a এইচএসসি, এসএসসি ও পঞ্চম শ্রেণির ক্লাস হবে প্রতিদিন
ঢাকা বৃহস্পতিবার, ৩০ মাঘ ১৪৩২, ১২ ফেরুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

এইচএসসি, এসএসসি ও পঞ্চম শ্রেণির ক্লাস হবে প্রতিদিন


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
রবিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০৬:০৪
এইচএসসি, এসএসসি ও পঞ্চম শ্রেণির ক্লাস হবে প্রতিদিন

ফাইল ছবি

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, আগামী ১২ সেপ্টেম্বর থেকে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান শুরু হবে। আর প্রতিদিন হবে এইচএসসি, এসএসসি ও পঞ্চম শ্রেণির ক্লাস। তবে বাড়িতে করোনা রোগী থাকলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে না আসার অনুরোধ জানান তিনি।

রবিবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে জানানো হয়। শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

ডা. দীপু মনি বলেন, শুরুর দিকে ২০২১ সালে যারা এসএসসি ও এইচএসসি এবং ২০২১ সালে যারা এসএসসি পরীক্ষা দেবেন তাদের প্রতিদিন স্কুলে আসতে হবে। এছাড়াও পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন ক্লাসে আসবে।

তিনি বলেন, ১২ সেপ্টেম্বর শুরুর দিন ৪-৫ ঘণ্টা ক্লাস হবে। পর্যায়ক্রমে ক্লাসের সংখ্যা বাড়বে। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে চেকলিস্ট পূরণ করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে হবে। র‌্যান্ডম স্যাম্পলিং করে সংক্রমণের ঝুঁকি থাকলে বন্ধ করার সিদ্ধান্তও নেওয়া হতে পারে।

স্কুলে প্রবেশের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের সারিবদ্ধভাবে প্রবেশ করাতে হবে। স্কুলে আপাতত কোনো অ্যাসেম্বলি হবে না। তবে ফিজিক্যাল অ্যাক্টিভিটি বা খেলাধুলা চলবে যাতে শারীরিক ও মানসিকভাবে ভালো থাকতে পারে।
 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

পরিস্থিতি প্রতিকূল থাকলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার ঝুঁকি নেব না: শিক্ষামন্ত্রী


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
শনিবার, ২৯ মে, ২০২১, ০৩:৪৭
পরিস্থিতি প্রতিকূল থাকলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার ঝুঁকি নেব না: শিক্ষামন্ত্রী

ফাইল ছবি। শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি

 

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতি যদি নিয়ন্ত্রণে থাকে তাহলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হবে। তবে পরিস্থিতি প্রতিকূল থাকলে মানুষের স্বাস্থ্যকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হবে না। 

এক ভার্চুয়াল সম্মেলনে শনিবার (২৯ মে) এমন মন্তব্য করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, কোনো আন্দোলনের মুখেই জনগণের জীবন নিয়ে অবহেলা করবে না সরকার। 

এসময় ডা. দীপু মনি বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার ব্যাপারে সরকারের সব প্রস্তুতি নেওয়া আছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে যথাসময়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হবে।

প্রসঙ্গত, এর আগে বৃহস্পতিবার (২৭ মে) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে জারি করা এক নির্দেশনায় বলা হয়েছিল, করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলে আগামী ১৩ জুন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা এবং শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

"বিনামূল্যে থ‍্যালাসেমিয়া টেস্ট" কর্মসূচি জবি বাঁধন


মুন্না শেখ, জবি প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
মঙ্গলবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৫, ১০:১৮
বিনামূল্যে থ‍্যালাসেমিয়া টেস্ট কর্মসূচি জবি বাঁধন

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

 

মুন্না শেখ, জবি প্রতিনিধি: ২২ এপ্রিল ২০২৫ মঙ্গলবার, "বাঁধন" জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিট এর আতিথেয়তায় বিনামূল্যে ১০০ জনের থ‍্যালাসেমিয়া টেস্ট করালো BioTed, সহযোগিতায় Base Care Foundation Bangladesh এবং GenX Health. 

Thalassamia Awareness & Screening Campaign এ উপস্থিত ছিলেন মাননীয় ভিসি অধ্যাপক ড. রেজাউল করিম পিএইচডি, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমিন, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তাজাম্মুল হক, অন্যান্য শিক্ষক, কর্মকর্তা,  কর্মচারি এবং BioTED এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ড. মোহাম্মদ সওগাতুল ইসলাম। 

উপস্থিত বক্তব্যে মাননীয় ভিসি অধ্যাপক ড. রেজাউল করিম পিএইচডি বলেন "এটা একটা মহাৎ উদ্যোগ নিয়েছে বাঁধন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিট। তিনি আরও বলেন থ্যালাসেমিয়া রোগ সম্পর্কে মানুষকে আরও সচেতন করা উচিত। বিশেষ করে তরুণ তরুণী এবং যুবকদেরকে"B ioTED এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ড. সওগাতুল ইসলাম বলেন "আমরা এই রোগটা নিয়ে কাজ করছি বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে কিন্তু জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আমাদের লিস্টে ছিলো না৷ জবির বাঁধন ইউনিটের বর্তমান সভাপতি উম্মে  মাবুদা ও সাধারণ সম্পাদক তাসনিমুল হাসান নিশাদ আমাদের কে বলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে এটা নিয়ে কাজ করার জন্য। তখন আমরা উদ্যোগ নি। এবং আজকে ১০০ জনের ফ্রি টেস্ট করা হবে। 

তিনি বলেন থ্যালাসেমিয়ার কারণে মানবদেহে রক্তের হিমোগ্লোবিন তৈরির ক্ষমতা কমে যায়, রোগী অ্যানিমিয়ায় আক্রান্ত হয়। একসময় রক্তস্বল্পতায় রোগী মারা যায়।
সমীক্ষায় দেখা গেছে বাংল দেশের প্রায় ১১% মানুষ থ‍্যালাসেমিয়ার বাহক। স্বামী-স্ত্রী দু'জনই থ্যালাসেমিয়ার বাহক হলে সন্তান থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বহুগুণে বেড়ে যায়। তাই থ‍্যালাসেমিয়া প্রতিরোধে বিয়ের আগে স্বামী-স্ত্রীর থ‍্যালাসেমিয়া টেস্ট করা অত‍্যন্ত জরুরি" 'নিজে সচেতন হই, অন‍্যকে সচেতন করি'

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - শিক্ষা