a রিকশাচালকের টাকা কেড়ে নেওয়ার অভিযোগে তিন পুলিশ সদস্য বরখাস্ত
ঢাকা শনিবার, ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪৩২, ২৯ নভেম্বর, ২০২৫
https://www.msprotidin.com website logo

রিকশাচালকের টাকা কেড়ে নেওয়ার অভিযোগে তিন পুলিশ সদস্য বরখাস্ত


হানিফ, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন:
শনিবার, ০৮ মে, ২০২১, ০৫:১১
রিকশাচালকের টাকা কেড়ে নেওয়ার অভিযোগে তিন পুলিশ সদস্য বরখাস্ত

রিকশাচালক শামীম

 

ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার ভরাডোবা হাইওয়ে এলাকায় এক রিকশাচালকের কাছ থেকে ৬০০ টাকা নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ সত্যতার ভিত্তিতে তিন পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

গত শনিবার (৮মে) দুপুরে পুলিশ সদর দফতরের সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি-মিডিয়া) মো. সোহেল রানা গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ঘটনার পরদিন না খেয়েই রোজা রাখে ভুক্তভোগী ওই রিকশাচালক। ঘটনাটি গত ৪ মে মঙ্গলবার রাতের ঘটনা। ঘটনাটি জানার পর স্থানীয় উপজেলা চেয়ারম্যান আবুল কালাম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করলে বিষয়টি বাংলাদেশ পুলিশের মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স উইংয়ের নজরে আসে। পোস্টে উল্লেখ করা হয়, এক অটোরিকশাচালকের সারারাতের আয় ৬০০ টাকা নিয়ে নিয়েছে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্য।

অভিযোগটি বেশ গুরুতর হওয়ায় মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স উইং তাৎক্ষণিকভাবে বার্তাটি সংশ্লিষ্ট ইউনিট কমান্ডারের কাছে পাঠিয়ে অভিযুক্তদের দ্রুত শনাক্ত করার অনুরোধ করেন।

এরপর অভিযোগর ভিত্তিতে তিন পুলিশ সদস্যকে চিহ্নিত করে তাৎক্ষণিক এক অফিস আদেশে সাময়িকভাবে তাদের বরখাস্ত করে হাইওয়ে পুলিশের মাঠ পর্যায়ের কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দিয়ে হাইওয়ে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়।

উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার (৪ মে) মধ্যরাতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে রিকশা নিয়ে উঠার কারনে দায়িত্বরত পুলিশ ১০০০ টাকার চাঁদা দাবি করে। পকেটে এত টাকা না থাকায় ৬০০ টাকা দিয়ে নিজের রিকশা নিয়ে যেতে সক্ষম হয় রিকশাচালক শামীম। এই ঘটনায় পরবর্তীতে একাধিক অনলাইন ও জাতীয় পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর নড়েচড়ে বসে পুলিশ প্রশাসন।

মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স উইংয়ের বার্তার পরিপ্রেক্ষিতে ভালুকা হাইয়ে পুলিশের ওসি জনাব মো. মশিউর রহমান শুরুতেই আশ্বস্ত করেছিলেন অভিযোগের সত্যতা মিললে তারা ব্যবস্থা গ্রহন করবেন।

রিকশাচালক শামীম ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার গাড়াজান পন্ডিতপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। জীবনজীবিকার তাগিদে পরিবারসহ ভালুকা এমসি বাজার এলাকায় ভাড়া করা খুপরি ঘরে থাকেন এই রিকশাচালক।
 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

দ্যা নিউজ সম্পাদক ও প্রকাশকের উপর হামলার প্রতিবাদ ও মানববন্ধন


সাইফুল আলম, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শনিবার, ০১ নভেম্বর, ২০২৫, ১১:৪৭
দ্যা নিউজ সম্পাদক ও প্রকাশকের উপর হামলার প্রতিবাদ ও মানববন্ধন

