a
ফাইল ছবি
আবারও বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম বাড়ল। প্রতি লিটারে সাত টাকা করে বাড়ছে বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম। দাম বাড়ার পর বোতলজাত সয়াবিন তেল প্রতি লিটারে একশ ৯২ টাকা করে বিক্রি হবে। আজ মঙ্গলবার (২৩ আগস্ট) থেকেই এই দাম কার্যকর করা হবে জানানো হয়।
এক বিজ্ঞপ্তিতে মিল মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন এই তথ্য জানিয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চলতি মাসের ৩ তারিখ বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনকে (বিটিটিসি) দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেয় ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন। খোলা সয়াবিন তেলের লিটারপ্রতি দাম ১৮০ টাকা, এক লিটারের বোতল ২০৫ টাকা এবং পাঁচ লিটারের বোতল ৯৬০ টাকা করার প্রস্তাব দেয় তারা।
আজ দাম বাড়ানোর তথ্য জানালো ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন। সূত্র: কালের কন্ঠ
ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সাইফুল আলম, ঢাকা: আসন্ন জাতীয় বাজেটে তামাকজাত দ্রব্যের কর কাঠামো সংস্কার ও কঠোর নজরদারি করতে হবে। এজন্য জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় তামাকজাত দ্রব্যের ওপর সুনির্দিষ্ট সম্পূরক শুল্ক আরোপ, কর আদায় ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা ডিজিটালাইজেশন এবং ধোঁয়াবিহীন তামাকের কর ফাঁকি রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশে কর্মরত তামাক বিরোধী সংগঠনগুলো। মঙ্গলবার (২৭ মে, ২০২৫) জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত প্রাক বাজেট সংবাদ সম্মেলনে তারা এসব দাবি জানিয়েছে। বাংলাদেশ তামাক বিরোধী জোট, বাংলাদেশ নেটওয়ার্ক ফর টোব্যাকো ট্যাক্স পলিসি এবং ডাব্লিউবিবি ট্রাস্ট যৌথভাবে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।
অর্থনৈতিক গবেষণা ব্যুরো’র প্রকল্প কর্মকর্তা ইব্রাহিম খলিলের সঞ্চালনায় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ তামাক বিরোধী জোটের সমন্বয়ক সাইফুদ্দিন আহমেদ, প্রত্যাশা মাদক বিরোধী সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক হেলাল আহমেদ, বিশিষ্ট আইনজীবি ও নীতি বিশ্লেষক মাহবুবুল আলম তাহিন, ভাইটাল স্ট্রাটেজিস এর টেকনিক্যাল এডভাইজর আমিনুল ইসলাম সুজন, একাত্তর টিভির বিশেষ প্রতিনিধি সুশান্ত সিনহা, দেশ রুপান্তর পত্রিকার বিজনেস এডিটর মাসুম বিল্লাহ, তামাক নিয়ন্ত্রণ গবেষক নাসিরুদ্দিন শেখ, এইড ফাউন্ডেশনের প্রকল্প পরিচালক শাগুফতা সুলতানা ও প্রমুখ ব্যাক্তিবর্গ। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ডাব্লিউবিবি ট্রাস্টের প্রকল্প কর্মকর্তা মিঠুন বৈদ্য। সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, বিদ্যমান তামাক কর ব্যবস্থা অত্যন্ত জটিল ও ত্রুটিপূর্ণ। পাশাপাশি বিদ্যমান একাধিক মূল্যস্তর তামাক কোম্পানিগুলিকে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব ফাঁকি দিতে সহায়তা করছে। সমস্যা সমাধানে অ্যাড ভেলোরেম কর পদ্ধতির পরিবর্তে সুনির্দিষ্ট সম্পূরক শুল্ক পদ্ধতি চালুর দাবি জানানো হয়। বক্তারা তুলে ধরেন, ২০০৯ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকোর উৎপাদন দ্বিগুণ হলেও মুনাফা বেড়েছে পাঁচ গুণ। যা প্রমাণ করে তামাকজাত দ্রব্যের কর ও মূল্য বাড়ালেও সরকারের রাজস্ব আয় কাঙ্ক্ষিত হারে বাড়েনি। পাশাপাশি ব্যবহার হ্রাসেও কোনো প্রভাব পড়েনি।
