a
ফাইল ছবি
আজ ২০২৪ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল রোববার (১২ মে) সকাল সোয়া ১০টার দিকে গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর হাতে ফলাফলের সারসংক্ষেপ ও পরিসংখ্যান তুলে দেন।
এরপর মাধ্যমিক ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। পরে ১১টায় ফলাফল নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং অনলাইনে একযোগে প্রকাশ করা হয়।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভিত্তিক রেজাল্ট শিট পেতে বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে। এরপর রেজাল্ট কর্নারে ক্লিক করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ইআইআইএন (EIIN) অ্যান্ট্রি করতে হবে। তাহলে ওই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের রেজাল্ট শিট ডাউনলোড করা যাবে।
ফলাফল প্রকাশের পর শিক্ষার্থীরা শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইট ও এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানতে পারবে। ওয়েবসাইটে রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, পরীক্ষার নাম, বছর ও শিক্ষা বোর্ড সিলেক্ট করে সাবমিট বাটনে ক্লিক করে ফল জানা যাবে। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বোর্ড, ঢাকার পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক মো. আবুল বাসার স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে এ কথা বলা হয়।
এছাড়া মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমেও ফলাফল জানা যাবে। ফোনের মেসেজ অপশনে গিয়ে SSC লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে আবার স্পেস দিয়ে পাসের বছর লিখে পাঠাতে হবে 16222 নম্বরে। উদাহরণ: SSC Dha 123456 2024, লিখে 16222 নম্বরে পাঠাতে হবে। ফিরতি এসএমএসে জানা যাবে ফলাফল।
২০২৪ সালের এসএসসি, দাখিল, এসএসসি (ভোকেশনাল) ও দাখিল (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ছিল ২০ লাখ ২৪ হাজার ১৯২ জন। গতবারের চেয়ে এবার পরীক্ষার্থী কমেছে প্রায় ৪৮ হাজার।
এবার ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীন এসএসসির তত্ত্বীয় পরীক্ষা ১৫ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়ে ১২ মার্চ শেষ হয়। ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ হয় ২০ মার্চ। মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীন দাখিলের তত্ত্বীয় পরীক্ষা ১৪ মার্চ এবং ব্যবহারিক পরীক্ষা ২১ মার্চ শেষ হয়। আর কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন এসএসসি ও ভোকেশনালের তত্ত্বীয় পরীক্ষা ১২ এবং ব্যবহারিক পরীক্ষা ২১ মার্চ শেষ হয়।
সম্প্রতি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১২ মে (রোববার) সকাল ১০টায় গণভবনে চলতি বছরের মাধ্যমিক ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল ও পরিসংখ্যান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে শিক্ষামন্ত্রী সংবাদ সম্মেলন করে ফলাফলের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন। সূত্র: ঢাকানিউজ২৪
ছবি:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
দীর্ঘ প্রায় তিন বছরেও ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধনের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা নিতে পারেনি বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। এরই প্রেক্ষিতে ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার্থীবৃন্দ এক বিশাল মানববন্ধন করেন। আজ ২০শে জুন ২০২২ইং সোমবার সকাল বেলা এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয় এনটিআরসিএ ভবনের সামনে, রেড ক্রিসেন্ট বোরাক টাওয়ার, ৩৭/৩/এ ইস্কাটন গার্ডেন রোড, রমনা ঢাকায়। মানববন্ধন শেষে এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান বরাবর স্মারকলিপি দেয়া হয়।
এসময় অনেক পরীক্ষার্থী আবেগে আপ্লূত হয়ে পড়েন। ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা দীর্ঘ প্রায় তিন বছর যাবৎ অনুষ্ঠিত না হবার জন্য অনেকেই দুঃখ ও কষ্ট প্রকাশ করেছেন। অনেকেই বলেন, তাদের বয়স বাড়ছে। তাই পরীক্ষা বিলম্বিত হলে এক সময় দেখা যাবে ভাইভা পরীক্ষা ভালো করার পরও গনবিজ্ঞপ্তি থেকে বাদ পরে যেতে পারেন। এনটিআরসিএ যেন দ্রুত পরীক্ষা নেন তাই সকলকে নিয়ে আজ মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন উক্ত ১৭ তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার্থীবৃন্দ এর মানববন্ধন পরিচালক ও উপস্থাপক মোহাম্মদ ইয়াছিন আরাফাত খান খাদেম। সাথে ছিলেন প্রচার সম্পাদক কামরুল ইসলাম, সকল নেতাকর্মীসহ অনেক পরীক্ষার্থীবৃন্দ এবং অন্যান্যদের মধ্যে ছিলেন প্রিন্ট, অনলাইন ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা।
