ছোটবালিয়া সিংগিয়া কলোনিপাড়া গ্রামে গিয়ে এই ঘটনা দেখা যায়।
ওই গ্রামের আব্দুর রহমানের বাড়িতে একটি লিচু গাছের একটি ডালে ছোট ছোট নয়টি লিচু ধরেছে। একটি থোকায় লিচুর সঙ্গে আমও ধরেছে। এ ঘটনা এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। এলাকার লোকজন ঘটনাটি দেখার জন্য ভিড় করছে আব্দুর রহমানের বাড়িতে। মুহূর্তেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি ছড়িয়ে পড়ে ও দূর দূরান্তের লোকজন সেখানে গিয়ে নিজের চোখে দেখে আসছে।
এ বিষয়ে বালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নূরে আলম মুক্তি বলেন, ‘ঘটনাটি অলৌকিক। এ জাতীয় ঘটনা এর আগে চোখে পড়েনি।’
এ ব্যাপারে ঠাকুরগাঁও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কৃষি কর্মকর্তা (প্রশিক্ষণ) মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘লিচু গাছে আম ধরার বিষয়টি একটি ব্যতিক্রম ঘটনা। এর কোনো বৈজ্ঞানিক কারণ বা ব্যাখ্যা নেই।’
তবে লিচুর আকৃতির পরিবর্তন হয়ে এমন হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছেন এই কৃষি কর্মকর্তা।
ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
হবিগঞ্জ জেলা সদরের সুতাং নদীতে প্রাণ আর এফ এল কোম্পানীর ফেলানো বর্জ্যে এতই দূর্গন্ধ ছড়াচ্ছে যে, ঐ এলাকার জনজীবন হুমকির সম্মুখীন। লোক মুখে শোনা যায় যে, সুতাং নদীর বিষাক্ত পানিতে মাছ পর্যন্ত টিকছেনা।
মুক্তসংবাদ প্রতিদিনের হবিগঞ্জ জেলার প্রতিনিধি শেখ আব্দুল কাদির কাজল সরোজমিনে সুতাং নদীর তীরে সাধুর বাজারে গেলে, সেখানকার বাতাসে নদীর দূর্গন্ধযুক্ত হাওয়া নাকে লাগলে- তাৎক্ষণিক হাঁচি উঠে এবং সেখানে টিকে থাকা বড়ই কষ্টকর বলে জানান।
কেমিক্যাল এর পঁচা দূর্গন্ধযুক্ত বাতাস জনজীবনে মহাবিপর্যয় ঘটবে বলেই আশংকা করছেন স্থানীয় লোকজন। তাই এ বিষাক্তযুক্ত পানি নিষ্কাশনে বিকল্প ব্যবস্থা না করলে এখানকার আশে পাশে লোকজন বসবাস করা অসম্ভব হয়ে পড়বে।
তাই পরিবেশ অধিদফতরসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সংস্থার নিকট জোর দাবী, অতি সত্বর এখানকার বিষাক্ত পানিকে নিষ্কাষনের ব্যবস্থা করা এবং ভবিষ্যতে কোন কোম্পানির কেমিক্যালের দুর্গন্ধযুক্ত পানি সুতাং নদীর সাথে সংযোগ স্থাপন না করা হয়।
ছবি সংগৃহীত
নিউজ ডেস্ক: স্মার্টফোন এখন সবারই নিত্যসঙ্গী। যেখানেই যাওয়া হয় এবং কোন কাজ করা হয় তা প্রায় সবই ফ্রেমবন্দি করা হয়।
পছন্দের ছবির পাশাপাশি মোবাইল ভরে উঠছে অপ্রয়োজনীয় ছবি ও ভিডিও। ফোনের স্টোরেজ ভরে গিয়ে হ্যাং হয়ে যাচ্ছে। জরুরি মুহূর্তে কোনো ছবি রাখা যায় না। এমতাবস্থায় কোন ছবি রাখব, আর কোন ছবি ডিলিট করা হবে তা নিয়েও দোটানা। এ পরিস্থিতিতে জেনে নেওয়া যাক— কীভাবে ফোনকে ঠিক রেখে হাজার হাজার অপ্রয়োজনীয় ছবি ডিলিট করা যায়।
মোবাইলের ছবি নিরাপদে গুছিয়ে রাখার সহজ উপায় হলো— ফটো স্টোরেজ সফটওয়্যারের ব্যবহার। আইফোন হলে অ্যাপল ফটো এবং অ্যান্ড্রয়েডের জন্য গুগল ফটোঅ্যাপ। দুই অ্যাপেই ছবি সুরক্ষিত রাখা যায় এবং অনলাইনে আদানপ্রদানও করা যায়। ফলে ফোনে থাকা ছবি অনায়াসে মুছে ফেলতে পারা যাবে এবং এখানে জমা করা যাবে। এক্ষেত্রে অ্যাপেলে ৫ জিবি আইক্লাউড স্পেস থাকে বিনামূল্যে, এরপরে বাড়তি জায়গার প্রয়োজন হলে টাকা দিয়ে তা কিনতে হয়। গুগল ড্রাইভে ১৫ জিবি ফটো জমিয়েও রাখা যায়।
এ ছাড়া বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমের পাশাপাশি হোয়াটসঅ্যাপ থেকে মোবাইলে অটো ডাউনলোড হতে থাকে অপ্রয়োজনীয় ছবি ভিডিও। ফলে ফোনের সেটিংসে গিয়ে ‘অটো-ডাউনলোড’ অপশন বন্ধ করে এই ধরনের সব অপ্রয়োজনীয় ছবি ভিডিও মুছে ফেলা যায়।
ক্যামেরা, ডাউনলোড, হোয়াটসঅ্যাপ ইমেজে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা ছবিগুলো বিভিন্ন অ্যালবাম তৈরি করে রাখলে, তাতে অপ্রয়োজনীয় ছবিগুলো ডিলিট করা সহজ হবে। আর ছবিও খুঁজে পাওয়া সহজ হবে। সূত্র: যুগান্তর