a
ফাইল ছবি
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ১৫তম ব্যাচের এক শিক্ষার্থীর বাবা বেশ কয়েকদিন যাবত COVID-19 এ আক্রান্ত হয়ে নারায়ণগঞ্জ খানপুর হসপিটালে ভর্তি আছেন। তিনি দীর্ঘ ৮/৯ বছর ধরে হার্টের সমস্যা ভুগছেন।
বর্তমানে উনার ফুসফুস ৫০% নষ্ট হয়ে গেছে, সে জন্য ডাক্তার ২৪ ঘন্টা অক্সিজেন দিয়ে রেখেছেন। ডাক্তার ২০ এপ্রিল (মঙ্গল বার ) বলেছেন তাকে দ্রুত ICU তে নিতে হবে, তা না হলে অবস্থা খারাপের দিকে চলে যাবে।
এমতাবস্থায়, উন্নত চিকিৎসা জন্য জবি শিক্ষার্থী বলেন, আমাদের পরিবারে বাবা ব্যতীত আয় রোজগারের আর কেউ নেই। যা টাকা ছিল সব কিছুই বাবার চিকিৎসার পেছনে এতদিন খরচ হয়ে গেছে।
এছাড়া কিছুদিন আগে আমার আম্মাও করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন এবং তার পেছনেও টাকা খরচ হয়েছে। বর্তমানে আমার বাবার উন্নত চিকিৎসার জন্য সবার নিকট সহযোগিতা চাই। জবিয়ান সাবেক ও বর্তমান সকলের কাছে আমার আবেদন রইলো।
সহযোগীতা পাঠানোর মাধ্যমঃ
মোবাইলঃ 01852059425; বিকাশঃ 01852059425; নগদঃ 01852059425
রকেটঃ 017375969091
আমরা এই মহামারীতে যার যেমন সামর্থ্য অসহায় জবিয়ানের এই পরিবারের পাশে দাঁড়াই।
ফাইল ছবি
গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর উপজেলায় বাড়ির ছাদে আর্জেন্টিনার পতাকা টানাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে স্বপন মণ্ডল (৩২) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার দুপুরে উপজেলার খোর্দ্দরসুলপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। মৃত স্বপন ওই গ্রামের নওশা মণ্ডলের ছেলে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জামালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. নুরুজ্জামান মণ্ডল। তিনি বলেন, ফুটবল খেলায় আর্জেন্টিনা দলের ভক্ত ছিলেন স্বপন মণ্ডল। দুপুরে নিজ বাড়ির ছাদে উঠে পতাকা টানাচ্ছিলেন তিনি। এসময় বাড়ির পাশ ঘেঁষে যাওয়া বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে পড়েন।
পরে ছাদ থেকে মাটিতে পড়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন স্বপন। পরিবারের লোকজন তাকে দ্রুত উদ্ধার করে সাদুল্যাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয় বলে জানান তিনি।
সাদুল্যাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুদ রানা বলেন, ঘটনাটি তিনি লোকমুখে শুনেছেন। তবে কেউ কোনো লিখিত অভিযোগ করেননি।
ফাইল ছবি
একই দেশের দুই রাজ্যের পুলিশের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় অন্তত পাঁচ সদস্য নিহত হয়েছে। সম্প্রতি ভারতের উত্তর-পূর্বের আসাম-মিজোরাম সীমান্তে হঠাৎ করেই এমন ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আরও অন্তত অর্ধশতাধিক পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।
মিজোরামের সঙ্গে প্রায় ১৬৪ কিলোমিটার সীমান্ত ভাগাভাগি করেছে আসাম। এই সীমান্ত নিয়েই দীর্ঘদিন ধরে দুই রাজ্যের মধ্যে উত্তপ্ত অবস্থা বিরাজ করছে। তবে এই প্রথমবারের মতো দুই রাজ্যের পুলিশ সদস্যরা সরাসরি বন্দুকযুদ্ধে জড়িয়ে পড়লো। গোলাগুলির ঘটনায় নিহত পুলিশ অফিসারদের সবাই আসাম রাজ্যের।
এদিকে দুই রাজ্যের পুলিশ সদস্যদের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধের ঘটনার পর রাজ্যদুটির প্রধানমন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা একে অপরের ওপর দোষ চাপাচ্ছেন। পরস্পরের দাবি, অপরপক্ষই এই উত্তেজনাকে উস্কে দিয়েছে।
১৯৯৪ সাল থেকে ফেডারেল সরকার রাজ্যগুলোর মধ্যে মধ্যস্থতার চেষ্টা করছে। তবে এখন পর্যন্ত সেই পদক্ষেপের কোনো অগ্রগতি হয়নি।
এ ঘটনার পর সোমবার আসাম ও মিজোরামের প্রধানমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব সারমা এবং জোরামথঙ্গার সঙ্গে কথা বলেন দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এ সময় তিনি দুজনকেই যত দ্রুত সম্ভব সমস্যার সমাধান খুঁজে বের করে সীমান্তে শান্তি নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।