a যুক্তরাষ্ট্রে একের পর এক বন্ধ হয়ে যাচ্ছে ব্যাংক
ঢাকা বুধবার, ১ মাঘ ১৪৩২, ১৪ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

যুক্তরাষ্ট্রে একের পর এক বন্ধ হয়ে যাচ্ছে ব্যাংক


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সোমবার, ১৩ মার্চ, ২০২৩, ১২:২২
যুক্তরাষ্ট্রে একের পর এক বন্ধ হয়ে যাচ্ছে ব্যাংক

ফাইল ছবি

সিলিকন ভ্যালি ব্যাংক বন্ধ হয়ে যাওয়ার তিন দিনের মধ্যে বন্ধ হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আরেকটি ব্যাংক। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের সংবাদে বলা হয়েছে, গতকাল রোববার নিউইয়র্কভিত্তিক সিগনেচার ব্যাংক বন্ধ করে দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা। যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে ব্যাংক বন্ধের ঘটনার দিক থেকে এটি তৃতীয় বৃহত্তম নজির।

যথারীতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ডিপোজিট ইনস্যুরেন্স করপোরেশন (এফডিআইসি) সিগনেচার ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে নিয়েছে। রয়টার্সের সংবাদে বলা হয়েছে, সিগনেচার ব্যাংকের মোট সম্পদের পরিমাণ ১১ হাজার ৩৬ কোটি ডলার এবং তাদের আমানত আছে ৮ হাজার ৮৫০ কোটি ডলার।

তবে এই ব্যাংক বন্ধ হয়ে যাওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের করদাতাদের ঘাড়ে কোনো নতুন চাপ আসবে না বলে জানিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজস্ব বিভাগ। অর্থাৎ এসভিবি বা সিগনেচার ব্যাংককে বেইল আউট করা হবে না। আমানতকারীদের স্বার্থও রক্ষা করা হবে জানিয়েছে তারা।

এসভিবির মতো সিগনেচার ব্যাংক বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঘোষণা অনেকটা আকস্মিকভাবেই আসে। সাপ্তাহিক ছুটির দিন হলেও গতকাল রোববার সিগনেচার ব্যাংকের ম্যানহাটনের প্রধান কার্যালয়ে এক বৈঠকে উপস্থিত হওয়ার জন্য কর্মীরা জড়ো হয়েছিলেন। এমনকি ইতালীয় রেস্তোরাঁ কারমিন থেকে দুপুরের খাবারের অর্ডারও দিয়েছিলেন তাঁরা, সঙ্গে ছিল স্টারবাকসের কফি। কিন্তু ব্যাংক বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণা আসার সঙ্গে সঙ্গে কর্মীরা এক এক করে প্রধান কার্যালয় থেকে বেরিয়ে আসেন।

এই ব্যাংক বন্ধ করে দেওয়ার সুনির্দিষ্ট কারণ জানা না গেলেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজস্ব বিভাগ ও ফেডারেল রিজার্ভের যৌথ ঘোষণায় বলা হয়েছে, মার্কিন অর্থনীতি সুরক্ষিত এবং মানুষের আস্থা ধরে রাখতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আমানতকারীদের স্বার্থ সুরক্ষায় এফডিআইসি সিগনেচার ব্যাংকের সব হিসাব ফিফথ থার্ড ব্যাংক করপোরেশনে স্থানান্তর করেছে। আজ সোমবার থেকেই গ্রাহক করে তাঁর হিসাব ব্যবহার করতে পারবেন।

যৌথ ঘোষণায় বলা হয়েছে, শেয়ারহোল্ডার ও কিছু অরক্ষিত ঋণগ্রহীতা সুরক্ষার আওতায় আসবে না। ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষকে ইতিমধ্যে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া অরক্ষিত আমানতকারীদের সুরক্ষা দিতে এফডিআইসির যদি কোনো ক্ষতি হয়, তা সিগনেচার ব্যাংকের বিশেষ মূল্যায়নের মাধ্যমে পুষিয়ে নেওয়া হবে। আইনি ব্যাখ্যার আওতায় তা করা হবে।

