a
ফাইল ছবি: আকবর আলি খান
দেশের প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা আকবর আলি খান আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। বৃহস্পতিবার রাত ১০টার পর রাজধানীর একটি হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়েছে। আকবর আলি খানের ভাই কবির উদ্দিন খান গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
কবির উদ্দিন খান বলেন, আকবর আলি খান অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে নেওয়া প্রাক্কালো অ্যাম্বুলেন্সেই তিনি মারা যান। হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
আকবর আলি খানের জন্ম ১৯৪৪ সালে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েছেন ইতিহাসে, কানাডার কুইন্স ইউনিভার্সিটিতেও অর্থনীতিতে পড়াশুনা করেন। পিএইচডি গবেষণাও অর্থনীতিতে। আমলা হিসেবে পেশাজীবনের প্রধান ধারার পাশাপাশি চলেছে শিক্ষকতাও। অবসর নিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব হিসেবে। এর পর দুটো বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছেন। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হয়েছিলেন, দায়িত্ব পালনে প্রতিবন্ধকতার মুখে পদত্যাগ করেন। অবসরের পর তার আবির্ভাব ঘটেছে পূর্ণকালীন লেখক হিসেবে। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
সংগৃহীত ছবি
দেশে পাটকে সোনালী আশঁ বলা হলেও আন্তর্জাতিক বাজারে পাটের কদর কেমন জানা নেই। ছোট্টকালে পাট চাষাবাদ করতে দেখেছি। বর্ষাকালে এসব পাট ব্যবসায়ীরা নৌকা নিয়ে বাড়ী বাড়ী ঘুরতো, পাট কার, কত মন আছে জানতেন এবং দাম-দর করে কেনা-বেচা করতেন, বিশেষ করে শ্রাবন মাসে। আমাদের দেশে মাটি পাট চাষে বিশেষ উপযোগী হওয়ায় কৃষক এই পাট চাষ করে স্বাবলম্বী হতে পারেন।
বর্তমানে পাট চাষ তুলনামূলকভাবে কম হয়। কিছু কিছু চাষাবাদ হলেও সেগুলো শাক সবজি হিসেবেই বাজারে বেশি বিক্রি হয়। তবে পূর্বের ন্যায় এখন পাটের ব্যবহারও চোখে পড়ে না। গরু ছাগল বেধে রাখার কাজেও পাটের রশি তুলনামূলকভাবে ব্যবহার কম। এখন সেই স্থানটা দখল করে নিয়েছে লায়লন রশি। কি পরিবর্তন?
তবে ধানসহ অন্যান্য ফলন তুলনামূলকভাবে বাড়ছে, বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি ব্যবহার করে। জনসংখ্যা বাড়ার সাথে সাথে দেশে কৃষি পণ্যের উৎপাদন বেড়েছে তাতে কোন সন্দেহ নেই। আমার জানা মতে, ১৯৭০ থেকে ১৯৮২ সাল পর্যন্ত ব্যাপকহারে পাট চাষ দেখেছি, বর্তমানে তা নেই।
কৃষিতে বাবা-চাচারা যে অনুপাত হারে ফসল পেয়েছেন, সে অনুপাত এখন প্রায় চার গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই অন্যান্য কৃষির পণ্যের ন্যায় সোনালী আঁশ পাটের উৎপাদন ও ব্যবহার সরকারি ও বেসরকারিভাবে উদ্যোগ নিলে দেশে হারানো গৌরব আবারও উদ্ধার করা যেমন সম্ভব হবে। পাশাপাশি বিদেশে এর ব্যাপক চাহিদা মেটাতে বহুমুখী উদ্যোগ গ্রহণ করলে আমাদের দেশে কৃষক সমাজ ন্যায্য মূল্য পেয়ে উপকৃত হবেন এবং পাট চাষে সবাই এগিয়ে আসবেন।
ফাইল ফটো: করোনাভাইরাস
গত ২৪ ঘন্টায় করোনাভাইরাসে মৃত্যু হয়েছে ১১ জন। এ নিয়ে করোনাভাইরাসে দেশে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ৮ হাজার ৪৬২ জন।
এদিকে, গত ২৪ ঘন্টায় করোনাভাইরাসে শনাক্ত হয়েছে ৬০৬ জন। এ নিয়ে দেশে মোট করোনাভাইরাসে শনাক্তের সংখ্যা ৫ লাখ ৫০ হাজার ৩৩০ জন।
আজ রবিবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে আরও জানানো হয়, গত ১ দিনে বাসা ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও ১০৩৭ জন রোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মোট ৫ লাখ ৩ হাজার ৩ জন করোনারোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন।