a
ফাইল ছবি
আবারও বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম বাড়ল। প্রতি লিটারে সাত টাকা করে বাড়ছে বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম। দাম বাড়ার পর বোতলজাত সয়াবিন তেল প্রতি লিটারে একশ ৯২ টাকা করে বিক্রি হবে। আজ মঙ্গলবার (২৩ আগস্ট) থেকেই এই দাম কার্যকর করা হবে জানানো হয়।
এক বিজ্ঞপ্তিতে মিল মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন এই তথ্য জানিয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চলতি মাসের ৩ তারিখ বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনকে (বিটিটিসি) দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেয় ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন। খোলা সয়াবিন তেলের লিটারপ্রতি দাম ১৮০ টাকা, এক লিটারের বোতল ২০৫ টাকা এবং পাঁচ লিটারের বোতল ৯৬০ টাকা করার প্রস্তাব দেয় তারা।
আজ দাম বাড়ানোর তথ্য জানালো ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন। সূত্র: কালের কন্ঠ
সংগৃহীত ছবি
দেশে পাটকে সোনালী আশঁ বলা হলেও আন্তর্জাতিক বাজারে পাটের কদর কেমন জানা নেই। ছোট্টকালে পাট চাষাবাদ করতে দেখেছি। বর্ষাকালে এসব পাট ব্যবসায়ীরা নৌকা নিয়ে বাড়ী বাড়ী ঘুরতো, পাট কার, কত মন আছে জানতেন এবং দাম-দর করে কেনা-বেচা করতেন, বিশেষ করে শ্রাবন মাসে। আমাদের দেশে মাটি পাট চাষে বিশেষ উপযোগী হওয়ায় কৃষক এই পাট চাষ করে স্বাবলম্বী হতে পারেন।
বর্তমানে পাট চাষ তুলনামূলকভাবে কম হয়। কিছু কিছু চাষাবাদ হলেও সেগুলো শাক সবজি হিসেবেই বাজারে বেশি বিক্রি হয়। তবে পূর্বের ন্যায় এখন পাটের ব্যবহারও চোখে পড়ে না। গরু ছাগল বেধে রাখার কাজেও পাটের রশি তুলনামূলকভাবে ব্যবহার কম। এখন সেই স্থানটা দখল করে নিয়েছে লায়লন রশি। কি পরিবর্তন?
তবে ধানসহ অন্যান্য ফলন তুলনামূলকভাবে বাড়ছে, বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি ব্যবহার করে। জনসংখ্যা বাড়ার সাথে সাথে দেশে কৃষি পণ্যের উৎপাদন বেড়েছে তাতে কোন সন্দেহ নেই। আমার জানা মতে, ১৯৭০ থেকে ১৯৮২ সাল পর্যন্ত ব্যাপকহারে পাট চাষ দেখেছি, বর্তমানে তা নেই।
কৃষিতে বাবা-চাচারা যে অনুপাত হারে ফসল পেয়েছেন, সে অনুপাত এখন প্রায় চার গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই অন্যান্য কৃষির পণ্যের ন্যায় সোনালী আঁশ পাটের উৎপাদন ও ব্যবহার সরকারি ও বেসরকারিভাবে উদ্যোগ নিলে দেশে হারানো গৌরব আবারও উদ্ধার করা যেমন সম্ভব হবে। পাশাপাশি বিদেশে এর ব্যাপক চাহিদা মেটাতে বহুমুখী উদ্যোগ গ্রহণ করলে আমাদের দেশে কৃষক সমাজ ন্যায্য মূল্য পেয়ে উপকৃত হবেন এবং পাট চাষে সবাই এগিয়ে আসবেন।
ফাইল ছবি
হঠাৎ বন্যা পরিস্থিতি তীব্র আকার ধারণ করেছে ফেনী অঞ্চলে। সবচেয়ে ভয়াবহ অবস্থা দাড়িয়েছে ফেনীর ফুলগাজী, পরশুরাম ও ছাগলনাইয়া উপজেলায়। বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে বাড়িঘর, রাস্তাঘাট, ফসলি জমি, ভেসে গেছে পুকুর। এখনো হাজারো মানুষ পানিবন্দী অবস্থায় রয়েছে এসব জায়গায়।
এমন পরিস্থিতিতে এসব এলাকা পুরোপুরি বিদ্যুতহীন হয়ে পড়েছে। বন্ধ হয়ে গেছে মোবাইল নেটওয়ার্কও। ফেনীর নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দারা বলছেন, এই এলাকায় ১৯৮৮ সালের পর বন্যা পরিস্থিতি এতটা ভয়াবহ হয়নি আগে কখনো। ভারী বৃষ্টি ও ভারত থেকে আসা পানিতে ফেনীর মুহুরী, কহুয়া ও সিলোনিয়া নদীর পানি বিপৎসীমার অনেক ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ নৌবাহিনীর অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ থেকে জানা যায়, ফেনীতে উদ্ধার কাজে তিনটি কন্টিনজেন্ট কাজ করছে। আগের একটির পাশাপাশি আজ থেকে যুক্ত হয়েছে আরও দুটি কন্টিনজেন্ট।
পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, নৌবাহিনীর আরও দুটি কন্টিনজেন্ট ঢাকা ও চট্টগ্রাম থেকে রওনা হয়ে ফেনীতে বন্যা দুর্গত এলাকায় উদ্ধারকার্যে অংশগ্রহণ করছে। ডুবুরি সামগ্রী, লাইফ-জ্যাকেট, স্পিড বোট ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী ব্যবহৃত হচ্ছে উদ্ধারকার্যে। জরুরি চিকিৎসা সেবা ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম চলমান।
ফেনীর জেলা প্রশাসক বলেন, পরিস্থিতি এতটাই খারাপ যে, সবার কল্পনার বাইরে। এখন অনেক মানুষ পানিতে আটকা পড়েছে। তাদেরকে উদ্ধারে কাজ শুরু করেছে সেনাবাহিনী ও কোস্টগার্ড।
এদিকে, সারাদেশে বন্যাকবলিত জেলাগুলোয় বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) সব কর্মকর্তা ও কর্মচারীর ছুটি বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। তাদের নিজ নিজ কর্মস্থলে থেকে দায়িত্ব পালন করতে বলা হয়েছে। বুধবার (২১ আগস্ট) পাউবোর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এমন নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। সূত্র: বিডি প্রতিদিন