যৌথ ঘোষণায় আরও বলা হয়েছে, দুটি ব্যাংক বন্ধ ঘোষণা করা সত্ত্বেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক খাত শক্তি ভিতের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। মূলত, ০০৮ সালের আর্থিক সংকটে পর যেসব সংস্কার করা হয়েছিল, সেগুলোই আজ যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাংক খাতের সুরক্ষা দিচ্ছে। তৎকালীন সংস্কার কর্মসূচির সঙ্গে বর্তমান কর্মসূচির সমন্বয়ের মাধ্যমে আমানতকারীরা সুরক্ষিত আছেন। সূত্র: প্রথম আলো

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

অগ্রণী ব্যাংকের দীর্ঘ দিনের বকেয়া বিল প্রদান ও এজেন্ট সার্ভার চালুর দাবি


সাইফুল আলম, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শনিবার, ০৬ ডিসেম্বর, ২০২৫, ০৬:৪০
অগ্রণী ব্যাংকের দীর্ঘ দিনের বকেয়া বিল প্রদান ও এজেন্ট সার্ভার চালুর দাবি

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

 

সাইফুল আলম, ঢাকা:  রাষ্ট্রীয় অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি এর হঠকারী সিদ্ধান্তে গত ১৯ শে জুন ২০২৫ ইং হতে ৬ মাস ধরে এজেন্ট ব্যাংকিং সার্ভার বন্ধের প্রতিবাদে এবং অনতিবিলম্বে সকল দেনা পাওনা ক্ষতিপূরণসহ পরিশোধ করে রাষ্ট্রীয় অগ্রণী এর এজেন্ট সার্ভার চালুর দাবিতে আজ ০৩-১২-২০২৫ ইং বুধবার সকাল ১১:০০ ঘটিকায় তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হল, জাতীয় প্রেস ক্লাবে দীর্ঘ দিনের বকেয়া বিল প্রদান ও এজেন্ট সার্ভার চালুর দাবিতে এক “সংবাদ সম্মেলন” আয়োজন করে অগ্রণী ব্যাংকের সকল এজেন্ট উদ্যোক্তা।

লিখিত বক্তব্য দেন আহ্বায়ক মোঃ আবু সাইদ। তিনি বলেন, আমি নিম্নস্বাক্ষরকারী অগ্রণী ব্যাংকের এজেন্ট মালিক প্রতিনিধি। ২০১৬ সাল থেকে আমরা অগ্রণী ব্যাংক কর্তৃক এজেন্ট ব্যাংকিং এর মাধ্যমে ৫৬ হাজার বর্গমাইলের বাংলাদেশে ৫৬৭ জন এজেন্ট পয়েন্টের মাধ্যমে গ্রাম বাংলার বিভিন্ন ভাতা ভোগি, প্রবাসী, নারী, কৃষক, শ্রমিক, রেমিটেন্স গ্রহণকারী ও মেহনতি মানুষের ব্যাংকিং সেবা দিয়ে আসছি।

কিন্তু গত ২০ জুন ২০২৫ ইংরেজি তারিখে রাষ্ট্রায়ত্ত অগ্রণী ব্যাংক কোন প্রকার পূর্ব নোটিশ ব্যাতিরেখেই আমাদের এজেন্ট ব্যাংকিং সেবা সম্পূর্ণরূপে বন্ধ রাখে। ফলশ্রুতিতে দেশের প্রায় ১০.৫০ লক্ষ গ্রাহক, ৫ লক্ষ অনলাইন ব্যাংকিং গ্রাহক সেবা ও রেমিটেন্স প্রদানে এক চরম দুর্ভোগ পরিস্থিতিতে পড়ে এবং ৫৬৭ জন এজেন্ট ও ৩০০০ জন কর্মকর্তা কর্মচারীদের ভাগ্যে নেমে আসে অমাবস্যার ঘোর অন্ধকার।

পাশাপাশি প্রান্তিক এজেন্ট উদ্যোক্তাদের বিনিয়েগের কোটি কোটি টাকা ক্ষতির সম্মুখীন হয়। এমতাবস্থায় এজেন্ট, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ দেশের প্রচলিত আইন শৃঙ্খলা ও জনদুর্ভোগের কথা মাথায় রেখে আমরা গত ২৪/১১/২০২৫ইং অগ্রণী ব্যাংকের সারাদেশের সকল এজেন্ট উদ্যোক্তা চরম হতাশা ও ক্ষোভ নিয়ে ৫ম বারের মত টানা ১০ দিন ধরে অগ্রণী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে আমরণ অবস্থান কর্মসূচি পালন করছি।

