a সাতটি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করেছে ডিমের কৃত্রিম সংকট তৈরির অভিযোগে
ঢাকা শুক্রবার, ৯ মাঘ ১৪৩২, ২৩ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

সাতটি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করেছে ডিমের কৃত্রিম সংকট তৈরির অভিযোগে


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
সোমবার, ১৪ আগষ্ট, ২০২৩, ০৬:০৯
সাতটি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করেছে ডিমের কৃত্রিম সংকট তৈরির অভিযোগে

ফাইল ছবি

ডিম মজুত করে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বেশি দামে বিক্রির অভিযোগে রাজধানীর বাড্ডা এলাকায় সাতটি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করেছে র‍্যাব।

প্রতিষ্ঠানগুলোর চারটি ডিমের দোকান, একটি ফলের দোকান ও  দুটি রেস্তোরাঁ রয়েছে। আজ সোমবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এসব প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ২ লাখ ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

র‍্যাব-১ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়। র‍্যাব সূত্র আরো জানায়, সম্প্রতি কতিপয় অসাধু ব্যক্তি দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির সুযোগে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি মজুত করে জনজীবনে দুর্ভোগ সৃষ্টি করে আসছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে র‌্যাব-১ ছায়াতদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে। এর ধারাবাহিকতায় উত্তর বাড্ডার সাঁতারকুল রোড এলাকায় আবদুল্লাহ স্টোর, এমবিএ ট্রেডার্স, সুমন ডিমের আড়ত, ফলের মেলা, কামরুল রেস্টুরেন্ট, নিউ গ্রিন ঢাকা রেস্টুরেন্ট ও আমিন ট্রেডার্সে ভ্রাম্যমাণ অভিযান পরিচালনা করা হয়। র‌্যাব সদর দপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাদির শাহর নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়।

র‍্যাব-১ সহকারী পুলিশ সুপার (মিডিয়া) পারভেজ রানা গণমাধ্যমকে বলেন, ডিম মজুত করে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বেশি দামে বিক্রির অপরাধে ওই সাত প্রতিষ্ঠানের মালিকের কাছ থেকে ২ লাখ ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

র‍্যাব জানায়, অভিযানে আমিন ট্রেডার্সের মালিক নুরুল আমিন (৪৫), সুমন ডিম আড়তের মালিক সুমনকে (২৫), এমবিএ ট্রেডার্সের মালিক মাহবুবুল আলম (৪৫) ও আবদুল্লাহ স্টোরের মালিক আমিনুলকে (৪৯) ৩০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়।
এ ছাড়া ফলের মেলার মালিক রাসেলকে (৩৫) ২০ হাজার টাকা ও নিউ গ্রিন ঢাকা রেস্টুরেন্টের মালিক সৈয়দ আ. হান্নানকে (৪৮) ৫০ হাজার টাকা এবং কামরুল রেস্টুরেন্টের স্বত্বাধিকারী পরিমল চন্দ্র দেকে (৫১) ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। সূত্র: প্রথম আলো

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

পুলিশ কর্মকর্তার বাসায় চুরি করতে এসে এসি চালিয়ে ঘুম, অতপর গ্রেফতার


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
রবিবার, ২৮ মার্চ, ২০২১, ০২:৫৭
পুলিশ কর্মকর্তার বাসায় চুরি করতে এসে এসি চালিয়ে ঘুম, অতপর গ্রেফতার

সংগৃহীত ছবি

এক পুলিশ কর্মকর্তার বাড়িতে চুরি করতে ঢুকে এসি চালিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন এক চোর। এরপর সকালে ঘুম থেকে উঠে ওই কর্মকর্তা চোরটিকে ঘুম থেকে ডেকে তুলে গ্রেফতার করেন। ঘটনাটি ঘটেছে থাইল্যান্ডে।

রোববার (২৮ মার্চ) ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস পত্রিকা এ খবর নিশ্চিত করে জানায়, থাইল্যান্ডে ওই ২২ বছর বয়সী সন্দেহভাজন এক যুবক বেশ খানিকক্ষণ ধরেই স্থানীয় ফেচাবুন এলাকায় চুরির মতলবে ঘুরছিলেন। অবশেষে রাত ২টার দিকে তিনি এক পুলিশ অফিসারের বাসায় চুরির উদ্দেশ্যে প্রবেশ করেন। তবে, বাড়িতে ঢুকে চুরির আগে এসি চালিয়ে বিশ্রাম করতে গিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। 

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস আরও জানায়, চোরটি যেই ঘরে ঘুমিয়েছিল সেই ঘরটি ওই অফিসারের মেয়ের। ওই সময় ঘরে তার মেয়ে ছিলেন না বিধায় সকালে উঠে তাঁর মেয়ের ঘরের এসি চালু দেখে অবাক হন ওই অফিসার। এরপর ঘরে প্রবেশ করে লেপ তুলতেই ধরা পড়ে চোর। ঘুম থেকে জোরে ডেকে তুলতেই কিছুক্ষণের জন্য স্তম্ভিত হন ওই যুবক। কালবিলম্ব না করে যুবকের হাতে হাতকড়া পরিয়ে দেন পুলিশের ওই কর্মকর্তা।

এক পুলিশ কর্মকর্তার বাড়িতে চুরি করতে ঢুকে এসি চালিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন এক চোর। এরপর সকালে ঘুম থেকে উঠে ওই কর্মকর্তা চোরটিকে ঘুম থেকে ডেকে তুলে গ্রেফতার করেন। ঘটনাটি ঘটেছে থাইল্যান্ডে।

রোববার (২৮ মার্চ) ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস পত্রিকা এ খবর নিশ্চিত করে জানায়, থাইল্যান্ডে ওই ২২ বছর বয়সী সন্দেহভাজন এক যুবক বেশ খানিকক্ষণ ধরেই স্থানীয় ফেচাবুন এলাকায় চুরির মতলবে ঘুরছিলেন। অবশেষে রাত ২টার দিকে তিনি এক পুলিশ অফিসারের বাসায় চুরির উদ্দেশ্যে প্রবেশ করেন। তবে, বাড়িতে ঢুকে চুরির আগে এসি চালিয়ে বিশ্রাম করতে গিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। 

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস আরও জানায়, চোরটি যেই ঘরে ঘুমিয়েছিল সেই ঘরটি ওই অফিসারের মেয়ের। ওই সময় ঘরে তার মেয়ে ছিলেন না বিধায় সকালে উঠে তাঁর মেয়ের ঘরের এসি চালু দেখে অবাক হন ওই অফিসার। এরপর ঘরে প্রবেশ করে লেপ তুলতেই ধরা পড়ে চোর। ঘুম থেকে জোরে ডেকে তুলতেই কিছুক্ষণের জন্য স্তম্ভিত হন ওই যুবক। কালবিলম্ব না করে যুবকের হাতে হাতকড়া পরিয়ে দেন পুলিশের ওই কর্মকর্তা।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

ঢাকার ২২৯ সরকারি ভবন ঝুঁকিপূর্ণ, দুই মাসের মধ্যে ভাঙতে হবে ৪২টি


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
মঙ্গলবার, ১৪ মার্চ, ২০২৩, ১১:৪৮
ঢাকার ২২৯ সরকারি ভবন ঝুঁকিপূর্ণ, দুই মাসের মধ্যে ভাঙতে হবে ৪২টি

ফাইল ছবি

রাজধানীতে সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ভবনের মধ্যে ২২৯টি ভবনকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে অতিঝুঁকিপূর্ণ ৪২টি ভবন এক সপ্তাহের মধ্যে খালি করতে ও দুই মাসের ভেতর ভবন মালিকদের নিজ উদ্যোগে ভেঙে ফেলতে সময় দেওয়া হয়েছে। অন্যথায় রাজউক অপসারণ করে মালিকপক্ষের কাছ থেকে খরচ আদায় করবে বলে জানিয়েছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ রাজউক।