বক্তারা আরো বলেন, জর্দা ও গুলসহ ধোঁয়াবিহীন তামাকজাত দ্রব্যের ওপর কার্যকর কর আরোপ ও ফাঁকি রোধে এখনো কোনো শক্তিশালী ব্যবস্থা নেই। বাজারে ৩৫০টি কোম্পানির ৮০০টির বেশি ব্র্যান্ডের এসব পণ্যের অধিকাংশেরই লাইসেন্স নেই এবং নির্ধারিত ব্যান্ডরোল ও স্বাস্থ্য সতর্কবার্তা নেই। এর ফলে সরকার বিপুল রাজস্ব হারাচ্ছে এবং জনস্বাস্থ্যের ওপর মারাত্মক প্রভাব পড়ছে। উল্লেখ্য, দেশে ধোঁয়াবিহীন তামাক ব্যবহারকারীর সংখ্যা তুলনামূলক বেশি হলেও এই খাত থেকে আদায়কৃত করের পরিমাণ সিগারেট ও বিড়ি থেকে আদায়কৃত মোট করের ৬০০ ভাগের এক ভাগ।
তারা বলেন, ডিজিটাল ট্যাক্স ট্র্যাকিং ব্যবস্থা চালু না থাকায় স্ট্যাম্প ও ব্যান্ডরোল ব্যবস্থাও কার্যকর হচ্ছে না। বিশেষ করে বিদেশি সিগারেটের প্যাকেটে ব্যান্ডরোল না থাকায় সরকারের বিপুল পরিমাণ রাজস্ব ক্ষতি হচ্ছে। এমতাবস্থায় তামাকজাত দ্রব্য প্রস্তুত ও বিক্রেতাদের বাধ্যতামূলক লাইসেন্সিংয়ের আওতায় আনা, নিয়মিত বাজার তদারকি, এবং এনবিআর ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর উপর জোর দেওয়া জরুরি।
এছাড়া, সংবাদ সম্মেলনে তামাক চাষ নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়। তামাক পাতা রপ্তানি শুল্ক মওকুপ করায় গত ৭ বছরে সরকার ১৫ হাজার কোটি টাকারও অধিক রাস্বস্ব হারিয়েছে। খুবই উদ্বেগের বিষয় হচ্ছে, গত এক বছরেই ৫০,০০০ একর জমিতে তামাক চাষ বেড়েছে। অথচ এই জমিতে খাদ্যশস্য উৎপাদন করলে ডাল ও গমের আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা যেত। এছাড়া তামাক চাষে ব্যবহৃত জমির কারণে পশুপালন কমে যাচ্ছে, শিশুদের পুষ্টি ও শিক্ষায় ব্যাঘাত ঘটছে এবং পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ তুলে ধরেন, যেমন—
> সকল তামাকজাত দ্রব্যের উপর সুনির্দিষ্ট সম্পূরক শুল্ক আরোপ করা।
> ধোঁয়াবিহীন তামাকজাত দ্রব্যের জন্য ডিজিটাল ট্যাক্স ট্র্যাকিং ও ব্যান্ডরোল চালু করা।
> সকল তামাকজাত দ্রব্য প্রস্তুতকারক ও বিক্রেতাদের জন্য বাধ্যতামূলক লাইসেন্সিং ব্যবস্থা কার্যকর করা
> মোড়কে উল্লেখিত সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য (MRP) তে তামাকজাত দ্রব্য বিক্রয় নিশ্চিতে মনিটরিং ব্যবস্থা শক্তিশালী করা।
> ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে নিয়মিত বাজার তদারকি করা
> শক্তিশালী তামাক চাষ নিয়ন্ত্রণ নীতি ও তামাক কর নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করা।
> তামাক পাতা রপ্তানিতে ২৫% শুল্ক পুনর্বহাল করা।
সংবাদ সম্মেলনে সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থেকে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান, বাজেটে তামাক নিয়ন্ত্রণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে জনস্বাস্থ্য রক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত করা হোক।
ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
৪৮তম বিসিএসে উত্তীর্ণ চিকিৎসকদেরকে নিয়োগের দাবিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সামনে অবস্থান কর্মসূচি মো: সাইফুল আলম সরকার, ঢাকা: দেশের প্রান্তিক পর্যায়ে সরকারি হাসপাতালগুলোতে চলমান চিকিৎসক সংকট নিরসন এবং ৪৪, ৪৫, ৪৬, ৪৭ তম বিসিএস পরীক্ষায় স্বাস্থ্য ক্যাডারের ওভারলিপিং নিরোসনে ৪৮ তম বিসিএস থেকে ৩১২০ জন এর অতিরিক্ত লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ অপেক্ষমান চিকিৎসকদের নিয়োগ দেওয়ার দাবিতে মহাখালী স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে ৪৮তম বিসিএস নিয়োগপ্রত্যাশী সাধারণ চিকিৎসক ফোরাম।
তৃণমূল জনগোষ্ঠীর সরকারি স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আজ ১৩/১০/২০২৫ইং দুপুরে রাজধানী ঢাকার মহাখালী স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন হয়। ডা: গোলাম সামদানী, ডা: শরিফ, ডা: সাদমান সাকিব রাফি, ডা: আল মুনতাসির এবং ডা: সেজানা খানের নেতৃত্বে এই অবস্থান কর্মসূচিতে তারা বলেন, উপজেলায় পদ খালি স্বাস্থ্য সেবায় জোড়াতলী, ডাক্তার বঞ্চিত জাতি লজ্জিত, উপজেলা ডাক্তারদের সংকট নিরসন চাই, সরকারি হাসপাতালে ডাক্তার শূন্য ৪৮ থেকে নিতে আপত্তি কেন, উপজেলায় রোগী মরে ইন্টারিম কি করে?, ইফতারি সহ আরো অনেক স্লোগান দিয়ে মুখরিত করে তারা।
৪৮তম বিসিএস নিয়োগপ্রত্যাশী সাধারণ চিকিৎসকদেরকে শুন্য পদে নিয়োগ দেবার আহ্বান জানান বারবার। ডা: গোলাম সামদানী বলেন, ৪৮তম (বিশেষ) বিসিএস লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সকলকে নিয়োগ প্রদান করুন। কারন ১২,৯৮০টি চিকিৎসক পদ ফাঁকা রেখে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা অত্যন্ত দুরূহ। তাই সরকারের নিকট আমাদের আহ্বান, তৃণমূল জনগোষ্ঠীর সরকারি স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে শুন্য পদে আমাদের নিয়োগ দিন এবং জনগণের সেবা করার সুযোগ দিন। এর আগে তারা জাতীয় প্রেসক্লাবের সমাবেশ এবং সংবাদ সম্মেলন করেন। সেখানে সকল ডাক্তাররা বলেন, সমাজের বিত্তশীলেরা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চিকিৎসা নিতে পারেন এবং ক্ষেত্র বিশেষে বিদেশে গিয়ে চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করতে পারেন। তবে তৃণমূলের অধিকাংশ জনগোষ্ঠীর একমাত্র অবলম্বন সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানসমূহ। প্রায় ১২,৯৮০টি চিকিৎসক পদ ফাঁকা রেখে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা অত্যন্ত দুরূহ।
উপস্থিত সকল সাংবাদিকদের সামনে ডা: সাদমান সাকিব রাফি বলেন, আমরা ৪৮তম (বিশেষ) বিসিএস –এ লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সকলকে নিয়োগ প্রদান প্রসঙ্গে আমরা ৪৮তম (বিশেষ) বিসিএস-এ নিয়োগবঞ্চিত চিকিৎসকবৃন্দ। বর্তমানে স্বাস্থ্য সংস্কার কমিশন ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে প্রায় ১২,৯৮০টি চিকিৎসক পদ শূন্য রয়েছে। ফলশ্রুতিতে সাধারণ জনগণ পর্যাপ্ত সরকারি চিকিৎসা সেবা পাচ্ছে না।
