a বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম আবারও বাড়ল
ঢাকা শনিবার, ৪ মাঘ ১৪৩২, ১৭ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম আবারও বাড়ল


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
মঙ্গলবার, ২৩ আগষ্ট, ২০২২, ১২:৫৪
বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম আবারও বাড়ল

ফাইল ছবি

আবারও বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম বাড়ল। প্রতি লিটারে সাত টাকা করে বাড়ছে বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম। দাম বাড়ার পর বোতলজাত সয়াবিন তেল প্রতি লিটারে একশ ৯২ টাকা করে বিক্রি হবে। আজ মঙ্গলবার (২৩ আগস্ট) থেকেই এই দাম কার্যকর করা হবে জানানো হয়।

এক বিজ্ঞপ্তিতে মিল মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন এই তথ্য জানিয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চলতি মাসের ৩ তারিখ বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনকে (বিটিটিসি) দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেয় ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন। খোলা সয়াবিন তেলের লিটারপ্রতি দাম ১৮০ টাকা, এক লিটারের বোতল ২০৫ টাকা এবং পাঁচ লিটারের বোতল ৯৬০ টাকা করার প্রস্তাব দেয় তারা।

আজ দাম বাড়ানোর তথ্য জানালো ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন। সূত্র: কালের কন্ঠ

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আজ মাস জুড়ে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা শুরু


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
রবিবার, ২১ জানুয়ারী, ২০২৪, ০৯:৫০
আজ মাস জুড়ে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা শুরু

ফাইল ছবি

আজ মাস জুড়ে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা শুরু হচ্ছে। পূর্বাচল নতুন শহরে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে সকাল সাড়ে ১০টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মেলার উদ্বোধন করবেন। এ উপলক্ষে গতকাল শনিবার মেলা প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু বলেন, আমাদের মূল লক্ষ্য রপ্তানিকে বহুমুখী করার মাধ্যমে রপ্তানি বাণিজ্য বাড়ানো। গার্মেন্টেস খাতের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে দেশীয় পণ্যের রপ্তানি বহুমুখীকরণ করা। তিনি বলেন, আমরা এখন পাট এবং চামড়া শিল্পের ওপরে বিশেষ নজর দিচ্ছি। এই দুই খাতে অপার সম্ভাবনা রয়েছে।

বিদ্যুৎকেন্দ্র ও অপর পাশে বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনালের প্রতিচ্ছবি রাখা হয়েছে। মেলার সার্বিক প্রস্তুতি সম্পর্কে তিনি বলেন, মেলায় আগত দর্শনার্থীদের বা ভোক্তারা যেন প্রতারিত না হয় সে ব্যাপারে সর্বোচ্চ নজরদারি রাখা হবে। পাশাপাশি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। মেলা প্রাঙ্গণে পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন ও র‌্যাব নিয়োজিত থাকবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মেলা প্রাঙ্গণ ও প্রাঙ্গণের বাইরে নিয়মিত টহল দেবে।

উল্লেখ্য, প্রতি বছর ১ জানুয়ারি মেলা শুরু হলেও এবার দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কারণে পিছিয়ে আজ ২১ জানুয়ারি মেলা শুরু হচ্ছে। মেলার আয়োজক বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) জানিয়েছে, এবার মেলায়, তুরস্ক, ইন্দোনেশিয়া, হংকং, ইরান, ভারত, পাকিস্তানসহ ১৬ থেকে ১৮টি বিদেশি প্যাভিলিয়ন থাকবে। এছাড়া স্থানীয় উদ্যোক্তারাও তাদের পণ্য প্রদর্শন ও বিক্রি করবেন। সূত্র: ইত্তেফাক

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বেগম খালেদা জিয়াকে শেষ বিদায়


আরাফাত, বিশেষ প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বৃহস্পতিবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১১:৪৮
রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বেগম খালেদা জিয়াকে শেষ বিদায়

