a আজ বৃহস্পতিবার হতে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের ফরম পূরণ শুরু
ঢাকা বুধবার, ৩০ পৌষ ১৪৩২, ১৪ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

আজ বৃহস্পতিবার হতে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের ফরম পূরণ শুরু


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
বৃহস্পতিবার, ১২ আগষ্ট, ২০২১, ০৫:০০
আজ বৃহস্পতিবার হতে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের ফরম পূরণ শুরু

সংগৃহীত ছবি

মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে আটকে থাকা চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণ আজ বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হয়েছে। এই কার্যক্রম চলবে আগামী ২৫ আগস্ট পর্যন্ত। শিক্ষার্থীরা ফরম পূরণের ফি পরিশোধের শেষ তারিখ আগামী ৩০ আগস্ট পর্যন্ত।

চলতি বছর প্রথমবারের মতো সফটওয়্যারের মাধ্যমে ফরম পূরণ শুরু করেছে শিক্ষাবোর্ডেগুলো। সকল কার্যক্রমটি চলবে অনলাইনে।

গত ৩১ জুলাই এ সংক্রান্ত নিয়ম ঠিক করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। আন্তঃশিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ও ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর আমিরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ১২ আগস্ট থেকে ২৫ আগস্ট পর্যন্ত ফরম পূরণ কার্যক্রম চলবে। আর ৩০ আগস্ট পর্যন্ত ফরম পূরণের জন্য শিক্ষাবোর্ড কর্তৃক এসএমএম পাওয়া শিক্ষার্থীরা ফি পরিশোধ করতে পারবেন। তার আগে ১১ আগস্ট সম্ভাব্য পরীক্ষার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়, এবার কোনো নির্বাচনী পরীক্ষা হবে না। তাই এ সংক্রান্ত কোনো ফি নেয়া যাবে না। কোনো প্রতিষ্ঠান এসব আইন অমান্য করলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। কেবল বৈধ রেজিস্ট্রেশনধারী শিক্ষার্থীরা ফরম পূরণ করতে পারবেন। অননুমোদিত রেজিস্ট্রেশনধারী শিক্ষার্থীকে ফরম পূরণ করলে কোনো ধরনের যোগাযোগ ছাড়াই তা বাতিল করা হবে।

বিজ্ঞান বিভাগে ১১৬০ টাকা, মানবিক ও ব্যবসা শিক্ষা বিভাগে ১০৭০ টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। ফরম সংক্রান্ত কোনো সমস্যা বা অতিরিক্ত অর্থ আদায় করলে ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের কন্ট্রোল রুমে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। কন্ট্রোল রুমের ফোনগুলো হচ্ছে-

ফোন-০২-৯৬৬৯৮১৫, ০২-৫৬৬১১০১৮১, ০২-৫৮৬১০২৪৮, ০১৬১০৭১১৩০৭, ০১৬২৫৬৩৮৫০৮, ০১৭২২৭৯৭৯৬৩

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

গুচ্ছ পরীক্ষার চূড়ান্ত আবেদনে ১ সেপ্টেম্বর শুরু


এম.এস প্রতিদিন ডেস্ক:
রবিবার, ২২ আগষ্ট, ২০২১, ১০:১৭
গুচ্ছ পরীক্ষার চূড়ান্ত আবেদনে ১ সেপ্টেম্বর শুরু

ফাইল ছবি

সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার চূড়ান্ত আবেদন করতে ১২শ টাকা লাগবে। শনিবার (২১ আগস্ট) গুচ্ছভুক্ত বিশ্বদ্যিালয়গুলোর উপাচার্যদের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গুচ্ছ আবেদনে ফি দিগুণের বিষয়ে ভর্তিচ্ছুদের মধ্যে নানান কৌতূহল জন্ম নিয়েছে।

সভা শেষে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার টেকনিক্যাল কমিটির আহ্বায়ক ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোনাজ আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

অধ্যাপক ড.মোনাজ আহমেদ বলেন, আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে চূড়ান্ত আবেদন শুরু হবে। চূড়ান্ত আবেদন ফি ১২শ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রাথমিক আবেদনে যারা নির্বাচিত হবেন শুধুমাত্র তাদেরকে এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানানো হবে। রবিবার থেকে ফল প্রদান শুরু হবে। এবিষয়ে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিস্তারিত জানানো হবে।

তিনি আরও বলেন, ভর্তি নির্দেশিকা অনুসারে শিক্ষার্থীদের পছন্দের ক্রমানুসারে কমপক্ষে পাঁচটি পরীক্ষাকেন্দ্র সিলেক্ট করতে হবে। আবেদনকারী বর্তমানে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত থাকলে, সেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম ও অধ্যয়নের বিষয়–সংক্রান্ত তথ্য প্রদান করতে হবে।