উপস্থিত সকল সাংবাদিকদের মাধ্যমে আমরা প্রধান উপদেষ্টার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি এবং অনতিবিলম্বে সকল দেনা পাওনা ক্ষতিপূরণসহ পরিশোধ করে রাষ্ট্রীয় অগ্রণী এর এজেন্ট সার্ভার চালু করুন। তাহলে আমরা যারা সাধারন কর্মকর্তা আছি এবং উদ্যোক্তা আছি এবং এজেন্ট ব্যাংকার আছি আমরা আমাদের পরিবার পরিজন নিয়ে বাঁচতে পারব।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

আজ রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের বর্ষপূর্তি


আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শুক্রবার, ২৪ ফেরুয়ারী, ২০২৩, ১২:২৪
আজ রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের বর্ষপূর্তি

ফাইল ছবি

গত বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি শুরু হয় রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ। যুদ্ধ এখনো কোনো পক্ষ জয় পাইনি। প্রতিদিন শোনা যায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ও মৃত্যুর খবর।

বৃস্পতিবার কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা বেশ কয়েকজন বিশেষজ্ঞের মতপ্রকাশ করেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুই দেশের শান্তির গন্তব্য বহুদূরে। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে সামরিক অভিযানের নির্দেশ দিয়েছিলেন। এ নিয়ে যুদ্ধের বর্ষপূর্তির প্রাক্কালে পুতিন সেই নির্দেশের সমর্থনে কথাও জানান। তবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ইউক্রেনের পক্ষে সমর্থন খুঁজে বেড়াচ্ছেন।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, পুতিন যখন জাতীয় ভাষণে জ্বালাময়ী কথা বলছেন, ঠিক তখনই ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি খেরসনে রাশিয়ার হামলার শোকে বিলাপ করছেন। 

তবে আলজাজিরার বিশেষজ্ঞরা বিভিন্ন মত দিয়েছেন। অনেকেই বলছেন, রাশিয়া-ইউক্রেন কারও পর্যাপ্ত অস্ত্র নেই। আগ্রাসী সাম্রাজ্যবাদী রাষ্ট্র হিসেবে রাশিয়াকে দুর্বল করে দেওয়ার জন্য জয় আসা উচিত বলেও মনে করেন অনেকে। এ ছাড়া রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ দীর্ঘ সময় ধরে চলতে পারে।

যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা নিয়ে আশঙ্কার যেন শেষ নেই দাবি করে তিনি বলেন, দুই দেশের কোনো পক্ষেরই জয়ের সরাসরি কোনো পথ পরিষ্কার নয়। ইউক্রেনকে ধ্বংস করে দেওয়ার ক্ষেত্রে রাশিয়ার লক্ষ্যে পরিবর্তন আসেনি বলে মনে করেন ওয়াশিংটনভিত্তিক জেমসটাউন ফাউন্ডেশনের প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক পাভেল লুজিন।

জার্মানির ব্রেমেন বিশ্ববিদ্যালয় ইতিহাসবিদ নিকোলায় মিত্রোখিন বলেন, মৌলিক দৃশ্যকল্প রাশিয়া কিংবা ইউক্রেন কোনো দেশই তাদের লক্ষ্য অর্জন করতে পারবে না। 

রাশিয়ার গোটা দোনবাস দখলের সক্ষমতা নেই বললেই চলে। দেশটি জাতি হিসেবে ইউক্রেনকে ধ্বংস করে দেবে এটি অনেকের ধারণা। 

ইউক্রেনের সামরিক বাহিনীর সাবেক উপপ্রধান ইহর রোমানেঙ্কো বলেন, জানুয়ারির শেষ দিক থেকে রাশিয়ান বাহিনী অগ্রসর হচ্ছে। খারকিভের কিপিয়ানস্ক থেকে দীর্ঘ একটি যুদ্ধক্ষেত্র রয়েছে। পাঁচ দিক— কুপিয়ানস্ক, লেম্যান, বাখমুত, আদভিভকা ও শাখতার থেকে ভুহলেদার পর্যন্ত সব পথ, হাজার কিলোমিটারের বেশি হবে। 

লন্ডনের কিংস কলেজের রুশ রাজনীতির অধ্যাপক গুলনাজ শরাফুতদিনোভা বলেন, যুদ্ধের শুরুতে থাকা লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হওয়ার পাশাপাশি সামরিক বিপর্যয় সত্ত্বেও এখনো পুতিনের অবস্থান সুদৃঢ়। সূত্র: যুগান্তর

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - অর্থনীতি