ছবি সংগৃহীত

 

নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসের অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব, তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া চিরনিদ্রায় শায়িত হয়েছেন। লাখো মানুষের অশ্রুসিক্ত ভালোবাসা আর রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাকে তার স্বামী, সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে সমাহিত করা হয়েছে।

বুধবার, (৩১ ডিসেম্বর ২০২৫) বিকেলে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে তার দাফন সম্পন্ন হয়। এর আগে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত হয় স্মরণকালের অন্যতম বৃহৎ জানাজা। যেখানে জনস্রোতে পরিণত হয়েছিল পুরো মানিক মিয়া এভিনিউ ও এর আশপাশের এলাকা। এই মানিক মিয়া এভিনিউতেই ১৯৮১ সালের ২ জুন খালেদা জিয়ার স্বামী তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জানাজা হয়েছিল। পরে তাকে সমাহিত করা হয় চন্দ্রিমা উদ্যানে, যার বর্তমান নাম জিয়া উদ্যান।

বুধবার, পুরো সংসদ ভবন এলাকার মানিক মিয়া এভিনিউ থেকে শুরু করে আশপাশের সব সড়ক ও উন্মুক্ত স্থান লোকে লোকার?ণ্য হয়ে ওঠে। লাখো মানুষ চোখের জলে প্রিয় নেত্রীকে শেষ বিদায় জানাতে জড়ো হন। কালো ব্যাজ, দলীয় পতাকা ও জাতীয় পতাকা হাতে অনেককে শোক প্রকাশ করতে দেখা যায়। জানাজার সময় বাদ জোহোর নির্ধারণ করা হলেও দুপুরের আগেই মানিক মিয়া এভিনিউ যেন এক আবেগঘন জনসমুদ্রে রূপ নেয়। জাতীয় সংসদ ভবনের ভেতরের মাঠ, বাইরের অংশ এবং পুরো মানিক মিয়া এভিনিউ ছাড়িয়ে আশপাশের সব সড়ক, অলিগলি থেকে অজস্র মানুষ জানাজায় শরিক হোন।

বুধবার, সকালে খালেদা জিয়ার মরদেহ এভারকেয়ার হাসপাতালের হিমঘর থেকে বের করা হয়। সকাল ৮টা ৫৩ মিনিটে মরদেহবাহী গাড়িটি হাসপাতালের গেইট দিয়ে বের হয়ে গুলশানের উদ্দেশে রওনা হয়। শুরুতে তার মরদেহ দীর্ঘদিনের বাসভবন ‘ফিরোজায়’ নেয়ার কথা থাকলেও, পরিকল্পনা পরিবর্তন করে তা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের গুলশান-২-এর ১৯৬ নম্বর বাসভবনে নিয়ে যাওয়া হয়।

সকাল ৯টা ১৬ মিনিটে মরদেহ সেখানে পৌঁছায়। সেখানে এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। সদ্য প্রয়াত মায়ের কফিনের পাশে বসে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত করেন  তারেক রহমান। এ সময় পরিবারের সদস্য, আত্মীয়-স্বজন এবং দলের সিনিয়র নেতারা উপস্থিত ছিলেন এবং তারা অশ্রুসজল চোখে প্রিয় নেত্রীকে শেষ শ্রদ্ধা জানান।

বেলা ১১টা ৫ মিনিটে তারেক রহমানের গুলশানের বাসা থেকে মরদেহ নিয়ে গাড়িবহর জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজার উদ্দেশে রওনা হয়। খালেদা জিয়ার মরদেহ বহনকারী ফ্রিজার ভ্যানটি লাল-সবুজ রঙের জাতীয় পতাকায় মোড়ানো ছিল। গাড়িবহরে তারেক রহমান, তার স্ত্রী জুবাইদা রহমান, কন্যা জাইমা রহমান এবং প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রীসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা ছিলেন। দুপুর পৌনে ১২টার দিকে মরদেহবাহী গাড়ি সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় প্রবেশ করে।

