a
ফাইল ছবি
বিশ্বকাপজয়ী ভারতের অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনির বাবা-মা করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। রাঁচির পালস সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে ধোনির বাবা পান সিং এবং মা দেবকী দেবীকে।
মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে বুধবার কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে মাঠে যাচ্ছেন চেন্নাই অধিনায়ক ধোনি। কিন্তু ঠিক তার আগ মূহুর্তে এলো এই দুঃসংবাদ।
হাসপাতালে আপাতত নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে ধোনির বাবা-মাকে। তাদের বয়স বেশি হওয়ায় দুশ্চিন্তায় রয়েছে ধোনির পরিবার।
এদিকে আইপিএলের নিয়ম অনুযায়ী, টুর্নামেন্টের মাঝেখানে বায়ো-বাবল ছেড়ে বের হওয়ার উপায় নেই ধোনির। তাই মা-বাবার সঙ্গে আপাতত দেখা হচ্ছে না ধোনির।
ফাইল ছবি
চলতি মাসের ২১ তারিখ থেকে শুরু হতে যাওয়া শ্রীলঙ্কা-বাংলাদেশ দুই ম্যাচ টেস্ট সিরিজের আন্তর্জাতিক ধারাভষ্যকার, আম্পায়ার ও ম্যাচ রেফারির তালিকা প্রকাশ করেছে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট (এসএলসি)। আজ (১৮ এপ্রিল) এসএলসি’র দেওয়া সংবাদ বিজ্ঞপ্তি মোতাবেক ধারাভাষ্যকার হিসেবে বাংলাদেশ একমাত্র ধারাভাষ্যকার হিসেবে থাকছেন শামীম আশরাফ চৌধুরী। করোনার কারনে সীমিত করা হয়েছে ধারাভাষ্য প্যানেল সেই হিসেবে বাংলাদেশী দর্শকরা আতাহার আলীর কন্ঠ শুনতে পাবে না এই সিরিজে।
সিরিজে আম্পায়ার ও ম্যাচ রেফারির দায়িত্বে থাকা সবাই শ্রীলঙ্কান। মূলত করোনা ভাইরাস প্রভাবে গত বছর থেকেই আইসিসি নিরপেক্ষ আম্পায়ার ও ম্যাচ রেফারি নিয়োগের ক্ষেত্রে নিয়ম বেধে দিয়েছে।
সিরিজে ম্যাচ রেফারির দায়িত্ব পালন করবেন ইতোমধ্যে ১৯৭ টি টেস্ট পরিচালনার অভিজ্ঞতাসম্পন্ন রঞ্জন মাদুগালে। মাঠের আম্পায়ারের দায়িত্বে থাকবেন কুমার ধর্মসেনা ও রুচিরা পল্লিয়াগুরুগে।
টিভি আম্পায়ারের ভূমিকায় দেখা যাবে রবীন্দ্র উইমালাসিরিকে। চতুর্থ আম্পায়ার হিসেবে থাকছেন লিন্ডোন হ্যানিবাল (১ম টেস্ট), প্রগিত রাম্বুকওয়েলা (২য় টেস্ট)। রিজার্ভ আম্পায়ার প্রগিত রাম্বুকওয়েলা (১ম টেস্ট), লিন্ডোন হ্যানিবাল (২য় টেস্ট) ও রিজার্ভ ম্যাচ রেফারি হিসেবে দায়িত্ব পাচ্ছেন গ্রেইম লেব্রয়।
সিরিজে টিভি ধারাভাষ্যকার হিসেবে থাকছেন সুপরিচিত ধারাভাষ্যকার সাবেক লঙ্কান ক্রিকেটার রাসেল আরনল্ড, পারভেজ মারুফ, লঙ্কান জনপ্রিয় ধারাভাষ্যকার রোশান আবেসিংহে, পাকিস্তানি সাবেক ক্রিকেটার আমির সোহেল ও একমাত্র বাংলাদেশি ধারাভাষ্যকার শামীম আশরাফ।
দুই ম্যাচ টেস্ট সিরিজের প্রথমটি মাঠে গড়াবে ২১ এপ্রিল-২৫ এপ্রিল, দ্বিতীয় ও শেষ ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে ২৯ এপ্রিল-৩ মে। ম্যাচ দুইটি করোনার কারনে একই ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে।
ফাইল ছবি: সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান
সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান বলেছেন তিনি ইসরায়েল-হামাসের আকস্মিক হামলার পর চলমান সংঘাতের ‘বিস্তার’ রোধে কাজ করছেন। ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের সঙ্গে ফোনালাপে এ কথা বলেন তিনি। সৌদি যুবরাজ চলমান সংকটে ফিলিস্তিনিদের পাশে থাকারও আশ্বাস দেন।
মোহাম্মদ বিন সালমান ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্টকে বলেন, সৌদি আরব ফিলিস্তিনি জনগণের শান্তিপূর্ণ জীবনের বৈধ অধিকার, তাদের আশা ও আকাঙ্খা এবং ন্যায্য ও স্থায়ী শান্তি অর্জনের জন্য তাদের পাশে থাকবে।
এর আগেই ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার যে আয়োজন চলছিল তা'র ইতি টেনেছে সৌদি আরব। ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন সংঘাত শুরু হওয়ার পর এমন সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে দেশটির সরকার। এ সিদ্ধান্তের কথা যুক্তরাষ্ট্রকেও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরে জানা যায়।
গত মাসে ফক্স নিউজকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান জানান, উপসাগরের অন্যান্য দেশের উদাহরণ অনুসরণ করে এবং সৌদি-ইসরাইল চুক্তির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ‘বড় ধরনের চাপের’ মধ্যে তার দেশ ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার ব্যাপারে আরও কাছাকাছি চলে এসেছে। সূত্র: এনডিটিভি