অধ্যাপক মোনাজ আহমেদ নূর আরও বলেন, আমরা প্রথমে ৬০০ টাকা করে ফি নেওয়ার কথা ভেবেছিলাম। কিন্তু শনিবারের মিটিংয়ে ১ হাজার ২০০ টাকা নেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

আবেদনের ফি দিগুণ করার বিষয়ে তিনি বলেন, ”প্রাথমিক আবেদনে ভর্তিচ্ছু সংখ্যা অনেক কম। অন্যন্যা বিশ্ববিদ্যালয়েও আবেদনকারীর সংখ্যা এবার তুলনামূলকভাবে কম। সেটার অন্য কোন কারণ থাকতে পারে।

ভর্তি প্রক্রিয়ার ওভারল বিষয়টি পরিচালনা করার বিষয়টি ফিক্সড কস্ট।। আমার ধরেছিলাম সাড়ে ৪ লাখের মতো প্রাথমিক আবেদন করবে। সেখানে বাণিজ্য ও মানবিকে প্রাথমিক আবেদন কম পড়ছে। কিন্তু দেখা যাচ্ছে আবেদন পড়েছে ৩ লাখ ৬০ হাজারের মতো। এজন্য আমাদের খুব ডিফিকাল্ট হয়ে যাবে ফিক্সড কস্টটা চালানোর। ভর্তি প্রক্রিয়ার খরচটাতো আর কেউ বহন করবে না। এ জন্য ২০ উপাচার্যের গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার কোর কমিটির মিটিংয়ে চূড়ান্ত ভর্তি পরীক্ষার ফি ৬০০ টাকা থেকে বেড়ে দ্বিগুণ অর্থাৎ ১২০০ টাকা করা হয়েছে।”

জানা গেছে, গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার প্রাথমিক আবেদন পড়েছে তিন লাখ ৬১ হাজার শিক্ষার্থী। এর মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগে মোট আবেদন করেছেন এক লাখ ৯২ হাজার শিক্ষার্থী, বাণিজ্য বিভাগে মোট আবেদন করেছেন ৫৮ হাজার আর মানবিকে আবেদন করেছেন ১ লাখ সাত হাজার শিক্ষার্থী।

গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হলো:

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, মওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়। পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটি, শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / khurshedalm@msprotidin.com

বাংলাদেশি নূসরাত যুক্তরাষ্ট্রে ফেডারেল জজ হলেন


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
শুক্রবার, ০৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০৭:০৮
বাংলাদেশি নূসরাত যুক্তরাষ্ট্রে ফেডারেল জজ হলেন

ফাইল ছবি

যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল কোর্টে জজ হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন একজন বাংলাদেশি-আমেরিকান। তার নাম নূসরাত জাহান চৌধুরী (৪৪)। তিনি আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়নের আইনগত পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

বুধবার সিনেটর অফিস থেকে এ তথ্য জানানো হয়। নিউ ইয়র্ক থেকে নির্বাচিত সিনেটর চাক শ্যুমারের সুপারিশে নূসরাত চৌধুরী ছাড়া আরও দুই নারী জেসিকা ক্লার্ক (৩৮) এবং নীনা মরিসনকে (৫১) ইস্টার্ন ডিস্ট্রিক্ট এবং সাউদার্ন ডিস্ট্রিক্ট কোর্টের জজ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

এক বিবৃতিতে চাক শ্যুমার বলেন, “মানবাধিকার এবং নাগরিক অধিকার সম্পর্কিত আইনে সম্যক ধারণা রাখা নূসরাত ইতোমধ্যে নিজের বিচক্ষণতা প্রদর্শনে সক্ষম হয়েছেন। একেবারে শেকড় থেকে অপরাধের ধরণ নির্ণয় এবং অপরাধীকে যথাযথ শাস্তি প্রদানে তার এ অভিজ্ঞতা বিচার ব্যবস্থাকে স্বচ্ছ রাখতে অপরিসীম ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছি।”

ফেডারেল কোর্টের ভাবমূর্তি সমুন্নত রাখতে এ তিন নারীর নিয়োগ বিভিন্ন মহল থেকে অভিনন্দিত হচ্ছে। তিনজনেরই নাম প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের দপ্তর থেকে প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

নূসরাত চৌধুরী ইলিনয় স্টেটে আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়নের অ্যাটর্নি হিসেবে কর্মরত রয়েছেন গত বছর থেকে। মানবাধিকার এবং নাগরিক স্বাধীনতার প্রশ্নে ন্যায়-বিচার নিয়ে কর্মরত ২০ জন অ্যাটর্নির একটি টিমের নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন নূসরাত। এর আগে আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়নের ন্যাশনাল অফিসে বর্ণ-বিচার বিষয়ক প্রোগ্রামের ডাইরেক্টর ছিলেন ২০০৮ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - শিক্ষা