এছাড়া ঝুঁকির তালিকায় থাকা আরো ১৮৭টি ভবন রেট্রোফিটিং (মজবুত) করতে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। সরকার এবং বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে আরবান রেজিলিয়েন্স প্রকল্পের আওতায় রাজউকের আওতাধীন এলাকায় ৩২৫২টি ভবনের ওপর পরীক্ষা করে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ২ হাজার ৭০৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ২০৭টি হাসপাতাল, ৩৬টি থানা ও ৩০৪টি অন্যান্য ভবনের  ওপর এ জরিপ চালানো হয়। যে ৪২টি ভবন ভেঙে ফেলার জন্য বলা হয়েছে সেগুলো হলো, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) তিনটি, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের চারটি, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের তিনটি, মাদ্রাসা বোর্ডের তিনটি, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের একটি এবং শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের ৩০টি ভবন।

এছাড়া রিপোর্টে সাতটি প্রতিষ্ঠানের ১৮৭টি ঝুঁকিপূর্ণ ভবন মজবুতিকরণ করার সুপারিশ করা হয়েছে। এসব ভবনের মধ্যে রয়েছে—ইনস্টিটিউট অব লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজির তিনটি, স্বাস্থ্য প্রকৌশলী অধিদপ্তরের চারটি, মাদ্রাসা বোর্ডের ছয়টি, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০টি, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ১০টি এবং শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের ১৫৪টি ভবন।

রাজউকের তথ্য অনুযায়ী, ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলোকে মজবুতিকরণ এবং অতি ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলো ভেঙে ফেলার বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে আরবান রেজিলিয়েন্স প্রকল্প: রাজউক অংশের প্রকল্প পরিচালকের (পিডি) দপ্তর থেকে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে ইতিমধ্যে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

এদিকে ভবন মজবুত ও ভাঙার বিষয়ে বলা হলেও কোন কোন ভবন ভাঙা ও মজবুতের কথা বলা হয়েছে সেটি উল্লেখ করা হয়নি বলে জানিয়েছে বিভিন্ন সরকারি ভবন কর্তৃপক্ষ। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০টি ঝুঁকিপূর্ণ ভবনকে রেট্রোফিটিং করে ব্যবহার উপযোগী করতে নোটিশ দিয়েছে রাজউক। আর তিনটি ভবন ভেঙে ফেলতে বলা হয়েছে। রাজউক থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে চিঠি গেলেও সেখানে এসব ভবন নির্দিষ্ট করে বলা হয়নি বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।  বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার রহিমা কানিজ বলেন, আমাদের কাছে একটি চিঠি এসেছে। কিন্তু সেখানে কোন কোন ভবন ভাঙতে হবে, তা উল্লেখ নেই। তা জানার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রকৌশলীকে বলেছি, যেন তিনি এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।

ঝুঁকিপূর্ণ ভবন বিষয়ে রাজউকের চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান মিঞা বলেন, বর্তমানে ভবন নির্মাণ অনুমোদনের সময় কাঠামোগত নকশা দেখে না রাজউক। ভূমিকম্পসহ সার্বিক নিরাপত্তার বিষয়টি মাথায় রেখে আগামী মাস থেকে রাজউকের কয়েকটি অঞ্চলে ভবনের নির্মাণ অনুমোদন দেওয়ার সময় স্থাপত্য নকশা, কাঠামোগত নকশার পাশাপাশি মেকানিক্যাল, ইলেকট্রিক ও অগ্নিনিরাপত্তাসংক্রান্ত নকশা জমা নেওয়া হবে।

আগামী মে থেকে পদ্ধতিটি পুরো রাজউক এলাকায় চালু করা হবে। এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি পত্রিকায় প্রকাশ করে সবাইকে সচেতন করা হচ্ছে। সূত্র:ইত্তেফাক

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - অপরাধ