a ঈদ উপহারের জন্য অন্তঃসত্ত্বা বউকে হত্যা
ঢাকা মঙ্গলবার, ২৮ মাঘ ১৪৩২, ১০ ফেরুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

ঈদ উপহারের জন্য অন্তঃসত্ত্বা বউকে হত্যা


এম.এস প্রতিদিন ডেস্ক
সোমবার, ১০ মে, ২০২১, ১১:৪৬
ঈদ উপহারের জন্য অন্তঃসত্ত্বা বউকে হত্যা

ফাইল ছবি

সিলেটের ওসমানীনগরে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ নিহতের স্বামী আরশ আলী ও শাশুড়ি মিনারা বেগমকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। গত রবিবার (৯ মে) দুপুরে স্থানীয় থানায় কনে পক্ষ হত্যা মামলা দায়ের করলে অভিযুক্তদের  গ্রেফতার করে জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয় আদালত।

ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে নিহতের বড় ভাই ইসলাম উদ্দিন শনিবার (৮ মে) রাতে নিহতের স্বামী এবং শ্বাশুড়িকে আসামি করে ওসমানীনগর থানায় মামালা দায়ের করেন। পুলিশ জানায়, গত শনিবার দুপুরে সিলেটের  ওসমানীনগর উপজেলার উসমানপুর ইউনিয়নের তাহিরপুর গ্রামের মৃত ইছন আলীর বাড়ি থেকে নিহত শরিফা বেগমের (২০) মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহতের শরীরে বিভিন্ন জায়গায় আঘাতের দাগ বিদ্যমান ছিল। নিহত শরিফা সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন বলে দাবি তার পরিবারের।

তবে স্বামী ও শাশুড়ির অভিযোগ ছিল, শরিফা আত্মহত্যা করেছে। কিন্তু শনিবার দুপুরে তার স্বামীর নিজ ঘরের বিছানা থেকে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ওসমানীগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শ্যামল বণিক বলেন, ‘এ ঘটনায় নিহতের ভাই মামলা দায়ের করেন। আসামীদের মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।’

এদিকে নিহত শরিফার পারিবার থেকে জানতে পারা যায়, প্রায় ৯ মাস আগে ওসমানীনগর উপজেলার উসমানপুর ইউনিয়নের তাহিরপুর গ্রামের মৃত ইছন আলীর ছেলে আরশ আলীর সঙ্গে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার পুটিয়া গ্রামের শাকিম উল্লাহর ছোট মেয়ে শরিফার। বিয়ের অল্পকিছুদিন পর থেকেই যৌতুকসহ নানা কারণে স্বামী আরশ আলী ও শাশুড়ি মিনারা বেগম তার ওপর বিভিন্ন সময় অত্যাচার নির্যাতন শুরু করেন। বিষয়টি নিহতের পরিবার জানা সত্ত্বেও শরিফা অন্তঃসত্ত্বা হওয়ায় কারণে তার বাবা মা তাকে এসব সহ্য করে শ্বশুরবাড়িতেই থাকার কথা বলে।

পরিবারের অভিযোগ, এই রমজানে আরশ আলী শ্বশুরবাড়ি বেড়াতে যান। এ সময় ইফতার দিতে কিছুটা  দেরি করার নানা কথা শোনান স্বামী। এছাড়া তাকে কেন আলাদাভাবে সাজানো থালায় ইফতার দিল না এ নিয়ে তাদের উভয়ের মাঝে তুমুল ঝগড়া হয়।

গত শুক্রবার (৭ মে) সন্ধ্যায় শরিফার বাবা তার স্বামীসহ অন্যান্য সদস্যদের জন্য ঈদের উপহার এখনো কেন নিয়া আসে নাই তা নিয়ে আবার ঝগড়া শুরু হয়। ঘটনার একপর্যায়ে শরিফাকে তার স্বামী ও শাশুড়ি মারধর করে। বিষয়টি সাথে সাথেই তার ভাইকে ফোন করে জানান শরিফা। পর সাহরির সময়ে শরিফার মোবাইল বন্ধ পান তার পরিবার। পরে যখন নতুন জামা কাপড় নিয়ে শরিফার বোন রওয়ানা হন পথিমধ্যে খবর পান শরিফা ভীষণ অসুস্থ তার এসে দেখেন তার বোন চিরতরে ঘুমিয়ে গেছে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / khurshedalm@msprotidin.com