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

সাইফুল আলম, ঢাকা:  বাংলাদেশ সরকারের নিয়ম নীতি মেনে সুনামের সাথে ১৪ বছর ধরে চলমান দ্যা নিউজ ডটকম (thenewse.com) এর সম্পাদক ও প্রকাশক প্রমিথিয়াস চৌধুরীকে ইসকন এর ট্যাগ লাগিয়ে খোলা বাজারে টর্চার, জিম্মি করে স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর এবং ব্যাংকের চেকের পাতা নেওয়া, বার্তা সম্পাদক তৃণা রায় চৌধুরীকে মুসলিম পুরুষদের দিয়ে গ্যাং রেপের প্রকাশ্য হুমকির প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানব বন্ধন। আজ ১ নভেম্বর সকাল ১১ ঘটিকায় রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, দ্যা নিউজ ডটকম এর সম্পাদক ও প্রকাশক প্রমিথিয়াস চৌধুরী বাংলাদেশ সরকারের নিয়ম নীতি মেনে সুনামের সহিত ১৪ বছর ধরে দেশে তথ্যসেবা দিয়ে আসছে। বরিশাল জেলার আগৈলঝাড়া থানাধীন পশ্চিম গোয়াইল গ্রামে দ্যা নিউজের কর্ণধারের পৈত্রিক বাড়ীতে আশ্রম নির্মাণ করে ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, আশ্রয়ের জন্য কাজ করছেন। সম্পাদক মহোদয়কে ২৯ অক্টোবর বুধবার বেলা ১টার দিকে স্কুল বন্ধু হালান মোল্লা কল করে বাশাইল বাজারে ডাকেন। সেখানে হালানের টিনের দোকানে সম্পাদক পৌঁছালে ইতিমধ্যে নিজাম মোল্লা হালান ও সাহানুর ওরফে শাহিন পেদা নিজেদের লেনদেন নিয়ে ঝগড়া শুরু করে এক পর্যায়ে সম্পাদককে উল্লেখ করে বলে ওঠে, ও তো ইসকনের দালাল, ও কোথাও কিছু খায়না, ওকে ছাড়া যাবে না। নাম না জানা আরো অনেকে তাকে ঘিরে ধরে। সম্পাদকের সাথে অকথ্যভাষায় গালাগালি করার প্রতিবাদ করলেই শারিরিক হামলা চালায়।  তিনি স্তম্ভিত ও হতভম্ভ হয়ে বসে পড়েন। নিজাম মোল্লা হালান ও কয়েকজন তাদের কিনে আনা স্ট্যাম্পে সম্পাদকের সই নেয়, ব্যাঙ্কের চেক পাতা ও জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটোকপি করে নেয়। তারা সমানে হুমকি দিতে থাকে, চেক ও স্ট্যাম্পে সই না দিলে এখান থেকে ছাড়বো না। সম্পাদক সাহেব আওয়ামী লীগ, বিএনপি কোন রাজনীতির সাথে যুক্ত না অথচ ওরা সবাই ছিল আওয়ামী লীগ পন্থি অথচ সেই হালান বলে, তোদের মা হাসিনা পালিয়েছে, তোরা হিন্দুরা বাংলাদেশে কিভাবে থাকবি? এসময় মোল্লা নিজাম হালান আরও বলেন, তোর বউ বেশি খারাপ, ও আমাদের দেখতে পারে না। ওকে মুসলমানদের দিয়ে গ্যাং রেপ করাতে হবে তাহলে বুঝবে আমরা কারা। তখন আমাদের চিনবে ও পছন্দ করবে। তোরা আমাদের শত্রু। এ দেশে তোদের ও ইসকনের কোন স্থান নেই। তোদের মতো লোকের পিসিয়ে মারার মতো লোক আমিই যথেষ্ট। বাশাইল মসজিদ নিয়ে কিছুদিন ঝামেলা চলছে সেই ঘটনায় সম্পাদককে ফাঁসিয়ে মামলা করার পরিকল্পনা করেন তারা। দ্যা নিউজের বার্তা সম্পাদক তৃণা রায় চৌধুরী বলেন, সম্পাদক মহোদয় সাত্ত্বিক খাবার খান, খুব সাধারণ ভাবে জীবন যাপন করে মানুষের সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করেছেন। নিজের বাড়ীটাকে সেবামূলক প্রতিষ্ঠান বানিয়েছেন। বিনামূল্যে স্বাস্থ্য সেবা, গরীব দুঃখী মানুষের খাদ্য আশ্রয়, শিক্ষার জন্য বিদ্যালয় চালুসহ অনেক সেবামূলক কার্যক্রম চালু করার জন্যই গ্রামের বাড়ীতে বেশি থাকেন। আর তার ফল হল খোলা বাজারে মারধর ও অকথ্য গালি। আমাকে নির্যাতন গ্যাং রেপ করার হুমকি দিচ্ছে তার সামনে। এমন কথা কানে শোনার থেকে মৃত্যু অনেক শ্রেয়।     বার্তা সম্পাদক তৃণা রায় চৌধুরীকে এই লাঞ্ছনাকর কথার প্রতিবাদে মানববন্ধনে অনেক নারী উপস্থিত হয়েছেন। তারা বলেন একজন নারীকে রেপ করার হুমকি আমরা অন্য নারীরা মেনে নেবো না। এই নিজাম মোল্লা হালান এবং তার দোসর শাহিন পেদা, মোঃ সাজ্জাদ হোসেন, সাবেক ইউপি মেম্বার মোঃ ফখরুল ইসলাম মামুনসহ সকল সহযোগীর দৃষ্টান্তমূলক চরম শাস্তি দাবী করছি। পরিশেষে যেকোন ব্যক্তি সম্পর্কে যাচাই না করে ইসকন/ আওয়ামী দোসর/ কথিত ফেসবুক পোস্ট কিংবা কোন ট্যাগ লাগিয়ে হুমকি নির্যাতন বন্ধে আশু পদক্ষেপ কামনা। দেশের সকল হিন্দু মুসলমান খ্রিস্টান ধর্মীয় মানুষদের শান্তিপূর্ণ সহবস্থানের পক্ষে আইনগত পদক্ষেপের জোরালো দাবী জানিয়েছেন উপস্থিত সাধারণ জনগন।
মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

