a
ফাইল ছবি
আবারও বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম বাড়ল। প্রতি লিটারে সাত টাকা করে বাড়ছে বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম। দাম বাড়ার পর বোতলজাত সয়াবিন তেল প্রতি লিটারে একশ ৯২ টাকা করে বিক্রি হবে। আজ মঙ্গলবার (২৩ আগস্ট) থেকেই এই দাম কার্যকর করা হবে জানানো হয়।
এক বিজ্ঞপ্তিতে মিল মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন এই তথ্য জানিয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চলতি মাসের ৩ তারিখ বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনকে (বিটিটিসি) দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেয় ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন। খোলা সয়াবিন তেলের লিটারপ্রতি দাম ১৮০ টাকা, এক লিটারের বোতল ২০৫ টাকা এবং পাঁচ লিটারের বোতল ৯৬০ টাকা করার প্রস্তাব দেয় তারা।
আজ দাম বাড়ানোর তথ্য জানালো ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন। সূত্র: কালের কন্ঠ
সংগৃহীত ছবি
এক লাফে সয়াবিন তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে লিটার প্রতি ৯ টাকা। এ তথ্য জানায় বৃহস্পতিবার (২৭ মে) বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন এক বিজ্ঞপ্তিতে।
এখন থেকে এক লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল বিক্রি হবে ১৫৩ টাকায়। আগে এর দাম ছিল ১৪৪ টাকা। এ ছাড়া পাঁচ লিটারের এক বোতল তেল পাওয়া যাবে ৭২৮ টাকায়। এছাড়া খোলা সয়াবিন তেল ১২৯ টাকা, পাম সুপার তেল ১১২ টাকায় লিটার প্রতি দরে বিক্রি হবে।
ভোজ্যতেল বিপণনকারী শীর্ষস্থানীয় কোম্পানি টি কে গ্রুপের পরিচালক (ফাইন্যান্স অ্যান্ড অপারেশনস) মো. শফিউল আথহার তাসলিম গণমাধ্যমকে বলেন, বিশ্ববাজারে তেলের দাম অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এজন্য আমদানি মূল্য লিটারপ্রতি ১৩ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে। তবে মন্ত্রণালয় ৯ টাকা বাড়ানোর বিষয়টি অনুমোদন দেয়। নতুন এ দরে আগামী শনিবার থেকে তেল বিক্রি হবে।
ছবি সংগৃহীত: অধ্যাপক ডক্টর একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী
ফুসফুসের সংক্রমণ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া সাবেক রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক ডা. একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী মারা গেছেন। শুক্রবার দিবাগত রাত ৩ টা ১৫ মিনিটে নিজের প্রতিষ্ঠিত উত্তরা মহিলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
বদরুদ্দোজা চৌধুরীর ছেলে মাহী বি. চৌধুরী তার ফেসবুক আইডিতে পোস্ট দিয়ে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। বদরুদ্দোজা চৌধুরীর বয়স হয়েছিল ৯৪ বছর। তিনি স্ত্রী, এক ছেলে, দুই মেয়ে এবং নাতি-নাতনীসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
খ্যাতিমান চিকিৎসক ও প্রবীণ রাজনীতিবিদ বদরুদ্দোজা চৌধুরী ১৯৩০ সালের ১১ অক্টোবর কুমিল্লা শহরে (প্রখ্যাত মুন্সেফ বাড়ি) নানাবাড়িতে জন্ম গ্রহণ করেন। নিজ বাড়ি মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার মজিদপুর দয়াহাটায়। তার বাবা অ্যাডভোকেট কফিল উদ্দিন চৌধুরী কৃষক প্রজা পার্টির সহ-সভাপতি, যুক্তফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক ও তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের প্রাদেশিক মন্ত্রিসভার সদস্য ছিলেন।
বি. চৌধুরী প্রয়াত রাষ্ট্রপতি মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানের শাসনকালে ১৯৭৮ সালে রাজনীতিতে আসেন। তিনি মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর থেকে ১৯৭৯ সালে প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং কেবিনেট মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯১ সালে তিনি দ্বিতীয়বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং প্রথমে শিক্ষামন্ত্রী ও পরে সংসদ উপনেতা হন। ১৯৯৬ সালে তিনি সংসদে বিরোধীদলীয় উপনেতার দায়িত্ব পালন করেন।
সর্বশেষ ২০০১ সালে তিনি পুনরায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং একই বছরের অক্টোবর থেকে নভেম্বর পর্যন্ত বিএনপি সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন। তিনি ২০০১ সালের ১৪ নভেম্বর বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন এবং ২০০২ সালের ২১ জুন পর্যন্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।