ব্যবসায়ী মাইনুদ্দীন হাওলাদারকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির প্রতিবাদ


সাইফুল আলম, বিশেষ প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
রবিবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৫, ০২:৪৮
ব্যবসায়ী মাইনুদ্দীন হাওলাদারকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির প্রতিবাদ

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

 

সাইফুল আলম, ঢাকা:  রাজধানীর মিরপুরের পাইকপাড়ায় মাইনুদ্দীন হাওলাদার নামে ব্যবসায়ীকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেন। আজ রোজ শনিবার, দুপুর ১২টায় বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টারস এসোসিয়েশন (ক্র্যাব) মিলনায়তনে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন ভুক্তভোগী নিজেই। 

মাইনুদ্দীন হাওলাদার উপস্থিত সকলকে যথাযথ সম্মানপূর্বক বলেন, আমি নিম্মস্বাক্ষরকারী মো: মাইনুদ্দীন হাওলাদার। পিতার নাম : মুজিবুল হক। মাতার নাম : ছকিনা খাতুন। বর্তমান ঠিকানা:- বাসা- নং- ৩৩৮/১, দক্ষিণ পাইকপাড়া, থানা- মিরপুর, জেলা- ঢাকা- ১২১৬। স্থায়ী ঠিকানা:- বাসা- নং- গ্রাম- ধনিয়া, পো: তুলাতলি বাজার, থানা- ভোলা সদর, জেলা- ভোলা। এনআইডি নং ৯৫৫ ২০৫ ৫৪১১। পেশা : ব্যবসা। ধর্ম- ইসলাম। জাতীয়তা- বাংলাদেশী। জন্ম তারিখ- ০১/০২/১৯৭২ ইংরেজী।

গত ০৯/০৪/২০১৫ইং তারিখ একটি জাতীয় দৈনিকে আমাকে নিয়ে একটি মিথ্যা নিউজ প্রকাশিত হয়। যাহা মিথ্যা, বানোয়াট, উদ্দেশ্য প্রণোদিত ও হয়রানি মূলক বটে। তথাকথিত পত্রিকায় আমাকে ঢাকা মিরপুর থানা আওয়ামী লীগের সদস্য ও থানা মৎস জীবী লীগের সহ-সভাপতি বানিয়ে সংবাদ প্রচার করা হয়। এরপ্রেক্ষিতে গত ৪ আগষ্ট ২০২৪ ইং তারিখের ছাত্র হত্যা মামলার আসামী উল্লেখ করা হয় এবং বিএনপির বিরুদ্ধে কুৎসা রটিয়ে বিএনপি'কে মিডিয়া ট্রায়ালের মূখোমুখি দাড় করানোর চেষ্টা করা হয়।

উক্ত নিউজ প্রকাশ করার কারণে আমার এলাকায় (কল্যাণপুর) সামাজিক ও ব্যবসায়ীক হেও প্রতিপন্নসহ মান সম্মান ক্ষুণ্য হয়। আমি উক্ত প্রকাশিত নিউজের তিব্র প্রতিবাদ জনাচ্ছি এবং প্রকাশিত মিথ্যা, বানোয়াট, উদ্দেশ্য প্রণোদিত ও হয়রানি মূলক নিউজটি'র প্রতিবাদ প্রকাশের জন্য অনুরোধ করছি।

সম্মানিত কলম সৈনিকেরা, আমি বাংলাদেশের কোন রাজনৈতিক দলের সাথে সরাসরি বা পরোক্ষ ভাবে জড়িত নই। আমি একজন কল্যাণপুর নতুন বাজারের স্থানীয় ব্যবসায়ী এবং বাজারের পাশের একটি মসজিদ/মাদ্রাসার সভাপতি হিসেবে দায়ীত্ব পালন করে আসিতেছি। তবে যখন যে সরকার ক্ষমতায় এসে মসজিদ/মাদ্রাসায় দান খয়রাত ও কম্বল বিতরণ করতো আমি সভাপতি হিসেবে পাশে থাকতে হতো এবং সেখানে তাদের দলীয় লোক ও অন্যান্যরা ছবি তুলতো এ ছাড়া আমার জানা মতে আর কোন কিছুই নেই। ০৪ আগষ্ট ২০২৪ তারিখের ঘটনায় জড়িত থাকার অজুহাত দেখিয়ে আমাকে গত ০৮/০৪/২০২৫ ইং তারিখ রাত আনুমানিক ১০.০০ ঘটিকার সময় পুলিশ কল্যাণপুর নতুন বাজার এলাকা থেকে আটক করে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে উপস্থিত বাজারের ব্যবসায়ীরা ও উৎসুক জনতার বাধার মূখে পরে ছেড়ে দেন। পরবর্তীতে ০৯/০৪/২০২৫ ইং তারিখ পত্রিকা'র নিউজ থেকে আমি জানতে পারিয়ে, ছাত্র ০৪ আগষ্ট ২০২৪ ইং এর ছাত্র হত্যা মিরপুর থানার মামলা নং ১৯ (৮) ২৪ বাদী- লোকমান (৫০), পিতা- সিরাজ মিয়া কর্তৃক একটি মামলায় ২৩ নং আসামী করা হয়। 

একই দিন কল্যাণপুর এলাকার জন মানুষ ও ভিকটিমের বোনের ডিভিসি টিভিতে একটি সাক্ষাৎকার এর ফুটেজ থেকে জানা যায় যে, উক্ত ছাত্র টি ঢাকা বংশাল থানা এলাকায় ০৫ আগষ্ট ২০২৪ ইং মারা যায়, মামলাটি বংশাল থানায় না করে মিরপুর করা হয়, মামলাটি ০৫ আগষ্ট ২৪ না দেখিয়ে ৪ আগষ্ট ২৪ দেখিয়ে ভূল ঘটনার স্থান দেখানো হয় যাহা মামলার মেরিট নষ্ট করে দেওয়া হয়। মামলার বাদীকে ভিকটিম এর পরিবার চিনেন না, মামলায় লাশ রিসিভ দেখানো হয় ঢাকা মেডিকেল অথচ ভিকটিম এর পরিবার লাশ রিসিভ করেন মিডফোর্ট হাসপাতাল থেকে, আর যারা মামলার আসামী তাদেরকে ভিকটিম এর পরিবার চিনেন না ইত্যাদি।

বিগত ফ্যাসিষ্ট সরকারের আমলে আমি দেখতে ও শুনতে পেতাম কিছু পুলিশ ও অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থা গুলোর কিছু অসাধু সদস্যরা গুম, খুন, মিথ্যা মামলা, গায়েবী মামলা ও আয়না ঘর বানানোসহ এসব বে-আইনি কাজ করতেন। যার ফলে ঐ ফ্যাসিষ্ট সরকারকে পছন্দ করতাম না। পরবর্তীতে ফ্যাসিষ্ট সরকার পতনের পর সারা দেশের মানুষের স্বস্থি ফিরে আসলো, সাথে আমারও ভালো লাগলো যে, এবার জনবান্ধব বা জন মানুষের সরকারের পুলিশ দেখতে পাবো কিন্তু সে আশায় গুড়েবালি পরলো। এখন নিজেকেই অপরাধী মনে হচ্ছে যে, কি চাইলাম আর কি পেলাম, বর্তমানে আমার স্থানীয় ভাবে মান সম্মন সবই গেল। 

আমি খুবই অসহায় জীবন যাপন করেতিছি। ০৪ আগষ্ট ২০২৪ ইং তারিখ আমি যে কল্যাণপুর নতুন বাজার উপস্থিত ছিলাম তার সিসি টিভি ফুটেজ সংরক্ষণ করা আছে। তবে আমি যদি বিগত ফ্যাসিষ্ট সরকারের কোন অপরাধের সাথে জড়িত থাকার তথ্য আপনি বা আপনারা খুঁজে পান তাহলে আপনাদের যে কোন শাস্তি মাথা পেতে নিব। যে কোন বিচারের কাঠ ঘড়ায় দাঁড়াতে আমার কোন আপত্তি থাকবে না।

সম্মানিত কলমযোদ্ধা, আপনাদের লেখনির মধ্য দিয়ে আমার উপর এই মিথ্যা মামলা ও হয়রানির বিষয়টি কিছুটা হলেও লাঘব হবে। দয়া করে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির প্রতিবাদ সংবাদটি সবাই প্রকাশ করে জাতির কাছে এর সত্যতা তুলে ধরবেন।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

জার্মানি বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় জাহাজ আটক করেছে


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শুক্রবার, ২৭ আগষ্ট, ২০২১, ০৯:৫০
জার্মানি বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় জাহাজ আটক করেছে

ফাইল ছবি

বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী নতুন একটি জাহাজ আটক করেছে জার্মানি। ২৩ আগস্ট জার্মানির ব্রেমেন বন্দরে জাহাজটিকে আটক করা হয়। আটক জাহাজটির নাম এমটি বাংলার অগ্রদূত।

সেখানকার কর্তৃপক্ষ বলছে, জাহাজটিতে ২৭টি ত্রুটি শনাক্ত করেছে জার্মানির পোর্ট স্টেট কন্ট্রোল বা পিএসসি।

ইউরোপিয়ান মেরিটাইম সেফটি এজেন্সির ওয়েবসাইটের তথ্য বলছে, জাহাজটি রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের (বিএসসি)। এটি তেল পরিবহনকারী জাহাজ।

এ ঘটনায় গেল বৃহস্পতিবার (২৬ আগস্ট) বাংলাদেশের নিবন্ধনকারী কর্তৃপক্ষ নৌ বাণিজ্য কার্যালয় থেকে একটি আদেশ জারি করা হয়েছে। 

এতে বলা হয়েছে, অসংখ্য ত্রুটি নিয়ে বাংলাদেশি পতাকাবাহী জাহাজ আটকের ঘটনা উদ্বেগের বিষয়। জাহাজের নাম উল্লেখ না করে সেখানে আরও বলা হয়, বেশিরভাগ ত্রুটিই জাহাজ ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনা সম্পর্কিত। এটি দুর্বল ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনার প্রতিফলন। বারবার এ ধরনের ঘটনার কারণে যাতে ওই সব অঞ্চলে বাংলাদেশি পতাকাবাহী জাহাজ কালো তালিকাভুক্ত না হয়, সে জন্য কঠোরভাবে নিয়মকানুন অনুসরণ করতে হবে।

জানা গেছে, এই জাহাজটি সময় ভিত্তিতে ভাড়া দেওয়া সিঙ্গাপুরের একটি কোম্পানির কাছে।  জাহাজটিতে কর্মরত রয়েছেন বাংলাদেশি নাবিকেরা।

আদেশ জারির বিষয়ে নৌ বাণিজ্য কার্যালয়ের মুখ্য কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন গিয়াস উদ্দিন গণমাধ্যমকে বলেন, বাংলাদেশে নিবন্ধিত সমুদ্রগামী জাহাজগুলো যাতে আন্তর্জাতিক নিয়মকানুন প্রতিপালন করে, বহির্বিশ্বে যেন বাংলাদেশের সম্মান ক্ষুণ্ন না হয়, সে জন্যই এই পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। 

জাহাজটির নির্মাণ সংক্রান্ত কোনো ত্রুটি নেই দাবি করে বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) কমোডর সুমন মাহমুদ বলেন, করোনার কারণে কাগজপত্র হালনাগাদ করা হয়নি।  তাই সমস্যা হয়েছে।  এখন হালনাগাদ করা হয়েছে।  জাহাজটি বন্দর ত্যাগের অনুমতি পাবে শিগগিরই। সূত্র: যুগান্তর

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - অপরাধ