গুচ্ছ পরীক্ষায় প্রক্সিকান্ডে ঢাবি শিক্ষার্থী আকতারুলের রিমান্ড নামঞ্জুর


সিয়াম, জবি প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
মঙ্গলবার, ১৬ আগষ্ট, ২০২২, ০৭:০৭
গুচ্ছ পরীক্ষায় প্রক্সিকান্ডে ঢাবি শিক্ষার্থী আকতারুলের রিমান্ড নামঞ্জুর

ছবি:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

গুচ্ছভুক্ত ২২ বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘বি’ ইউনিটের (মানবিক শাখা) ভর্তি পরীক্ষায় প্রক্সি দেয়ার মামলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মো. আকতারুল ইসলামের বিরুদ্ধে রিমান্ড আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার (১৬ আগস্ট) আসামিকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর তাকে সাত দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা কোতোয়ালি থানার উপপরিদর্শক নাহিদুল ইসলাম। এসময় বিচারক ঘটনা সম্পর্কে জানতে চাইলে আসামি আকতারুল বলেন, 'আমি ছোট ভাইকে পরীক্ষা দিতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়ে এসেছিলাম। নির্ধারিত সময়ের চেয়ে আসতে দেরি হওয়ায় ছোট ভাইকে ঢুকাতে গেলে গেট থেকে ধরে নিয়ে যায় প্রক্টর অফিস। তারপর তারা মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে দেয়।'

পরে বিচারক এজাহার পড়ে আসামিকে বলেন, 'আপনি মিথ্যা বলছেন কেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ডীন মামলাটি করেছেন। পরীক্ষা দেয়ার পর আপনাকে সন্দেহভাজন হিসেবে ধরে নেয়া হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।' এসময় মিথ্যা বলার বিষয়টি স্বীকার করেন আসামির আইনজীবী ঢাকা বারের সাধারণ সম্পাদক ফিরোজুর রহমান মন্টু। তবে এ ঘটনার সঙ্গে আর কেউ জড়িত নেই, তাই রিমান্ড নেয়ার প্রয়োজন নেই বলেন এই আইনজীবী। পরে শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মামুনুর রশিদ রিমান্ড আবেদন নামঞ্জুর করে আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
 
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নাহিদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, আসামি বড় চক্রের সদস্য। তাকে রিমান্ডে নিলে বাকি আসামিদের ধরা সহজ হতো। তবে আমাদের তদন্ত চলবে। প্রয়োজনে আবার রিমান্ড আবেদন করা হবে বলেন তিনি।

গত ১৩ আগস্ট জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদদীন বাদী হয়ে আসামি আকতারুলসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। এ মামলার বাকি আসামিরা হলেন- মূলহোতা মো. রাব্বি ও মূল শিক্ষার্থী সিজান মাহফুজ।

মামলার এজাহারে বলা হয়, গত ১৩ আগস্ট জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছভুক্ত বি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এ পরীক্ষায় অংশ নেয়া ছাত্র-ছাত্রীদের প্রবেশপত্রসহ অন্যান্য কাগজপত্র যাচাই করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর মো. মহিউদ্দিনের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়। এ কমিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ভবনের একটি কক্ষের পরীক্ষায় অংশ নেয়া পরিক্ষার্থীদের প্রবেশপত্রসহ অন্যান্য কাগজপত্র যাচাই করছিলেন।

এসময় আকতারুল ইসলাম নামে এক পরীক্ষার্থীর প্রবেশপত্র ও সংযুক্ত ছবির সঙ্গে তার চেহারার মিল না থাকার বিষয়টি পরিলক্ষিত হয়। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে আটক শিক্ষার্থী জানায়, পলাতক আসামি সিজান মাহফুজ ও মূলহোতা রাব্বির পরামর্শ, প্ররোচনায় ও সহযোগীতায় এক লাখ ৪০ হাজার টাকার চুক্তিতে পরীক্ষায় অংশ নেয় বলে তিনি স্বীকার করেন।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য অধ্যাপক ড.মোঃ ইমদাদুল হক বলেন, আমরা আজকে অবগত হলাম রিমান্ড না মঞ্জুর হয়েছে আবার এটাকে ডিফেন্ড করবে যাতে রিমান্ডে নেয়া ও এই চক্রকে ধরার জন্য কাজ চলছে, যদি পুলিশ প্রশাসন ব্যর্থ হয় তাহলে মামলা সিআইডির হাতে হস্তান্তর করা হবে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর সর্বশেষ

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - অপরাধ