মানববন্ধন শেষে এনটিআরসিএ পরিচালক (পরীক্ষা মূল্যায়ন ও প্রত্যয়ন) তাহসিনুর রহমানের কাছে সরাসরি স্মারকলিপি প্রদান করেছে পরীক্ষার্থীরা। সবার সামনে তিনি সবাইকে আশ্বস্থ করেছেন সম্ভাব্য কোরবানি ঈদের আগে ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার প্রিলিঃ ও লিখিত পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করবেন।
তাদের স্মারকলিপিতে ছিল, আমরা ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধন প্রত্যাশী। বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে এদেশের সংবিধানকে চূড়ান্ত আইন মনে করি। আমরা গর্বিত এই ভেবে যে, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান এর সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্ব'র কারনে এদেশের শিক্ষাখাত এগিয়ে চলছে দুর্বার গতিতে। একটি জাতি গড়ার কারিগর হলেন শিক্ষক। বেসরকারি স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষক নিয়োগের দায়িত্ব ''বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)'' এর উপর ন্যস্ত। এনটিআরসিএ প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০৫ সালে। প্রতিষ্ঠার পর ১ম থেকে ১৬তম নিবন্ধন পরীক্ষা শেষ করেছে।
বাংলাদেশে প্রায় ২ লক্ষ বেকারের চাকুরীর সুপারিশ করে তারা স্বচ্ছতার পরিচয় দিয়েছে। প্রতি বছর ধারাবাহিকভাবে বিজ্ঞপ্তি দেয়ার মাধ্যমে আপনার প্রতিষ্ঠান ২০২০ সালের ২৩শে জানুয়ারি ১৭ তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা নেয়ার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। ২০২০ সালের ২৫শে মে প্রিলিমিনারি পরীক্ষা এবং ৭-৮ আগস্ট লিখিত পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল। পরবর্তীতে করোনা ভাইরাস, লকডাউন ও অন্যান্য কারনে পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। পরবর্তীতে লকডাউন শিথিল করা হলে অন্যান্য মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরে বিভিন্ন পরীক্ষা নেয়া হলেও আমাদের পরীক্ষা নেয়া হয়নি। বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রিলিমিনারি ও গনবিজ্ঞপ্তির বয়স ৩৫ বছর। এরই ধারাবাহিকতায় আমরা গত ২২শে আগস্ট ২০২১, ১৬ নভেম্বর ২০২১ এবং ৩০শে মে ২০২২ পর পর ৩ বার স্মারকলিপি প্রদান করি। যদি ১৭ তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা নিতে আরও বিলম্ব হয় তাহলে এক সময় দেখা যাবে ভাইভা পরীক্ষা ভালো করার পরও গনবিজ্ঞপ্তি থেকে বাদ পরে যেতে পারেন। কারন অনেকেই ৩২ বা ৩৩ বছর বয়সে আবেদন করেছিলেন। তাদের বয়স বাড়ছে।
তাই অতি দ্রুত পরীক্ষা নেয়ার আহ্বান জানান সবাই। এনটিআরসিএ জানান, স্বাস্থ্যবিধি মেনে দ্রুত পরীক্ষা গ্রহন করলে এদেশের শিক্ষিত সমাজ জাতি গঠন করার কারিগর হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান এর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
ফাইল ছবি । রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন
ইসলাম ধর্ম এবং রাশিয়ায় বসবাসকারী মুসমানদের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
তিনি বলেছেন, “ইসলাম শান্তির ধর্ম, এ ধর্মের অনুসারীরা ঐতিহ্যগতভাবে সুশৃঙ্খল এবং রাষ্ট্রীয় নিয়ম-নীতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল। মুসলিমরা খুবই সামাজিক এবং তাদের শিষ্টাচার ও পারিবারিক বন্ধন অটুট।”
পবিত্র ইদুল আজহায় মুসলিম নেতাদের শুভেচ্ছা জানিয়ে ইসলামের শান্তি বাণী প্রচার করায় তাদের ধন্যবাদ জানান। খবর আনাদোলু এজেন্সির।
ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে বর্তমানে সবচেয়ে বেশি ৩ কোটি মুসলমান বসবাস করছেন রাশিয়ায়। খ্রিস্টান প্রধান দেশটির দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্ম বর্তমানে ইসলাম।
অপর এক পৃথক বিবৃতিতে রুশ প্রধানমন্ত্রী মিখাইল মিশুসতিনও মুসলিমদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, রাশিয়ার মুসলমানরা নিজ দেশের মূল্যবোধকে ধারণ করে এবং দেশের অগ্রগতিতে অবদান রাখছে। এ কারণে রাশিয়ায় দিন দিন দ্যূতি ছড়াচ্ছে এবং প্রসার ঘটছে ইসলামের।
ইদুল আজহা উপলক্ষে মস্কোর মেয়র সার্গে সোবিয়ানিনও পৃথক এক বাণীতে মুসলিমদের শুভেচ্ছা জানান।