a প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ আকবর আলি খান আর নেই
ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২ মাঘ ১৪৩২, ১৫ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ আকবর আলি খান আর নেই


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
শুক্রবার, ০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ১০:৫১
প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ আকবর আলি খান আর নেই

ফাইল ছবি: আকবর আলি খান

দেশের প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা আকবর আলি খান আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। বৃহস্পতিবার রাত ১০টার পর রাজধানীর একটি হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়েছে। আকবর আলি খানের ভাই কবির উদ্দিন খান গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

কবির উদ্দিন খান বলেন, আকবর আলি খান অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে নেওয়া প্রাক্কালো অ্যাম্বুলেন্সেই তিনি মারা যান। হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

আকবর আলি খানের জন্ম ১৯৪৪ সালে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েছেন ইতিহাসে, কানাডার কুইন্স ইউনিভার্সিটিতেও অর্থনীতিতে পড়াশুনা করেন। পিএইচডি গবেষণাও অর্থনীতিতে। আমলা হিসেবে পেশাজীবনের প্রধান ধারার পাশাপাশি চলেছে শিক্ষকতাও। অবসর নিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব হিসেবে। এর পর দুটো বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছেন। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হয়েছিলেন, দায়িত্ব পালনে প্রতিবন্ধকতার মুখে পদত্যাগ করেন। অবসরের পর তার আবির্ভাব ঘটেছে পূর্ণকালীন লেখক হিসেবে। সূত্র: বিডি প্রতিদিন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

আয়ে করমুক্ত হবেন যারা


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
শুক্রবার, ০৪ জুন, ২০২১, ০৯:৫৬
আয়ে করমুক্ত হবেন যারা

ফাইল ছবি

 

এবারের বাজেটে  আগের মতোই থাকছে ব্যক্তি শ্রেণির করমুক্ত আয়সীমা। অর্থাৎ বার্ষিক আয় যাদের ৩ লাখ টাকার কম তাদের কোনো কর দিতে হবে না। আজ বৃহস্পতিবার (৩ জুন) স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদে ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপনের সময় এ প্রস্তাব করেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।
 
অর্থমন্ত্রী তার বাজেট বক্তৃতায় আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, ২০০৯-১০ অর্থবছরে ব্যক্তিশ্রেণির করমুক্ত আয়ের সীমা ছিল ১ লাখ ৬৫ হাজার টাকা, যা ক্রমান্বয়ে বাড়িয়ে ২০২০-২১ অর্থবছরে ৩ লাখ টাকায় উন্নীত করা হয়। নারী করদাতা, সিনিয়র করদাতা, প্রতিবন্ধী করদাতা ও যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য করমুক্ত আয়ের সীমা আরও বেশি। তিনি বলেন, ২০২০-২১ অর্থবছরে ব্যক্তি শ্রেণির করদাতাদের করহার উল্লেখযোগ্যভাবে কমানোর কারণে ২০২১-২২ অর্থবছরের জন্য ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের জন্য বিদ্যমান করহার অপরিবর্তিত রাখার প্রস্তাব করছি।
 
অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, ব্যক্তিশ্রেণির করদাতার জন্য বিদম্যান এই করহার তৃতীয় লিঙ্গের করদাতাদের জন্যও প্রযোজ্য ছিল। তৃতীয় লিঙ্গের করদাতাদের জন্য সামাজিক আত্তীকরণের লক্ষ্যে বিশেষ বিধান চালুর পাশাপাশি তাদের করমুক্ত আয়সীমা ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা করার প্রস্তাব করছি। বর্তমান সরকার ব্যবসা সহকীকরণ ও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। বিশেষ করে ব্যক্তিশ্রেণির ব্যবসায়ী করদাতাদের কর দায় লাঘবে সরকার সদা তৎপর। এ লক্ষ্যে ব্যক্তি করদাতাদের ব্যবসায়িক টার্নওভার করহার কমিয়ে ০.৫ শতাংশের পরিবর্তে ০.২৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করছি।

প্রসঙ্গত, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে করমুক্ত আয়সীমা ২ লাখ ২০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা করা হয়েছিল। চার বছর করমুক্ত আয়সীমা আড়াই লাখ টাকাই ছিল। সাধারণত চার-পাঁচ বছর পরপর জীবনযাত্রার ব্যয় ও মূল্যস্ফীতি বিবেচনায় এই সীমা বাড়ানো হয়।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাট জনসমুদ্রে পরিণত


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
বুধবার, ১২ মে, ২০২১, ১০:৫৫
মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাট জনসমুদ্রে পরিণত

ফাইল ছবি

 

মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাট জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছে। আগের মতো ফেরি চলাচলের ঘোষণার পর মঙ্গলবার থেকে ঘাটে মানুষের চাপ বেড়ে যায়। গতকাল রাত পর্যন্ত ঘাটে ঘরমুখো মানুষের চাপ অনেক বেশি ছিলো। কোন ফেরি আসার সাথে সাথে ফেরিতে লোকজন উঠার জন্য হুমড়ি খেয়ে পড়ে।

আজ বুধবার সকাল হতে শিমুলিয়া ঘাটে লোকজন আরও বেড়ে যায়।

আইন-শৃংখলা বাহিনী বিগত কয়েকদিনের ন্যায় আজও শিমুলিয়া ঘাটের প্রবেশ মুখে ব্যারিকেট দিয়ে যান চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে। তারপরও প্রায় ১ কিলোমিটার পায়ে হেটে যাত্রীরা ঘাটে প্রবেশ করছে। অনেকে পরিবার পরিজন ও মালপত্র নিয়ে পায়ে হেটে ঘাটে পৌঁছাতে হাফিয়ে উঠছে। আবার ঘাটে এসে যাত্রীদের ফেরিতে উঠতে আরেক যুদ্ধ করতে হয়।

শিমুলিয়া ঘাটের বিআইডব্লিউটিসির সহকারি উপমহাব্যবস্থাপক শফিকুল ইসলাম বলেন, ঘাটে যাত্রীদের অতিরিক্ত চাপ রয়েছে। বাংলাবাজার ঘাট হতে যখন কোন ফেরি ভিড়ছে, তখনি যাত্রীরা সবাই একসঙ্গে উঠার জন্য হুমড়ি খেয়ে পড়ছে। যাত্রীদের চাপে ফেরির যানবাহনগুলো ঠিকমতো নামাতে পারছে না। আর এরফলে ধীরগতিতে যানবাহন নামিয়ে ফেরি ছাড়তে দেরি হচ্ছে।

আগের ন্যায় ঘাটে ফেরি সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। বর্তমানে ১৩-১৪ টি ফেরি চলছে। কিন্তু যাত্রীদের অতিরিক্ত চাপে হিমশিম খেতে হচ্ছে ঘাটের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের। একটি ফেরি ঘাটে বেড়ানোর সাথে সাথেই সকল যাত্রী সেখানেই উঠার চেষ্টা করছেন। কোনোভাবেই তাদের ফেরি থেকে নামানো যাচ্ছে না বা স্বাস্থ্যবিধি মানার যে দূরত্ব তা কোনভাবেই রক্ষা করা সম্ভব হচ্ছেনা।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - অর্থনীতি