বর্তমান সরকার প্রান্তিক পর্যায়ে সরকারি স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার জন্য যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করছেন। চিকিৎসক ও নার্স নিয়োগ তার মধ্যে অন্যতম। ৪৮তম (বিশেষ) বিসিএস-এর মাধ্যমে দ্রুততম সময়ে চিকিৎসক নিয়োগ চলমান রয়েছে, যা বর্তমান সরকারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সফলতা। ইতোমধ্যে ৪৮তম (বিশেষ) বিসিএস-এর মাধ্যমে ৩১২০ জনকে সহকারী সার্জন পদে চূড়ান্তভাবে সুপারিশ করা হয়েছে। তবে ৪৪তম, ৪৫তম ও ৪৬তম বিসিএস-এর নিয়োগ প্রক্রিয়া অসমাপ্ত থাকায় ওই বিসিএসগুলোর নিয়োগের বিভিন্ন পর্যায়ে অপেক্ষমান চিকিৎসকরাও ৪৮তমতে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। ৪৮তম (বিশেষ) বিসিএস-এ প্রায় ১৫০০ জন প্রার্থী ৪৪তম-৪৬তম বিসিএসের নিয়োগের বিভিন্ন পর্যায়ে অপেক্ষমান রয়েছেন। ৪৭তম বিসিএস-এর প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর এ সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাবে।
৪৪তম-৪৮তম বিসিএসে সর্বমোট ৭৩৪৬টি পদ থাকলেও পূর্ববর্তী বিসিএসগুলোর নিয়োগ সম্পন্ন হওয়ার পূর্বে ৪৮তম থেকে নিয়োগ প্রদান করা হলে আনুমানিক ২২০০ রিপিট প্রার্থী থাকবে। রিপিট প্রার্থীরা সিনিয়রিটিসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার কারণে ৪৪তম, ৪৫তম, ৪৬তম ও ৪৭তম বিসিএসে যোগদান করবে। অর্থাৎ, ৪৮তম বিশেষ বিসিএসের সহকারী সার্জন পদগুলো পুনরায় ফাঁকা হয়ে যাবে এবং চিকিৎসক সংকট নিরসন হবে না; যা রাষ্ট্রের সময়, অর্থ ও শ্রমের অপূরণীয় ক্ষতি। একই সাথে বিশেষ বিসিএস নেওয়ার মাধ্যমে তৃণমূল জনগোষ্ঠীকে সরকারি স্বাস্থ্যসেবা জোরদারের উদ্দেশ্যও ব্যর্থ হবে।
এছাড়াও, মাননীয় স্বাস্থ্য উপদেষ্টা মহোদয়ের দেওয়া তথ্যমতে, আরও ৩,০০০ শূন্যপদে চিকিৎসক নিয়োগের জন্য চাহিদাপত্র স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে স্বাক্ষরিত হয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে। ৪৮তম (বিশেষ) বিসিএস-এর বিজ্ঞপ্তির বিশেষ নির্দেশনায় বলা আছে – নতুন পদ সৃষ্টি, পদ বিলুপ্তি, পদোন্নতি, অবসর গ্রহণ, মৃত্যু, পদত্যাগ অথবা অপসারণ ইত্যাদি কারণে বিজ্ঞাপিত শূন্যপদের সংখ্যা পরিবর্তন হতে পারে। যেহেতু ৪৮তম বিশেষ বিসিএস-এর নিয়োগ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং চূড়ান্ত গেজেট হবার আগেই ৩,০০০ শূন্যপদে চিকিৎসক নিয়োগের জন্য চাহিদাপত্র প্রেরণ করা হয়েছে, সেহেতু অবিলম্বে ৪৮তম বিশেষ বিসিএস-এর মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মেধাক্রমের ভিত্তিতে শূন্যপদে নিয়োগের সুপারিশ করার আবেদন জানানো যাচ্ছে। উল্লেখ্য, এখনও ৪৪তম বিসিএস-এর নিয়োগের চূড়ান্ত প্রজ্ঞাপন প্রকাশ সম্ভব হয়নি।
তাই ৫০তম বিসিএস-এর চূড়ান্ত নিয়োগও নিকট ভবিষ্যতে সম্পন্ন করা সম্ভব নয়। এমতাবস্থায়, সহকারী সার্জন পদে পর্যাপ্ত শূন্যপদ থাকায় রিপিট প্রার্থীর সংখ্যা ও সাধারণ বিসিএস-এর দীর্ঘ সূত্রিতার বিষয়গুলো আমলে নিয়ে, ৪৮তম (বিশেষ) বিসিএস-এ লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সকলকে সহকারী সার্জন পদে নিয়োগ প্রদানের জন্য যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জোর আবেদন জানানো যাচ্ছে।