তবে ভোর থেকেই জানাজায় অংশ নিতে মানিক মিয়া এভিনিউ এবং এর আশপাশের এলাকায় মানুষ জড়ো হতে শুরু করেন। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বাস, মাইক্রোবাস ভাড়া করে, এমনকি পায়ে হেঁটে লাখো মানুষ এই জানাজায় অংশ নিতে আসেন।

সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক দিয়ে সকাল থেকেই মানুষের স্রোত নামে। জানাজা স্থল মানিক মিয়া এভিনিউয়ের দিকে যে যেভাবে পারছেন আসছেন। কেউ হেঁটে, কেউ বাস ও অন্যান্য যানবাহনে করে এসে জানাজাস্থলের আশপাশে অবস্থান নিচ্ছেন। সংসদ ভবন এলাকা ছাড়িয়ে যায় জানাজায় আসা মানুষের ঢল। শেষ পর্যন্ত দেখা যায় জানাজায় অংশ নিতে কয়েক লাখ লোক সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা, মানিক মিয়া এভিনিউ ছাড়াও ঢাকার বিভিন্ন সড়কে অবস্থান নিয়েছেন। ফলে সকাল থেকেই মানিক মিয়া এভিনিউ ও এর আশপাশের সড়কে যানচলাচল বন্ধ হয়ে যায়। সংসদ ভবন এলাকার মানিক মিয়া এভিনিউ থেকে রাজধানীর ফার্মগেট, বিজয় সরণি, খামারবাড়ি, কারওয়ান বাজার, পান্থপথ পর্যন্ত রাস্তাগুলো লোকে লোকারণ্য হয়ে ওঠে। জনস্রোত আশপাশের কয়েক কিলোমিটার এলাকা পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। সংসদ ভবনের আশপাশে বিভিন্ন সড়কে অবস্তান নিয়ে বিপুল মানুষ জানাজায় অংশ নেয়। এছাড়া আসাদ গেইট থেকে মোহাম্মদপুর পর্যন্ত, আগারগাঁও মেট্রো স্টেশন থেকে মিরপুর শিশু মেলার (শ্যামলী) কাছাকাছি পর্যন্ত এলাকার সড়কে বিপুল মানুষ জানাজায় অংশ নেন।

রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউতে দুপুর ৩টা ৩ মিনিটে খালেদা জিয়ার জানাজা শুরু হয়। জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি মোহাম্মদ আবদুল মালেক জানাজায় ইমামতি করেন। জানাজা ৩টা ৫ মিনিটে সম্পন্ন হয়।

জানাজায় লাখো মানুষের উপস্থিতি মানিক মিয়া এভিনিউকে এক বিশাল জনসমুদ্রে পরিণত করে। সাধারণ মানুষের পাশাপাশি জানাজায় অংশ নেন প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস এবং উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা। এছাড়া সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌ বাহিনী প্রধান এবং বিমানবাহিনী প্রধানও জানাজায় শরিক হন।

রাজনীতিবিদদের মধ্যে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যরা, জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান, সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, গণসংহতি আন্দোলনের জোনায়েদ সাকি এবং ভিপি নুরুল হক নুরসহ বিভিন্ন দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

জানাজার আগে বিএনপি চেয়ারপারসনের ছেলে ও দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান উপস্থিত জনতার উদ্দেশে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন। মায়ের মরদেহের সামনে দাঁড়িয়ে তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তিনি বলেন, ‘আমি মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার বড় সন্তান তারেক রহমান। আপনারা আমার মরহুমা মায়ের জন্য দোয়া করবেন।’

তারেক রহমান উপস্থিত সবার কাছে মায়ের ভুলত্রুটির জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে বলেন, ‘কেউ আমার মায়ের আচরণে বা কথায় কষ্ট পেয়ে থাকলে তার পক্ষ থেকে আমি ক্ষমাপ্রার্থী। কারও কাছে আম্মার কোনো ঋণ থাকলে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করবেন, আমি তা পরিশোধ করব।’ তিনি মহান আল্লাহর কাছে মায়ের বেহেশত নসিবের জন্য দোয়া কামনা করেন। এর আগে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান খালেদা জিয়ার বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন নিয়ে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন।

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আন্তর্জাতিক পরিম-লেও শোকের ছায়া নেমে আসে। জানাজায় অংশ নিতে এবং শ্রদ্ধা জানাতে ঢাকায় আসেন পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের স্পিকার সরদার আয়াজ সাদিক। তিনি তারেক রহমানের সঙ্গে দেখা করে সহমর্মিতা জানান। ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর ঢাকায় এসে তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং ভারতের শোকবার্তা হস্তান্তর করেন।

এছাড়াও ভুটানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং মালদ্বীপের মন্ত্রিসহ দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা শ্রদ্ধা জানাতে ঢাকায় আসেন। জানাজাস্থলে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, চীন, রাশিয়া, ইরান, কাতার, ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ ৩২টি দেশের দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত ও কূটনীতিকরা উপস্থিত ছিলেন।

জানাজা শেষে বিকেল ৪টার দিকে মরদেহবাহী ফ্রিজার ভ্যানটি জিয়া উদ্যানের উদ্দেশে রওনা হয়। ৪টা ৪২ মিনিটে সম্পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় এবং ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে খালেদা জিয়াকে সমাহিত করা হয়। তাকে দাফন করা হয় তার স্বামী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের ঠিক পাশেই।

দাফনের সময় সেনাবাহিনী হিউম্যান চেইন তৈরি করে রাষ্ট্রীয় প্রটোকল প্রদান করে। দাফন কাজ নির্বিঘ্ন করতে জিয়া উদ্যানে আগে থেকেই সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছিল। এর মাধ্যমে সাড়ে ৪৪ বছর পর জিয়াউর রহমানের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন তার সহধর্মিণী। উল্লেখ্য ১৯৮১ সালে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জানাজাও এই মানিক মিয়া এভিনিউতেই অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

জানাজা ও দাফন কার্যক্রমকে ঘিরে রাজধানীজুড়ে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল। এভারকেয়ার হাসপাতাল, জাতীয় সংসদ ভবন এবং জিয়া উদ্যান এলাকায় বিজিবি, সেনাবাহিনী, পুলিশ ও র? র‌্যবের সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছিল।

দিনভর মানিক মিয়া এভিনিউ ও আশপাশের এলাকায় যানচলাচল বন্ধ ছিল। শোকের প্রতীক হিসেবে নেতাকর্মীরা কালো ব্যাজ ধারণ করেন এবং বিভিন্ন স্থানে কালো পতাকা উত্তোলন করা হয়। বিএনপির পক্ষ থেকে ৭ দিনের শোক ঘোষণা করা হয়েছে এবং দলীয় কার্যালয়গুলোতে কোরআন খতম ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে লিভার, কিডনি, হৃদরোগ, ডায়াবেটিসসহ নানা জটিল রোগে ভুগছিলেন ৮০ বছর বয়সী এই প্রবীণ নেত্রী। চিকিৎসকদের সব প্রচেষ্টাকে ব্যর্থ করে দিয়ে গতকাল মঙ্গলবার ভোর ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। গত ২৩ নভেম্বর থেকে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন এবং সোমবার গভীর রাতে তার শারীরিক অবস্থার চরম অবনতি ঘটে। তার মৃত্যুর সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে পুরো দেশে শোকের ছায়া নেমে আসে। প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস আনুষ্ঠানিকভাবে জাতির উদ্দেশে এই সংবাদ জানান এবং তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেন। এছাড়া গত সারাদেশে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়। সূত্র: সংবাদ

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - অর্থনীতি